HS Class 12 3rd Semester

Political Science Suggestion

MCQ Question Answer:

উচ্চ মাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান  

দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science) পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে হলে পড়াশোনা গুছিয়ে করা খুবই দরকার। নতুন প্রশ্ন কাঠামোতে পরীক্ষার আগে One Liner প্রশ্নোত্তর অনুশীলন করলে দ্রুত রিভিশন হয় আর আত্মবিশ্বাসও বাড়ে। এই সাজেশন ছাত্রছাত্রীদের  প্রস্তুতিকে আরো সহজ করবে এবং পরীক্ষায় ভালো নম্বর আনতে সাহায্য করবে।

একনজরে »
1 HS Class 12 Semester-3 Political Science Suggestion:

উচ্চ মাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন
1.1 অধ্যায় ১: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ
1.2 অধ্যায় ২: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ
1.3 অধ্যায় ৩: সমকালীন বিশ্বে নিরাপত্তা
1.4 অধ্যায় ৪: জাতি গঠনের বাধাসমূহ
1.5 অধ্যায় ৫: রাজনৈতিক দল এবং দলব্যবস্থা
1.6 অধ্যায় ৬: ভারতের বিদেশ নীতি

  উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

HS Class 12 Semester-3 Political Science Suggestion:

উচ্চ মাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান তৃতীয় সেমিস্টার ভালো নম্বর পেতে হলে আগে সিলেবাসটা ভালোভাবে জানা খুব জরুরি। কোন কোন অধ্যায় থেকে বেশি প্রশ্ন আসতে পারে? তা আগে থেকে বোঝা থাকলে পড়াশোনা অনেক গুছিয়ে করা যায়। তাই নিচে টেবিল আকারে সম্পূর্ণ সিলেবাস দেওয়া হলো, যাতে ছাত্রছাত্রীরা  এক নজরে বুঝতে পারে কোন কোন অধ্যায় পড়তে হবে আর সেই অনুযায়ী পরীক্ষার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হবে।

অধ্যায় (Chapters) নম্বর (Marks)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক 8
আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ 8
সমকালীন বিশ্বে নিরাপত্তা 7
জাতি গঠনের বাধাসমূহ 5
রাজনৈতিক দল এবং দলব্যবস্থা 5
ভারতের বিদেশ নীতি 7
সর্বমোট 40

