পুষ্টিবিজ্ঞান বিষয়ের দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষায় নতুন প্রশ্ন কাঠামোতে সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু অধ্যায় থেকে বেশি প্রশ্ন আসবে, তাই সেই অধ্যায়গুলিকে ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি। আবার পরীক্ষার আগে ছোট ছোট One Liner প্রশ্নোত্তর অনুশীলন করলে খুব দ্রুত Revision হয় এবং জ্ঞান যাচাইয়ের আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। এই সাজেশন পড়াশোনাকে আরও সহজ করে তুলবে এবং পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
নিউট্রেশন তৃতীয় সেমিস্টারের এই সাজেশনগুলোতে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে। সাজেশন গুলো One Liner হিসেবে দেওয়ার উদ্দেশ্য হল ছাত্রছাত্রীরা সহজেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তরগুলি রিভিশন করতে পারবে।
একনজরে » 1 HS Class 12 Semester-3 Nutrition Suggestion:
উচ্চ মাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার পুষ্টিবিজ্ঞান সাজেশন 1.1 অধ্যায়⁞ পুষ্টিতে জৈব রাসায়নিক ও জৈব ভৌত প্রক্রিয়া 1.2 অধ্যায়⁞ খাদ্যের ভাঙ্গন: পরিপাক ও শোষণ 1.3 অধ্যায়⁞ খাদ্যের ব্যবহার: কার্বোহাইড্রেট প্রোটিন ও ফ্যাট এর বিপাক 1.4 অধ্যায়⁞ মানুষের শক্তির চাহিদা ও ক্যালোরির ধারণা 1.5 অধ্যায়⁞ খাদ্য বিনষ্টিকরণ ও খাদ্য বিষক্রিয়া 1.6 অধ্যায়⁞ খাদ্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ
HS Class 12 Semester-3 Nutrition Suggestion:
উচ্চ মাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার পুষ্টিবিজ্ঞান সাজেশন
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির নিউট্রিশন তৃতীয় সেমিস্টারে ভালো নম্বর পেতে হলে আগে সিলেবাসটা পরিষ্কারভাবে জানা খুব দরকার। কোন কোন অধ্যায় থেকে বেশি প্রশ্ন আসে তা বোঝা থাকলে পড়াশোনা অনেক সহজ হয়। তাই নিচে টেবিল আকারে পুরো সিলেবাস দেওয়া হলো, যাতে এক নজরে দেখে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হয়।
Unit – অধ্যায় বিষয়বস্তু Unit – 1 : পরিপাক ও শোষণের পুষ্টিগত পর্যায় – 12 Marks অধ্যায় ১ পুষ্টিতে জৈব রাসায়নিক ও জৈব ভৌত প্রক্রিয়া অধ্যায় ২ খাদ্যের ভাঙ্গন: পরিপাক ও শোষণ Unit – 2 : বিপাকের পুষ্টিগত পর্যায় – 13 Marks অধ্যায় ৩ খাদ্যের ব্যবহার: কার্বোহাইড্রেট প্রোটিন ও ফ্যাট এর বিপাক অধ্যায় ৪ মানুষের শক্তির চাহিদা ও ক্যালোরির ধারণা Unit – 3 : খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য বিধি – 10 Marks অধ্যায় ৫ খাদ্য বিনষ্টিকরণ ও খাদ্য বিষক্রিয়া অধ্যায় ৬ খাদ্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ
অধ্যায়⁞ পুষ্টিতে জৈব রাসায়নিক ও জৈব ভৌত প্রক্রিয়া
১) এনজাইম কী? – জৈব অনুঘটক যা রাসায়নিক বিক্রিয়া ত্বরান্বিত করে ২) এনজাইম প্রধানত কিসের তৈরি? – প্রোটিন ৩) এনজাইমের বৈশিষ্ট্য কী? – নিজে পরিবর্তিত না হয়ে বিক্রিয়া ত্বরান্বিত করে ৪) কো-এনজাইম কী? – এনজাইম কার্যকারিতায় সহায়ক জৈব অণু ৫) কো-ফ্যাক্টর কী? – এনজাইম সক্রিয় করতে সহায়ক ধাতব আয়ন বা ছোট অণু ৬) প্রোস্টেটিক গ্রুপ কী? – স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকা অ-প্রোটিন অংশ ৭) অ্যাপো-এনজাইম কী? – কো-ফ্যাক্টর ছাড়া এনজাইমের প্রোটিন অংশ ৮) হোলো-এনজাইম কী? – অ্যাপোএনজাইম + কো-ফ্যাক্টর (সক্রিয় এনজাইম) ৯) রেগুলেটরি এনজাইম কী? – বিপাকক্রিয়ার গতি নিয়ন্ত্রণকারী এনজাইম ১০) ডাইজেস্টিভ এনজাইমের উদাহরণ দাও – অ্যামাইলেজ, পেপসিন, লিপেজ ১১) মেটাবলিক এনজাইমের উদাহরণ দাও – হেক্সোকিনেজ, ডিহাইড্রোজেনেজ ১২) ডিফিউশন কী? – উচ্চ ঘনত্ব থেকে নিম্ন ঘনত্বে অণুর স্বতঃস্ফূর্ত গতি ১৩) অসমোসিস কী? – অর্ধভেদ্য ঝিল্লির মাধ্যমে দ্রাবকের গতি ১৪) ফ্যাসিলিটেটেড ডিফিউশন কী? – ক্যারিয়ার প্রোটিন দ্বারা সংঘটিত ডিফিউশন ১৫) অ্যাকটিভ ট্রান্সপোর্ট কী? – শক্তি ব্যবহার করে ঘনত্বের বিপরীতে পরিবহন ১৬) প্যাসিভ ট্রান্সপোর্ট কী? – শক্তি ছাড়া ঘনত্বের অনুকূলে পরিবহন ১৭) এনজাইমের