অষ্টম শ্রেণি বাংলা
সাহিত্য মেলা
স্বাধীনতা কবিতার প্রশ্ন উত্তর।
সূচিপত্র:
ক)লেখক পরিচিতি
খ) উৎস
গ) বিষয়সংক্ষেপ
ঘ) নামকরন
ঙ) হাতেকলমে সমাধান
চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
ক)লেখক পরিচিতি:
ল্যাংস্টন হিউজের পুরো নাম James Mercer Langston Hughes। তিনি ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির জোপলিন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এই মার্কিন কবি সমাজকর্মী,ঔপন্যাসিক,নাট্যকার এবং প্রাবন্ধিক হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেন। ‘The Weavy Blues’ (১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ) তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থের The Negro Speaks of Rivers’ কবিতাটি দারুণ খ্যাতি অর্জন করে। ‘The Crisis’ পত্রিকায় তাঁর লেখা অধিকাংশ কবিতা মুদ্রিত হয়। তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘Fine Clothes to the Jew,The Negro Mother and Other Dramatic Recitations,Dear Lovely Death, ইত্যাদি। তিনি ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে Witter Bynner Undergraduate Poetry Prize ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে Lincoln Universityর ডিলিট এবং ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্মানিক ডক্টরেট লাভ করেন।কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ল্যাংস্টন হিউজের একটি কবিতা ‘মজুরদের ঝড়’ নাম দিয়ে অনুবাদ করেছিলেন।১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে এই বিখ্যাত কবি মারা যান।
খ)উৎস:
প্রখ্যাত মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’ কবিতাটি ‘The Weavy Blues’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
গ)সারসংক্ষেপ:
কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’ কবিতায় স্বাধীনতার জন্য সাধারণ মানুষের একান্ত ইচ্ছার কথা ঘোষিত হয়েছে। কবি বলেছেন,ভয় বা সমঝোতার মধ্য দিয়ে কোনোদিনই স্বাধীনতা আসবে না। বিজয়ী শক্তির মতোই পরাজিত মানুষেরও স্বাধীনতা ও সাম্যের অধিকার রয়েছে। স্বাধীনতার জন্য আর অপেক্ষা করতে তারা রাজি নয়। বহুকাল ধরে তারা নতুন সমাজের স্বপ্ন দেখেছে আর নতুন নতুন সম্ভাবনার কথা শুনে এসেছে,অথচ বাস্তবে পরিস্থিতি কিছুই বদলায়নি।পরাধীনতার গ্লানিতে মানুষ আজ স্বাধীনতা চায়। মৃত্যুর পর যাবতীয় দুঃখ,কষ্ট,শোক,যন্ত্রণার,ঊর্ধ্বে উঠে যায় মানুষ। তাই তখন তার কাছে ‘স্বাধীনতা’ শব্দটাই অর্থহীন হয়ে পড়ে। আগামীকালের রুটি পাওয়ার সম্ভাবনা যেমন আজকের খিদে মেটায় না, ঠিক তেমনই আসন্ন স্বাধীনতার ছেলেভুলানো তত্ত্বে আজকের পরাধীন, বঞ্চিত ও বিপন্ন মানুষকে ভোলানো যাবে না। “স্বাধীনতা’কে কবি এক শক্তিশালী বীজপ্রবাহ’ আখ্যা দিয়ে বোঝাতে চান, বীজের ভেতরে যেমন থাকে শক্তিশালী মহিরুহের সম্ভাবনা, তেমনই মানুষের স্বাধীনতার ইচ্ছাতেও থাকে তার ভবিষ্যৎ সমাজ জীবনের স্বপ্ন ও সম্ভাবনা। মানমর্যাদা নিয়ে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য স্বাধীনতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। তাই স্বাধীনতার চেতনা সর্বদাই জেগে থাকে।
ঘ)নামকরণ:
সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে নামকরণের একটি বিশেষ ভূমিকা আছে। মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’ কবিতাটিতে মুক্তিকামী অগণিত কৃষাঙ্গ মানুষের সম্মিলিত দাবি তুলে ধরা হয়েছে।বহুদিন ধরে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের উপর হয়ে আসা নিগ্রহের প্রতিবাদে,তাদের ঐক্যবদ্ধ করে তোলার উদ্দেশ্যে রচিত আলোচ্য কবিতাটি।কবি বলেছেন,ভয় বা সমঝোতার মধ্য দিয়ে কখনোই স্বাধীনতা আসবে না। আর এই স্বাধীনতা লাভ একমাত্র ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই সম্ভব-এই সত্য উপলব্ধির কথা কবি জানিয়েছেন।কবি এই কবিতায় পরাজিত দেশ ও জাতির মানুষদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। স্বাধীনতা ছাড়া মানুষের পক্ষে ভদ্রভাবে বেঁচে থাকা অসম্ভব। মানুষের জীবনের সেই সর্বপ্রধান চাহিদাই এই কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে।তাই কবিতাটির নামকরণ সার্থক ও যথার্থ ও হয়েছে।
ঙ) হাতেকলমে সমাধান
১)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।
১.১) ল্যাংস্টন হিউজের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর:ল্যাংস্টন হিউজের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম- The Weavy Blues’।
১.২)তিনি কোন্ দেশের রেনেসাঁসের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত?