অধ্যায় ১: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ

১) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে? – চার্চিল
২) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় কত সালে? – 1945 খ্রিস্টাব্দে
৩) প্রথম পরমাণু বোমা আক্রান্ত দেশটি কোনটি? – জাপান
৪) জাপানে যে বোমা পড়েছিল তার একটির নাম কী? – ফ্যাট ম্যান
৫) ঠান্ডা লড়াই বলতে কী বোঝায়? – যুদ্ধ ও শান্তির মাঝামাঝি যুদ্ধ অবস্থা
৬) নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মতাদর্শভিত্তিক যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়াকে কী বলা হয়? – প্রক্সি ওয়ার
৭) প্রক্সিযুদ্ধ কৌশলটি কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল? – ঠান্ডা লড়াইয়ে
৮) আকস্মিকভাবে বলপূর্বক সরকারের পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়? – ক্যু-দেতা
৯) ঠান্ডা লড়াইয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায় কোথায়? – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর মার্কিন-সোভিয়েত বিরোধে
১০) ঠান্ডাযুদ্ধের প্রধান দুই প্রতিপক্ষ কারা? – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
১১) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল কবে? – 1914 খ্রিস্টাব্দের 28 জুলাই
১২) ভার্সাই চুক্তি কবে সম্পাদিত হয়েছিল? – 1919 খ্রিস্টাব্দের 28 জুন
১৩) রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে? – 1917 খ্রিস্টাব্দে
১৪) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কবে থেকে মনরো নীতি অনুসরণ করে আসছে? – 1823 খ্রিস্টাব্দে
১৫) হিটলার জার্মানিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অধিকার করে কত সালে? – 1933 খ্রিস্টাব্দে
১৬) কমিনটার্ন চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়? – 1936 খ্রিস্টাব্দে
১৭) মিউনিখ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়? – 1938 খ্রিস্টাব্দের 29 সেপ্টেম্বর
১৮) মিউনিখ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে? – 1938 খ্রিস্টাব্দের 29 সেপ্টেম্বর
১৯) মিউনিখ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কোন দেশগুলির মধ্যে? – গ্রেট ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি
২০) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কত সালে? – 1939 খ্রিস্টাব্দে
২১) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোন শক্তি জয়লাভ করেছিল? – মিত্রশক্তি
২২) ঠান্ডাযুদ্ধের যুগকে ‘দীর্ঘ শান্তির যুগ’ বলেছেন কে? – অধ্যাপক গ্যাডিস
২৩) মার্কিন প্রশাসন কাকে ‘সামাজিক সাম্রাজ্যবাদী’ বলে চিহ্নিত করে? – সোভিয়েত ইউনিয়নকে
২৪) পূর্ব ইউরোপ থেকে সাম্যবাদ গুটিয়ে দেওয়ার কথা কে বলেন? – জন ফস্টার ডালেস
২৫) সদ্যোজাত সোভিয়েত ইউনিয়নকে আঁতুর ঘরেই ধ্বংস করার কথা কে বলেন? – উইনস্টন চার্চিল
২৬) ঠান্ডাযুদ্ধ কোন কোন জোটের মধ্যে হয়েছিল? – পুঁজিবাদী জোট ও সমাজতান্ত্রিক জোট
২৭) ঠান্ডা লড়াই-এর প্রেক্ষিতে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলি কোনগুলি? – জার্মানি, ইতালি, স্পেন ও জাপান
২৮) ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে মিত্রশক্তিভুক্ত দেশগুলি কোনগুলি? – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
২৯) ঠান্ডাযুদ্ধের অন্যতম প্রধান নেতৃত্ব প্রদানকারী দেশ কোনটি? – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
৩০) ঠান্ডা লড়াইকে গরম যুদ্ধ না বলে ‘যুদ্ধের একটি নতুন কৌশল’ বলেছেন কে? – ফ্রিডম্যান
৩১) ঠান্ডাযুদ্ধকে ‘গরম শান্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন কে? – বার্নেট
৩২) যে সাংবাদিক প্রথম ঠান্ডা লড়াই সম্পর্কিত ধারণা দেন তিনি কে? – ওয়াল্টার লিপম্যান
৩৩) ঠান্ডা লড়াই কথাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় কত সালে? – 1947 খ্রিস্টাব্দে
৩৪) ঠান্ডা লড়াইকে ‘গরম যুদ্ধ’ (Hot war) কে বলেছেন? – ফ্রিডম্যান
৩৫) ‘World Polities’ গ্রন্থটি কার লেখা? – পিটার ক্যালভোকোরেসি
৩৬) ‘The United States in the World Arena’ গ্রন্থটি কার লেখা? – ওয়াল্ট রোস্টো
৩৭) জর্জ কেন্নান সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যে ভৌগোলিক সম্প্রসারণের নীতি ঘোষণা করেন, তার নাম কী? – বেষ্টনী নীতি
৩৮) ঠান্ডাযুদ্ধের সূচনা হয় কত সালে? – 1945 খ্রিস্টাব্দে
৩৯) ঠান্ডাযুদ্ধের সময়কাল কত বছর পরিব্যাপ্ত ছিল? – 1945-1991 খ্রিস্টাব্দ
৪০) ঠান্ডা লড়াইয়ের সূত্রপাত সর্বপ্রথম কোথায় হয়েছিল? – ইউরোপে
৪১) মার্শাল পরিকল্পনা প্রকাশ পায় কবে? – 1947 খ্রিস্টাব্দের 5 জুন
৪২) মার্শাল পরিকল্পনার জনক কে? – জর্জ সি. মার্শাল
৪৩) মার্শাল পরিকল্পনা কত সালে কার্যকর হয়? – 1948 খ্রিস্টাব্দে
৪৪) মার্শাল পরিকল্পনা কার্যকর করা হয় কত বছরের জন্য? – চার বছর
৪৫) মার্শাল পরিকল্পনা অনুযায়ী কত টাকার আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছিল? – 30 বিলিয়ন ডলার
৪৬) মার্শাল পরিকল্পনায় মোট কয়টি দেশ সাহায্য নিয়েছিল? – 16টি দেশ
৪৭) মার্শাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য কী ছিল? – ইউরোপের পুনর্গঠন