কার্যক্ষমতা কিসের উপর নির্ভর করে? – pH ও তাপমাত্রা ১৮) লক অ্যান্ড কি থিওরি কে প্রস্তাব করেন? – এমিল ফিশার ১৯) ইনডিউসড ফিট থিওরি কে দেন? – ড্যানিয়েল কশল্যান্ড ২০) ক্যাটালিস্ট কী? – যে পদার্থ বিক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে কিন্তু নিজে পরিবর্তিত হয় না ২১) এনজাইম নামকরণের জন্য কোন প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়? – –ase ২২) অ্যামাইলেজ কোন খাদ্যকে ভাঙে? – স্টার্চকে মালটোজে ২৩) পেপসিন কী ভাঙে? – প্রোটিন ২৪) লিপেজ কী ভাঙে? – ফ্যাটকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে ২৫) ট্রিপসিন কোথায় কাজ করে? – স্মল ইনটেস্টাইন ২৬) ডিফিউশনের একটি উদাহরণ – ফুসফুসে O₂ ও CO₂ এর বিনিময় ২৭) অসমোসিসের একটি উদাহরণ – রুট হেয়ার দ্বারা জল শোষণ ২৮) ফ্যাসিলিটেটেড ডিফিউশনের উদাহরণ – গ্লুকোজ পরিবহন ২৯) অ্যাকটিভ ট্রান্সপোর্টের উদাহরণ – Na⁺-K⁺ পাম্প ৩০) এনজাইমের প্রোটিন অংশকে কী বলে? – অ্যাপোএনজাইম ৩১) ভিটামিন কোন রূপে কো-এনজাইম হিসেবে কাজ করে? – বিভিন্ন ডেরিভেটিভ আকারে ৩২) Mg²⁺ কোন ধরনের পদার্থ হিসেবে কাজ করে? – কো-ফ্যাক্টর ৩৩) ATP ব্যবহৃত পরিবহন প্রক্রিয়া কোনটি? – অ্যাকটিভ ট্রান্সপোর্ট ৩৪) প্যাসিভ ট্রান্সপোর্টের উদাহরণ – O₂ প্রবেশ কোষে ৩৫) এনজাইমের গতি পরিমাপের একক কী? – ইউনিট (U) ৩৬) প্রোস্টেটিক গ্রুপের উদাহরণ – হিম (সাইটোক্রোমে) ৩৭) পেপসিন কোন pH-তে সক্রিয় থাকে? – অ্যাসিডিক (pH 1.5–2) ৩৮) ট্রিপসিন কোন pH-তে সক্রিয় থাকে? – অ্যালকালাইন (pH 7.5–8.5) ৩৯) এনজাইম অ্যাক্টিভ সাইট কী? – যেখানে সাবস্ট্রেট যুক্ত হয় ৪০) এনজাইম কাইনেটিক্সে Vmax কী? – সর্বোচ্চ বিক্রিয়া হার ৪১) মাইকেলিস ধ্রুবক (Km) কী নির্দেশ করে? – সাবস্ট্রেট ঘনত্ব যেখানে বিক্রিয়া হার অর্ধেক হয় ৪২) এনজাইম কার্যকারিতা নির্ণয়ের পদ্ধতি কী? – এনজাইম কাইনেটিক্স স্টাডি ৪৩) ইনহিবিটর কী? – এনজাইমের কার্যকারিতা কমায় এমন পদার্থ ৪৪) কম্পেটিটিভ ইনহিবিশন কী? – সাবস্ট্রেটের সাথে প্রতিযোগিতা করে ইনহিবিটর যুক্ত হয় ৪৫) নন-কম্পেটিটিভ ইনহিবিশন কী? – এনজাইমের অন্য স্থানে ইনহিবিটর যুক্ত হয় ৪৬) অসমোসিসে দ্রাবকের গতি কোন দিকে হয়? – কম ঘন থেকে বেশি ঘন দ্রবণে ৪৭) ডিফিউশনে শক্তি লাগে কি? – না ৪৮) অ্যাকটিভ ট্রান্সপোর্টে শক্তি লাগে কি? – হ্যাঁ, ATP লাগে ৪৯) ফ্যাসিলিটেটেড ডিফিউশনে শক্তি লাগে কি? – না ৫০) প্যাসিভ ট্রান্সপোর্টে শক্তি লাগে কি? – না
অধ্যায়⁞ খাদ্যের ভাঙ্গন: পরিপাক ও শোষণ
১) Alimentary canal কী? – খাদ্য হজম ও শোষণের জন্য বিশেষ নালি-ব্যবস্থা ২) Alimentary canal কোথা থেকে শুরু হয়ে কোথায় শেষ হয়? – মুখগহ্বর থেকে মলদ্বার পর্যন্ত ৩) Alimentary canal-এর প্রধান অংশ কয়টি? – ৭টি ৪) মুখগহ্বরের কাজ কী? – খাদ্যের যান্ত্রিক ও আংশিক রাসায়নিক হজম ৫) অন্ননালী (Esophagus)-এর কাজ কী? – খাদ্যকে পাকস্থলীতে পৌঁছে দেওয়া ৬) পাকস্থলীর কাজ কী? – খাদ্যের আংশিক হজম ও সংরক্ষণ ৭) ক্ষুদ্রান্ত্রের কাজ কী? – হজম ও শোষণের প্রধান স্থান ৮) বৃহদান্ত্রের কাজ কী? – জল ও লবণ শোষণ, মল তৈরি ৯) মলাশয়ের কাজ কী? – মল সঞ্চয় ১০) মলদ্বারের কাজ কী? – মল নির্গমন ১১) হজম প্রক্রিয়ার দুটি ধাপ কী? – যান্ত্রিক ও রাসায়নিক হজম ১২) লালারস কোথা থেকে উৎপন্ন হয়? – লালাগ্রন্থি থেকে ১৩) লালারসে কোন এনজাইম থাকে? – অ্যামাইলেজ ১৪) লালার pH কত? – প্রায় ৬.৮ ১৫) পাকরস কোথা থেকে আসে? – গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে ১৬) পাকরসে প্রধান উপাদান কী? – HCl, পেপসিন, রেনিন, মিউকাস ১৭) পাকরসের pH কত? – প্রায় ১.৫–২.