উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস MCQ প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal WBCHSE Class 12th History
Porjotokder Chokhe 3rd Semester
Question and Answer
Father of Modern Geodesy বলা হয় – (A) টলেমি (B) আল-মাসুদি (C) অল-বিরুনি (D) ইবন বতুতা Ans: (C) অল-বিরুনি অল-বিরুনি জন্মগ্রহণ করেন – (A) ১০৫০ খ্রিস্টাব্দে (B) ৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে (C) ১০১৭ খ্রিস্টাব্দে (D) ৯৯০ খ্রিস্টাব্দে Ans: (B) ৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে সুলতান মামুদ খোয়ারিজম রাজ্যে অভিযান চালান – (A) ১০০১ খ্রিঃ (B) ১০১৭ খ্রিঃ (C) ১০৩০ খ্রিঃ (D) ৯৮৫ খ্রিঃ Ans: (B) ১০১৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান মামুদ ভারত আক্রমণ করেন – (A) ১১ বার (B) ১৩ বার (C) ১৫ বার (D) ১৭ বার Ans: (D) ১৭ বার খোয়ারিজম রাজ্য অভিযানের সময় অল-বিরুনিকে গজনিতে নিয়ে আসেন – (A) ইবনে সিনা (B) সুলতান মামুদ (C) ইবন বতুতা (D) আব্বাস ইবন ফিরনাস Ans: (B) সুলতান মামুদ অল-বিরুনি নিযুক্ত হন – (A) প্রধান সেনাপতি হিসেবে (B) শিক্ষক হিসেবে (C) রাজজ্যোতিষীর পদে (D) সুলতানের অনুবাদক হিসেবে Ans: (C) রাজজ্যোতিষীর পদে অল-বিরুনি ভারতে আসেন – (A) ১২শ শতকে (B) খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে (C) খ্রিস্টীয় দশম শতকে (D) ১৩শ শতকে Ans: (B) খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে অল-বিরুনি বলেছেন, হিন্দুরা লেখেন – (A) উপরের দিক থেকে নিচে (B) ডানদিক থেকে বামদিকে (C) বামদিক থেকে ডানদিকে (D) কেন্দ্র থেকে প্রান্তে Ans: (C) বামদিক থেকে ডানদিকে ভারতে অল-বিরুনি সংস্কৃত ভাষা শেখেন – (A) গ্রামবাসীদের থেকে (B) রাজন্যবর্গের কাছ থেকে (C) ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের কাছ থেকে (D) মন্দির পুরোহিতদের থেকে Ans: (C) ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের কাছ থেকে পতঞ্জলির মহাভাষ্যের আরবি অনুবাদ করেন – (A) ইবনে খালদুন (B) অল-বিরুনি (C) আল মাসুদি (D) ইবন বতুতা Ans: (B) অল-বিরুনি ভারতের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অল-বিরুনির রচিত গ্রন্থ – (A) কিতাব-উল-রেহলা (B) তহকিক-ই-ইসলাম (C) কিতাব-উল-হিন্দ (D) তহকিক-ই-আলম Ans: (C) কিতাব-উল-হিন্দ যে পর্বে ব্রাহ্মণ নিজ গৃহ ত্যাগ করে সমাজের বাইরে নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করতেন – (A) ব্রহ্মচর্য (B) গার্হস্থ্য (C) সন্ন্যাস (D) বানপ্রস্থ Ans: (D) বানপ্রস্থ ‘কিতাব-উল-হিন্দ’ গ্রন্থটি রচিত – (A) ফারসি ভাষায় (B) সংস্কৃতে (C) আরবি ভাষায় (D) উর্দু ভাষায় Ans: (C) আরবি ভাষায় ‘কিতাব-উল-হিন্দ’ গ্রন্থটি অপর যে নামে সুপরিচিত – (A) হিন্দুস্তান (B) তহকিক-ই-হিন্দ (C) কিতাব-ই-ভারত (D) তহকিক-ই-আলম Ans: (B) তহকিক-ই-হিন্দ অল-বিরুনি তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তে ভারতকে যে নামে উল্লেখ করেছেন – (A) হিন্দুস্তান (B) সিন্ধুপ্রদেশ (C) অল-হিন্দ (D) ভরতবর্ষ Ans: (C) অল-হিন্দ ভারতে এসে অল-বিরুনি প্রথম যে সমস্যার সম্মুখীন হন – (A) খাদ্য সমস্যা (B) বাসস্থান সমস্যা (C) ভাষাগত সমস্যা (D) ধর্মীয় সমস্যা Ans: (C) ভাষাগত সমস্যা ‘হিন্দু’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে – (A) সংস্কৃত ভাষা থেকে (B) প্রাচীন পারসিক শব্দ থেকে (C) আরবি শব্দ থেকে (D) গ্রীক শব্দ থেকে Ans: (B) প্রাচীন পারসিক শব্দ থেকে যে আশ্রম পর্বে পরিমিত ও নিরামিষ আহার বাধ্যতামূলক ছিল – (A) গার্হস্থ্য (B) বানপ্রস্থ (C) সন্ন্যাস (D) ব্রহ্মচর্য Ans: (D) ব্রহ্মচর্য আরবরা সিন্ধুনদের পূর্বের এলাকাকে বলতেন – (A) সিন্ধুপ্রদেশ (B) অল-হিন্দ (C) হিন্দুস্তান (D) তুর্কিস্তান Ans: (B) অল-হিন্দ ভারতকে ‘হিন্দুস্তান’ নামে উল্লেখ করেন – (A) গ্রীকরা (B) আরবরা (C) পারসিকরা (D) তুর্কিরা Ans: (D) তুর্কিরা তুর্কিরা হিন্দুস্তানের ভাষাকে যে নামে উল্লেখ করত – (A) সংস্কৃত (B) হিন্দাভি (C) আরবি (D) পারসিক Ans: (B) হিন্দাভি অল-বিরুনির বিবরণ অনুযায়ী, কনৌজের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল পরিচিত ছিল – (A) আর্যাবর্ত (B) মধ্যদেশ (C) পূর্বাঞ্চল (D) দক্ষিণাঞ্চল Ans: (B) মধ্যদেশ আদি বৈদিক যুগে ‘বর্ণ’ বলতে বোঝাত – (A) জাতি (B) কর্ম (C) গায়ের রং (D) ভাষা Ans: (C) গায়ের রং ভারতীয় সমাজের চতুর্বর্ণ প্রথা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন – (A) আল-মাসুদি (B) হিউয়েন সাঙ (C) অল-বিরুনি (D) মেগাস্থেনিস Ans: (C) অল-বিরুনি বর্ণপ্রথার সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করেন – (A) ক্ষত্রিয় (B) বৈশ্য (C) শূদ্র (D) ব্রাহ্মণ Ans: (D) ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণের উৎপত্তি হয়েছে – (A) ব্রহ্মার উরু থেকে (B) ব্রহ্মার পা থেকে (C) ব্রহ্মার মুখমণ্ডল থেকে (D) ব্রহ্মার হাত থেকে Ans: (C) ব্রহ্মার মুখমণ্ডল থেকে পূজার্চনা, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা করার অধিকার ছিল – (A) ক্ষত্রিয়দের (B) বৈশ্যদের (C) শূদ্রদের (D) ব্রাহ্মণদের Ans: (D) ব্রাহ্মণদের অল-বিরুনির ভারত ভ্রমণ কালে সর্বাধিক প্রচলিত বর্ণমালা ছিল – (A) নাগরী (B) ব্রাহ্মী (C) দেবনাগরী (D) সিদ্ধমাতৃকা Ans: (D) সিদ্ধমাতৃকা বর্ণব্যবস্থার দ্বিতীয় স্তরে ছিলেন – (A) বৈশ্য (B) ক্ষত্রিয় (C) শূদ্র (D) ব্রাহ্মণ Ans: (B) ক্ষত্রিয় ক্ষত্রিয়দের উৎপত্তি হয়েছে – (A) ব্রহ্মার মুখ থেকে (B) ব্রহ্মার পা থেকে (C) ব্রহ্মার উরু থেকে (D) ব্রহ্মার বাহু থেকে Ans: (D) ব্রহ্মার বাহু থেকে অল-বিরুনির মতে, ক্ষত্রিয়রা কেবল অধিকারী ছিলেন – (A) রাজনীতি পরিচালনার (B) পূজা করার (C) বেদপাঠের (D) ব্যবসা পরিচালনার Ans: (C) বেদপাঠের দেশশাসন, দেশরক্ষা এবং