৪৮) মার্শাল পরিকল্পনায় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? – তীব্র বিরোধিতা
৪৯) ট্রুম্যান নীতি প্রকাশ পায় কবে? – 1947 খ্রিস্টাব্দে
৫০) ট্রুম্যান নীতির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? – সাম্যবাদী বিস্তার রোধ করা
৫১) ট্রুম্যান নীতি প্রথম প্রয়োগ করা হয় কোন দেশগুলিতে? – গ্রিস ও তুরস্কে
৫২) ট্রুম্যান নীতি প্রবর্তন করেন কে? – হ্যারি এস. ট্রুম্যান
৫৩) ন্যাটো (NATO) গঠিত হয় কবে? – 1949 খ্রিস্টাব্দে
৫৪) ন্যাটোর পূর্ণরূপ কী? – North Atlantic Treaty Organization
৫৫) ন্যাটোর সদর দপ্তর কোথায়? – ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে
৫৬) ওয়ারশ চুক্তি কবে সম্পাদিত হয়? – 1955 খ্রিস্টাব্দে
৫৭) ওয়ারশ চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? – ন্যাটোর মোকাবিলা করা
৫৮) ওয়ারশ চুক্তির কেন্দ্র কোথায় ছিল? – পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহর
৫৯) সিয়াটো (SEATO) কবে গঠিত হয়? – 1954 খ্রিস্টাব্দে
৬০) সিয়াটোর পূর্ণরূপ কী? – South East Asia Treaty Organization
৬১) সিয়াটোর প্রধান কার্যালয় কোথায় ছিল? – ব্যাংকক
৬২) সেন্টো (CENTO) কবে গঠিত হয়? – 1955 খ্রিস্টাব্দে
৬৩) সেন্টোর পূর্ণরূপ কী? – Central Treaty Organization
৬৪) সেন্টোর সদর দপ্তর কোথায় ছিল? – বাগদাদ (পরে আংকারা)
৬৫) ঠান্ডাযুদ্ধ চলাকালীন ‘লৌহ পর্দা’ (Iron Curtain) কথাটি ব্যবহার করেন কে? – উইনস্টন চার্চিল
৬৬) লৌহ পর্দা (Iron Curtain) বলতে কী বোঝানো হয়? – পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ইউরোপের বিভাজন
৬৭) কোরিয়া যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়? – 1950 খ্রিস্টাব্দে
৬৮) কোরিয়া যুদ্ধ কত সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল? – 1953 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত
৬৯) কোরিয়া যুদ্ধের ফলাফল কী হয়েছিল? – উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভাজন
৭০) ভিয়েতনাম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল কবে? – 1955 খ্রিস্টাব্দে
৭১) ভিয়েতনাম যুদ্ধ শেষ হয় কবে? – 1975 খ্রিস্টাব্দে
৭২) ভিয়েতনাম যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছিল? – উত্তর ভিয়েতনাম
৭৩) ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে? – লিন্ডন জনসন
৭৪) ভিয়েতনাম যুদ্ধ শেষ করার সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে? – রিচার্ড নিক্সন
৭৫) কিউবা বিপ্লবের নেতা ছিলেন কে? – ফিদেল কাস্ত্রো
৭৬) কিউবা বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে? – 1959 খ্রিস্টাব্দে
৭৭) কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কবে হয়েছিল? – 1962 খ্রিস্টাব্দে
৭৮) কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে কারা মুখোমুখি হয়েছিল? – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
৭৯) কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কতদিন স্থায়ী ছিল? – 13 দিন
৮০) নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) অন্যতম জনক কে? – যশুয়া টিটো
৮১) NAM গঠিত হয় কত সালে? – 1961 খ্রিস্টাব্দে
৮২) NAM-এর প্রথম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? – বেলগ্রেডে
৮৩) NAM আন্দোলনের মূল নীতি কী ছিল? – কোনও জোটে যোগ না দেওয়া
৮৪) মহাকাশ প্রতিযোগিতা শুরু হয় কোন দুই দেশের মধ্যে? – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
৮৫) মহাকাশে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে কোন দেশ? – সোভিয়েত ইউনিয়ন (স্পুটনিক-১, 1957 সালে)
৮৬) মহাকাশে প্রথম মানুষ পাঠায় কোন দেশ? – সোভিয়েত ইউনিয়ন (ইউরি গ্যাগারিন, 1961 সালে)
৮৭) মহাকাশে প্রথম অবতরণকারী দেশ কোনটি? – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (চাঁদে, 1969 সালে)
৮৮) স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন বার্লিন প্রাচীর নির্মিত হয় কত সালে? – 1961 খ্রিস্টাব্দে
৮৯) বার্লিন প্রাচীর ভাঙা হয় কত সালে? – 1989 খ্রিস্টাব্দে
৯০) ঠান্ডা লড়াই শেষ হয় কবে? – 1991 খ্রিস্টাব্দে
৯১) ঠান্ডা লড়াই শেষ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কী ছিল? – সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন
৯২) সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে কতটি দেশে বিভক্ত হয়েছিল? – 15টি দেশ
৯৩) সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে? – মিখাইল গরবাচেভ
৯৪) গরবাচেভের সংস্কারমূলক নীতি দুটি কী? – গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা
৯৫) গ্লাসনস্ত নীতির অর্থ কী? – উন্মুক্ততা বা স্বচ্ছতা
৯৬) পেরেস্ত্রইকা নীতির অর্থ কী? – অর্থনৈতিক পুনর্গঠন
৯৭) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে গঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনটি? – জাতিসংঘ (UNO)
৯৮) জাতিসংঘ গঠিত হয় কত সালে? – 1945 খ্রিস্টাব্দে
৯৯) জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায়? – নিউইয়র্কে
১০০) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য কয়টি দেশ? – 5টি দেশ।

