পাতাবাহার
বাংলা | পঞ্চম শ্রেণি

=========================================================

27TH JUNE,2025

মধু আনতে বাঘের মুখে গল্পের প্রশ্ন উত্তর

পঞ্চম শ্রেণি বাংলা | 

 

মধু আনতে বাঘের মুখে
—শিবশংকর মিত্র

 

১। জেনে নিয়ে করো :

১.১ সুন্দরবনের যে অংশ পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে, তা কোন দুটি জেলায়, মানচিত্র থেকে খুঁজে বের করো।

উত্তরঃ উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার দক্ষিণ প্রান্তে ত্রিকোণ অঞ্চল নিয়ে সুন্দরবন।

১.২ সুন্দরবন অভয়ারণ্যের মধ্য দিয়ে যে যে নদী বয়ে গেছে তাদের নামগুলি লেখো।

উত্তরঃ সুন্দরবন অভয়ারণ্যের মধ্য দিয়ে যেসব নদী বয়ে গেছে সেগুলি হল— পিয়ালী, ঠাকুরান, মাতলা, গোসাবা, হাড়িয়াভাঙা, সপ্তমুখী, রায়মঙ্গল, ইছামতী, কালিন্দী, বড়তলা প্রভৃতি।

১.৩ পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ অঞ্চলটি কোন সমুদ্র-উপকূলে অবস্থিত তা মানচিত্র থেকে খুঁজে বের করো।

উত্তরঃ পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ অঞ্চলটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত।

১.৪ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের বৈশিষ্ট্য শিক্ষকের কাছ থেকে জেনে নিয়ে লেখো।

উত্তরঃ ভারতের উপকূল ও বদ্বীপ অঞ্চল সমূহে যেখানে সূক্ষ্ম পলিমাটির সঞ্চয় ও লবণাক্ত জলের প্রভাব রয়েছে এবং প্রতিদিন দুবার জোয়ার ও ভাটা হয় সেখানেই ম্যানগ্রোভ অরণ্য দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্য : (১) জোয়ারভাটার প্রকোপে মৃত্তিকা সবসময় আর্দ্র থাকে বলে গাছগুলি চিরসবুজ। (২) জোয়ারভাটার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গাছগুলিতে ঠেসমূল দেখা যায়। (৩) শ্বাসপ্রশ্বাসের সুবিধার জন্য গাছে শ্বাসমূল দেখা যায় (৪) এই বনাঞ্চলের উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম দেখা যায়।

২। গল্প থেকে তথ্য নিয়ে বাক্যগুলি পূর্ণ করো :

_________ মধু কাটতে গিয়েছিল _________ ________ আর _______।
মধু কাটতে _________ _________চাই। তিনজনের কাজ হলো _______ _______ ________ ________ ________ _________ ________ _________। বাঘ ______ কে আক্রমণ করেছিল, কিন্তু সে নিজেই ________ ________‘শিষের’ ভেতর। _______ কলশ ________ মাথার উপর। _______ সারা মুখে _________ ছিটকে পড়ল।

উত্তরঃ সুন্দরবনে মধু কাটতে গিয়েছিল ধনাই, আর্জান আর কফিল। মধু কাটতে তিনজন লোক চাই। তিনজনের কাজ হলো চাককাটা, মৌমাছি তাড়ানো আর ধামা নিয়ে দাঁড়ানো। বাঘ ধনাইকে আক্রমণ করেছিল, কিন্তু সে নিজেই ছিটকে পড়ল শিষের ভিতর। মধুর কলস পড়ল মাথার উপর। বাঘের সারা মুখে চোখে মধু ছিটকে পড়ল।

৩। এদের মধ্যে যে যে কাজটা করত :

ধনাই : _________________________________

আজান : ________________________________

কফিল : ________________________________

উত্তরঃ

ধনাই : চট মুড়ি দিয়ে গাছে উঠে চাক কাটত।

আর্জান : কাঁচা লম্বা বাঁশের মাথায়
মশাল জ্বেলে ধোঁয়া দিয়ে মৌচাক থেকে মৌমাছি তাড়াত।