৫ ১৮) পেপসিন কী ভাঙে? – প্রোটিনকে পেপটাইডে ১৯) রেনিনের কাজ কী? – দুধের কেজিন জমাট বাঁধানো ২০) HCl-এর কাজ কী? – ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস, পেপসিন সক্রিয়করণ ২১) অগ্ন্যাশয়ের রসকে কী বলে? – প্যানক্রিয়াটিক জুস ২২) প্যানক্রিয়াটিক রসে প্রধান এনজাইম কী কী? – ট্রিপসিন, অ্যামাইলেজ, লিপেজ ২৩) ট্রিপসিন কী ভাঙে? – প্রোটিনকে অ্যামাইনো অ্যাসিডে ২৪) প্যানক্রিয়াটিক অ্যামাইলেজ কী ভাঙে? – স্টার্চকে মালটোজে ২৫) প্যানক্রিয়াটিক লিপেজ কী ভাঙে? – ফ্যাটকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে ২৬) Succus entericus কোথা থেকে নিঃসৃত হয়? – ক্ষুদ্রান্ত্রের দেয়াল থেকে ২৭) Succus entericus-এ কোন এনজাইম থাকে? – মালটেজ,ল্যাকটেজ, সুকরেজ, পেপটিডেজ ২৮) মালটেজ কী ভাঙে? – মালটোজকে গ্লুকোজে ২৯) ল্যাকটেজ কী ভাঙে? – ল্যাকটোজকে গ্লুকোজ ও গ্যালাক্টোজে ৩০) সুকরেজ কী ভাঙে? – সুক্রোজকে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে ৩১) পিত্তরস কোথা থেকে আসে? – লিভার থেকে ৩২) পিত্তরস কোথায় সঞ্চিত থাকে? – পিত্তথলি (Gall bladder) ৩৩) পিত্তরসের প্রধান উপাদান কী? – পিত্তলবণ ৩৪) পিত্তরসের কাজ কী? – চর্বিকে ইমালসিফাই করে ভাঙতে সাহায্য করা ৩৫) পিত্তরসে কি এনজাইম থাকে? – না ৩৬) কার্বোহাইড্রেট হজম কোথায় শুরু হয়? – মুখগহ্বরে (Salivary amylase দ্বারা) ৩৭) কার্বোহাইড্রেটের হজম কোথায় শেষ হয়? – ক্ষুদ্রান্ত্রে (মালটেজ, ল্যাকটেজ, সুকরেজ দ্বারা) ৩৮) কার্বোহাইড্রেট হজমের চূড়ান্ত উৎপাদন কী? – গ্লুকোজ ৩৯) প্রোটিন হজম কোথায় শুরু হয়? – পাকস্থলীতে (পেপসিন দ্বারা) ৪০) প্রোটিন হজম কোথায় শেষ হয়? – ক্ষুদ্রান্ত্রে (পেপটিডেজ দ্বারা) ৪১) প্রোটিন হজমের চূড়ান্ত উৎপাদন কী? – অ্যামাইনো অ্যাসিড ৪২) ফ্যাট হজম কোথায় শুরু হয়? – ক্ষুদ্রান্ত্রে (পিত্তরস ও লিপেজ দ্বারা) ৪৩) ফ্যাট হজমের চূড়ান্ত উৎপাদন কী? – ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল ৪৪) হজমের পর গ্লুকোজ কোথায় শোষিত হয়? – স্মল ইনটেস্টাইন দ্বারা রক্তে ৪৫) হজমের পর অ্যামাইনো অ্যাসিড কোথায় শোষিত হয়? – স্মল ইনটেস্টাইন দ্বারা রক্তে ৪৬) ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল কোথায় শোষিত হয়? – ল্যাকটিয়ালস (লিম্ফ নালি) ৪৭) ক্ষুদ্রান্ত্রের কোন অংশে শোষণ বেশি হয়? – জেজুনাম ও ইলিয়াম ৪৮) অন্ত্রের ভিলির কাজ কী? – শোষণের ক্ষেত্র বাড়ানো ৪৯) বৃহদান্ত্রের শোষিত প্রধান উপাদান কী? – জল ও খনিজ লবণ ৫০) হজমের শেষ পণ্য কী কী? – গ্লুকোজ, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড, গ্লিসারল
অধ্যায়⁞ খাদ্যের ব্যবহার:
কার্বোহাইড্রেট প্রোটিন ও ফ্যাট এর বিপাক
১) মেটাবলিজম কী? – দেহে সংঘটিত সকল রাসায়নিক বিক্রিয়া ২) মেটাবলিজম কয় প্রকার? – ২ প্রকার: অ্যানাবলিজম ও ক্যাটাবলিজম ৩) অ্যানাবলিজম কী? – জটিল অণু তৈরি প্রক্রিয়া ৪) ক্যাটাবলিজম কী? – জটিল অণুর ভাঙন প্রক্রিয়া ৫) শক্তি উৎপাদনের সাথে কোন প্রক্রিয়া যুক্ত? – ক্যাটাবলিজম ৬) টিস্যু নির্মাণের সাথে কোন প্রক্রিয়া যুক্ত? – অ্যানাবলিজম ৭) মেটাবলিজম কোথায় ঘটে? – কোষে ৮) শক্তি উৎপাদনের মূল অণু কোনটি? – ATP ৯) মাইটোকন্ড্রিয়া কী নামে পরিচিত? – Cell’s powerhouse ১০) মেটাবলিজমে এনজাইমের ভূমিকা কী? – প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা ১১) কার্বোহাইড্রেট বিপাকের প্রাথমিক ধাপ কী? – গ্লাইকোলাইসিস ১২) গ্লাইকোলাইসিস কোথায় ঘটে? – সাইটোপ্লাজমে ১৩) গ্লাইকোলাইসিসের চূড়ান্ত উৎপাদন কী? – ২ মলিকিউল পাইরুভেট ১৪) গ্লাইকোলাইসিসে কত ATP উৎপন্ন হয়? – ২ ATP (Net gain) ১৫) গ্লাইকোলাইসিসে কত NADH উৎপন্ন হয়? – ২ NADH ১৬) TCA cycle কোথায় ঘটে? – মাইটোকন্ড্রিয়ার matrix এ ১৭) TCA cycle-এর আরেক নাম কী? – Krebs cycle ১৮) TCA cycle-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী? – শক্তি উৎপাদন (ATP, NADH, FADH₂) ১৯) TCA cycle-এ কত ATP উৎপন্ন হয়? – প্রায় ১২ ATP প্রতি acetyl-CoA থেকে ২০) TCA cycle-এর সূচনা কোন যৌগ দিয়ে হয়? – Acetyl CoA + Oxaloacetate → Citrate ২১) গ্লাইকোজেনোলাইসিস কী? – গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি প্রক্রিয়া ২২) গ্লাইকোজেনোলাইসিস কোথায় ঘটে? – লিভার ও পেশিতে ২৩) গ্লাইকোজেনেসিস কী? – গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন তৈরি প্রক্রিয়া ২৪) গ্লুকোনিওজেনেসিস কী? – অ-কার্বোহাইড্রেট উৎস থেকে গ্লুকোজ তৈরি ২৫) গ্লুকোনিওজেনেসিস