যুদ্ধবিগ্রহ করা কাদের প্রধান কর্তব্য ছিল বলে অল-বিরুনি লিখেছেন – (A) ব্রাহ্মণদের (B) বৈশ্যদের (C) শূদ্রদের (D) ক্ষত্রিয়দের Ans: (D) ক্ষত্রিয়দের বৈশ্যদের উৎপত্তি হয়েছে – (A) ব্রহ্মার মাথা থেকে (B) ব্রহ্মার বাহু থেকে (C) ব্রহ্মার পা থেকে (D) ব্রহ্মার উরুযুগল থেকে Ans: (D) ব্রহ্মার উরুযুগল থেকে বর্ণব্যবস্থার চতুর্থ বা সর্বশেষ স্তরে অবস্থান করেন – (A) বৈশ্যরা (B) ক্ষত্রিয়রা (C) ব্রাহ্মণরা (D) শূদ্ররা Ans: (D) শূদ্ররা দেবতা ব্রহ্মার পা থেকে উৎপত্তি হয়েছে – (A) শূদ্রদের (B) ব্রাহ্মণদের (C) ক্ষত্রিয়দের (D) বৈশ্যদের Ans: (A) শূদ্রদের শূদ্রদের প্রধান কর্তব্য ছিল – (A) কৃষিকাজ (B) যুদ্ধে অংশগ্রহণ (C) ব্রাহ্মণদের সমস্তরকম সেবা করা (D) ব্যবসা করা Ans: (C) ব্রাহ্মণদের সমস্তরকম সেবা করা অল-বিরুনি জন্মগ্রহণ করেন মধ্য এশিয়ার – (A) বুখারা (B) তুর্কিস্তান (C) খোয়ারিজম (D) গজনি Ans: (C) খোয়ারিজম শূদ্র পিতা ও ব্রাহ্মণ মাতার সন্তান সমাজে পরিচিত ছিল – (A) অন্ত্যজ নামে (B) ম্লেচ্ছ নামে (C) অচ্ছ্যুত নামে (D) শূদ্র নামে Ans: (C) অচ্ছ্যুত নামে বর্ণচ্যুতদের নিম্নস্তরে অবস্থান ছিল – (A) অচ্ছ্যুতদের (B) অন্ত্যজদের (C) বৈশ্যদের (D) সিদ্ধদের Ans: (A) অচ্ছ্যুতদের হিন্দু ছাড়া অন্যদের অল-বিরুনি যে নামে অভিহিত করেছেন – (A) অনার্য (B) যবন (C) ম্লেচ্ছ (D) অসুর Ans: (C) ম্লেচ্ছ অল-বিরুনি যাদের জীবনযাত্রায় চতুরাশ্রম-এর অস্তিত্ব লক্ষ করেছেন – (A) বৈশ্যদের (B) ক্ষত্রিয়দের (C) ব্রাহ্মণদের (D) শূদ্রদের Ans: (C) ব্রাহ্মণদের ‘আশ্রম’ শব্দের অর্থ – (A) গৃহ (B) পথ (C) ধর্ম (D) আশ্রয় Ans: (D) আশ্রয় যত বছর বয়স থেকে ব্রহ্মচর্য শুরু হত – (A) ৬ বছর (B) ৮ বছর (C) ১০ বছর (D) ১২ বছর Ans: (B) ৮ বছর কিশোর ব্রাহ্মণকে দ্বিজত্বে বরণ করা হয় – (A) ৫ বছর বয়সে (B) ৭ বছর বয়সে (C) ৮ বছর বয়সে (D) ৯ বছর বয়সে Ans: (C) ৮ বছর বয়সে অল-বিরুনির বর্ণনানুযায়ী, গার্হস্থ্য আশ্রমের প্রধান কাজ – (A) তপস্যা (B) বিবাহ করে সংসারধর্ম পালন (C) দীক্ষা গ্রহণ (D) ব্যবসা Ans: (B) বিবাহ করে সংসারধর্ম পালন যে কাজ ব্রাহ্মণদের ক্ষেত্রে একপ্রকার নিষিদ্ধ ছিল বলে অল-বিরুনি লিখেছেন – (A) রাজনীতি (B) যুদ্ধে অংশগ্রহণ (C) বাণিজ্য (D) ভিক্ষা Ans: (C) বাণিজ্য চতুর্থ বা শেষ আশ্রমটি হল – (A) গার্হস্থ্য (B) ব্রহ্মচর্য (C) বানপ্রস্থ (D) সন্ন্যাস Ans: (D) সন্ন্যাস অল-বিরুনির মতে, ভারতে খোলা আকাশের নিচে মৃতদেহ রাখার প্রথার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে – (A) গ্রীকদের (B) পারসিকদের (C) রোমানদের (D) সিন্ধু সভ্যতার Ans: (B) পারসিকদের মৃতদেহকে অগ্নিতে দগ্ধ করার বিধান দেন – (A) অল-বিরুনি (B) গৌতম বুদ্ধ (C) বাসুদেব নারায়ণ (D) আদিশঙ্কর Ans: (C) বাসুদেব নারায়ণ অল-বিরুনির বর্ণনা অনুযায়ী, বর্ণচ্যুতদের উচ্চস্তরে ছিলেন – (A) অন্ত্যজরা (B) শূদ্ররা (C) ম্লেচ্ছরা (D) বৈশ্যরা Ans: (A) অন্ত্যজরা
