দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার

শিক্ষাবিজ্ঞান

শিক্ষাগত প্রযুক্তিবিদ্যা প্রশ্ন উত্তর

 

ভূমিকা : দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার শিক্ষাবিজ্ঞান বিষয়ে 40 নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। এই 40 নম্বর এর মধ্যে শিক্ষাবিজ্ঞান সিলেবাসের Group D Unit : 1 ‘শিক্ষাগত প্রযুক্তিবিদ্যা’ থেকে মোট 7 নম্বর আসবে। অর্থাৎ 2 নম্বর মানের দুটি প্রশ্ন থাকবে, যে-কোন একটি করতে হবে এবং 5 নম্বর মানের দুটি প্রশ্ন থাকবে, যে-কোন একটি প্রশ্নের উত্তর করতে হবে। তাহলে মোট 2+5=10 নম্বর। এখন আমি নিচে   সুবিধার জন্য দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার শিক্ষাবিজ্ঞান সিলেবাসের Group D Unit : 1 ‘শিক্ষাগত প্রযুক্তিবিদ্যা’ থেকে 5 নম্বর মানের খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তরসহ  নিচে দিলাম।

🔹 Class 12 4th Semester Education Question Answer

[প্রতিটি প্রশ্নের মান : 5]

1. শিক্ষাপ্রযুক্তির উদ্দেশ্যগুলি উল্লেখ করো। [HS-2014]

উত্তর : শিক্ষাপ্রযুক্তিশিক্ষাপ্রযুক্তি হলো শিক্ষা সম্পর্কিত বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান, যা বাস্তব শিখন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়। এটি শিক্ষার্থীর শিখন প্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধি করতে সহায়ক।

শিক্ষাপ্রযুক্তির উদ্দেশ্যাবলি :

1. ম্যাক্রো স্তরের উদ্দেশ্যাবলি : ম্যাক্রো স্তর মানে হল শিক্ষার সর্বজনীন বা বিস্তৃত লক্ষ্য। এই স্তরে শিক্ষাপ্রযুক্তির প্রধান উদ্দেশ্যগুলি হল –

i. শিক্ষার কৌশল এবং কাঠামো স্থির করা, যাতে শিক্ষণ প্রক্রিয়া সুসংগঠিত হয়।

ii. শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়ার মান উন্নত করার জন্য বিশেষ শিক্ষণ মডেল তৈরি করা।

iii. শিক্ষার্থীর মানসিক ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং বিজ্ঞানের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে পাঠক্রম নির্ধারণ করা।

iv. শিখন পরিবেশের বিভিন্ন বাধা বা সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা এবং তা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

2. মাইক্রো স্তরের উদ্দেশ্যাবলি : মাইক্রো স্তর হল নির্দিষ্ট শ্রেণি বা শিক্ষণ প্রক্রিয়ার লক্ষ্য। এই স্তরে শিক্ষাপ্রযুক্তির উদ্দেশ্যগুলি হল –

i. শ্রেণিকক্ষে নির্দিষ্ট শিক্ষামূলক লক্ষ্য স্থির করা। 

ii.  শিক্ষার্থীর শিক্ষামূলক চাহিদা, আগ্রহ ও বৈশিষ্ট্যগুলি চিহ্নিত করা এবং সেগুলি বিশ্লেষণ করা।

iii. শিক্ষণীয় বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করা এবং তা পর্যায়ক্রমে বিন্যস্ত করা।

iv. শিক্ষণ-শিখন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সম্পদ চিহ্নিত করা, যাতে পাঠদান ও অনুশীলন সুষ্ঠু হয়।

2. শিক্ষা প্রযুক্তিবিদ্যার সুবিধাগুলি আলোচনা করো। [HS-2016]

উত্তর : শিক্ষা প্রযুক্তিবিদ্যাশিক্ষা প্রযুক্তিবিদ্যা হল প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রযুক্তিকরণের সমন্বয়। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়াকে উন্নত করার জন্য উপযুক্ত সিস্টেম, কৌশল এবং সহায়ক উপকরণ তৈরি, ব্যবহার ও মূল্যায়নের সামগ্রিক কৌশল। শিক্ষা প্রযুক্তিবিদ্যা শিক্ষার্থীর শেখার প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করে। এর প্রধান সুবিধাগুলি নিচে আমি আলোচনা করছি –