কফিল : একটা বড় ধামা হাতে চাকের নীচে দাঁড়িয়ে থাকত, যাতে মধুসহ চাকের কাটা অংশ ধামাতেই পড়ে।

৪। অর্থ লেখো : ধামা, গোঁয়ার্তুমি, চট, হাজির, ঝিরঝিরে।

উত্তরঃ

ধামা— শস্য রাখা বা মাপার জন্য তৈরি বেতের ঝুড়ি।

গোঁয়ার্তুমি— জেদি, একগুঁয়ে।

চট— পাটের সুতো থেকে তৈরি মোটা কাপড়।

হাজির— উপস্থিত।

ঝিরঝিরে— গুঁড়ি গুঁড়ি, ছিটে ফোঁটা।

৫। বাক্যরচনা করো : নাস্তা, মৌচাক, রং, মূর্তি, কলস।

উত্তরঃ

নাস্তা— সকালে নাস্তা করে কাজে বেরানো উচিত।

মৌচাক— মৌচাক থেকে মধু পাওয়া যায়।

রং— দোলের দিনে রং খেলা হয়।

স্ফুর্তি— ইস্কুলে ছুটি ঘোষণা হলে ছাত্র ছাত্রীদের স্ফূর্তি আর ধরে না।

কলস— গ্রামের মেয়েরা কলস নিয়ে নদী থেকে জল আনে।

৬। কোনটি কোন্ ধরনের শব্দ তা শব্দঝুড়ি থেকে বেছে নিয়ে লেখো :

[শব্দঝুড়িঃ এক, কাটে, আর, ভুল, পথ, বিশ্বাস, গোঁয়ার, বোঝাই, গভীর, সকাল, ডাঙা, সরু, তাড়ায়, তার, চিৎকার, মারল, সে, ওদের, ছোটো, কিন্তু, ও, বেজায়, শক্তি, নিয়েছে।]

উত্তরঃ

বিশেষ্য— পথ, ভুল, বিশ্বাস, শক্তি, সকাল, চিৎকার, ভাঙা।

বিশেষণ— গোঁয়ার, গভীর, এক, বেজায়, ছোটো, সরু, বেজায়

সর্বনাম— ওদের, তার, সে

অব্যয়— কিন্তু, ও, আর

ক্রিয়া— কাটে, তাড়ায়, মারল, নিয়েছে

৭। নিম্নলিখিত শব্দগুলির বিপরীতার্থক শব্দ লেখো : কাঁচা, ভরতি, তীক্ষ্ণ, দীর্ঘ, বোঝাই।

উত্তরঃ

কাঁচা— পাকা। 

ভরতি— খালি।

 তীক্ষ্ণ— ভোঁতা।

 দীর্ঘ— হ্রস্ব। 

বোঝাই— খালি

৮। সমার্থক শব্দ লেখো : মৌমাছি, বাঘ, ফুল, বন, মাটি।

উত্তরঃ

মৌমাছি—ভ্রমর, মধুকর।

বাঘ— ব্যাঘ্র, শার্দুল।

 ফুল— পুষ্প, কুসুম

বন— অরণ্য, অটবী

মাটি— মৃত্তিকা, ভূমি ।

৯। নীচের ঝুড়িতে বেশ কিছু বন্যপ্রাণীর নাম দেওয়া রয়েছে। আমাদের সুন্দরবনে এদের মধ্যে কার কার দেখা মেলে ?

[শব্দঝুড়িঃ কুমির, গন্ডার, সিংহ, জিরাফ, ভাল্লুক, হরিণ, জেব্রা, ক্যাঙারু, জলহস্তী, লালপান্ডা, হাতি, কচ্ছপ, বুনোমহিষ, শিয়াল, কাঁকড়া, বাঁদর, সাপ, শজারু, শূকর, হায়না, ওরাংওটাং, গোরিলা, রয়াল বেঙ্গল টাইগার।]

উত্তরঃ আমাদের সুন্দরবনে দেখা যায়— কুমির, হরিণ, কচ্ছপ, কাঁকড়া, সাপ, রয়াল বেঙ্গল টাইগার।

১০.১ পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল কোথায় রয়েছে ?

