



তৃতীয় শ্রেণি
‘আমাদের পরিবেশ’
বই থেকে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর
————–———————————————————–
ষষ্ঠ অধ্যায়
‘ ‘আকাশ’ (১৮৩ থেকে ২১৪ নম্বর পৃষ্ঠা)
প্রশ্ন ও উত্তর
————————————————————————-
১. প্রশ্ন: দিনের বেলা আকাশ নীল দেখায় কেন?
উত্তর: সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণার ওপর পড়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বলেই আকাশ নীল দেখায়।
২. প্রশ্ন: সূর্য কোন দিকে ওঠে এবং কোন দিকে অস্ত যায়?
উত্তর: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যায়।
৩. প্রশ্ন: মেঘ আসলে কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: মেঘ হলো আকাশে ভেসে থাকা অসংখ্য ছোট ছোট জলকণা ও ধূলিকণার সমষ্টি।
৪. প্রশ্ন: রামধনুতে কয়টি রং থাকে?
উত্তর: রামধনুতে সাতটি রং থাকে।
৫. প্রশ্ন: রামধনুর সাতটি রঙের নাম কী কী?
উত্তর: বেগুনি, নীল, আকাশী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল (সংক্ষেপে বেনীআসহকলা)।
৬. প্রশ্ন: অমাবস্যার রাতে আকাশ কেমন দেখায়?
উত্তর: অমাবস্যার রাতে চাঁদ দেখা যায় না বলে আকাশ ঘুটঘুটে অন্ধকার দেখায়।
৭. প্রশ্ন: পূর্ণিমার চাঁদ কেমন দেখতে হয়?
উত্তর: পূর্ণিমার চাঁদ গোল থালার মতো উজ্জ্বল ও সাদা দেখায়।
৮. প্রশ্ন: রাতের আকাশে উজ্জ্বল বিন্দুগুলোর মতো যেগুলো জ্বলে তাদের কী বলে?
উত্তর: তাদের নক্ষত্র বা তারা বলা হয়।
৯. প্রশ্ন: নক্ষত্ররা মিটমিট করে জ্বলে কেন?
উত্তর: নক্ষত্ররা আমাদের থেকে অনেক দূরে আছে এবং তাদের আলো বায়ুমণ্ডলের স্তর পেরিয়ে আসে বলে মিটমিট করতে দেখা যায়।
১০. প্রশ্ন: চাঁদ কি নক্ষত্র?
উত্তর: না, চাঁদ একটি উপগ্রহ।

১১. প্রশ্ন: চাঁদের কি নিজস্ব আলো আছে?
উত্তর: না, চাঁদ সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়।
১২. প্রশ্ন: ধ্রুবতারা কোন দিকে দেখা যায়?
উত্তর: ধ্রুবতারা সব সময় উত্তর দিকে দেখা যায়।
১৩. প্রশ্ন: সপ্তর্ষি মণ্ডল কাকে বলে?
উত্তর: আকাশের উত্তর-পূর্ব দিকে প্রশ্ন চিহ্নের মতো সাজানো সাতটি উজ্জ্বল তারাকে সপ্তর্ষি মণ্ডল বলে।
১৪. প্রশ্ন: শুকতারা আসলে কী?
উত্তর: শুকতারা কোনো তারা নয়, এটি আসলে শুক্র গ্রহ।
১৫. প্রশ্ন: ভোরে শুকতারা কোন আকাশে দেখা যায়?
উত্তর: ভোরে শুকতারা পূর্ব আকাশে দেখা যায়।
১৬. প্রশ্ন: সন্ধ্যার পর পশ্চিম আকাশে যে উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক দেখা যায় তাকে কী বলে?
উত্তর: তাকে সন্ধ্যাতারা বলা হয় (এটিও শুক্র গ্রহ)।
১৭. প্রশ্ন: উল্কা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: মহাকাশ থেকে আগত ছোট ছোট পাথরের খণ্ড যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এসে জ্বলে ওঠে, তাকে উল্কা বলে।
১৮. প্রশ্ন: চাঁদ কেন ছোট-বড় হয়?
উত্তর: চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে বলে পৃথিবীর ওপর চাঁদের আলোকিত অংশের পরিমাণ বাড়া-কমার ফলে চাঁদকে ছোট-বড় দেখায়।
১৯. প্রশ্ন: কৃষ্ণপক্ষ কাকে বলে?
উত্তর: পূর্ণিমার পর থেকে অমাবস্যা পর্যন্ত ১৫ দিন সময়কে কৃষ্ণপক্ষ বলে।
২০. প্রশ্ন: শুক্লপক্ষ কাকে বলে?
উত্তর: অমাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত ১৫ দিন সময়কে শুক্লপক্ষ বলে।