শিক্ষা প্রযুক্তিবিদ্যার সুবিধা

1. সক্রিয়তা সৃষ্টি শিক্ষা প্রযুক্তিবিদ্যা শিক্ষার্থীদের সক্রিয় করে তোলে। এর ফলে তারা পাঠ্য বিষয় দ্রুত ও সঠিকভাবে আয়ত্ত করতে সক্ষম হয়।

2. অনুশীলনের সুযোগ : প্রযুক্তিবিদ্যা তথা কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনুশীলনের সুযোগ পায়। ফলে নিজের সময় অনুযায়ী শিক্ষণীয় বিষয়টি তারা যথাযথভাবে আয়ত্ত করতে পারে।

3. ব্যক্তিস্বাতন্ত্রভিত্তিক শিক্ষাদান : সব শিক্ষার্থীকে সাধারণ শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে আলাদা করে শেখানো কঠিন। তবে প্রতিটি শিক্ষার্থীর ক্ষমতা ও চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তিবিদ্যার সাহায্যে  শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়।

4. সমস্যা সমাধান : শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষাক্ষেত্রের সমস্যা প্রযুক্তিবিদ্যার সাহায্যে সমাধান খুঁজতে সহায়তা করে।

5. প্রেরণা সঞ্চার : শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ইতিবাচক মনোভাব, উৎসাহ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা আরও অনমনীয় ও সক্রিয়ভাবে শিখতে আগ্রহী হয়।

3. শিক্ষায় প্রযুক্তিবিজ্ঞানের অবদান বা গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করো। [HS Model Question]

উত্তর : শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তিবিদ্যাকে বিভিন্নভাবে কাজে লাগানো হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে যেমন প্রযুক্তিবিদ্যার অবদান রয়েছে, তেমনি শিক্ষা ছাড়াও স্বাস্থ্য, ব্যবসা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও তার অবদান অপরিসীম। এখন আমি নিচে শিক্ষায় প্রযুক্তিবিজ্ঞানের অবদান ও গুরুত্ব কতখানি তা বিস্তারিত আলোচনা করছি –

শিক্ষায় প্রযুক্তিবিজ্ঞানের অবদান বা গুরুত্ব :

1. বিজ্ঞানের মাধ্যমে শিক্ষার উপস্থাপনশিক্ষাকে বিজ্ঞানসম্মত করতে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নানা তথ্য শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন দ্বারা বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হয়।

2. পাঠক্রম গঠনে শিক্ষাপ্রযুক্তির অবদানশিক্ষার লক্ষ্য নির্ধারণে, উপযুক্ত পাঠক্রম নির্বাচনে শিক্ষাপ্রযুক্তি বিশেষ দায়িত্ব পালন করে।

3. শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণে প্রযুক্তির ভূমিকা : ব্যক্তি ও সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক করতে প্রযুক্তিবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে শিক্ষা আরও পরিকল্পিত ও বাস্তবভিত্তিক হয়।

4. ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষায় প্রযুক্তির প্রয়োগ : শিক্ষাপ্রযুক্তির সাহায্যে প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজস্ব পছন্দ, ক্ষমতা, সামর্থ্য অনুযায়ী, অগ্রসর হতে পারে।

5. শিক্ষা উপকরণে প্রযুক্তির ব্যবহার : বর্তমানে পঠনপাঠনের জন্য যে-সমস্ত উপকরণ ব্যবহার করা হয়, যেমন-চার্ট, মডেল, স্লাইড, ওভারহেড প্রোজেক্টর ইত্যাদি প্রযুক্তিবিদ্যার অবদান। 

6. মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির সহায়তা আজকের দিনে শিক্ষাপ্রযুক্তি মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন- MCQ বা বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নের উত্তরপত্র দেখা, মার্কশিট তৈরি করা, নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ প্রভৃতি।

4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে কী বোঝো? শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।

উত্তর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)ICT এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, স্থানান্তর ও আদান-প্রদান করা যায়। এর মধ্যে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, ইমেইল,  ই-লার্নিং, ভিডিও কনফারেন্সিং ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। ICT কেবল তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্যই নয়, শিক্ষা, ব্যবসা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) এই প্রযুক্তি শিক্ষাদান ও শেখার প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও আকর্ষণীয় কার্যকর করে। শিক্ষকরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারে। ICT-এর মাধ্যমে দূরশিক্ষা, অনলাইন পরীক্ষা ও ই-লাইব্রেরি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য : শিক্ষাক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি শিক্ষাদান ও শেখার প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। এটি সহযোগিতা, যোগাযোগ এবং সম্পদের গ্রহণযোগ্যতার মাধ্যমে শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও সহজ করে তোলে। এখন আমি নিচে এই প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করছি –

