🍁সহজ পাঠ’ (প্রথম ভাগ) বই থেকে ২০০ টি প্রশ্ন ও তার উত্তর।

 

👉১. ‘সহজ পাঠ’ (প্রথম ভাগ) বইটি কার লেখা?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

​২. বইটির অলংকরণ বা ছবিগুলি কে এঁকেছেন?

উত্তর: নন্দলাল বসু।

​৩. পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন দপ্তর এই বইটি প্রকাশ করেছে?

উত্তর: বিদ্যালয়-শিক্ষা দপ্তর।

​৪. পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ কোন সালের পাঠক্রম অনুযায়ী কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে?

উত্তর: ২০১৩ সালের

​৫. শিক্ষার অধিকার আইন ভারত সরকার কত সালে গ্রহণ করেছিল?

উত্তর: ২০০৯ সালে।

​৬. কোন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ‘সহজ পাঠ’ বইটিকে পাঠ্যবইয়ের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে?

উত্তর: বিশেষজ্ঞ কমিটি (২০১১)।

​৭. ‘সহজ পাঠ’ বইটির বিন্যাসের ক্ষেত্রে কোন সংস্করণকে হুবহু অনুসরণ করা হয়েছে?

উত্তর: বিশ্বভারতী সংস্করণ।

​৮. পর্ষদের কথা অনুযায়ী, কোন বিধিটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে?

উত্তর: পূর্বতন সংস্করণে ব্যবহৃত বানানবিধি।

​৯. পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির নাম কী?

উত্তর: মানিক ভট্টাচার্য (সাক্ষর অনুযায়ী)।

​১০. “অ আ” দেখে ছোটো খোকা কী বলে?

উত্তর: ছোটো খোকা বলে ‘অ আ’।

​১১. ছোটো খোকা কী শেখেনি?

উত্তর: সে কথা বলতে বা ‘কথা কওয়া’ শেখেনি।

​১২. “ই ঈ” দিয়ে লেখা ছড়ায় হ্রস্ব ই ও দীর্ঘ ঈ কী করছে?

উত্তর: তারা বসে ক্ষীর ও খই খাচ্ছে।

​১৩. হ্রস্ব ই ও দীর্ঘ ঈ কী দিয়ে খই খাচ্ছে?

উত্তর: ক্ষীর দিয়ে।

​১৪. “উ ঊ” ছড়ায় কারা ডাক ছাড়ছে?

উত্তর: হ্রস্ব উ ও দীর্ঘ ঊ।

​১৫. তারা কেমন ভাবে ডাক ছাড়ছে?

উত্তর: ‘ঘেউ ঘেউ’ করে।

​১৬. “ঋ” ছড়ায় ঘন মেঘ কী বলে?

উত্তর: ঘন মেঘ বলে ‘ঋ’।

​১৭. ঋ-এর ছড়ায় দিনটি কেমন?

উত্তর: দিনটি বড়ো বিশ্রী।

​১৮. ‘সহজ পাঠ’ বইটি কোন শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য?

উত্তর: প্রথম শ্রেণির।

​১৯. পাঠ্যবইটি শিক্ষার্থীদের কীভাবে দেওয়া হয়?

উত্তর: বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

​২০. বইটির মুদ্রক প্রতিষ্ঠানের নাম কী?

উত্তর: ওয়েস্ট বেঙ্গল টেক্সট বুক কর্পোরেশন লিমিটেড।

​২১. পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: বিধান নগর, কলকাতা (সেক্টর-২)।

​২২. ‘সহজ পাঠ’ বইয়ের বর্তমান অবয়বটি কার পরিকল্পিত?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিকল্পিত।

​২৬. “এ ঐ” ছড়ায় তারা কী হাতে করে চলেছে?

উত্তর: তারা বাটি হাতে করে চলেছে।

​২৭. তারা বাটি হাতে কোথায় চলেছে?

উত্তর: তারা বাটি হাতে হাটে চলেছে।

​২৮. “ও ঔ” ছড়ায় তারা কাকে ডাকছে?

উত্তর: তারা ডাক পাড়ছে— ‘ও ঔ’।

​২৯. তারা কেন ডাক পাড়ছে?