২১. প্রশ্ন: চাঁদের গায়ে কালো দাগগুলোকে কী বলে?
উত্তর: এগুলো হলো চাঁদের কলঙ্ক, যা আসলে চাঁদের পাহাড় বা বড় বড় গর্ত।
২২. প্রশ্ন: জোয়ার ও ভাঁটা কেন হয়?
উত্তর: চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণে সমুদ্র বা নদীর জল বেড়ে যাওয়াকে জোয়ার এবং কমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
২৩. প্রশ্ন: সূর্য একটি কী?
উত্তর: সূর্য একটি মাঝারি আকারের নক্ষত্র।
২৪. প্রশ্ন: আমাদের সব শক্তির উৎস কী?
উত্তর: সূর্য।
২৫. প্রশ্ন: ছায়াপথ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র যখন নদীর মতো সাদা আলোক রেখায় অবস্থান করে, তাকে ছায়াপথ বলে।
২৬. প্রশ্ন: উত্তর আকাশের নক্ষত্র দেখে আগেকার দিনে কী বোঝা যেত?
উত্তর: আগেকার দিনে দিক চেনা যেত।
২৭. প্রশ্ন: দিনের বেলা তারা দেখা যায় না কেন?
উত্তর: সূর্যের তীব্র আলোর জন্য দিনের বেলা তারাদের দেখা যায় না।
২৮. প্রশ্ন: ধুমকেতু কী?
উত্তর: ঝাঁটার মতো লেজওয়ালা এক প্রকার জ্যোতিষ্ক যা আকাশে মাঝেমধ্যে দেখা যায়।
২৯. প্রশ্ন: হ্যালির ধুমকেতু কত বছর অন্তর দেখা যায়?
উত্তর: ৭৬ বছর অন্তর।
৩০. প্রশ্ন: চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে কত সময় নেয়?
উত্তর: প্রায় সাড়াতাশ (২৭ ১/৩) দিন।

৩১. প্রশ্ন: আকাশ কি সত্যি একটা ঢাকনা?
উত্তর: না, আকাশ হলো সীমাহীন মহাকাশ।
৩২. প্রশ্ন: বর্ষাকালে মেঘের রং কালো দেখায় কেন?
উত্তর: মেঘে জলকণা বেশি থাকলে সূর্যের আলো তার ভেতর দিয়ে আসতে পারে না, তাই কালো দেখায়।
৩৩. প্রশ্ন: বাজ কেন পড়ে?
উত্তর: মেঘে মেঘে ঘর্ষণে বিদ্যুৎ তৈরি হয়, যা পৃথিবীতে নেমে এলে তাকে বাজ পড়া বলে।
৩৪. প্রশ্ন: কালপুরুষ কোন ঋতুতে ভালো দেখা যায়?
উত্তর: শীতকালে সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশে কালপুরুষ ভালো দেখা যায়।
৩৫. প্রশ্ন: সপ্তর্ষি মণ্ডলের সাতটি ঋষির নাম কী?
উত্তর: ক্রতু, পুলহ, পুলস্ত্য, অত্রি, অঙ্গিরা, বশিষ্ঠ ও মরীচি।
৩৬. প্রশ্ন: গ্রহরাজ কাকে বলা হয়?
উত্তর: বৃহস্পতি গ্রহকে।
৩৭. প্রশ্ন: শনির বলয় কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: শনির বলয় বরফ, ধুলো ও পাথরের টুকরো দিয়ে তৈরি।
৩৮. প্রশ্ন: কোন গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়?
উত্তর: মঙ্গল গ্রহকে।
৩৯. প্রশ্ন: পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
৪০. প্রশ্ন: নীল গ্রহ কাকে বলা হয়?
উত্তর: আমাদের পৃথিবী গ্রহকে।

৪১. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর চেয়ে কত গুণ বড়?
উত্তর: সূর্য পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
৪২. প্রশ্ন: তারা খসা আসলে কী?
উত্তর: তারা খসা হলো উল্কাপাত।
৪৩. প্রশ্ন: দিগন্ত রেখা কাকে বলে?
উত্তর: দূরে যেখানে আকাশ আর মাটি মিশেছে বলে মনে হয়, তাকে দিগন্ত রেখা বলে।
৪৪. প্রশ্ন: পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ কখন হয়?
উত্তর: যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসে সূর্যকে পুরো ঢেকে দেয়।
৪৫. প্রশ্ন: টেলিস্কোপ বা দূরবীন দিয়ে কী করা হয়?
উত্তর: দূরের জ্যোতিষ্ক বা নক্ষত্র স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
৪৬. প্রশ্ন: কৃত্রিম উপগ্রহ কেন পাঠানো হয়?
উত্তর: আবহাওয়ার খবর এবং দূরদর্শনের সংকেত পাঠানোর জন্য।
৪৭. প্রশ্ন: সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহের নাম কী?
উত্তর: বুধ।
৪৮. প্রশ্ন: আমাদের সৌরজগতে কয়টি গ্রহ আছে?
উত্তর: আটটি।
৪৯. প্রশ্ন: আকাশ পরিষ্কার থাকলে রাত্রে কী দেখা যায়?
উত্তর: অসংখ্য নক্ষত্র ও ছায়াপথ।
৫০. প্রশ্ন: চাঁদের মাটিতে প্রথম পা দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: নীল আমস্ট্রং।

Like this:
Like Loading...
Related