অধ্যায় ২: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানসমূহ

১) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ আনুষ্ঠানিকভাবে জন্মলাভ করে – 1945 খ্রিস্টাব্দের 10 ডিসেম্বর
২) জাতিপুঞ্জের সদর দফতরটি অবস্থিত – নিউ ইয়র্কে
৩) ‘United Nations’ শব্দটি কার মস্তিষ্কপ্রসূত? – রুজভেল্ট
৪) মিত্রশক্তিসমূহের 1941 সালের সংকল্পটি কী নামে পরিচিত? – লন্ডন ঘোষণা
৫) ‘সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ’ প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ – আটল্যান্টিক সনদ
৬) আটল্যান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় – 1941 খ্রিস্টাব্দের 14 আগস্ট
৭) আটল্যান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় কার মধ্যে – চার্চিল ও রুজভেল্ট
৮) মস্কো ঘোষণা অনুষ্ঠিত হয়েছিল – সোভিয়েত ইউনিয়নে
৯) ‘League of Nation’ প্রতিষ্ঠিত হয় – 1920 খ্রিস্টাব্দে
১০) জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল – প্যারিস সম্মেলনে
১১) প্যারিস শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় – 1919 খ্রিস্টাব্দে
১২) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানটি হল – জাতিসংঘ (লিগ অফ নেশনস্)
১৩) বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক সংগঠনটি হল – জাতিসংঘ বা লিগ অফ নেশনস্
১৪) জাতিসংঘের সদর দফতর অবস্থিত ছিল – জেনেভা
১৫) জাতিসংঘের বিলুপ্তি ঘটে – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর
১৬) আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের বিলুপ্তি ঘটে – 1946 খ্রিস্টাব্দে
১৭) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় – 1945 খ্রিস্টাব্দে
১৮) তেহেরান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় – ইরানে
১৯) সাধারণ সভা ও নিরাপত্তা পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনা হয় – ডাম্বারটন ওকস্ সম্মেলনে
২০) ‘ডাম্বারটন ওকস্’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় – 1944 খ্রিস্টাব্দে
২১) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদর দফতর অবস্থিত – নিউ ইয়র্কে
২২) আধুনিক বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক সংগঠনটি – সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ
২৩) আটল্যান্টিক সনদে স্বাক্ষরিত হয় – 8টি ধারা
২৪) আটল্যান্টিক সনদ অনুমোদন করে – ওয়াশিংটন ঘোষণা, 1942
২৫) ওয়াশিংটন ঘোষণা ঘোষিত হয় – 1942 খ্রিস্টাব্দে
২৬) 1942 সালের 1 জানুয়ারি ওয়াশিংটনে উপস্থিত রাষ্ট্রসংখ্যা – 26টি
২৭) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ কথাটি প্রথম ব্যবহৃত হয় – ওয়াশিংটন সম্মেলনে
২৮) ‘সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ’ কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন – রুজভেল্ট
২৯) কোন সম্মেলনকে ‘সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের ঘোষণা’ বলা হয় – ওয়াশিংটন সম্মেলন
৩০) মস্কো ঘোষণা হয় – 1943 খ্রিস্টাব্দে
৩১) জাতিপুঞ্জ দিবস পালিত হয় – 24 অক্টোবর
৩২) জাতিপুঞ্জের মূল লক্ষ্য উল্লিখিত – প্রস্তাবনায়
৩৩) সনদের 1 নং ধারায় বর্ণিত রয়েছে – নীতি
৩৪) মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার কথা সনদের – প্রস্তাবনায়
৩৫) বিশ্বশান্তি রক্ষার কথা বলা হয়েছে – 1 নং ধারায়
৩৬) জাতিপুঞ্জের উদ্দেশ্যের সংখ্যা – চারটি
৩৭) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান উদ্দেশ্য – আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা
৩৮) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের নীতিগুলি বর্ণিত – 2 নং ধারায়
৩৯) সকল রাষ্ট্রের সমানাধিকার উল্লিখিত – 2 নং ধারায়
৪০) সনদের 2 নং ধারায় নীতি রয়েছে – 7টি
৪১) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদস্য হওয়া – আবশ্যিক নয়
৪২) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদস্য হতে পারে – সার্বভৌম রাষ্ট্র
৪৩) সদস্যরাষ্ট্রগুলি একে অপরের উপর – বলপ্রয়োগ করবে না
৪৪) কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে জাতিপুঞ্জ হস্তক্ষেপ করবে না – নীতি
৪৫) অঙ্গগুলির কথা বলা হয়েছে – 3 নং অধ্যায়ে
৪৬) বর্তমান সদস্যসংখ্যা – 193
৪৭) ভারত জাতিপুঞ্জের সদস্য হয় – 1945 খ্রিস্টাব্দে
৪৮) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান সংস্থার সংখ্যা – 6টি
৪৯) সমস্ত সদস্যরাষ্ট্র সাধারণ সভার – সদস্য
৫০) শান্তিপূর্ণ বিরোধের নিস্পত্তি রয়েছে – 6 নং অধ্যায়ে
৫১) সাধারণ সভার বর্তমান সদস্যসংখ্যা – 193
৫২) ইয়াল্টা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় – 1945 সালের ফেব্রুয়ারিতে
৫৩) ভিটো বিষয়ে আলোচনা হয় – ইয়াল্টা সম্মেলনে
৫৪) জাতিপুঞ্জের সনদ গৃহীত হয় – সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে
৫৫) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন হয় – 1945 সালের এপ্রিলে
৫৬) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত রাষ্ট্র – 50টি
৫৭) কোন সম্মেলনে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা হয় – এর কোনোটিই নয়
৫৮) সাংবিধানিক দলিলটি পরিচিত – সনদ
৫৯) সনদে স্বাক্ষর করে – 51টি রাষ্ট্র
৬০) সনদে ধারা রয়েছে – 113টি
৬১) সনদ গঠিত – একটি প্রস্তাবনা ও 19টি অধ্যায়ে
৬২) সনদ গৃহীত হয় – 1945 খ্রিস্টাব্দে
৬৩) সর্বশেষ যোগদানকারী রাষ্ট্র – দক্ষিণ সুদান
৬৪) প্যালেস্তাইন পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হয় – 2012 সালে
৬৫) অস্থায়ী সদস্যদের কার্যকাল – 2 বছর
৬৬) অস্থায়ী সদস্যরা নির্বাচিত হয় – দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে
৬৭) অস্থায়ী সদস্য নির্বাচন করে – সাধারণ সভা
৬৮) ভিটোহীন সদস্য সংখ্যা – 10 জন
৬৯) কার্যনির্বাহক সংস্থা – নিরাপত্তা পরিষদ
৭০) সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য ধারা – 27 নং ধারা
৭১) নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত – 9 জন সদস্যে
৭২) প্রতিটি রাষ্ট্র প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে – 1 জন
৭৩) নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান কর্মস্থল – নিউ ইয়র্কে
৭৪) নিরাপত্তা পরিষদের কথা বলা হয়েছে – 5 নং অধ্যায়ে
৭৫) “ভিটো ব্যবস্থা জাতিপুঞ্জকে পঙ্গু করেছে” – ইভান লুয়ার্ড
৭৬) সাধারণ সভার কথা বলা হয়েছে – 4 নং অধ্যায়ে
৭৭) সাধারণ সভার বিধিবিধান – 9-12 নং ধারায়
৭৮) পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রগুলি ভোট দিতে পারে না – ভোটদান করতে পারে না
৭৯) প্যালেস্তাইনকে পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ঘোষণা – 2012 সালে
৮০) প্রতিটি রাষ্ট্র সর্বোচ্চ প্রতিনিধি – 5 জন
৮১) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের অর্ধ-আইনসভা – সাধারণ সভা
৮২) বিশ্বের সর্ববৃহৎ নাগরিক সভা – সাধারণ সভা
৮৩) সাধারণ সভার সদস্যরা ভোট প্রদান করে – একটি ভোট
৮৪) ভোটদান পদ্ধতি আলোচনা হয়েছে – 18 নং ধারায়
৮৫) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য প্রয়োজন – 2/3 অংশের সম্মতি
৮৬) সভাপতি ও সহ-সভাপতির সংখ্যা – 1 জন সভাপতি ও 21 জন সহ-সভাপতি
৮৭) প্রতিটি অধিবেশনে মোট সভাপতি ও সহ-সভাপতি – 22 জন
৮৮) 1950 সালে ‘শান্তির জন্য ঐক্য’ প্রস্তাব গ্রহণ করে – সাধারণ সভা
৮৯) ‘শান্তির জন্য ঐক্য’ প্রস্তাবে ক্ষমতা বৃদ্ধি – সাধারণ সভার
৯০) বাজেট প্রস্তুত করে – সাধারণ সভা
৯১) কোষাগারের দায়িত্বে থাকে – সাধারণ সভা
৯২) চাঁদার পরিমাণ নির্ধারণ করে – সাধারণ সভা
৯৩) বাজেট অনুমোদন করে – সাধারণ সভা
৯৪) অর্থ না দিলে রাষ্ট্রের – ভোটাধিকার বাতিল হয়
৯৫) মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল গ্রহণ – 2000 সালে
৯৬) সাধারণ সভা নির্বাচন করতে পারে – সবকটিই (সঠিক)
৯৭) প্রথম ভারতীয় সভাপতি – বিজয়া লক্ষ্মী পণ্ডিত
৯৮) সনদ সংশোধন করতে পারে – সাধারণ সভা
৯৯) সনদ সংশোধনের জন্য প্রয়োজন – দুই-তৃতীয়াংশ ভোট
১০০) সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র পাস – 1948 খ্রিস্টাব্দে।