উত্তর: তারা ভাত আনবার জন্য ডাক পাড়ছে।

​৩০. “ক খ গ ঘ” ছড়ায় তারা কী করছে?

উত্তর: তারা দল বেঁধে গান গেয়ে চলেছে।

​৩১. তারা কোথায় গান গেয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা পথে গান গেয়ে চলেছে।

​৩২. “ঙ” ছড়া অনুযায়ী কে নৌকো চালায়?

উত্তর: ‘ঙ’ নৌকো চালায়।

​৩৩. ‘ঙ’ নৌকো চালিয়ে কী নিয়ে আসে?

উত্তর: সে নৌকো চালিয়ে ব্যাঙ নিয়ে আসে।

​৩৪. ব্যাঙ কোথায় বসে থাকে?

উত্তর: ব্যাঙ মাঝিপাড়ায় বসে থাকে।

​৩৫. “চ ছ জ ঝ” ছড়ায় তারা কীসের দল?

উত্তর: তারা সবাই বোঝা মাথায় নিয়ে এক একটি দল।

​৩৬. তারা কোথায় চলেছে?

উত্তর: তারা হাটে চলেছে।

​৩৭. “ঞ” ছড়া অনুযায়ী কে ঘরে বসে আছে?

উত্তর: ‘ঞ’ ঘরে বসে আছে।

​৩৮. ‘ঞ’ ঘরে বসে কী করছে?

উত্তর: সে ঘরে বসে কেঁদে সারা হচ্ছে।

​৩৯. “ট ঠ ড ঢ” ছড়ায় তারা কী করছে?

উত্তর: তারা কাঁখে করে কলসি নিয়ে চলেছে।

​৪০. তারা জল আনতে কোথায় যাচ্ছে?

উত্তর: তারা দিঘিতে জল আনতে যাচ্ছে।

​৪১. “ণ” ছড়া অনুযায়ী ‘ণ’ কোথায় থাকে?

উত্তর: ‘ণ’ থাকে মূর্ধন্যতে।

​৪২. ‘ণ’ কেন চুপ করে আছে?

উত্তর: তার কোনো কাজ নেই, তাই সে রা কাড়ে না বা চুপ করে আছে।

​৪৩. “ত থ দ ধ” ছড়ায় তারা কী নিয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা তাদের নিজের নিজের ছাতা নিয়ে চলেছে।

​৪৪. “ন” ছড়া অনুযায়ী ‘ন’ কোথায় চলে?

উত্তর: ‘ন’ কূলের পাশে বা নদীর কিনারায় চলে।

​৪৫. ‘ন’ কীসের জন্য জাল ফেলে?

উত্তর: মাছ ধরার জন্য।

​৪৬. “প ফ ব ভ” ছড়ায় তারা কী নিয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা মেঘেদের দল, যারা জল নিয়ে চলেছে।

​৪৭. “ম” ছড়া অনুযায়ী ‘ম’ কী করছে?

উত্তর: ‘ম’ কলসি নিয়ে জল আনতে চলেছে।

​৪৮. ‘ম’ কোথায় জল আনতে চলেছে?

উত্তর: নদীর ঘাটে।

​৪৯. “য র ল ব” ছড়ায় তারা কীসের ভয়ে পালাচ্ছে?

উত্তর: তারা বাঘের ভয়ে পালাচ্ছে।

​৫০. “শ ষ স” ছড়ায় তারা কী করছে?

উত্তর: তারা কাঁপছে এবং শীত করছে বলে হা-হুতাশ করছে।

​৫১. বনে কী আছে?

উত্তর: বনে আছে অনেক গাছ।

​৫২. বনে কোন কোন ফুল ফুটেছে?

উত্তর: বনে ফুটেছে অনেক ফুল।

​৫৩. বনে কিসের পাখি ডাকছে?

উত্তর: বনে বনের পাখি ডাকছে।

​৫৪. বনের কাছে কী আছে?

উত্তর: বনের কাছে আছে নদী।

​৫৫. নদীতে কী আছে?

উত্তর: নদীতে আছে অনেক মাছ।

​৫৬. কে আম পাড়তে যাচ্ছে?