উত্তরঃ পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণে সুন্দরবনে।

১০.২ সুন্দরবনের খ্যাতি ও সমাদরের দুটি কারণ লেখো।

উত্তরঃ সুন্দরবনের খ্যাতি ও সমাদরের দুটি কারণ— (১) সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার সহ নানা প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখা যায়। (২) সুন্দরবনে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য দেখা যায়।

১০.৩ কোন্ কোন্ গাছে সাধারণত মৌচাক দেখা যায় ?

উত্তরঃ সুন্দরবনে খলসি, গেঁওয়া, কেওড়া, গরান ইত্যাদি গাছে মৌচাক দেখা যায়।

১১। ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো :

‘ক’ স্তম্ভ

‘খ’ স্তম্ভ

মধু

জলখাবার

নাস্তা

মৌচাক

কাস্তে

ছোটো নৌকা

ডিঙি

কাটারি

শিষে

সেতু

সাঁকো

ছোটো সরু খাদ

উত্তরঃ

‘ক’ স্তম্ভ

‘খ’ স্তম্ভ

মধু

মৌচাক

নাস্তা

জলখাবার

কাস্তে

কাটারি

ডিঙি

ছোটো নৌকা

শিষে

ছোটো সরু খাদ

সাঁকো

সেতু

১২। গল্পের ঘটনাগুলি ক্রমানুসারে সাজিয়ে লেখো :

১২.১ মনের আনন্দে একটার পর একটা মধুর চাক কেটে চলেছে।

১২.২ আজান এক থাবা কাদা তুলে গোল করে পাকিয়ে নিয়ে ছুঁড়ে মারল চাক লক্ষ করে।

১২.৩ পেটপুরে নাস্তা খেয়ে বনে মধু কাটার জন্য তৈরি হল।

১২.৪ কয়েকটা মৌমাছি ওদের দিকে তাড়া করল।

১২.৫ ডিঙি করে অনেক দূর বনের ভিতর গিয়ে তিনজনে ডাঙায় উঠেছে।

উত্তরঃ

১২.৩ পেটপুরে নাস্তা খেয়ে বনে মধু কাটার জন্য তৈরি হল।

১২.৫ ডিঙি করে অনেকদূর বনের ভিতর গিয়ে তিনজনে ডাঙায় উঠেছে।

১২.১ মনের আনন্দে একটার পর একটা মধুর চাক কেটে চলেছে।

১২.২ আর্জান এক থাবা কাদা তুলে গোল করে পাকিয়ে নিয়ে ছুঁড়ে মারল চাক লক্ষ করে।

১২.৪ কয়েকটা মৌমাছি ওদের দিকে তাড়া করল।

১৩.১ শিবশঙ্কর মিত্রের লেখালেখির প্রিয় বিষয় কোনটি ?

উত্তরঃ শিবশঙ্কর মিত্রের লেখালেখির প্রিয় বিষয় ‘সুন্দরবন’।

১৩.২ কোন্ বইয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ শিশুসাহিত্যের পুরস্কার পান ?

উত্তরঃ ‘সুন্দরবন’ বইয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ শিশুসাহিত্যের পুরস্কার পান।

১৩.৩ সুন্দরবনকে নিয়ে লেখা তাঁর দুটি বইয়ের নাম লেখো।

উত্তরঃ সুন্দরবনকে নিয়ে লেখা তাঁর দুটি বইয়ের নাম ‘বনবিবি’, ‘সুন্দরবনের আর্জান সরদার’।

১৪। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

১৪.১ বসন্তকালে সুন্দরবনের দৃশ্যটি কেমন তা নিজের ভাষায় পাঁচটি বাক্যে লেখো।

উত্তরঃ শীতের শেষে বসন্তে তাই সুন্দরবনে নানা গাছে ফুল ধরেছে। গরান গাছের ফুল খুব ছোটো। তার রং হলুদ। সকাল থেকেই ফুলের গন্ধে, হলুদ রঙে ও মৌমাছির গুঞ্জনে সারা বন মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে। ঝিরঝিরে বসন্তের হাওয়া বইছে চারিদিকে।

১৪.২ যদি তুমি কখনও সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে যাও, তবে কাকে কাকে সঙ্গে নেবে ? জিনিসপত্রই বা কী কী নিয়ে যাবে ?

