

পঞ্চম শ্রেণীর তৃতীয় ইউনিট টেস্ট
বাংলা বিষয়ের প্রশ্নপত্র
Class 5 Bengali 3rd Unit Test Question
WBBSE Class 5th Bengali 3rd Summative Question Papers
এখানে পঞ্চম শ্রেণীর তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের জন্য বাংলা বিষয় থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল। সেইসাথে একটি নমুনা মডেল প্রশ্নপত্রও দেওয়া হয়েছে।
শ্রেণী (Class) |
পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চম শ্রেণী (West Bengal Class 5th) |
পরীক্ষা (Exam) |
তৃতীয় ইউনিট টেস্ট (Third / 3rd Unit Test Model Questions) |
বিষয় (Subject) |
বাংলা (Bengali) |
পূর্ণমান (Marks) |
৫০ নম্বর (50 Marks) |
সময় (Time) |
১ ঘন্টা ৩০ মিনিট (1 Hours 30 Minute) |
[A] সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো। 1×11=11
-
‘ মেঘ ’ শব্দটিকে বহুবচন করলে হয়
(A) মেঘরাশি
(B) মেঘসমূহ
(C) মেঘমহল
(D) মেঘপাল
Ans: (A) মেঘরাশি
-
_________ কি বাড়িতে আছেন ? ” – শূন্যস্থানে হবে –
(A) তুমি
(B) তোরা
(C) তোমরা
(D) আপনি
Ans: (D) আপনি
-
‘ বিদ্বান ’ শব্দটিকে লিঙ্গ পরিবর্তন করলে হয়—
(A) বিদ্বানী
(B) বিদ্যানী
(C) বিদূষী
(D) বিদুষী
Ans: (D) বিদুষী
-
‘ শর্বাণী ’ — শব্দটিকে লিঙ্গ পরিবর্তন করলে হয়—
(A) শর্ব
(B) শর্বা
(C) শর্বাণ
(D) শর্বাণু
Ans: (A) শর্ব
-
‘ শিশু ’ শব্দটি—
(A) পুংলিঙ্গের উদাহরণ
(B) স্ত্রীলিঙ্গের উদাহরণ
(C) উভয়লিঙ্গের উদাহরণ
(D) ক্লীব লিঙ্গের উদাহরণ
Ans: (C) উভয়লিঙ্গের উদাহরণ
-
“ এদিক – ওদিক টানতে থাকে আমায়’কে , কবিকে টানতে থাকে ?
(A) কাঠবেড়ালি
(B) তাল – সুপুরির বন
(C) গাছের পাতা
(D) সবুজ গাছপালা
Ans: (A) কাঠবেড়ালি
-
‘ মিষ্টি ’ কবিতার কবি আকাশে ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে আর কী চেয়েছেন ?
(A) রোদ্দুর
(B) মেঘ
(C) বিদ্যুতের চমক
(D) মেঘের খেলা
Ans: (A) রোদ্দুর
-
‘ বোম্বাগড়ের রাজা ’ — কবিতাটি কোন্ বই থেকে নেওয়া হয়েছে ?
(A) আবোল তাবোল
(B) পাগলা দাশু
(C) খাই খাই
(D) হ য ব র ল
Ans: (A) আবোল তাবোল
-
“ আজ কী বার , মা ? ” — গোপালের এই প্রশ্নের উত্তরে গোপালের মা বলেছিল
(A) শনিবার
(B) রবিবার
(C) সোমবার
(D) মঙ্গলবার
Ans: (D) মঙ্গলবার
-
‘ তালনবমী ’ গল্পে গোপালের বয়স
(A) ১০ বছর
(B) ১২ বছর
(C) ৮ বছর
(D) ১১ বছর
Ans: (A) ১০ বছর
-
সূর্য সেন ছিলেন
(A) বাংলার শিক্ষক
(B) অঙ্কের শিক্ষক
(C) ইতিহাসের শিক্ষক
(D) ভূগোলের শিক্ষক
Ans: (B) অঙ্কের শিক্ষক
[B] নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির পূর্ণবাক্যে উত্তর দাও । 1×11=11
-
“ রমেশের দাদা কলেজের অধ্যাপক । ” — এই বাক্যটির পুংলিঙ্গবাচক শব্দটিকে বদলে বাক্যটি আবার লেখো ।
Ans: “ রমেশের দিদি কলেজের অধ্যাপিকা । ”
-
সর্বনামের দ্বিত্ব প্রয়োগে বহুবচন হয়েছে — এমন একটি উদাহরণ দাও ।
Ans: তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ওদিকে যাও ।
-
“ ওরা ঠিক নেমন্তন্ন করবে । ” — এই বাক্যের ‘ পুরুষ ’ বা পক্ষের নীচে দাগ দিয়ে পুরুষ বা পক্ষ নির্ণয় করো ।
Ans: ওরা – প্রথম পুরুষ
-
“ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলি লিখেছেন । ” — বাক্যটিতে কোনটি কোন্ পদ লেখো ।
Ans: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – বিশেষ্য
গীতাঞ্জলি – বিশেষ্য
লিখেছেন – ক্রিয়া
-
বচন কাকে বলে ?