উত্তর: ছোটো খোকা আম পাড়তে যাচ্ছে।

​৫৭. সে আম পাড়তে কোথায় যাচ্ছে?

উত্তর: সে বনের ভেতরে আম পাড়তে যাচ্ছে।

​৫৮. আমের বনে কী আছে?

উত্তর: আমের বনে আছে অনেক আম।

​৫৯. গাছে গাছে কী ঝুলছে?

উত্তর: গাছে গাছে লাল আম ঝুলছে।

​৬০. “বড়ো বড়ো বেল” কোথায় আছে?

উত্তর: বড়ো বড়ো বেল আছে বনের ধারে।

​৬১. বনে কে আছে? (প্রাণী)

উত্তর: বনে বাঘ আছে।

​৬২. বাঘের গায়ের রং কেমন?

উত্তর: বাঘের গা হলুদ, তাতে কালো কালো দাগ।

​৬৩. বাঘের ডাক শুনে কী হয়?

উত্তর: বাঘের ডাক শুনলে বনে খুব ভয় হয়।

​৬৪. বনের ভেতর দিয়ে কী বয়ে চলেছে?

উত্তর: বনের ভেতর দিয়ে নদী বয়ে চলেছে।

​৬৫. নদীর জল কেমন?

উত্তর: নদীর জল খুব স্বচ্ছ বা পরিষ্কার।

​৬৬. ‘বড়ো বড়ো’ গাছ কোথায় দেখা যায়?

উত্তর: বনের ভেতরে অনেক বড়ো বড়ো গাছ দেখা যায়।

​৬৭. “বনে বাঘ আছে”— এটি কত নম্বর পাঠের অংশ?

উত্তর: এটি প্রথম পাঠের অংশ।

​৬৮. বাদল হয়েছে— এর ফলে আকাশ কেমন?

উত্তর: আকাশ কালো হয়ে আছে।

​৬৯. বাদল হলে কী ঝরছে?

উত্তর: টপ টপ করে জল ঝরছে।

​৭০. “ঝম ঝম” করে কী পড়ছে?

উত্তর: ঝম ঝম করে বৃষ্টি পড়ছে।

​৭১. বৃষ্টি হলে ঘাস কেমন হয়?

উত্তর: বৃষ্টির জলে ঘাস সবুজ হয়ে ওঠে।

​৭২. বাদল হলে বনে কী হয়?

উত্তর: বাদল হলে বনে জল জমে।

​৭৩. বৃষ্টির পর আকাশ কেমন দেখায়?

উত্তর: বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার হয় এবং নীল দেখায়।

​৭৪. নীল আকাশে কী ওড়ে?

উত্তর: নীল আকাশে সাদা মেঘ ওড়ে।

​৭৫. “বকের দল” কোথায় ওড়ে?

উত্তর: বকের দল আকাশে ওড়ে।

​৭৬. “এ ঐ” ছড়ায় তারা বাটি হাতে কোথায় চলেছে?

উত্তর: তারা বাটি হাতে হাটে চলেছে।

​৭৭. “ও ঔ” ছড়ায় তারা কাকে ভাত আনবার জন্য ডাকছে?

উত্তর: তারা ভাত আনবার জন্য ডাক পাড়ছে ‘ও ঔ’।

​৭৮. “ক খ গ ঘ” দল বেঁধে কোথায় চলেছে?

উত্তর: তারা দল বেঁধে পথে গান গেয়ে চলেছে।

​৭৯. নৌকো কে চালায়?

উত্তর: ‘ঙ’ নৌকো চালায়।

​৮০. নৌকো চালিয়ে ‘ঙ’ কী নিয়ে আসে?

উত্তর: সে নৌকো চালিয়ে ব্যাঙ নিয়ে আসে।

​৮১. ব্যাঙ কোথায় বসে থাকে?

উত্তর: ব্যাঙ মাঝিপাড়ায় বসে থাকে।

​৮২. “চ ছ জ ঝ” মাথায় করে কী নিয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা মাথায় করে বোঝা নিয়ে চলেছে।

​৮৩. “ঞ” কোথায় বসে আছে?

উত্তর: ‘ঞ’ ঘরে বসে আছে।

​৮৪. ঘরে বসে “ঞ” কী করছে?