প্রধানত কোথায় ঘটে? – লিভার ও কিডনিতে ২৬) কোরি সাইকেল কী? – ল্যাকটেট থেকে লিভারে গ্লুকোজ তৈরি ২৭) কোরি সাইকেল কোথায় ঘটে? – লিভার ও পেশিতে ২৮) হাইপোগ্লাইসেমিয়া কী? – রক্তে গ্লুকোজ স্বাভাবিকের নিচে নেমে যাওয়া ২৯) হাইপারগ্লাইসেমিয়া কী? – রক্তে গ্লুকোজ স্বাভাবিকের উপরে থাকা ৩০) গ্লাইকোসুরিয়া কী? – মূত্রে গ্লুকোজের উপস্থিতি ৩১) রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা কত? – ৭০–১১০ mg/dl ৩২) রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে কোন হরমোন কাজ করে? – ইনসুলিন ও গ্লুকাগন ৩৩) ইনসুলিন কোথা থেকে নিঃসৃত হয়? – প্যানক্রিয়াসের β-সেল থেকে ৩৪) ইনসুলিনের কাজ কী? – রক্তে গ্লুকোজ কমানো ৩৫) গ্লুকাগন কোথা থেকে নিঃসৃত হয়? – প্যানক্রিয়াসের α-সেল থেকে ৩৬) গ্লুকাগনের কাজ কী? – রক্তে গ্লুকোজ বাড়ানো ৩৭) এড্রেনালিন রক্তে গ্লুকোজের উপর কী প্রভাব ফেলে? – বাড়ায় ৩৮) গ্লুকোকর্টিকয়েড হরমোনের কাজ কী? – গ্লুকোনিওজেনেসিস বাড়ানো ৩৯) গ্লুকোজ ভাঙার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার নাম কী? – Aerobic respiration ৪০) এক মোল গ্লুকোজ ভাঙলে কত ATP তৈরি হয়? – ৩৬–৩৮ ATP ৪১) প্রোটিন বিপাকের মৌলিক একক কী? – অ্যামাইনো অ্যাসিড ৪২) অ্যামাইনো অ্যাসিড পুল কী? – দেহে বিদ্যমান মুক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিডের ভাণ্ডার ৪৩) ডিএমিনেশন কী? – অ্যামাইনো গ্রুপ অপসারণ প্রক্রিয়া ৪৪) ডিএমিনেশন কোথায় ঘটে? – লিভারে ৪৫) ডিএমিনেশনের ফলে কী উৎপন্ন হয়? – অ্যামোনিয়া ৪৬) ইউরিয়া কোথায় তৈরি হয়? – লিভারে ৪৭) ইউরিয়া কোন মাধ্যমে নির্গত হয়? – মূত্রে ৪৮) ইউরিয়া তৈরির প্রক্রিয়ার নাম কী? – অর্নিথিন চক্র (Urea cycle) ৪৯) ট্রান্সঅ্যামিনেশন কী? – অ্যামাইনো গ্রুপ এক অ্যামাইনো অ্যাসিড থেকে কেটো অ্যাসিডে স্থানান্তর ৫০) ট্রান্সঅ্যামিনেশন প্রধানত কোন এনজাইম দ্বারা হয়? – ট্রান্সঅ্যামিনেজ ৫১) ডিকার্বক্সিলেশন কী? – অ্যামাইনো অ্যাসিড থেকে CO₂ মুক্ত হওয়া ৫২) ট্রান্সমিথাইলেশন কী? – এক অণু থেকে অন্য অণুতে মিথাইল গ্রুপ স্থানান্তর ৫৩) প্রোটিন সংশ্লেষণ কোথায় ঘটে? – রাইবোজোমে ৫৪) রাইবোজোমকে কী বলে? – Protein factory ৫৫) প্রোটিন বিপাকে অ্যামোনিয়ার ভাগ্য কী? – ইউরিয়ায় রূপান্তরিত হয় ৫৬) ইউরিয়া চক্রে মূল তিনটি যৌগ কী? – অর্নিথিন, সিট্রুলিন, আর্জিনিন ৫৭) ইউরিয়া চক্র কোথায় ঘটে? – লিভারের মাইটোকন্ড্রিয়া ও সাইটোপ্লাজমে ৫৮) অ্যামোনিয়া দেহের জন্য কেমন? – বিষাক্ত ৫৯) ইউরিয়ার আণবিক সূত্র কী? – CO(NH₂)₂ ৬০) প্রোটিন ভাঙার চূড়ান্ত উৎপাদন কী? – অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ইউরিয়া ৬১) ফ্যাট বিপাকের প্রধান প্রক্রিয়া কী? – বিটা-অক্সিডেশন ৬২) বিটা-অক্সিডেশন কোথায় ঘটে? – মাইটোকন্ড্রিয়ার matrix এ ৬৩) বিটা-অক্সিডেশনে কী তৈরি হয়? – Acetyl CoA ৬৪) Acetyl CoA কোন চক্রে প্রবেশ করে? – TCA cycle ৬৫) চর্বি ভাঙার প্রাথমিক ধাপ কী? – Lipolysis ৬৬) Lipolysis-এ কী তৈরি হয়? – Fatty acid ও Glycerol ৬৭) গ্লিসারল কোথায় প্রবেশ করে? – Glycolysis এ ৬৮) চর্বি ভাঙনে কত বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়? – কার্বোহাইড্রেটের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ৬৯) কিটোন বডি কী? – Acetoacetate, β-hydroxybutyrate, Acetone ৭০) কিটোন বডি কোথায় তৈরি হয়? – লিভারে ৭১) কিটোন বডি কোথায় ব্যবহৃত হয়? – পেশি ও মস্তিষ্কে শক্তি উৎপাদনে ৭২) কিটোন বডি উৎপাদন বেড়ে গেলে কী হয়? – কিটোসিস ৭৩) অনাহারে প্রধান শক্তির উৎস কী? – কিটোন বডি ৭৪) বিটা-অক্সিডেশনে এক মোল palmitic acid থেকে কত ATP পাওয়া যায়? – ১০৬ ATP ৭৫) ফ্যাট বিপাকে প্রধান এনজাইম কী? – Lipase ৭৬) লিপোলাইসিস কোথায় ঘটে? – অ্যাডিপোজ টিস্যুতে ৭৭) কিটোন বডির অতিরিক্ত জমাকে কী বলে? – কিটোঅ্যাসিডোসিস ৭৮) ফ্যাটি অ্যাসিড ভাঙার শেষ পণ্য কী? – Acetyl CoA ৭৯) গ্লিসারল বিপাকে কোন পথ অনুসরণ করে? – Glycolysis / Gluconeogenesis ৮০) ফ্যাট ভাঙন প্রধানত কোন অঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করে? – লিভার ৮১) ইনসুলিন চর্বির উপর কী প্রভাব ফেলে? – লিপোজেনেসিস বাড়ায় ৮২) গ্লুকাগন চর্বির উপর কী প্রভাব ফেলে? – লিপোলাইসিস বাড়ায় ৮৩) এড্রেনালিন চর্বির উপর কী প্রভাব ফেলে? – লিপোলাইসিস বাড়ায় ৮৪) গ্রোথ হরমোন প্রোটিন বিপাকে কী প্রভাব ফেলে? – প্রোটিন সংশ্লেষণ বাড়ায় ৮৫) কর্টিসল প্রোটিন বিপাকে কী প্রভাব ফেলে? – প্রোটিন ভাঙন বাড়ায় ৮৬) ইনসুলিন প্রোটিন বিপাকে কী প্রভাব ফেলে? – প্রোটিন সংশ্লেষণ বাড়ায় ৮৭) গ্লুকাগন কার্বোহাইড্রেট বিপাকে কী প্রভাব ফেলে? – রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায় ৮৮) ইনসুলিন কার্বোহাইড্রেট বিপাকে কী প্রভাব ফেলে? – রক্তে গ্লুকোজ কমায় ৮৯) থাইরয়েড হরমোন বিপাকে কী ভূমিকা রাখে? – বেসাল মেটাবলিক রেট বাড়ায় ৯০) অ্যাড্রেনালিন কার্বোহাইড্রেট বিপাকে কী করে? – গ্লাইকোজেনোলাইসিস উদ্দীপিত করে ৯১) গ্লাইকোলাইসিসকে কী বলা হয়? – Embden-Meyerhof pathway ৯২) TCA cycle-এ কত NADH উৎপন্ন হয় প্রতি acetyl-CoA থেকে? – ৩ NADH ৯৩) TCA cycle-এ কত FADH₂ উৎপন্ন হয় প্রতি acetyl-CoA থেকে? – ১ FADH₂ ৯৪) গ্লাইকোজেন কোথায় জমা থাকে? – লিভার ও পেশিতে ৯৫) ATP-এর ফুলফর্ম কী? – Adenosine Triphosphate ৯৬) NADH কোথায় ব্যবহৃত হয়? – Electron transport chain এ ৯৭) FADH₂ কোথায় ব্যবহৃত হয়? – Electron transport chain এ ৯৮) ETC কোথায় ঘটে? – মাইটোকন্ড্রিয়ার inner membrane এ ৯৯) ETC-তে চূড়ান্ত ইলেকট্রন গ্রহণকারী কে? – অক্সিজেন ১০০) অক্সিজেন গ্রহণের চূড়ান্ত উৎপাদন কী? – জল (H₂O)
অধ্যায়⁞ মানুষের শক্তির চাহিদা ও ক্যালোরির ধারণা
১) ক্যালোরি কাকে বলে? – ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১°C বাড়াতে যে শক্তি লাগে। ২) ক্যালোরি মান কিসের দ্বারা মাপা হয়? – বম্ব ক্যালোরিমিটার দ্বারা। ৩) খাদ্যের ক্যালোরি মান কী নির্দেশ করে? – খাদ্য পোড়ালে উৎপন্ন শক্তি। ৪) মানুষের শক্তি প্রয়োজন কীসের উপর নির্ভর করে? – বয়স, লিঙ্গ, কাজের ধরণ, শারীরিক অবস্থা। ৫) ফিজিওলজিক্যাল ফুয়েল ভ্যালু কী? – দেহে খাদ্য থেকে আসল ব্যবহারযোগ্য শক্তি। ৬) কার্বোহাইড্রেটের ফিজিওলজিক্যাল ফুয়েল ভ্যালু কত? – ৪ ক্যালোরি/গ্রাম। ৭) প্রোটিনের ফিজিওলজিক্যাল ফুয়েল ভ্যালু কত? – ৪ ক্যালোরি/গ্রাম। ৮) ফ্যাটের ফিজিওলজিক্যাল ফুয়েল ভ্যালু কত? – ৯ ক্যালোরি/গ্রাম। ৯) অ্যালকোহলের ফিজিওলজিক্যাল ফুয়েল ভ্যালু কত? – ৭ ক্যালোরি/গ্রাম। ১০) SDA-এর পূর্ণরূপ কী? – Specific Dynamic Action। ১১) SDA কী? – খাদ্য হজম, শোষণ ও বিপাকে অতিরিক্ত শক্তি ব্যয়। ১২) কার্বোহাইড্রেটের SDA কত? – ৫–১০%। ১৩) ফ্যাটের SDA কত? – ৩–৫%। ১৪) প্রোটিনের SDA কত? – ৩০% পর্যন্ত। ১৫) BMR এর পূর্ণরূপ কী? – Basal Metabolic Rate। ১৬) BMR কী? – বিশ্রাম অবস্থায় শরীরের ন্যূনতম শক্তি ব্যয়। ১৭) BMR মাপার সময় কোন শর্ত দরকার? – সকালে, খালি পেটে, সম্পূর্ণ বিশ্রামে। ১৮) পুরুষের স্বাভাবিক BMR কত? – প্রতি বর্গমিটার শরীরপৃষ্ঠে প্রায় ৩৮ ক্যালোরি/ঘণ্টা। ১৯) নারীর স্বাভাবিক BMR কত? – প্রতি বর্গমিটার শরীরপৃষ্ঠে প্রায় ৩৫ ক্যালোরি/ঘণ্টা। ২০) BMR কে বাড়ায়? – হরমোন (থাইরক্সিন), জ্বর, গর্ভাবস্থা। ২১) BMR কে কমায়? – উপবাস, বৃদ্ধ বয়স, হাইপোথাইরয়েডিজম। ২২) Reference man কাকে বলে? – ৬৫ কেজি ওজন, ১৭০ সেমি উচ্চতা, ২০–৩৯ বছর বয়সী সুস্থ পুরুষ। ২৩) Reference woman কাকে বলে? – ৫৫ কেজি ওজন, ১৬০ সেমি উচ্চতা, ২০–৩৯ বছর বয়সী সুস্থ মহিলা। ২৪) Reference man এর কাজের ধরণ কী ধরা হয়? – হালকা শারীরিক কাজ। ২৫) Reference woman এর কাজের ধরণ কী ধরা হয়? – হালকা শারীরিক কাজ। ২৬) একজন Reference man এর দৈনিক শক্তি প্রয়োজন কত? – প্রায় ২৭১০ ক্যালোরি। ২৭) একজন Reference woman এর দৈনিক শক্তি প্রয়োজন কত? – প্রায় ২১৩০ ক্যালোরি। ২৮) বিশ্রাম অবস্থায় শক্তি প্রয়োজন কত কমে যায়? – কাজের তুলনায় অনেক কম। ২৯) হালকা কাজ করলে শক্তি প্রয়োজন কত বাড়ে? – প্রায় ৩০%। ৩০) মাঝারি কাজ করলে শক্তি