 

অধ্যায় ৩: সমকালীন বিশ্বে নিরাপত্তা

১) ‘জাতীয় নিরাপত্তা দিবস’ পালন করা হয় – ৪ মার্চ
২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ – অভিবাসন
৩) অসামরিক ও অপ্রথাগত নিরাপত্তার ধারণাটি স্পষ্টরূপ লাভ করে – ঠান্ডাযুদ্ধ-পরবর্তী সময় থেকে
৪) বিশ্ব নিরাপত্তার ধারণা উদ্ভূত হয় – ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে
৫) যে ধরনের নিরাপত্তা বেশি বিস্তৃত – অপ্রথাগত নিরাপত্তা
৬) ঐতিহ্যগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা – সাইবার আক্রমণ
৭) পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিবাহিনীকে জম্মু-কাশ্মীরে প্রবেশ করানোর জন্য তৈরি হয়েছিল – অপারেশন জিব্রাল্টার
৮) কার্গিল যুদ্ধ হয়েছিল – ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে
৯) অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি হল – দেশগুলির মধ্যে অস্ত্র অর্জন নিয়ন্ত্রণ করা
১০) ক্ষমতার ভারসাম্য হল কোন নিরাপত্তার উপাদান – প্রথাগত নিরাপত্তা
১১) পরিবেশগত নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা – বিশ্বউষ্ণায়ন
১২) রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে – শান্তিরক্ষা বাহিনী
১৩) যৌথ নিরাপত্তার ধারণাটি প্রথম ব্যক্ত করেন – উড্রো উইলসন
১৪) উড্রো উইলসন যৌথ নিরাপত্তার ধারণাটি প্রথম ব্যক্ত করেন – চোদ্দদফা কর্মসূচিতে
১৫) অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হল – দেশের ভিতরের নিরাপত্তা
১৬) ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করেছে এমন একটি আন্দোলন – পাঞ্জাবের খালিস্তান আন্দোলন
১৭) একটি রাষ্ট্রের সীমানার বাইরে থেকে আগত হুমকির মোকাবিলা করাকে বলে – বাহ্যিক নিরাপত্তা
১৮) কাশ্মীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় – ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে
১৯) প্রতিবেশী দেশ থেকে সামরিক আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য সামরিক প্রস্তুতির নীতি হল – প্রতিরোধের নীতি
২০) ঐতিহ্যগত নিরাপত্তার একটি উপাদান হল – শক্তিসাম্য
২১) ক্ষমতার ভারসাম্য নীতির মূল কথা হল – সমান ক্ষমতা বজায় রাখা
২২) ভারতের প্রথম পারমাণবিক শক্তি পরীক্ষার প্রকল্পটি হল – স্মাইলিং বুদ্ধ
২৩) নিরাপত্তাকে ভাগ করা যায় – দুই ভাগে
২৪) নিরাপত্তা একটি – গতিশীল ধারণা
২৫) প্রথাগত নিরাপত্তাকে ভাগ করা যায় – দুই ভাগে
২৬) “জাতির নিরাপত্তা তখন বজায় থাকে…” উক্তিটি করেছেন – ওয়াল্টার লিপম্যান
২৭) ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বতন্ত্র অর্থ হল বিদেশি শাসন থেকে স্বাধীনতা’ বলেছেন – হ্যারল্ড ল্যাসওয়েল
২৮) প্রচলিত নিরাপত্তার উপাদান – প্রতিরোধ, প্রতিরক্ষা, ক্ষমতার ভারসাম্য, জোটবদ্ধতা
২৯) রাষ্ট্র অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে – প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা
৩০) অপ্রথাগত নিরাপত্তায় শক্তির ব্যবহার হয় – শত্রু রাষ্ট্রের প্রতি
৩১) যে ধরনের নিরাপত্তাকে Global Security বলা হয় – অপ্রথাগত নিরাপত্তা
৩২) অপ্রথাগত নিরাপত্তার মূল লক্ষ্য – মানব নিরাপত্তা
৩৩) অপ্রথাগত নিরাপত্তার হুমকি মোকাবিলার প্রধান কৌশল – সহযোগিতা
৩৪) ব্যক্তিমানুষের প্রাথমিক চাহিদা – অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান
৩৫) মানব নিরাপত্তার প্রাথমিক লক্ষ্য – ব্যক্তির নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা
৩৬) মানব নিরাপত্তার ধারণাটি প্রথম গুরুত্ব পায় – ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে
৩৭) জাতিপুঞ্জ মানব নিরাপত্তার উপাদান চিহ্নিত করেছে – ৭টি
৩৮) মানব নিরাপত্তার ধারণাটি প্রথম গুরুত্ব পায় – হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিপোর্টে
৩৯) পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাদ্যের সুনিশ্চিতকরণ হল – খাদ্য নিরাপত্তা
৪০) শারীরিক বা হিংসাত্মক আক্রমণ থেকে মানুষকে রক্ষা করা হল – ব্যক্তিগত নিরাপত্তা
৪১) মানব নিরাপত্তার ধারণাটি প্রথম উল্লেখ করে – জাতিপুঞ্জের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি
৪২) সমকালীন নিরাপত্তার মূল লক্ষ্য হলো – ব্যক্তির সুরক্ষা
৪৩) খাদ্য প্রাপ্যতা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেয় – খাদ্য নিরাপত্তা
৪৪) শুধুমাত্র সামরিক নয়, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিকও গুরুত্ব পায় – মানব নিরাপত্তা
৪৫) সাইবার নিরাপত্তার প্রধান লক্ষ্য – তথ্য সুরক্ষা
৪৬) সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ – সামাজিক নিরাপত্তা
৪৭) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার নিরাপত্তা – পরিবেশ নিরাপত্তা
৪৮) রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ – সামরিক নিরাপত্তা
৪৯) বিশ্বায়নের ফলে গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে – সাইবার নিরাপত্তা
৫০) সমকালীন বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ নিরাপত্তা হুমকি – সন্ত্রাসবাদ
৫১) মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে – মানব নিরাপত্তা
৫২) রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসাথে কাজ করে – মানব নিরাপত্তা
৫৩) পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ – পরিবেশ নিরাপত্তা
৫৪) সামরিক নিরাপত্তার পাশাপাশি অপরিহার্য – সাইবার নিরাপত্তা
৫৫) মানবাধিকার রক্ষা হলো – মানব নিরাপত্তার অঙ্গ
৫৬) অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হয় – অর্থনৈতিক নিরাপত্তা
৫৭) বিশ্ব শান্তি রক্ষায় ভূমিকা রাখে – শান্তিরক্ষা বাহিনী
৫৮) সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্ব বেড়েছে – সামরিক নিরাপত্তা
৫৯) ডিজিটাল হামলা থেকে রক্ষা করে – সাইবার নিরাপত্তা
৬০) পরিবেশ দূষণ রোধে উন্নয়ন সম্ভব – পরিবেশ নিরাপত্তা
৬১) সমকালীন বিশ্বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য – মানব নিরাপত্তা।