উত্তর: সে ঘরে বসে কেঁদে সারা হচ্ছে।

​৮৫. দিঘি থেকে জল আনতে কারা চলেছে?

উত্তর: “ট ঠ ড ঢ” কাঁখে কলসি নিয়ে দিঘি থেকে জল আনতে চলেছে।

​৮৬. “ণ” কোথায় থাকে?

উত্তর: ‘ণ’ থাকে মূর্ধন্যতে।

​৮৭. “ণ” কেন কথা বলে না?

উত্তর: তার কোনো কাজ নেই বলে সে চুপ করে থাকে বা রা কাড়ে না।

​৮৮. “ত থ দ ধ” কী নিয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা দলে দলে নিজেদের ছাতা নিয়ে চলেছে।

​৮৯. “ন” নদীর কিনারায় কী করে?

উত্তর: ‘ন’ নদীর কিনারায় মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে।

​৯০. মেঘের দল কী নিয়ে চলেছে?

উত্তর: “প ফ ব ভ” মেঘের দল জল নিয়ে চলেছে।

​৯১. কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে জল আনতে কে চলেছে?

উত্তর: ‘ম’ কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে জল আনতে চলেছে।

​৯২. “য র ল ব” কার ভয়ে পালাচ্ছে?

উত্তর: তারা বাঘের ভয়ে পালাচ্ছে।

​৯৩. “শ ষ স” কেন কাঁপছে?

উত্তর: তাদের খুব শীত করছে বলে তারা কাঁপছে এবং হা-হুতাশ করছে।

​৯৪. “হ” কেন হাত তুলছে?

উত্তর: আকাশ দেখে ‘হ’ হাত তুলছে।

​৯৫. “ক্ষ” কেন বনময় ঘুরছে?

উত্তর: ‘ক্ষ’ ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

​৯৬. “বনে আছে অনেক গাছ”— এটি কোন পাঠের অংশ?

উত্তর: এটি বইয়ের প্রথম পাঠের প্রথম বাক্য।

​৯৭. বনের কাছে কী আছে?

উত্তর: বনের কাছে নদী আছে।

​৯৮. ছোটো খোকা বনে কী পাড়তে যাচ্ছে?

উত্তর: ছোটো খোকা বনের ভেতরে আম পাড়তে যাচ্ছে।

​৯৯. আমের বনে আমগুলো দেখতে কেমন?

উত্তর: আমের বনে লাল লাল আম ঝুলে আছে।

​১০০. বাঘের গায়ের রং ও দাগ কেমন?

উত্তর: বাঘের গায়ের রং হলুদ এবং তাতে কালো কালো দাগ আছে।

​১০১. “বড়ো বউ” এবং “মেজ বউ” কী করছেন?

উত্তর: বড়ো বউ ও মেজ বউ থালা ধুয়েছেন।

​১০২. তাঁরা থালা ধুয়ে কী করছেন?

উত্তর: তাঁরা থালা ধুয়ে আমসত্ত্ব শুকোতে দিয়েছেন।

​১০৩. “কচি খোকা” কী করছে?

উত্তর: কচি খোকা হাততালি দিচ্ছে।

​১০৪. ঘরের ভেতর কে শুয়ে আছে?

উত্তর: ঘরের ভেতর দিদিমা শুয়ে আছেন।

​১০৫. ছোটো খোকা কখন আম পাড়তে যায়?

উত্তর: রোদের বেলায় যখন রোদ ওঠে।

​১০৬. “নাম তার মতিবিল”— মতিবিলের জল কেমন?

উত্তর: মতিবিলের জল খুব স্বচ্ছ বা নির্মল (পাঠ্যাংশ অনুযায়ী)।

​১০৭. বিলের ধারে কী ফুটে আছে?

উত্তর: বিলের ধারে সাদা সাদা বক ও কাদাখোঁচা পাখি দেখা যায় এবং কলমি শাক জন্মেছে।

​১০৮. মতিবিলে জেলেরা কী দিয়ে মাছ ধরে?

উত্তর: জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরে।

​১০৯. “দিনু” কী করছে?

উত্তর: দিনু ধামা নিয়ে আম পাড়ছে।

​১১০. “বিনু” কোথায় বসে আছে?