অতিসংক্ষিত বা এক লাইনে
পর্যটকদের চোখে (প্রথম পর্বঃ প্রথম অধ্যায়)
দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস
WBCHSE Class 12 History
Porjotokder Chokhe
SAQ Question and Answer Point Liner:
অল-বিরুনিকে Father of Modern Geodesy বলা হয়। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে, খোয়ারিজম রাজ্যে। ১০১৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান মামুদ খোয়ারিজম আক্রমণ করেন। মামুদ ভারত আক্রমণ করেন মোট ১৭ বার। অল-বিরুনিকে গজনিতে নিয়ে আসেন সুলতান মামুদ। গজনিতে অল-বিরুনি নিযুক্ত হন রাজজ্যোতিষী হিসেবে। খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে অল-বিরুনি ভারতে আসেন। ভারতে এসে প্রথম বাধা ছিল সংস্কৃত ভাষা শেখা। সংস্কৃত ভাষা শিখেছিলেন ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের থেকে। পতঞ্জলির মহাভাষ্যের অনুবাদ করেন অল-বিরুনি। অল-বিরুনির লেখা গ্রন্থ “কিতাব-উল-হিন্দ”। এটি রচিত হয়েছিল আরবি ভাষায়। গ্রন্থটির অন্য নাম তহকিক-ই-হিন্দ। তিনি ভারতকে বলেন “অল-হিন্দ” নামে। অল-বিরুনি বলেন হিন্দুরা লেখে বাম থেকে ডানে। ‘হিন্দু’ শব্দের উৎস প্রাচীন পারসিক ভাষা। আরবরা সিন্ধুর পূর্বাঞ্চলকে বলত অল-হিন্দ। ভারতকে ‘হিন্দুস্তান’ বলে ডাকে তুর্কিরা। তুর্কিরা ভারতের ভাষাকে বলত হিন্দাভি। কনৌজের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ছিল মধ্যদেশ নামে। অল-বিরুনি বর্ণনা করেছেন চতুর্বর্ণ প্রথা। আদি বৈদিক যুগে “বর্ণ” মানে ছিল গায়ের রং। ব্রাহ্মণদের জন্ম ব্রহ্মার মস্তিষ্ক থেকে। ক্ষত্রিয়দের উৎপত্তি বাহু থেকে। বৈশ্যদের উৎপত্তি উরু থেকে। শূদ্রদের উৎপত্তি পা থেকে। ব্রাহ্মণদের অধিকার ছিল পাঠ, পূজা, অধ্যাপনার। ব্রাহ্মণদের বাণিজ্য নিষিদ্ধ ছিল। ক্ষত্রিয়দের কাজ দেশরক্ষা ও যুদ্ধ। বৈশ্যদের প্রধান কাজ ছিল ব্যবসা ও কৃষিকাজ। শূদ্রদের প্রধান কর্তব্য – ব্রাহ্মণদের সেবা। অচ্ছ্যুত – শূদ্র পিতা ও ব্রাহ্মণ মাতার সন্তান। অচ্ছ্যুতরা ছিল বর্ণচ্যুতদের নিম্ন স্তরে। অন্ত্যজরা ছিল বর্ণচ্যুতদের উচ্চ স্তরে। ব্রাহ্মণদের মধ্যে ছিল চতুরাশ্রম প্রথা। আশ্রম শব্দের অর্থ – আশ্রয়। ৮ বছর বয়স থেকে শুরু হতো ব্রহ্মচর্য। দ্বিজত্ব প্রাপ্তি হতো ৮ বছর বয়সে। গার্হস্থ্য আশ্রমে বিবাহ করে সংসার পালন করা হত। বানপ্রস্থে যাপন করা হত নিঃসঙ্গ জীবন। চতুর্থ ও শেষ আশ্রম – সন্ন্যাস। অল-বিরুনির মতে, ব্রাহ্মণরা পালন করত আশ্রম জীবন। অল-বিরুনির সময় প্রচলিত লিপি ছিল সিদ্ধমাতৃকা। হিন্দু ছাড়া অন্যদের বলা হত ম্লেচ্ছ। পারসিকদের মত, ভারতে মৃতদেহ রাখা হতো খোলা আকাশে। মৃতদেহ দাহের বিধান দেন বাসুদেব নারায়ণ। অল-বিরুনির তথ্য ছিল বৈজ্ঞানিক ও বিশ্লেষণভিত্তিক। ভারতীয় সমাজ, ধর্ম, ভাষা ও আচার নিয়ে লেখেন তিনি। তার পর্যবেক্ষণ ছিল নিরপেক্ষ ও যুক্তিনির্ভর। কিতাব-উল-হিন্দ গ্রন্থটি ভারতীয় সংস্কৃতির এক ঐতিহাসিক দলিল।