চতুর্থ শ্রেণির ‘ভাষা পাঠ’ অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্ন এবং উত্তর প্রথম অধ্যায় ‘কথাবলার যন্ত্রপাতি’ (১-৪ পৃষ্ঠা) থেকে প্রশ্ন ও উত্তর: ——————————————————————– ১. কথা বলতে গেলে শরীরের কোন কোন অঙ্গের প্রয়োজন হয়? উত্তর: কথা বলার জন্য ফুসফুস, শ্বাসনালি, স্বরযন্ত্র, স্বরতন্ত্রী, জিভ, তালু, মূর্ধা, দাঁত, ওষ্ঠ (ঠোঁট) এবং নাক ও মুখের প্রয়োজন হয়। ২. প্রশ্বাস কাকে বলে? উত্তর: আমরা যখন বাইরের বাতাস নাক বা মুখ দিয়ে ভেতরে টেনে নিই অর্থাৎ শ্বাস গ্রহণ করি, তাকে প্রশ্বাস বলা হয়। ৩. নিশ্বাস বলতে কী বোঝ? উত্তর: শরীর থেকে বাতাস যখন বাইরে বের করে দেওয়া হয় অর্থাৎ শ্বাস ছাড়া হয়, তাকে নিশ্বাস বলে। ৪. কথা বলার জন্য কোন বায়ুটির প্রয়োজন হয়? উত্তর: কথা বলার জন্য ফুসফুস থেকে বেরিয়ে আসা নিশ্বাসবায়ুর প্রয়োজন হয়। ৫. প্রশ্বাস বায়ু শরীরের কোথায় গিয়ে জমা হয়? উত্তর: প্রশ্বাস বায়ু নাক আর মুখ দিয়ে ঢুকে শ্বাসনালি হয়ে ফুসফুসে গিয়ে জমা হয়। ৬. স্বরযন্ত্র কোথায় অবস্থিত? উত্তর: নিশ্বাসবায়ু যখন ফুসফুস থেকে শ্বাসনালি দিয়ে গলায় আসে, সেখানেই স্বরযন্ত্র অবস্থিত। ৭. স্বরযন্ত্র দেখতে কেমন? উত্তর: স্বরযন্ত্রটি দেখতে অনেকটা আংটির মতো। ৮. স্বরতন্ত্রী কী? উত্তর: স্বরযন্ত্রের ভেতরে অবস্থিত দুটি খুব সূক্ষ্ম তন্ত্রী বা পর্দা হলো স্বরতন্ত্রী। ৯. ধ্বনি কীভাবে সৃষ্টি হয়? উত্তর: নিশ্বাসবায়ু যখন স্বরযন্ত্রের ভেতর দিয়ে যায়, তখন সেখানকার স্বরতন্ত্রী দুটি কাঁপতে থাকে এবং এর ফলেই ধ্বনি বা গলার আওয়াজ তৈরি হয়। ১০. ‘ধ্বনি’ বলতে সহজ কথায় কী বোঝায়? উত্তর: ধ্বনি বলতে সহজ কথায় গলার আওয়াজকে বোঝায়। ১১. মূর্ধা কাকে বলে? উত্তর: মুখের ভিতরের উপরের পাটির একেবারে পিছন দিকের নরম অংশটিকে মূর্ধা বলা হয়। ১২. মূর্ধার সামনের অংশটি কেমন হয়? উত্তর: মূর্ধার সামনের অংশটি অর্থাৎ তালু বেশ শক্ত হয়। ১৩. কথা বলার সময় জিভ কী কাজ করে? উত্তর: নিশ্বাসবায়ু যখন মুখের ভেতর আসে, তখন জিভ সেই বাতাসকে বিভিন্ন জায়গায় আটকে বা স্পর্শ করে আলাদা আলাদা ধ্বনি তৈরি করতে সাহায্য করে। ১৪. তালু কোথায় থাকে? উত্তর: মুখের ভিতরের উপরের শক্ত অংশটি হলো তালু। ১৫. নিশ্বাস বায়ু শরীর থেকে কোন পথে বেরিয়ে যায়? উত্তর: নিশ্বাস বায়ু ফুসফুস থেকে শ্বাসনালি এবং স্বরযন্ত্র হয়ে মুখ আর নাক দিয়ে বেরিয়ে যায়। ১৬. ওষ্ঠ ও দন্ত কথা বলার সময় কীভাবে ব্যবহৃত হয়? উত্তর: বাতাস মুখ দিয়ে বেরোনোর সময় জিভ অনেক সময় ওষ্ঠ (ঠোঁট) বা দন্ত (দাঁত) স্পর্শ করে নির্দিষ্ট বর্ণ বা ধ্বনি উচ্চারণ করে। ১৭. কথা বলার প্রধান যন্ত্র কোনটি? উত্তর: কথা বলার প্রধান বা মূল চালিকা যন্ত্র হলো ফুসফুস, কারণ এখান থেকেই নিশ্বাসবায়ুর প্রবাহ শুরু হয়। ১৮. কথা বলতে গেলে কেন বন্ধুর প্রয়োজন হয়? উত্তর: কথা বলার জন্য মনের ভাব আদান-প্রদান করতে হয়, তাই কথা শোনার বা বলার জন্য একজন বন্ধুর প্রয়োজন হয়। ১৯. কথা বলার ক্ষেত্রে মাথার ভূমিকা কী? উত্তর: কথা বলার সমস্ত পরিকল্পনা এবং সংকেত মস্তিষ্ক বা মাথা থেকে আসে (যদিও এটি পরবর্তী পাঠে বিস্তারিত আলোচনার বিষয়)। ২০. নাক কথা বলার ক্ষেত্রে কীভাবে সাহায্য করে? উত্তর: কিছু কিছু ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিশ্বাসবায়ু নাক দিয়ে বের হয়, যা না থাকলে সেই ধ্বনিগুলো স্পষ্ট হয় না। ©kamaleshforeducation.in(2023) Share this: Click to share on Facebook (Opens in new window) Facebook Click to share on X (Opens in new window) X Like this:Like Loading... Related