তোমাদের সেমিস্টারের প্রস্তুতি, মক টেস্ট, প্র‍্যাকটিস MCQ জন্য অবশ্যই EduTips App – বিনামূল্যে কোর্সে জয়েন করতে পারো।

 
অধ্যায় ৪: জাতি গঠনের বাধাসমূহ

১) পূর্ববঙ্গের উদ্বাস্তু সমস্যার সমাধান না হওয়ার প্রতিবাদে তৎকালীন কোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদত্যাগ করেন? – শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
২) উদ্বাস্তু সমস্যাসমাধানে ভারত সরকার কী করেছিল? – ত্রানের ব্যবস্থা করে, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে ও শরণার্থীদের জমির দলিল প্রদান করে
৩) পুনর্বাসনের যুগ বলা হয় যে সময়কালকে, তা হল– 1947 খ্রিস্টাব্দ থেকে 1952 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত
৪) ভারতের কোন রাজ্যে ভারত বিভাজনের সময়ে জনসংখ্যার স্থানান্তর হয়েছিল? – পাঞ্জাবে
৫) 1948 খ্রিস্টাব্দের 31 ডিসেম্বর কাশ্মীরে যুদ্ধবিরতি সীমারেখা (LOC) চিহ্নিত করে– নিরাপত্তা পরিষদ
৬) সংবিধানের কোন ধারা অনুযায়ী জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল? – 370 নং ধারা
৭) জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে অঙ্গরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়– 1950 খ্রিস্টাব্দের 26 জানুয়ারি
৮) জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন তৈরি হয়– 2019 সালে
৯) 1948 খ্রিস্টাব্দে মণিপুরে গণভোটের ব্যবস্থা করেন– মহারাজা বোধচন্দ্র সিং
১০) মণিপুর ভারতে সংযুক্ত হয়– 1949 খ্রিস্টাব্দে
১১) ‘উদ্‌দ্বাস্তু’ কথার অর্থ হল– বাস্তু থেকে উৎখাত হওয়া
১২) উদ্বাস্তু সমস্যা সৃষ্টির প্রধান কারণ– 1947 খ্রিস্টাব্দের ভারত বিভাজন
১৩) ভারতীয় স্বাধীনতা আইন অনুসারে সৃষ্টি হওয়া দুটি রাষ্ট্র হল– ভারত ও পাকিস্তান
১৪) কংগ্রেস ও মুসলিম লিগের বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে একটি ভাঙন পরিকল্পনা তৈরি করেন– লর্ড ওয়াভেল
১৫) কত খ্রিস্টাব্দে ভাষার ভিত্তিতে বোম্বাইকে দ্বিখণ্ডিত করা হয়? – 1960 খ্রিস্টাব্দে
১৬) ভাষাভিত্তিক প্রদেশ কমিশন গঠিত হয়– 1948 খ্রিস্টাব্দে
১৭) কোন কমিশন ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের বিরোধিতা করে? – ধর কমিশন
১৮) ভারত প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়– 1950 খ্রিস্টাব্দের 26 জানুয়ারি
১৯) পাকিস্তান রাষ্ট্রের দাবি প্রথম উত্থাপন করেন– চৌধুরী রহমত আলি
২০) ভারত বিভাজনের সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময়কালে বড়োলাটের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন– স্যার কনরাড করফিল্ড
২১) 1940 খ্রিস্টাব্দে মহম্মদ আলি জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্ব প্রদান করেন– লাহোর অধিবেশনে
২২) গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে– 1946 খ্রিস্টাব্দের 9 ডিসেম্বর
২৩) লর্ড মাউন্টব্যাটেন-এর পরামর্শে জাতিপুঞ্জে কাশ্মীর সমস্যা উত্থাপিত হয়– 1947 খ্রিস্টাব্দের 31 ডিসেম্বর
২৪) কাশ্মীর সমস্যাসমাধানের জন্য কাশ্মীরে গণভোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়– অ্যাডমিরাল নিমিৎজকে
২৫) পুনর্বাসন নীতি ঘোষণা করেন– জওহরলাল নেহরু
২৬) মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ঘোষিত হয়– 1947 খ্রিস্টাব্দের 3 জুন
২৭) দেশীয় রাজাগুলির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর সংক্রান্ত ফেব্রুয়ারি ঘোষণা প্রকাশ করেন– ক্লিমেন্ট এটলি
২৮) জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়– 1946 খ্রিস্টাব্দের 2 সেপ্টেম্বর
২৯) জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন– লিয়াকৎ আলি খান
৩০) ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন– জওহরলাল নেহরু
৩১) ভারতের প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন– বল্লভভাই প্যাটেল
৩২) 1946 খ্রিস্টাব্দের 16 জুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন– ওয়াভেল
৩৩) Train to Pakistan গ্রন্থের লেখক– খুশবন্ত সিং
৩৪) ইউনাইটেড সেন্ট্রাল রিফিউজি কাউন্সিল গঠিত হয়– 1950 খ্রিস্টাব্দে
৩৫) নেহরু-লিয়াকৎ চুক্তি বা দিল্লি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল– উদ্‌দ্বাস্তু সমস্যাসমাধানের জন্য
৩৬) লৌহমানব (Iron Man) আখ্যা দেওয়া হয়েছে– সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে
৩৭) দেশীয় রাজা কাশ্মীরের ভারতভূক্তির জন্য সম্পাদিত দলিলটি হল– Instrument of Accession
৩৮) পুনর্বাসন নীতি ঘোষণা করেন– জওহরলাল নেহরু
৩৯) 1947 খ্রিস্টাব্দের ভারতভাগের পরিণতি ছিল– উদ্‌দ্বাস্তু সমস্যা
৪০) ভারতের বিসমার্ক বলা হয়– সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে
৪১) দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভূক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন– বল্লভভাই প্যাটেল
৪২) ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিভক্ত হয়েছিল– বাংলা ও পাঞ্জাব
৪৩) ভারতে দেশভাগের যন্ত্রণা সর্বাধিক সহ্য করেছিল যে দুটি রাজ্য– পাঞ্জাব ও বাংলা
৪৪) উদ্বাস্তু সমস্যাসমাধানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য CAA আইন সংশোধনী পাশ হয়– 2019 সালে
৪৫) ‘উদ্‌বাস্তু’ গ্রন্থের লেখক– হিরন্ময় বন্দোপাধ্যায়
৪৬) উদ্বাস্তুদের স্বার্থে ইন্ডিয়ান কোঅপারেটিভ ইউনিয়ন গড়ে তোলেন– কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়
৪৭) পাঞ্জাবে উদ্বাস্তু পুনর্বাসনের সমগ্র বিষয়টি পরিচালিত হয় যার নির্দেশে– সর্দার তারলোক সিং
৪৮) র‍্যাডক্লিফ সীমানা নির্ধারিত হয়– ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে
৪৯) নেহরু-লিয়াকৎ চুক্তির অপর নাম হল– দিল্লি চুক্তি
৫০) উদ্বাস্তুদের বন্ধু নামে পরিচিত ছিলেন– শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
৫১) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে কত দেশের ভেটো ক্ষমতা জাতিসংঘের কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে? – 5
৫২) জাতিসংঘে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কোন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মতবিরোধ? – উন্নত ও উন্নয়নশীল
৫৩) জাতিসংঘের বাজেট নির্ভর করে কোন রাষ্ট্রগুলোর আর্থিক সহায়তার উপর? – উন্নত
৫৪) জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের 5 স্থায়ী সদস্য দেশের একটি হলো– চীন
৫৫) জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যকারিতা অনেক সময় কমে যায় কারণ এর সদস্যরা থাকে– সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন
৫৬) জাতিসংঘের গঠনগত দুর্বলতার অন্যতম উদাহরণ হলো কোন ব্যবস্থার অস্তিত্ব? – ভেটো
৫৭) জাতিসংঘের সংস্কার প্রক্রিয়া ধীরগতির কারণ হলো– আন্তর্জাতিক সমর্থনের অভাব
৫৮) জাতিসংঘ অনেক সময় শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর কী হয়ে পড়ে? – নিয়ন্ত্রিত
৫৯) জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অনেক সময় কোন সংকট দেখা দেয়? – অর্থ
৬০) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রতিটি দেশের ভোটের ওজন থাকে– একই
৬১) জাতিসংঘের কার্যকারিতা নির্ভর করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কিসের উপর? – রাজনৈতিক সদিচ্ছা
৬২) জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী অনেক সময় সংঘাত এলাকায় কী করতে পারে না? – নিরাপত্তা নিশ্চিত
৬৩) জাতিসংঘের প্রস্তাবসমূহ অনেক সময় থাকে– ঐচ্ছিক
৬৪) জাতিসংঘের সংস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় কোন বিষয় নিয়ে? – নিরাপত্তা পরিষদ
৬৫) জাতিসংঘ অনেক সময় সংঘাত নিরসনের ক্ষেত্রে কী ভূমিকা পালন করতে পারে না? – কার্যকর
৬৬) জাতিসংঘের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা না থাকার কারণে তৈরি হয়– সমালোচনা
৬৭) জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে– স্থায়ী সদস্য দেশ
৬৮) জাতিসংঘ কখনো কখনো দ্বৈত মানদণ্ড প্রয়োগ করে, যা সৃষ্টি করে– বৈষম্য
৬৯) জাতিসংঘের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন হয় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর– সহযোগিতা
৭০) জাতিসংঘ আজও একটি গুরুত্বপূর্ণ কোন সংস্থা হিসেবে বিবেচিত? – আন্তর্জাতিক।