উত্তর:কবি,ঔপন্যাসিক,নাট্যকার এবং সমাজকর্মী ল্যাংস্টন হিউজ বিশ শতকের কুড়ির দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্লেম রেনেসাঁসের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত।
২)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।
২.১)স্বাধীনতা বলতে কী বোঝ?কী কী বিষয়ে মানুষের স্বাধীনতা প্রয়োজন বলে তুমি মনে কর?
উত্তর:‘স্বাধীনতা’ শব্দের অর্থ নিজের অধীনে থাকা। স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাচ্ছন্দ্যের ভাব বোঝাতেই স্বাধীনতা শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।দেশের স্বাধীনতা বলতে অন্য জাতির অধীনে না থাকা ও নিজের মতো করে কাজ করা এবং বেঁচে থাকাকে বোঝানো হয়ে থাকে। ‘স্বাধীন’ (বিণ) শব্দ থেকে ‘স্বাধীনতা’(বি) শব্দটি তৈরি হয়েছে।
* অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান,মত প্রকাশ-এইসবমৌলিক চাহিদা পুরণে মানুষের স্বাধীনতা থাকা একান্ত প্রয়োজনীয় বলে আমি মনে করি।
২.২)মানুষ পরাধীন হয় কখন?
উত্তর:মানুষ যখন অন্য কোনো মানুষ বা রাষ্ট্রশক্তির অধীনতা স্বীকারে বাধ্য হয়,অর্থাৎ তাকে অপরের বশ্যতা স্বীকার করতে হয়, তখনই সে পরাধীন হয়ে পড়ে।
২.৩)পরাধীন মানুষের স্বাধীনতা পাওয়ার পথগুলি কী?
উত্তর: পরাধীনতা মানুষ-সহ সমগ্র জীবজগতের কাছেই অভিশাপ। যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন মানবগোষ্ঠী স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রাণ বাজি রেখে সংগ্রাম করেছে। কাজেই পরাধীনতা প্রধান পথই হল
গণসংগ্রাম।তীব্র আন্দোলনের পথ ধরেই আসে বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। আর এই আন্দোলন তখনই বাস্তবায়িত হবে,যখন সমাজের সকল স্তরের জনগণ নিজেদের মধ্যে ঐক্য খুঁজে পাবেন। মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক বোধের সঞ্চার ও বিকাশ তাকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করবে।এক বা একাধিক নেতৃত্বের অধীনেই গণ-উত্থান সম্ভব।জাতির মধ্যে সততা ও জাগ্রত করাই স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম পদক্ষেপ।
২.৪)‘স্বাধীনতা’ কবিতাটির মধ্যে দুটি-পক্ষ আছে- আমি পক্ষ আর তুমি -পক্ষ। এই আমি- পক্ষ আর তুমি-পক্ষ -এর স্বরূপ বিশ্লেষণ করো । এই ক্ষেত্রে সে পক্ষ নেই কেন ?
উত্তর: মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’ কবিতায় দুটি পক্ষ আছে- ‘আমি-পক্ষ’কবিতায় পরাধীন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেছে আর ‘তুমি-পক্ষ’ সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রতিনিধিত্ব করেছে। ‘তুমি-পক্ষ’ হল স্বাধীন এবং স্বার্থপর মানুষের প্রতিনিধি। পরাধীন মানুষ সরাসরি এই কবিতায় অভিযুক্ত করেছে তার স্বাধীনতা হরণকারীকে। এই কারণেই কবিতায় এই দুটি পক্ষের প্রসঙ্গ রয়েছে। স্বাধীনতাকামী মানুষের অভিযোগ সরাসরি সাম্রাজ্যবাদীদের শক্তির বিরুদ্ধে হওয়ায় এখানে অন্য কোনো পক্ষের উল্লেখ প্রয়োজন হয়নি।
২.৫)’সময়ে/সবই হবে,কাল একটা নতন দিন’- কবিতার মধ্যে উদ্ধৃতিচিহ্নের ভিতরে থাকা কথাটি কার /কাদের কথা বলে তোমার মনে হয়? তারা এ ধরনের কথা বলেন কেন ?