প্রয়োজন কত বাড়ে? – প্রায় ৪০–৫০%। ৩১) ভারী কাজ করলে শক্তি প্রয়োজন কত বাড়ে? – প্রায় ৫০–৭০%। ৩২) গর্ভাবস্থায় শক্তি প্রয়োজন কত বাড়ে? – প্রায় ৩৫০ ক্যালোরি/দিন। ৩৩) দুগ্ধদানকালে শক্তি প্রয়োজন কত বাড়ে? – প্রায় ৬০০ ক্যালোরি/দিন। ৩৪) শিশুদের শক্তি প্রয়োজন কেন বেশি? – দেহ বৃদ্ধির জন্য। ৩৫) বৃদ্ধদের শক্তি প্রয়োজন কেন কম? – বেসাল মেটাবলিজম হ্রাস পাওয়ার কারণে। ৩৬) শক্তি প্রয়োজনের প্রধান উৎস কী? – কার্বোহাইড্রেট। ৩৭) ফ্যাটের শক্তি প্রয়োজনীয়তার ভূমিকা কী? – দীর্ঘমেয়াদি শক্তি ও সঞ্চয়। ৩৮) প্রোটিনের শক্তির ভূমিকা কী? – শক্তি ছাড়াও দেহগঠন ও মেরামত। ৩৯) শক্তি ব্যয়ের তিনটি মূল উৎস কী? – BMR, SDA, শারীরিক কাজ। ৪০) মোট দৈনিক শক্তি ব্যয় কিসের সমষ্টি? – BMR + SDA + Physical activity। ৪১) কাজের সময় শক্তি কোথা থেকে সরবরাহ হয়? – ATP ভেঙে। ৪২) ১ মোল ATP ভাঙলে কত শক্তি মেলে? – ৭.৩ ক্যালোরি। ৪৩) মোট শক্তির কত শতাংশ BMR দ্বারা ব্যয় হয়? – প্রায় ৬০–৭০%। ৪৪) মোট শক্তির কত শতাংশ কাজকর্মে ব্যয় হয়? – প্রায় ২০–৩০%। ৪৫) মোট শক্তির কত শতাংশ SDA তে ব্যয় হয়? – প্রায় ১০%। ৪৬) খাদ্যের ক্যালোরি মান মাপার যন্ত্র কী? – বম্ব ক্যালোরিমিটার। ৪৭) শক্তি চাহিদা নির্ধারণের জন্য কোন সংস্থা গাইডলাইন দেয়? – ICMR। ৪৮) ICMR এর সর্বশেষ গাইডলাইন প্রকাশের বছর কত? – ২০২০। ৪৯) Reference man অনুযায়ী গড় শক্তি চাহিদা কত? – ২৭১০ ক্যালোরি। ৫০) Reference woman অনুযায়ী গড় শক্তি চাহিদা কত? – ২১৩০ ক্যালোরি।
অধ্যায়⁞ খাদ্য বিনষ্টিকরণ ও খাদ্য বিষক্রিয়া
১) খাদ্যের শেলফ লাইফ কাকে বলে? – খাদ্য কতদিন পর্যন্ত সংরক্ষণযোগ্য থাকে তা শেলফ লাইফ ২) দীর্ঘ শেলফ লাইফ বিশিষ্ট খাদ্যের উদাহরণ দাও – শুকনো ডাল, চাল, আটা ৩) স্বল্প শেলফ লাইফ বিশিষ্ট খাদ্যের উদাহরণ – দুধ, মাছ, মাংস, সবজি ৪) মাঝারি শেলফ লাইফ বিশিষ্ট খাদ্যের উদাহরণ – পাউরুটি, বিস্কুট, আলু ৫) খাদ্য নষ্ট হওয়ার মূল কারণ কী? – মাইক্রোঅর্গানিজমের বৃদ্ধি ৬) দুধে সাধারণত কোন জীবাণু পাওয়া যায়? – ল্যাক্টোব্যাসিলাস ৭) মাংসে কোন ব্যাকটেরিয়া বেশি দেখা যায়? – স্যালমোনেলা ও ক্লসট্রিডিয়াম ৮) সবজিতে সাধারণত কোন জীবাণু পাওয়া যায়? – কোলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া ৯) ফল নষ্ট হওয়ার প্রধান কারণ কী? – ইস্ট ও ফাঙ্গাসের আক্রমণ ১০) খাদ্যে দুর্গন্ধ কেন হয়? – ব্যাকটেরিয়ার পচন প্রক্রিয়ার কারণে ১১) খাদ্যে ছত্রাকজনিত দাগকে কী বলে? – মোল্ড ১২) খাদ্যে অম্ল স্বাদ তৈরি হওয়ার কারণ কী? – ব্যাকটেরিয়ার ফারমেন্টেশন ১৩) স্যালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা কোন রোগ হয়? – ফুড পয়জনিং (Salmonellosis) ১৪) স্যালমোনেলা সংক্রমণের প্রধান উৎস কী? – আধা সিদ্ধ মাংস, ডিম ১৫) স্যালমোনেলা সংক্রমণের উপসর্গ কী? – ডায়রিয়া, জ্বর, পেটব্যথা, বমি ১৬) রোটা ভাইরাস সংক্রমণে কী হয়? – তীব্র ডায়রিয়া ১৭) রোটা ভাইরাসের প্রধান শিকার কারা? – শিশুরা ১৮) কোলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি কী বোঝায়? – খাদ্যের মলদূষণ হয়েছে ১৯) ক্লসট্রিডিয়াম ব্যাকটেরিয়া দ্বারা কোন রোগ হয়? – বটুলিজম ২০) বটুলিজমের উপসর্গ কী? – অবসাদ, মাথা ঘোরা, পক্ষাঘাত ২১) স্ট্রেপটোকক্কাল সংক্রমণের প্রধান উৎস কী? – দুধ ও দুধজাত খাদ্য ২২) স্ট্রেপটোকক্কাল ফুড পয়জনিং-এর উপসর্গ কী? – গলা ব্যথা, জ্বর, ডায়রিয়া ২৩) খাদ্যবাহিত রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায় কী? – পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ২৪) খাদ্য দীর্ঘদিন ভালো রাখতে কী ব্যবহার করা হয়? – রেফ্রিজারেশন ও সংরক্ষণ প্রযুক্তি ২৫) খাদ্যে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে অনুকূল তাপমাত্রা কত? – ২০°-৪০°C ২৬) খাদ্য নিরাপত্তার মূল শর্ত কী? – সঠিক সংরক্ষণ ও রান্না ২৭) ফ্রিজে খাবার রাখলে জীবাণু বৃদ্ধি কীভাবে হয়? – ধীরগতিতে হয় ২৮) পাস্তুরাইজেশন কী কাজে লাগে? – দুধের জীবাণু ধ্বংসে ২৯) খাদ্যবাহিত রোগের সাধারণ লক্ষণ কী