অধ্যায় ৫: রাজনৈতিক দল এবং দলব্যবস্থা

১) ভারতীয় জনসংঘ-এর প্রতিষ্ঠাকারী অন্যতম সদস্য কে? – শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী
২) ভারতীয় জনসংঘ-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি মিলিত হয়ে কবে সৃষ্টি হয়? – ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে
৩) কোন রাজনৈতিক দল ভেঙে ভারতীয় জনতা দল তৈরি হয়? – জনতা দল
৪) ১৯৭৮ সালে কোন দল অনগ্রসর শ্রেণির জন্য কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিল? – জনতা পার্টি
৫) ভারতের কেন্দ্রে প্রথম অকংগ্রেসি সরকার কবে গঠিত হয়? – ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে
৬) ভারতের মার্কসীয় সাম্যবাদে বিশ্বাসী একটি দল কোনটি? – সিপিআই (এম)
৭) ভারতের প্রথম কমিউনিস্ট সরকার কোথায় গঠিত হয়? – কেরলে
৮) ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিতে ভাঙন কবে ধরে? – ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে
৯) ইংল্যান্ডের একটি রাজনৈতিক দলের নাম কী? – লেবার পার্টি
১০) বর্তমানে ভারতে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাতীয় দলের সংখ্যা কত? – ৬টি
১১) ভারতের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়েছে কোন দল থেকে? – কংগ্রেস দল থেকে
১২) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস একটি কী ধরনের দল? – জাতীয় দল
১৩) ১৯৫২ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত ভারতের ইতিহাসে একাধিপত্যের যুগ কাকে বলা হয়? – কংগ্রেসকে
১৪) ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ভারতে কোন দলের আধিপত্য ছিল? – জাতীয় কংগ্রেস
১৫) ভারতে কর্তৃত্বযুক্ত দলীয় ব্যবস্থার অবসান কবে ঘটে? – ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দের নবম লোকসভা নির্বাচনের পর
১৬) কংগ্রেসের আধিপত্যকে ‘The Congress System’ কে বলেছেন? – রজনী কোঠারি
১৭) ভারতীয় দলবাবস্থাকে একদলীয় প্রাধান্যযুক্ত বহুদলীয় ব্যবস্থা কে বলেছেন? – অ্যালান বল
১৮) ভারতের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ধরন কী? – ব্যক্তিকেন্দ্রিক
১৯) ভারতের দলব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য কী? – জোটসরকার গঠনের প্রবণতা, বহুদলীয় ব্যবস্থা ও দলত্যাগ
২০) তানজানিয়ান আফ্রিকান জাতীয় ইউনিয়ন কোন ধরনের সংগঠন? – রাজনৈতিক দল
২১) সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টিকে অগ্রবর্তী বাহিনী (Party Vanguard) কে বলেছেন? – লেনিন
২২) রাজনৈতিক দলের একটি কাজ কী? – সরকার ও জনগণের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা
২৩) সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে নীতি নির্ধারণের কাজ কার? – রাজনৈতিক দলের
২৪) অ্যালমন্ড ও পাওয়েল-এর মতে রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ কী? – রাজনৈতিক নিয়োগ, রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ ও স্বার্থের সমষ্টিকরণ
২৫) অ্যালান বল-এর মতে রাজনৈতিক দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ কী? – স্বার্থের সমষ্টিকরণ ও যোগসূত্র স্থাপন
২৬) জনমত গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনগণের রায় গ্রহণের কাজ রাজনৈতিক দলের—কে বলেছেন? – লাওয়েল
২৭) ভারতের কমিউনিস্ট দল বিভাজিত হয়ে কোন দল সৃষ্টি হয়? – সিপিআই (মার্কসবাদী)
২৮) বহুদলীয় ব্যবস্থা কোথায় দেখা যায়? – নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও ফ্রান্স
২৯) স্থিতিশীল বহুদলীয় ব্যবস্থা কোথায় পাওয়া যায়? – সুইডেনে
৩০) অস্থায়ী বহুদলীয় ব্যবস্থা কোথায় দেখা যায়? – ফ্রান্সে
৩১) রাজনৈতিক দলের একটি গুণ কী? – রাজনৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানো
৩২) এর মধ্যে কোনটি রাজনৈতিক দলের কাজ নয়? – আইনসভায় নির্বাচন পরিচালনা করা
৩৩) রাজনৈতিক দলের একটি ত্রুটি কী? – সুষ্ঠু জনমত গড়ে তোলার পথে বাধা সৃষ্টি করে
৩৪) ভারতে একটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল কোনটি? – জাতীয় কংগ্রেস
৩৫) ভারতের রাজনৈতিক দলব্যবস্থা কী ধরনের? – বহুদলীয়
৩৬) ভারতের সংবিধানে দলবাবস্থার উল্লেখ আছে কি? – আছে
৩৭) ভারতের রাজনৈতিক দল সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে কবে? – ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে
৩৮) রাজনৈতিক দলবাবস্থা সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করেছে কোন সংশোধনের মাধ্যমে? – ৫২তম সংবিধান সংশোধন
৩৯) ৫২তম সংবিধান সংশোধন কবে সংঘটিত হয়েছিল? – ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে
৪০) ভারতের প্রথম রাজনৈতিক দলের নাম কী? – জাতীয় কংগ্রেস
৪১) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে
৪২) ভারতে দলীয় ব্যবস্থার উদ্ভব কিসের পটভূমিতে? – দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিকায়
৪৩) ভারতে দলব্যবস্থা গঠনের অনুপ্রেরণা কে দিয়েছে? – ব্রিটেন
৪৪) রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি প্রতীক কে দান করে? – নির্বাচন কমিশন
৪৫) রাজনৈতিক দলগুলিকে স্বীকৃতি কে দেয়? – নির্বাচন কমিশন
৪৬) ভারতের রাজনৈতিক দলগুলির শ্রেণিবিভাজনের মাপকাঠি কে নির্ধারণ করে? – নির্বাচন কমিশন
৪৭) ভারতের রাজনৈতিক দলগুলিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়? – ৩টি
৪৮) ভারতীয় সংবিধানে নির্বাচন সংক্রান্ত ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে? – নির্বাচন কমিশনকে
৪৯) জাতীয় দল হওয়ার জন্য কত শতাংশ ভোট সংগ্রহ করতে হয়? – ৬ শতাংশ
৫০) রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক দলগুলিকে জাতীয় মর্যাদা কে দেয়? – নির্বাচন কমিশন
৫১) রাজনৈতিক দল হলো একটি সংগঠন যা কিসের জন্য কাজ করে? – ক্ষমতা
৫২) কোন ধরনের দল ব্যবস্থা একাধিক দলকে সক্রিয় রাখে? – বহুদলীয়
৫৩) একদলীয় ব্যবস্থায় সাধারণত একটি দলই কী হয়? – শাসক দল
৫৪) রাজনৈতিক দলের মূল কাজ হলো জনগণের কোন প্রতিনিধিত্ব করা? – রাজনৈতিক
৫৫) রাজনৈতিক দলগুলি সাধারণত কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে? – স্থানীয় ও জাতীয়
৫৬) দ্বিদলীয় ব্যবস্থায় দুটি প্রধান দল কী? – বিরোধী ও ক্ষমতাসীন দল
৫৭) কোন দল ব্যবস্থা বেশি রাজনৈতিক বৈচিত্র্য দেয়? – বহুদলীয়
৫৮) রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ সংস্থা কী? – সম্মেলন
৫৯) রাজনৈতিক দলের সদস্যরা নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে কী পায়? – সুযোগ
৬০) রাজনৈতিক দলের গঠন ও কার্যক্রমে কোন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ? – সাংগঠনিক কাঠামো
৬১) দলীয় নির্বাচন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কে রাখে? – নির্বাচন কমিশন
৬২) রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে মতবিরোধ মেটাতে কী প্রয়োজন? – সমঝোতা
৬৩) একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলকে কী হতে হয়? – দায়বদ্ধ
৬৪) রাজনৈতিক দলের সদস্যদের কী বলা হয়? – সদস্য
৬৫) রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত কোন মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রচার করে? – সভা-সমাবেশ।