1. সহযোগিতা প্রদানএই প্রযুক্তি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ক্লাসের মধ্যে ও বাইরে একসাথে কাজ করতে সহযোগিতা করে। এর মাধ্যমে তারা জ্ঞান ভাগাভাগি করতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

2. দূরযোগাযোগ : এই প্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও সরাসরি তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।

3. ডিজিটাল সম্পদ গ্রহণ : এই প্রযুক্তি ডিজিটাল তথ্য ও সম্পদ গ্রহণ করতে সক্ষম। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়বস্তু সংগ্রহ করতে পারে।

4. মিথস্ক্রিয়া : এই প্রযুক্তি বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ সৃষ্টি করে শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ICT-এর সঙ্গে বক্তব্য, শব্দ, গ্রাফিক্স, চিত্র ইত্যাদির মিথস্ক্রিয়া ঘটিয়ে এটি শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

5. শিক্ষণ প্রেরণা : এই প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়ায় এবং নতুন ধারণা তৈরি করতে উৎসাহিত করে।

6. ব্যবহারিক নমনীয়তা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নমনীয়তা রয়েছে এবং এটি বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা যায়।

4. শিক্ষাক্ষেত্রে ।CT-র ভূমিকা লেখো।

উত্তর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) : ICT এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, স্থানান্তর ও আদান-প্রদান করা যায়। এর মধ্যে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, ইমেইল,  ই-লার্নিং, ভিডিও কনফারেন্সিং ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এখন আমি নিচে শিক্ষাক্ষেত্রে ICT-র ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করছি –

শিক্ষাক্ষেত্রে ICT-র ভূমিকা : 

1. শিক্ষন  : 

i. শিক্ষাদান পদ্ধতিICT ব্যবহার করে শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন নতুন শিক্ষাদান পদ্ধতি তৈরি করা সম্ভব হয়।

ii. শিক্ষণ সহায়ক মাধ্যম শিক্ষাক্ষেত্রে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন, মাল্টিমিডিয়া, ভিডিও ইত্যাদি বিভিন্ন শিক্ষণ সহায়ক উপকরণ ব্যবহার করা হয়।

iii. স্ব-শিখন ICT-এর মাধ্যমে স্ব-শিখন পদ্ধতি উন্নয়ন করা যায়। কম্পিউটার-সহায়িত শিক্ষা (Computer Aided Instruction) ও দূরশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্ব-শিখনে সাহায্য পায়।

2. শিখন :

i. শিখনের উন্নয়ন : ICT ব্যবহার করলে শিক্ষার্থীরা তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করতে পারে। এটি শিখনের উন্নয়নে সাহায্য করে।

ii. কম্পিউটারভিত্তিক শিখন : ICT শিক্ষার্থীদের কম্পিউটারে দক্ষ করে তোলে। এর ফলে তারা সহজে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহার করতে পারে।

3. প্রশাসন :

i. প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা : ICT ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রশাসনিক রেকর্ড সংরক্ষণ করা সহজ হয়।

ii. যোগাযোগ : ICT অভিভাবক, শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং পরিচালন মন্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করে।

4. গবেষণা :

i. গবেষণা ও তথ্য অনুসন্ধানসার্চ ইঞ্জিন ও ই-লাইব্রেরি গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে সুবিধা দেয়।

ii. অনলাইন সম্পদ অনলাইনে থাকা বিভিন্ন সম্পদ ICT-এর মাধ্যমে যে কোনো অঞ্চলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা অন্য ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারে।

iii. বিশ্লেষণ : ICT গবেষণালব্ধ ফলাফল অল্প সময়ে বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে।

5. প্রকাশনা ও ই-বুকICT ব্যবহার করে ই-বুক প্রকাশ করা যায়। ই-বুকের ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদির মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় শিক্ষার্থীদের সামনে সহজে উপস্থাপন করা সম্ভব।

6. মূল্যায়ন ও পরীক্ষণ : ICT গঠনমূলক ও সামগ্রিক মূল্যায়নে ব্যবহার করা যায়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়ন অনলাইনের মাধ্যমে করা সম্ভব, যা দ্রুত, সহজ ও কম খরচে সম্পন্ন হয়।

 SOURCE-WBS

©Kamaleshforeducation.in (2023)

 

error: Content is protected !!
Scroll to Top