উত্তরঃ সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গেলে আমি আরও দুজন বন্ধুকে সঙ্গে নেব। কারণ মধু সংগ্রহ করতে গেলে, তিনজন অবশ্যই প্রয়োজন। এ ছাড়া জিনিসপত্রের মধ্যে চট, কাস্তে, লম্বা বাঁশ, বড়ো ধামা, কলশ ইত্যাদি নিতে হবে।

১৪.৩ ‘বাংলার বাঘ’ নামে কে পরিচিত ?

উত্তরঃ আশুতোষ মুখোপাধ্যায়কে ‘বাংলার বাঘ’ বলা হয়।

১৪.৪ ‘বাঘাযতীন’ নামে কে পরিচিত ?

উত্তরঃ যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ‘বাঘাযতীন’ নামে পরিচিত।

১৪.৫ ‘সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ’– এই বিষয়ে পাঁচটি বাক্য লেখো।

উত্তরঃ সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এই কাজটি একার দ্বারা হয় না, মধু সংগ্রহ করতে তিনজন লাগে। একজন চট মুড়ি দিয়ে গাছে উঠে কাস্তে দিয়ে চাক কাটে। আর একজন লম্বা কাঁচা বাঁশের মাথায় মশাল জ্বেলে ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছি তাড়ায়। আর তৃতীয়জন একটা বড়ো ধামা হাতে নিয়ে চাকের নীচে দাঁড়ায় যাতে চাক কাটা শুরু হলে সেগুলি মাটিতে না পড়ে ধামার মধ্যে পড়ে

১৪.৬ ধনাই কীসের মন্ত্র জানে ?

উত্তরঃ ধনাই মৌচাক ভাঙার মন্ত্র জানে।

১৪.৭ গরান গাছের ফুল দেখতে কেমন ?

উত্তরঃ গরান গাছের ফুল ছোটো ছোটো হলুদ রং-এর হয়।

১৪.৮ ডিত্তি করে মধু সংগ্রহ করতে কে কে গিয়েছিল ?

উত্তরঃ ডিঙি করে মধু সংগ্রহ করতে ধনাই, আর্জান এবং কফিল গিয়েছিল।

১৪.৯ টীকা লেখো : ‘ট্যাক্’, “শিষে’।

উত্তরঃ

ট্যাক্— দুটো ছোটো নদী যখন একসঙ্গে মেশে তখন একটা ত্রিভুজ ভূখণ্ড তৈরি হয় এই ধরনের ত্রিভুজ আকারের জমির মাথাকেই ট্যাক্‌ বলা হয়।

শিষে— সুন্দরবনের জঙ্গলে একপ্রকার ছোটো সরু খাদ দেখা যায় একে শিষ বলে। এগুলি তিন-চার হাত বা তার বেশিও চওড়া হতে পারে।

১৪.১০ মধুর চাক খুঁজে পাওয়ার পন্থাটি কী ?

উত্তরঃ পন্থাটি হল, মৌমাছি ফুল থেকে মধু নিয়ে কোনদিকে ছুটে চলেছে সেদিকে লক্ষ করে তার পিছনে পিছনে যাওয়া।

১৪.১১ কফিল ও আর্জানকে পেছনে ফিরে ডাকার সময় ধনাই কী দেখেছিল ?

উত্তরঃ কফিল ও আর্জানকে পিছনে ফিরে ডাকার সময় ধনাই দেখেছিল বিকট হুংকারে একটা বাঘ তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

১৪.১২ বাঘটা শিষের ভিতর পড়ে গেল কীভাবে ?