Ans: কোন বস্তু বা প্রাণীর সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝানোর জন্য যে ধারণা ব্যবহার করা হয় তাকে বচন বলে ।
-
“ মস্ত আশীর্বাদের মতো ” —মস্ত আশীর্বাদের মতো মাথার ওপর কী পড়ে ?
Ans: মস্ত আশীর্বাদের মতো মাথার ওপর গাছের পাতা পড়ে ।
-
“ মিষ্টি সবার চাইতে ! ” — সবচেয়ে মিষ্টি কী ? কেন ?
Ans: চিবিয়ে খেতে হয় বলে আখ সবার চাইতে মিষ্টি ।
-
“ সে তখন একটা আবর্জনা । আবর্জনা নিয়ে কে আর দয়া দেখায় ! ” — এখানে আবর্জনা বলতে কী বোঝানো হয়েছে ?
Ans: এখানে আবর্জনা বলতে ফাটা ঘুড়িটাকে বোঝানো হয়েছে ।
-
বোম্বাগড়ের রাজা ছবির ফ্রেমে কী বাঁধিয়ে রাখে ?
Ans: বোম্বাগড়ের রাজা ছবির ফ্রেমে আমসত্ত্ব ভাজা বাঁধিয়ে রাখে ।
-
“ নেপাল সলজ্জমুখে বললে , ‘ মাছ ধরতে ’ । ” ― নেপাল কী কী মাছ ধরেছিল ?
Ans: নেপাল দুটো পুঁটি আর একটা বেলে মাছ ধরেছিল ।
-
“ রেস্তোরাঁর গায়ে নোটিশ ঝুলছে । ” – নোটিশে কী লেখা ছিল ?
Ans: নোটিশে লেখা ছিল কালো চামড়ার লোক এবং কুকুরের প্রবেশ নিষেধ ।

[C] নিম্নলিখিত শব্দগুলির বিপরীত শব্দ লেখো ( যে কোনো পাঁচটি ) 1×5=5
উত্থান , বিজ্ঞ , দীর্ঘ , ঋজু , মৌলিক , নীরস
Ans: উত্থান – পতন
বিজ্ঞ – অজ্ঞ –
দীর্ঘ – হ্রস্ব
ঋজু – বক্র
মৌলিক – যৌগিক
নীরস – সরস
[D] তিন – চারটি বাক্যে উত্তর দাও । 2×4=8
-
“ গড়িয়ে যেতে সে পথে যে / পায় মজা সে মুখখু ! ” — এখানে কোন্ পথের কথা বলা হয়েছে ? এই লাইন দুটির মধ্যে দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন ?
Ans: যে পথে পিছলে পড়া থাকবে না , হোঁচট খাওয়ার ব্যথা ও দুঃখ থাকবে না সেই পথের কথা বলা হয়েছে । কবির মতে যে পথে পিছলে পড়া থাকবে , হোঁচট খাওয়ার ব্যথা ও দুঃখ থাকবে সেই পথই ভালো । তা সে যতই চড়াই ভাঙা অনেক দুরের পথ হোক তবু সে পথে চলায় প্রকৃত আনন্দ পাওয়া যায় বলে কবি মনে করেন ।
-
“ চুপ – থাকাটাও বাজনা বাজায় ’ — চুপ থাকলেও কোথায় , কীভাবে বাজনা বাজে ?