কী? – বমি, ডায়রিয়া, জ্বর, পেটব্যথা ৩০) খাদ্যে ফুড পয়জনিং রোধে রান্নার সময় ন্যূনতম তাপমাত্রা কত হওয়া উচিত? – ৭৫°C এর উপরে ৩১) খাদ্য বিষক্রিয়া প্রতিরোধে হাত ধোয়ার গুরুত্ব কী? – ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ কমায় ৩২) কাঁচা মাছ খেলে কোন জীবাণুর ঝুঁকি থাকে? – স্যালমোনেলা ও কোলিফর্ম ৩৩) ফুড টক্সিন কাকে বলে? – মাইক্রোব দ্বারা উৎপন্ন বিষাক্ত পদার্থ ৩৪) টিনজাত খাবার ফোলা থাকলে কেন খাওয়া উচিত নয়? – ক্লসট্রিডিয়াম টক্সিন থাকতে পারে ৩৫) বটুলিজম প্রতিরোধে কী করা হয়? – টিনজাত খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করা ৩৬) খাবারে অস্বাভাবিক গন্ধ হলে কী করতে হবে? – তা ফেলে দিতে হবে ৩৭) ফুড পয়জনিং প্রতিরোধে কী ধরনের পানি ব্যবহার করতে হবে? – সিদ্ধ বা পরিশ্রুত পানি ৩৮) রোটা ভাইরাস প্রতিরোধে কী জরুরি? – টিকাকরণ ও পরিষ্কার পানি ৩৯) স্ট্রেপটোকক্কাস সংক্রমণ রোধে কী করা উচিত? – দুধ ফুটিয়ে খাওয়া ৪০) খাদ্যে ফুড পয়জনিং সবচেয়ে বেশি কোন মৌসুমে হয়? – গরম ও বর্ষাকালে ৪১) খাদ্যে জীবাণুর উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য কী টেস্ট করা হয়? – মাইক্রোবায়োলজিক্যাল টেস্ট ৪২) খাদ্য সংরক্ষণের সাধারণ তিনটি উপায় কী? – শুকানো, ঠান্ডা করা, সংরক্ষণ রাসায়নিক ব্যবহার ৪৩) ফুড পয়জনিং হলে প্রথম চিকিৎসা কী? – ওআরএস খাওয়া ৪৪) খাদ্যে আর্দ্রতা কেন ক্ষতিকর? – মাইক্রোবিয়াল বৃদ্ধি বাড়ায় ৪৫) শেলফ লাইফ বাড়ানোর জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়? – ভ্যাকুয়াম প্যাকিং ৪৬) খাদ্যে টক্সিন উৎপন্ন হলে তা কি রান্নায় ধ্বংস হয়? – না, অনেক টক্সিন তাপে নষ্ট হয় না ৪৭) বাচ্চাদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ফুডবর্ন ভাইরাস কোনটি? – রোটা ভাইরাস ৪৮) ফুড পয়জনিং এড়াতে সবজি কেমন করে খেতে হবে? – ভালোভাবে ধুয়ে ও রান্না করে ৪৯) কাঁচা দুধ খাওয়া কেন ক্ষতিকর? – জীবাণু দ্বারা সংক্রমণ ঘটায় ৫০) ফুড পয়জনিং প্রতিরোধের মূলমন্ত্র কী? – Clean, Cook, Chill, Separate (৪ ধাপ নিরাপত্তা)
অধ্যায়⁞ খাদ্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ
১) HACCP-এর পূর্ণরূপ কী? – Hazard Analysis Critical Control Point ২) HACCP মূলত কীসের সাথে সম্পর্কিত? – Food safety management system ৩) FSSAI-এর পূর্ণরূপ কী? – Food Safety and Standards Authority of India ৪) FSSAI কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ২০০৬ সালে ৫) FSSAI-এর প্রধান কাজ কী? – খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ৬) CODEX ALIMENTARIUS কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৬৩ সালে ৭) CODEX ALIMENTARIUS-এর প্রধান লক্ষ্য কী? – আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা মান নির্ধারণ ৮) খাদ্য সংরক্ষণের প্রধান উদ্দেশ্য কী? – খাদ্যের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি ৯) খাদ্য সংরক্ষণের একটি সুবিধা কী? – Spoilage কমানো ১০) খাদ্য সংরক্ষণের আরেকটি সুবিধা কী? – Shelf life বৃদ্ধি ১১) খাদ্য সংরক্ষণের একটি গৃহস্থালি পদ্ধতি কী? – Freezing ১২) Blanching কী? – ফল বা সবজি হালকা সিদ্ধ করা ১৩) শুকনো করার মাধ্যমে কোন খাদ্য সংরক্ষণ হয়? – শস্য ও ফলমূল ১৪) মাছ সংরক্ষণের একটি প্রচলিত পদ্ধতি কী? – Smoking ১৫) Pasteurization প্রধানত কোন খাদ্যে প্রয়োগ করা হয়? – দুধে ১৬) Pasteurization-এর উদ্দেশ্য কী? – ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করা ১৭) Irradiation-এর মাধ্যমে কোন জিনিস সংরক্ষণ করা হয়? – শস্য ও মসলা ১৮) খাদ্য সংরক্ষণের একটি বাণিজ্যিক পদ্ধতি কী? – Aseptic canning ১৯) Preservation-এ চিনি ব্যবহার করলে একে কী বলে? – Sugar preservation ২০) Preservation-এ লবণ ব্যবহার করলে একে কী বলে? – Salting ২১) Preservation-এ তেল ব্যবহার করলে একে কী বলে? – Oil preservation ২২) Preservation-এ মসলা ব্যবহার করলে কী সুবিধা হয়? – Antimicrobial effect ২৩) Class I preservative-এর