উত্তর: কবি ল্যাংস্টন হিউজের ‘স্বাধীনতা’ কবিতা থেকে উদ্ধৃত ‘ভিতরে থাকা’ কথাটি শাসকের উচ্চারণ বলে আমার মনে হয়।
* শাসক দলের পক্ষে মানুষেরা পরাধীন মানুষকে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ থেকে বিরত রাখার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করে থাকেন।তাঁরাই স্বাধীনতাকামী মানুষকে এ ধরনের কথা বোঝাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু যাঁদের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে,সেইসব সাধারণ মানুষ এমন তত্ত্বকথায় ভুলতে রাজি নয়। এমন কথা বারবার শুনে শুনে তাদের কান পচে গেছে।তাই মানুষ আন্দোলন বা বিপ্লবের মাধ্যমে নিজের স্বাধীনতা অর্জন করতে চায়।দেশে দেশে, কালে কালে সাধারণ মানুষের মধ্যে আন্দোলন গড়ে উঠেছে এবং সামাজিক বন্ধন ও বিধিনিষেধ থেকে,পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে তাদের মুক্তি ঘটেছে।
২.৬)’আগামীকালের রুটি \দিয়ে কি আজ বাঁচা যায়’- এখানে আগামীকাল আর আজ বলতে কীবোঝানো হয়েছে ?
উত্তর:কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’কবিতায়
আগামীকাল’বলতে ভবিষ্যতে যখন দেশ স্বাধীন হবে সেই সময়কার কথা বোঝানো হয়েছে।
* আগামীকালের রুটি হল স্বাধীনতা পাওয়া,যা রুটির মতোই প্রতিটি মানুষের জীবনে প্রয়োজনীয়। কিন্তু সময়ের নিয়মেই সব ঠিক হয়ে যাবে—এমন তত্ত্বকথায় দীর্ঘদিন বিশ্বাস ও আস্থা রাখতে পারে না সাধারণ মানুষ।
*’আজ’ বলতে কবিতায় বর্তমান সময়ের পরাধীন অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
অত্যাচারী শাসক পরাধীনতার অপমান থেকে মুক্তি চাওয়া মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে, তাদের মানবতাকে হরণ করছে। কবি বলতে চেয়েছেন, ভবিষ্যতের কোনো অনিশ্চিত সম্ভাবনার আশায় কখনোই বর্তমানের সংগ্রামকে স্থগিত রাখা উচিত নয়।
৩)নিম্নলিখিত পক্তিগুলির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
৩.১) ‘মৃত্যুর পরে তো আমার ..প্রয়োজন হবে না।’
উত্তর: মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’ কবিতা থেকে আলোচ্য উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে।
*উদ্ধৃতাংশে সেই পরাধীন জীবনেরই যন্ত্রণাময় বাস্তব ছবি ফুটে উঠেছে। রক্তমাংস দিয়ে গড়া যে-কোনো জীবিত মানুষের চেতনায় স্বাধীনতার বোধ থাকাই স্বাভাবিক। তার অস্থিতে-মজ্জায় রয়েছে স্বাধীনতার চেতনা। তাই মৃত্যুর পরে মানুষের কাছে স্বাধীনতা কোনো অর্থই বহন করে আনে না। অথচ পরাধীনতা তার বেঁচে থাকাকে আরও যন্ত্রণাদায়ক করে তোলে। মানুষ জীবিত অবস্থাতেই স্বাধীনভাবে বাঁচতে চায় এবং এই কারণেই সে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সচেষ্ট হয়।
৩.২)’স্বাধীনতা একটা শক্তিশালী বীজপ্রবাহ।’
উত্তর: প্রখ্যাত মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’ শীর্ষক কবিতা থেকে আলোচ্য উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে।