উত্তরঃ ধনাইকে লক্ষ করে বাঘটা ঝাঁপ দিলেও ধনাইয়ের ওপর না পড়ে সে তবলা গাছের ওপর পড়েছিল। তারপর ধনাইকে ডিঙিয়ে বাঘের মাথা ঐ গাছে খুব জোরে ঠোক্কর খেতেই বাঘটা উলটে ধপাস করে শিষের ভিতর গিয়ে পড়ে।

১৪.১৩ ধনাই কীভাবে বাঘের হাত থেকে বেঁচে গেল ?

উত্তরঃ বাঘটা শিষের গর্তের ভিতর পড়তেই ধনাইয়ের মাথায় যে মধুর কলশিটা ছিল সেটা বাঘের মাথার ওপর ভেঙে পড়ল। বাঘের সারা মুখে, চোখে মধু ছিটকে পড়ল। বাঘ ফ্যোঁৎ ফ্যোঁৎ করতে লাগল। এভাবে ধনাই বাঘের হাত থেকে বেঁচে গেল।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর : 

মধু আনতে বাঘের মুখে

পঞ্চম শ্রেণি বাংলা  

• সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো :

১. বনে যাওয়ার জন্য পেট পুরে নাস্তা খেলো (ধনাই / আর্জান / কফিল / শিবু)।

উত্তরঃ আর্জান।

২. মধু কাটতে (তিন / চার / পাঁচ / ছয়) জন লোক চাই।

উত্তরঃ তিন।

৩. মধুর চাক কাটতে গেলে জানতে হবে (জাদু / মন্ত্র / কুস্তি / ডিগবাজি)।

উত্তরঃ মন্ত্র।

৪. মন্ত্র জানত- (ধনাই / আর্জান / শিবু / কফিল)।

উত্তরঃ ধনাই।

৫. লোকে বিশ্বাস করে– (ধনাই / আর্জান / শিবু / কফিল) গোঁয়ার্তুমি করে মধু কাটে।

উত্তরঃ ধনাই।

৬. গরান গাছের ফুল– (লাল / নীল / হলুদ / সবুজ) রঙের।

উত্তরঃ হলুদ।

৭. ধনাই চাক দেখতে পায়– (সুন্দরী / গরান / গেওয়া / কদম) গাছে।

উত্তরঃ গরান।

৮. মৌচাকে আর্জান ছুঁড়ে মারে– (কাদা / তীর / পাথর / কালি)।

উত্তরঃ কাদা।

৯. বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল– (আর্জান / কফিল / ধনাই / মিসবা)-কে লক্ষ করে।

উত্তরঃ ধনাই।

১০. বাঘটা গিয়ে পড়েছিল (বাবলা / সুন্দরী / তবলা / গরান) গাছের উপর।

উত্তরঃ তবলা।

১১. বাঘের থাবা থেকে ধনাইকে বাঁচিয়েছিল- (আর্জান / তবলা গাছ / মধুর কলশি / কফিল)।

উত্তরঃ তবলা গাছ

১২. মধুর কলস পড়ে যায় (ধনাই / কফিল / আর্জান / বাঘ)-এর মাথায়।

উত্তরঃ বাঘ।

১৩. (আর্জান / কফিল / ধনাই / বাঘ)-এর সারা মুখে নাখে চোখে ছিটকে পড়েছিল মধু।

উত্তরঃ বাঘ।

• দু-এক কথায় উত্তর দাও :

১. মধু আনতে বাঘের মুখে’ গল্পটি কার লেখা ?

উত্তরঃ ‘মধু আনতে বাঘের মুখে’ গল্পটির লেখক শিবশঙ্কর মিত্র।

২. ‘মধু আনতে বাঘের মুখে’ গল্পটি কোন্ বই থেকে নেওয়া হয়েছে ?

উত্তরঃ ‘মধু আনতে বাঘের মুখে’ গল্পটি ‘সুন্দরবন সমগ্র’ নামক বই থেকে নেওয়া হয়েছে।

৩. কারা বনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়েছিল ?

উত্তরঃ ধনাই, আর্জান ও কফিল বনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়েছিল।

৪. বনে যাওয়ার কথায় আর্জান কী করল ?