অধ্যায় ৬: ভারতের বিদেশ নীতি

১) বহুদলীয় ব্যবস্থা দেখা যায় – নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও ফ্রান্স
২) স্থিতিশীল বহুদলীয় ব্যবস্থা দেখতে পাওয়া যায় – সুইডেনে
৩) অস্থায়ী বহুদলীয় ব্যবস্থা দেখা যায় – ফ্রান্সে
৪) ইংল্যান্ডের একটি রাজনৈতিক দলের নাম হল – লেবার পার্টি
৫) তানজানিয়ান আফ্রিকান জাতীয় ইউনিয়ন হল একটি – রাজনৈতিক দল
৬) সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টিকে অগ্রবর্তী বাহিনী বলেছেন – লেনিন
৭) রাজনৈতিক দলের একটি কাজ – সরকার ও জনগণের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা
৮) রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে – রাজনৈতিক দল
৯) সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে নীতি নির্ধারণের কাজটি হল – রাজনৈতিক দলের
১০) অ্যালমন্ড ও পাওয়েল-এর মতে রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ – সবকটিই সঠিক
১১) অ্যালান বল-এর মতে রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ – স্বার্থের সমষ্টিকরণ ও সরকার–জনগণের যোগসূত্র স্থাপন
১২) রাজনৈতিক দলগুলির কাজ সম্পর্কে বলেছেন – লাওয়েল
১৩) রাজনৈতিক দলের একটি গুণ – রাজনৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানো
১৪) রাজনৈতিক দলের কাজ নয় – আইনসভায় নির্বাচন পরিচালনা করা
১৫) রাজনৈতিক দলের একটি ত্রুটি – সুষ্ঠু জনমত গড়ে তোলার পথে বাধা সৃষ্টি করে
১৬) ভারতে একটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল – জাতীয় কংগ্রেস
১৭) ভারতের রাজনৈতিক দলব্যবস্থা – বহুদলীয়
১৮) ভারতের সংবিধানে দলবাবস্থার উল্লেখ – আছে
১৯) ভারতের রাজনৈতিক দল সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে – ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে
২০) রাজনৈতিক দলবাবস্থা সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করেছে – ৫২-তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে
২১) ৫২তম সংবিধান সংশোধন সংঘটিত হয়েছিল – ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে
২২) ভারতের প্রথম রাজনৈতিক দল – জাতীয় কংগ্রেস
২৩) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল – ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে
২৪) ভারতে দলীয় ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটেছে – দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিকায়
২৫) ভারতে দলব্যবস্থা গঠনের অনুপ্রেরণা দিয়েছে – ব্রিটেন
২৬) রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক দান করে – নির্বাচন কমিশন
২৭) রাজনৈতিক দলগুলিকে স্বীকৃতি দেয় – নির্বাচন কমিশন
২৮) রাজনৈতিক দলগুলির শ্রেণিবিভাজনের মাপকাঠি নির্ধারণ করে – নির্বাচন কমিশন
২৯) ভারতের রাজনৈতিক দল ভাগ করা হয় – ৩টি ভাগে
৩০) সংবিধানে নির্বাচন সংক্রান্ত ক্ষমতা অর্পিত হয়েছে – নির্বাচন কমিশনের হাতে
৩১) জাতীয় দল হওয়ার জন্য দলকে বৈধ ভোট পেতে হয় – ৬ শতাংশ
৩২) রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক দলগুলিকে জাতীয় দল হিসেবে স্বীকৃতি দেয় – নির্বাচন কমিশন
৩৩) ভারতের দলব্যবস্থাকে মরিস জোনস্ ভাগ করেছেন – দুই ভাগে
৩৪) জাতীয় দল যে রাজনীতি নিয়ে কাজ করে – জাতীয় রাজনীতি
৩৫) জাতীয় দল হল – জাতীয় ঐক্যের প্রতীক
৩৬) বর্তমানে ভারতে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাতীয় দলের সংখ্যা – ৬টি
৩৭) ভারতের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়েছে – কংগ্রেস দল থেকে
৩৮) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস একটি – জাতীয় দল
৩৯) ১৯৫২–১৯৮৯ সময়কে একাধিপত্যের যুগ বলা হয় – কংগ্রেসকে
৪০) ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত আধিপত্য ছিল – জাতীয় কংগ্রেসের
৪১) ভারতে কর্তৃত্বযুক্ত দলীয় ব্যবস্থার অবসান ঘটে – ১৯৮৯ নবম লোকসভা নির্বাচনের পর
৪২) কংগ্রেসের আধিপত্যকে “The Congress System” বলেছেন – রজনী কোঠারি
৪৩) ভারতীয় দলব্যবস্থাকে একদলীয় প্রাধান্যযুক্ত বহুদলীয় ব্যবস্থা বলেছেন – অ্যালান বল
৪৪) ভারতের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ধরন – ব্যক্তিকেন্দ্রিক
৪৫) ভারতীয় দলীয় ব্যবস্থাকে “আধিপত্যশীল দলীয় ব্যবস্থা” বলেছেন – মরিস জোনস্ ও অ্যালান বল
৪৬) ভারতের দলব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য – সবকটিই সঠিক
৪৭) পারিবারিক ও গোষ্ঠীগত শাসন বৈশিষ্ট্য বলেছেন – জোয়া হাসান
৪৮) নির্বাচনে অর্থব্যয়ে ব্যবসায়ীদের উপর নির্ভরতা প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন – ই শ্রীধরন
৪৯) ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৫১–৫২
৫০) জাতীয় দল হিসেবে স্বীকৃতির জন্য উপস্থিত থাকতে হয় অন্তত – ৪টি রাজ্যে
৫১) ভারতের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি – শান্তি ও সহাবস্থান
৫২) ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ করেছিলেন – জওহরলাল নেহরু
৫৩) ভারতের বৈদেশিক নীতির মূল স্তম্ভ – নিরপেক্ষতা
৫৪) প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের নীতি – প্রতিবেশী প্রথম
৫৫) ভারতের নিরাপত্তার প্রধান চ্যালেঞ্জ – প্রতিবেশী দেশের সীমানা বিরোধ
৫৬) ১৯৪৭ সালের পর ভারত বিশ্বাস স্থাপন করে – নিরপেক্ষতা নীতিতে
৫৭) ভারত সক্রিয় সদস্য – অগ্রগামী জাতিসংঘ (G-77)
৫৮) ভারতের বৈদেশিক নীতির অন্যতম লক্ষ্য – পারস্পরিক সম্মান
৫৯) ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ – পাকিস্তান
৬০) “Look East” নীতি সহায়ক – দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে সম্পর্ক
৬১) ভারত অংশ – অর্থনৈতিক সহযোগিতাভিত্তিক বহুপাক্ষিক সংস্থা
৬২) ভারতের বৈদেশিক নীতিতে গুরুত্ব পায় – পারস্পরিক সম্মান ও শান্তি
৬৩) Non-alignment মানে – কোন সামরিক জোটে যোগ না দেয়া
৬৪) ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করে – জাতিসংঘের মাধ্যমে
৬৫) “Neighbourhood First” নীতির উদ্দেশ্য – প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি
৬৬) ভারতের বৃহত্তম প্রতিপক্ষ দেশ – পাকিস্তান
৬৭) “Strategic Autonomy” নীতির মানে – স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা
৬৮) আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভারত কাজ করে – কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে
৬৯) উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমর্থন বৃদ্ধি করে – দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার মাধ্যমে
৭০) ভারতের সাম্প্রতিক বৈদেশিক নীতির বৈশিষ্ট্য – বহুপাক্ষিক সহযোগিতা।

 

 SOURCE-EDT

©Kamaleshforeducation.in (2023)

             

  

 

error: Content is protected !!
Scroll to Top