* উক্ত পঙক্তিটিতে স্বাধীনতাকে একটি শক্তিশালী বীজপ্রবাহ বলা হয়েছে। বীজের মধ্যেই থাকে বৃক্ষের বড়ো হওয়ার সম্ভাবনা। বীজটি আলো, জল ও উত্তাপের সংস্পর্শে অঙ্কুরিত হয়ে বৃক্ষশিশুর জন্ম দেয়। ক্রমে তা শাখা-প্রশাখায়, ফুলে-ফলে বিকশিত হয়ে থাকে। তেমনই দেশ ও জাতির উন্নতিতেও স্বাধীনতা অত্যন্ত প্রয়োজন। আত্মসম্মান,আত্ম- অধিকার এক প্রজন্ম থেকে অপর এক প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় স্বাধীনতার মাধ্যমেই। তাই কবি একে শক্তিশালী বীজপ্রবাহ বলেছেন।
৩.৩) ‘আমাদেরও তো অন্য সকলের ..জমির মালিকানার’।
উত্তর:মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজ রচিত ‘স্বাধীনতা’ কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে।
আলোচ্য অংশে ‘আমাদের’ বলতে পরাধীন, পরাজিত জাতির কথা বলা হয়েছে,যারা বিদেশি শক্তির কাছে নত হয়েছে। বিজয়ী মানুষের মতো পরাধীন মানুষেরও অধিকার রয়েছে নিজের জন্মভূমিতে আত্মসম্মান ও নিজের সামান্যতম অধিকারটুকু পাওয়ার।
*এখানে মানুষের প্রাথমিক চাহিদা ও মৌলিক অধিকারের জন্য দাবি জানানো হয়েছে। অথচ এই দাবির প্রতি শাসকবর্গ চরম উদাসীন। মুক্তিকামী মানুষের দাবির প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এর ফলে ক্ষোভ জমতে জমতে সাধারণ মানুষ বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
৩.৪)’স্বাধীনতা আমার প্রয়োজন /তোমার যেমন।’
উত্তর:মার্কিন কবি ল্যাংস্টন হিউজের লেখা ‘স্বাধীনতা’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
*উদ্ধৃতাংশে ‘আমার’ বলতে পরাধীন,অন্যের পদানত মানুষকে বোঝানো হয়েছে। অন্যদিকে ‘তোমার’ বলতে শাসক তথা বিজয়ী শক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কবিতার শেষ স্তবকের মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ সাম্রাজ্যবাদী অর্থাৎ অন্যের স্বাধীনতা হরণকারী শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১) স্বাধীনতা কবিতাটি লিখেছেন-
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ)কাজী নজরুল ইসলাম
গ) ল্যাংস্টন হিউজ
ঘ) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর:(গ) ল্যাংস্টন হিউজ
২) ল্যাংস্টন হিউজের প্রথম কাব্যগ্রন্থ-
ক)jerico Crow
গ) ল্যাংস্টন হিউজ
গ)The Ways of white Flocks
ঘ)Male Bone
উত্তর:(গ) ল্যাংস্টন হিউজ
৩) ল্যাংস্টন হিউজের লেখা কবিতাটি হল-
ক) সমঝোতা
খ) পরাধীনতা
গ) স্বাধীনতা
ঘ) বোঝাপড়া
উত্তর:(গ) স্বাধীনতা
৪)’আজ নয় /কোনোদিনই নয়/ভয় অথবা সমঝোতার মধ্যে’- কী নয় বলে মনে করো?
ক)শত্রুতা
খ) বন্ধুত্ব
গ) স্বাধীনতা
ঘ) খেলা
উত্তর:(গ) স্বাধীনতা
৫)স্বাধীনতা’ কবিতায় কী কোনোদিনই আসবে না?-
ক) দখল
খ) পরিত্রাণ
গ) অধিকার
ঘ) স্বাধীনতা
উত্তর:(ঘ) স্বাধীনতা
৬) স্বাধীনতা আমার প্রয়োজন-
ক) তার যেমন
খ)তাদের যেমন
গ)তোমার যেমন
ঘ) ওদের যেমন
উত্তর:(গ)তোমার যেমন
৭) স্বাধীনতা একটি শক্তিশালী-
ক) জল প্রবাহ
খ) বিদ্যুৎ প্রবাহ
গ) বীজপ্রবাহ
ঘ) বায়ু প্রবাহ
উত্তর:(গ) বীজপ্রবাহ
৮)’আমার কোন স্বাধীনতা প্রয়োজন হবে না’- কখন? ক)বিদেশে যাওয়ার পরে
খ) মৃত্যুর পরে
গ) সব পাওয়ার পরে
ঘ) চাকরি পাওয়ার পরে
উত্তর:(খ) মৃত্যুর পর