Ans: কবি কখনো – কখনো নিজেকে একা ভেবে দুঃখ পান । তাঁর একাকীত্ব , নীরবতা তাঁকে কষ্ট দেয় । কিন্তু তিনি প্রকৃতির কাছে সঙ্গ পান । সবুজ গাছপালা , গাছের ছায়ায় ঢাকা পথ , চঞ্চল কাঠবেড়ালি কবিকে সঙ্গ দেয় । গাছের পাতা তাঁর মাথায় উপর ঝরে পড়ে । গাছের পাতা ঝরে পড়ার শব্দ , কাঠবেড়ালির লাফালাফি সবই যেন ছন্দের মতো কবির প্রাণে প্রতিধ্বনিত হয় । তখন কবি চুপ করে থাকলেও তাঁর অন্তরে নীরবতা সেই ছন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে ।
-
“ তবু সেদিন ছাত্রদের মনে হয়েছিল , এ মানুষটি অন্যরকম ! ” এখানে কোন্ মানুষটির কথা বলা হয়েছে ? সেই মানুষটির দুটি অভ্যাসের কথা লেখো ।
Ans: মানুষটি হলেন উমাতারা হাইস্কুলের অঙ্কের শিক্ষক মাস্টারদা সূর্য সেন । বাঙালির ধুতি পাঞ্জাবি বা ধুতি শার্টই তাঁর পোশাক । চুপচাপ এই মানুষটি যেমন কম কথা বলেন তেমনি তাঁর চলাফেরাতেও শব্দ হয় না । খুব সহজ সাধারণ মানুষ কিন্তু তাঁকে ঠকাবার উপায় নেই । তাঁর চোখের দিকে তাকালে কোনো কিছু লুকোনো যেত না । তিনি হাসিমুখে সবার সঙ্গে মেলামেশা করতেন ।
-
“ তারপরেই সেই আশ্চর্য ঘটনা ঘটে গেল । ” — আশ্চর্য ঘটনাটি কী ?
Ans: আশ্চর্য ঘটনাটি হল ঘুড়ির প্যাঁচের লড়াই – এর সময় সুতো ছিঁড়ে সত্যি সত্যি চাঁদিয়াল আর পেটকাটা ঘুড়ি দুটি একসঙ্গে উড়ে গেল খুশিতে মাথা নাড়তে নাড়তে । দুটি বন্ধু যখন আকাশে উড়ে গেল তখন ঘুড়ি ওড়াতে থাকা দুটি দলই হতভম্ব হয়ে আকাশের দিকে চেয়ে রইল । এই ঘটনায় ঘুড়ি ওড়ানো দুটি মানুষের দলই হেরে গেল । আর জিতে গেল দুই বন্ধু – ঘুড়ি পেটকাটা আর চাঁদিয়াল ।
[E] ছয় – সাতটি বাক্যে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 5×2=10
-
‘ একলা ’ — কবিতায় কবির মনে কখন আর কোনো দুঃখই থাকে না ?
Ans: কবির মাঝে মাঝে নিজেকে একা মনে হয় । তখন তাঁর মনে খুব কষ্ট হয় । কিন্তু , চারপাশে তাকিয়ে তিনি দেখেন , তিনি আসলে একা নন । তাঁর চারপাশে গাছ , গাছে ঢাকা পথ , কাঠবেড়ালি এসবই সঙ্গী হয়ে রয়েছে । পথ দিয়ে যাওয়ার সময় আসলে প্রকৃতির আশীর্বাদের মতো গাছের পাতা কবির মাথায় ঝরে পড়ে । তখন সেই স্পর্শে আর প্রকৃতির সঙ্গ পেয়ে কবির একাকিত্ব নিমেষে উধাও হয়ে যায় । মন ভরে ওঠে খুশিতে । তাঁর মনে আর কোনো দুঃখ থাকে না ।
-
‘ বোম্বাগড়ের রাজা ’ — কবিতায় বোম্বাগড়ের যে নিয়ম – কানুন প্রচলিত আছে , তার মধ্যে পাঁচটি নিয়মের কথা লেখো ।
Ans: কবিতায় বোম্বাগড়ের যে নিয়ম – কানুন প্রচলিত আছে সেগুলি হলো
১. বোম্বাগড়ের রাজা আমসত্ত্ব ছবির ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখেন ।
২. রানি মাথায় অষ্টপ্রহর বালিশ বেঁধে রাখেন ।
৩. রানির দাদা পাউরুটিতে পেরেক ঠোকেন ।
৪. সেখানকার লোকে সর্দি হলে ডিগবাজি খায় ।
৫. সে রাজ্যে জোছনা রাতে সবাই চোখে আলতা মাখায় ।
-
‘ আগুন লাগিয়েছে টেলিফোন আর টেলিগ্রাফের অফিসেও ’ – কারা এমন করেছিল ? কেন করেছিল ?
Ans: চট্টগ্রাম শহরে অল্প বয়সি কিছু ছেলে মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে টেলিফোন আর টেলিগ্রাফের অফিসে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল । মাস্টারদার নেতৃত্বে চট্টগ্রামের যুবকদল অত্যাচার আর অপমানের প্রতিশোধ নিতে এবং মাত্র তিনদিনের জন্য হলেও তাদের শহরে স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার জন্য তৎপর হয়েছিল । ইংরেজদের সমস্তরকম যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে তাদের দুর্বল করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই টেলিফোন আর টেলিগ্রাফের আফিসে তারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল ।
-
বর্ষারাতে গোপাল কী স্বপ্ন দেখেছিল ? তার স্বপ্ন কীভাবে মিথ্যা হয়ে গিয়েছিল ?