উত্তরঃ আর্জান এক পা রাজি হয়ে পেট পুরে নাস্তা করে নিল আর মধু কাটার জন্য তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিল।

৫. মধু কাটতে ক-জন লোক চাই ?

উত্তরঃ মধু কাটতে তিনজন লোক চাই।

৬. মধু কাটতে কে কে গিয়েছিল ?

উত্তরঃ মধু কাটতে ধনাই, আর্জান ও কফিল একসঙ্গে তিনজন গিয়েছিল।

৭. মৌচাক কাটার আগে কীভাবে মৌমাছি তাড়ানো হয় ?

উত্তরঃ লম্বা কাঁচা বাঁশের মাথায় আগুন জ্বেলে ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছি তাড়ানো হয়।

৮. মৌচাক কাটার ব্যাপারে তৃতীয় ব্যক্তি কীভাবে সাহায্য করে ?

উত্তরঃ তৃতীয় জন একটা বড়ো ধামা হাতে নিয়ে গাছে থাকা চাকের নীচে দাঁড়ায়— যাতে চাক কাটা শুরু হলে সেগুলি মাটিতে না পড়ে ধামার মধ্যে পড়ে।

৯. মৌমাছিকে ভুল পথে চালিত করতে না পারলে কী ঘটে ?

উত্তরঃ কৌশলে বা মন্ত্র দিয়ে ভুল পথে মৌমাছিকে চালিত করতে না পারলে শত্রুর খোঁজ পেলে লক্ষ লক্ষ মৌমাছি ছেঁকে ধরে তাকে কামড়ে শেষ করে দেয়।

১০. শীতের শেষে সুন্দরবনে কী ফুল ধরে ?

উত্তরঃ সুন্দরবনে শীতের শেষে নানা গাছে ফুল ধরে। গরান গাছে হলুদ রঙের ছোটো ছোটো ফুল ফোটে।

১১. যারা সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করে, তাদের কী বলে ?

উত্তরঃ সুন্দরবনে যারা মধু সংগ্রহ করে, তাদের মউলি বলে।

১২. আর্জান চাক লক্ষ করে কী ছুঁড়ে মেরেছিল ?

উত্তরঃ আর্জান চাক লক্ষ করে এক থাবা কাদা গোল করে পাকিয়ে নিয়ে ছুঁড়ে মেরেছিল।

১৩. মাটির তাল চাকের কোণে লেগে কোথায় পড়েছিল ?

উত্তরঃ মাটির তাল চাকের কোণে লেগে হেঁদো বনের ঝোপে পড়েছিল।

১৪. গরান গাছের চাকে আরিয়ানের কাদা ছোঁড়ার ফল কি হয়েছিল ?

উত্তরঃ গরান গাছের চাকে আরজানের কাদা ছোড়ার ফলে কয়েকটা মৌমাছি মিলে তাকে তাড়া করেছিল।

১৫. ঝোপের আড়ালে কারা লুকিয়ে ছিল ?

উত্তরঃ আরজান ও কফিল ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে ছিল।

১৬. বন কীভাবে মেতে ওঠে ?

উত্তরঃ ফুলের গন্ধে, হলুদ রঙে আর মৌমাছির গুঞ্জনে বন মেতে উঠেছে।

১৭. কোন্ বইটির জন্য ভারত সরকার লেখক শিবশঙ্কর মিত্রকে ‘শ্রেষ্ঠ শিশুসাহিত্যের পুরস্কার’ দেন ?

উত্তরঃ ‘সুন্দরবন’ বইটির জন্য ভারত সরকার ১৯৬২ সালে লেখককে শ্রেষ্ঠ শিশুসাহিত্যের পুরস্কার দেন।

১৮. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ অঞ্চলকে লেখক তাঁর গল্পের বিষয়বস্তু হিসেবে বিশেষ প্রাধান্য দেন ?

উত্তরঃ পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অঞ্চলকে লেখক তাঁর গল্পের বিষয়বস্তু হিসেবে বিশেষ প্রাধান্য দেন।

SOURCE-HN

©kamaleshforeducation.in(2023)

error: Content is protected !!
Scroll to Top