একটি উদাহরণ কী? – Common salt ২৪) Class II preservative-এর একটি উদাহরণ কী? – Benzoic acid ২৫) Food additives বলতে কী বোঝায়? – খাদ্যে যোগ করা রাসায়নিক বা প্রাকৃতিক উপাদান ২৬) Food additives ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী? – স্বাদ, রং, গন্ধ ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি ২৭) Food adulteration বলতে কী বোঝায়? – খাদ্যে ভেজাল মেশানো ২৮) PFA Act-এর পূর্ণরূপ কী? – Prevention of Food Adulteration Act ২৯) PFA Act চালু হয় কবে? – ১৯৫৪ সালে ৩০) ISI মার্ক কিসের জন্য দেওয়া হয়? – পণ্যের মাননির্ধারণে ৩১) AGMARK প্রধানত কিসের সাথে সম্পর্কিত? – কৃষিজ পণ্যের মাননির্ধারণে ৩২) HACCP-এর একটি মূল ধাপ কী? – Hazard identification ৩৩) HACCP system কোথায় ব্যবহৃত হয়? – Food industry-তে ৩৪) Freezing কোন জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে? – Bacteria ও fungi ৩৫) Drying-এর সময় কোন উপাদান কমানো হয়? – Moisture ৩৬) Milk preservation-এর সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি কী? – Pasteurization ৩৭) Food irradiation-এ কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? – Gamma rays ৩৮) Canning পদ্ধতিতে কী করা হয়? – Air-tight container-এ food সংরক্ষণ ৩৯) Blanching-এর একটি উপকারিতা কী? – Enzyme activity বন্ধ করা ৪০) HACCP-এর একটি সুবিধা কী? – Food contamination কমানো ৪১) FSSAI-এর সদর দপ্তর কোথায়? – নয়াদিল্লি ৪২) CODEX ALIMENTARIUS-এর নিয়ন্ত্রণে কোন সংস্থা আছে? – FAO ও WHO ৪৩) Food additives-এর একটি উদাহরণ কী? – Sodium benzoate ৪৪) Natural preservative-এর উদাহরণ কী? – লবণ, চিনি, ভিনেগার ৪৫) Chemical preservative-এর উদাহরণ কী? – Sorbic acid ৪৬) Food adulteration-এর একটি সাধারণ উদাহরণ কী? – দুধে পানি মেশানো ৪৭) FSSAI logo কিসের প্রমাণ দেয়? – খাদ্য নিরাপদ ৪৮) Household preservation method-এর একটি উদাহরণ কী? – Drying ৪৯) Commercial preservation method-এর একটি উদাহরণ কী? – Canning ৫০) HACCP মূলত কোন industry-তে বেশি ব্যবহার হয়? – Food processing industry ৫১) Food safety বলতে কী বোঝায়? – খাদ্যের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ৫২) Food sanitation কী? – খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি ৫৩) Blanching সাধারণত কত সময়ের জন্য করা হয়? – ২–৫ মিনিট ৫৪) Irradiation-এর মাধ্যমে কোন কীটপতঙ্গ মারা যায়? – Insects ও parasites ৫৫) Canning-এর একটি অসুবিধা কী? – উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োজন ৫৬) Drying-এর একটি অসুবিধা কী? – কিছু ভিটামিন নষ্ট হয় ৫৭) Pasteurization কে আবিষ্কার করেছিলেন? – Louis Pasteur ৫৮) Freezing-এর একটি অসুবিধা কী? – Cold chain প্রয়োজন ৫৯) Smoking পদ্ধতিতে কী হয়? – Antimicrobial compound তৈরি হয় ৬০) HACCP system কোন country থেকে শুরু হয়েছিল? – USA ৬১) CODEX standard-এর একটি সুবিধা কী? – International trade সহজ করা ৬২) FSSAI-এর একটি কাজ কী? – খাদ্য labeling নির্ধারণ ৬৩) ISI-এর পূর্ণরূপ কী? – Indian Standards Institution ৬৪) AGMARK চালু হয়েছিল কবে? – ১৯৩৭ সালে ৬৫) Food additives-এর একটি রং যোগকারী উদাহরণ কী? – Tartrazine ৬৬) Food preservatives-এর প্রধান কাজ কী? – Spoilage কমানো ৬৭) PFA Act-এর অধীনে দোষী প্রমাণিত হলে কী শাস্তি হতে পারে? – জরিমানা ও কারাদণ্ড ৬৮) Oil preservation কোন খাবারে বেশি ব্যবহৃত হয়? – আচার ৬৯) Salt preservation কোন খাবারে বেশি ব্যবহৃত হয়? – মাছ ও মাংস ৭০) Sugar preservation কোন খাবারে বেশি ব্যবহৃত হয়? – জ্যাম ও জেলি
নিউট্রেশন তৃতীয় সেমিস্টারের এই সাজেশনগুলোতে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া সহজ হবে। সাজেশন গুলো One Liner হিসেবে দেওয়ার উদ্দেশ্য হল ছাত্রছাত্রীরা সহজেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তরগুলি রিভিশন করতে পারবে।