Ans: বর্ষারাতে গোপাল স্বপ্ন দেখেছিল জটিপিসিমা ও তার মেয়ে লাবণ্যদি তাকে আদর যত্ন করে খাওয়াচ্ছে । খেজুর গুড়ের পায়েস , তিলপিটুলি , কাঁকুড়ের ডালনা , মুগডাল এইসমস্ত ভালোভালো খাবার সে খাচ্ছে । কিন্তু তার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল । জটিপিসিমা গোপালকে নিমন্ত্রণই করল না । এইভাবে গোপালের দেখা স্বপ্ন মিথ্যা হয়ে গেল ।
[F] ‘ জগদীশচন্দ্র বসু ’ অথবা ‘ বিদ্যালয় জীবনে খেলাধুলার ভূমিকা ’ — যে – কোনো একটি বিষয়ে ১৫-১৬টি বাক্যে অনুচ্ছেদ রচনা করো । 5
-
জগদীশ চন্দ্র বসু
জগদীশ চন্দ্র বসুঃ ৩০ নভেম্বর ১৮৫৮ সালে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্গত ময়মনসিংহ গ্রামে জগদীশ চন্দ্র বসু জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর বাবার নাম ভগবান চন্দ্র বসু এবং মাতার নাম ছিল বামা সুন্দরী দেবী । জগদীশচন্দ্র বসুকে ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন ।
১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাঠ সম্পন্ন করে দেশে ফিরে আসেন । লন্ডন থেকে দেশে আসার পর ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জর্জ রবিনসন এর অনুরোধে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক হিসাবে নিযুক্ত হন । ১৮৮৭ সালে ২৯ বছর বয়সে জগদীশচন্দ্র বসু অবলা বসুর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । ১৮৯৬ সালের মে মাসে তাকে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় ডিএসসি ডিগ্রি প্রদান করে । বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্ৰ বসু ২৩ নভেম্বর ১৯৩৭ সালে ৭৮ বছর বয়সে ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের গিরিডিতে মৃত্যুবরণ করেন ।
-
বিদ্যালয় জীবনে খেলাধুলার ভূমিকা
বিদ্যালয় জীবনে খেলাধুলার ভূমিকাঃ ছাত্রজীবন হল ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি । ছাত্রজীবন শরীর গঠনের সেরা সময় । এই কারণে অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশের পাঠক্রমেও গৃহীত হয়েছে শরীরচর্চা ও খেলাধুলোর বিষয়টি । ড্রিল , ফুটবল , ক্রিকেট , হাডুডু , যোগব্যায়াম প্রভৃতির মাধ্যমে ছাত্রাবস্থা থেকেই স্বাস্থ্যরক্ষার দিকে উৎসাহিত করে তোলা হয় । শরীরচর্চা ও খেলাধুলো কেবল স্বাস্থ্য গঠন করে না , চারিত্রিক গঠনও সুদৃঢ় করে । খেলোয়াড়সুলভ উদারতা , সুস্থ প্রতিযোগিতা , পারস্পরিক সহযোগিতার অভ্যাস তৈরি করে খেলাধুলা । খেলাধুলাকে বাদ দিয়ে সুস্বাস্থ্য ও দৃঢ় চরিত্রগঠন অসম্ভব । খেলার মধ্য দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক স্ফূর্তি হয় ।
খেলাধুলা পড়াশোনাতে মন বসানোয় সহায়ক হয়ে ওঠে । এ ছাড়া পড়াশোনা করতে গিয়ে বইতে শেখা তত্ত্ব , যেমন— সৌহার্দ্য , দলগত ঐক্য , মূল্যবোধ , খেলোয়াড়সূচক মনোভাব , হাল – না- ছাড়া ইত্যাদির বাস্তব প্রয়োগ হয় খেলাধুলার মাধ্যমে । বিদ্যালয় স্তরে খেলাধুলার গুরুত্ব বৃদ্ধি করা প্রয়োজন । বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে অভিভাবকদের ছাত্রজীবনে খেলাধুলার গুরুত্ব বোঝাতে হবে । সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিদ্যালয় স্তর থেকে খেলাধুলায় পারদর্শী ছাত্র বা ছাত্রীকে সন্ধান করে তাকে পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে । তবেই ভারতবর্ষের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুঠাম স্বাস্থ্য ও নীরোগ জীবনের অধিকারী হতে পারবে ।
SOURCE-BHUS

©kamaleshforeducation.in(2023)