উত্তর: বিনু বনের ছায়ায় বসে আছে।

​১১১. “বিনা” কী গান গাইছে?

উত্তর: বিনা গুনগুন করে গান গাইছে।

​১১২. ঝমঝম করে কখন বৃষ্টি পড়ে?

উত্তর: যখন আকাশ কালো হয়ে বাদল হয়।

​১১৩. মেঘের রং কেমন?

উত্তর: মেঘের রং ঘন কালো।

​১১৪. “তাল গাছ” ছড়া অনুযায়ী তাল গাছ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?

উত্তর: তাল গাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে।

​১১৫. তাল গাছ সব গাছকে ছাড়িয়ে কী করতে চায়?

উত্তর: তাল গাছ সব গাছ ছাড়িয়ে আকাশে উঁকি মারতে চায়।

​১১৬. তাল গাছের পাতারা কী মনে করে?

উত্তর: তাল গাছের পাতারা মনে করে তারা যেন পাখা।

​১১৭. হাওয়া যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন তাল গাছ কী করে?

উত্তর: হাওয়া থামলে তাল গাছ আবার শান্ত হয়ে নিজের মাটিতে ফিরে আসে।

​১১৮. “বাঁশ বাগান” কোথায় দেখা যায়?

উত্তর: গ্রামের ধারে বা নদীর কিনারায় বাঁশ বাগান দেখা যায়।

​১১৯. “পাখি সব করে রব”— এই কথাটির অর্থ কী?

উত্তর: পাখিরা সব ডাকাডাকি করছে।

​১২০. সকালবেলা সূর্য কোন দিকে ওঠে?

উত্তর: সকালবেলা সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।

​১২১. ঘাসের উপর কী পড়ে থাকে?

উত্তর: ঘাসের উপর ভোরের শিশির পড়ে থাকে।

​১২২. “সহজ পাঠ” বইয়ের ছবিগুলো কী ধরণের?

উত্তর: ছবিগুলো সাদা-কালো এবং রেখাচিত্রের (লিনোকাট স্টাইল)।

​১২৩. “বৌদি” কী রান্না করছেন?

উত্তর: বৌদি উনুনে ভাত রাঁধছেন।

​১২৪. “ঠাকুরদা” কোথায় বসে আছেন?

উত্তর: ঠাকুরদা দাওয়ায় বসে তামাক খাচ্ছেন।

​১২৫. বৃষ্টির দিনে ছোটোরা কী করে?

উত্তর: বৃষ্টির দিনে ছোটোরা ঘরের ভেতর বসে খেলা করে বা গল্প শোনে।

​১২৬. ‘এ ঐ’ ছড়ায় তারা কী হাতে নিয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা বাটি হাতে নিয়ে চলেছে।

​১২৭. ‘ও ঔ’ ছড়ায় তারা কী ডাক পাড়ছে?

উত্তর: তারা ভাত আনবার জন্য ‘ও ঔ’ বলে ডাক পাড়ছে।

​১২৮. ‘ক খ গ ঘ’ দল বেঁধে কোথায় চলেছে?

উত্তর: তারা দল বেঁধে পথে গান গেয়ে চলেছে।

​১২৯. ‘ঙ’ নৌকো চালিয়ে কী নিয়ে আসে?

উত্তর: সে নৌকো চালিয়ে ব্যাঙ নিয়ে আসে।

​১৩০. ব্যাঙ কোথায় বসে থাকে?

উত্তর: ব্যাঙ মাঝিপাড়ায় বসে থাকে।

​১৩১. ‘চ ছ জ ঝ’ মাথায় কী করে চলেছে?

উত্তর: তারা সবাই মাথায় করে বোঝা নিয়ে চলেছে।

​১৩২. ‘ঞ’ কোথায় বসে আছে?

উত্তর: ‘ঞ’ ঘরে বসে আছে।

​১৩৩. দিঘি থেকে জল আনতে কারা চলেছে?

উত্তর: ‘ট ঠ ড ঢ’ কাঁখে কলসি নিয়ে দিঘি থেকে জল আনতে চলেছে।

​১৩৪. ‘ণ’ কেন রা কাড়ে না?

উত্তর: তার কোনো কাজ নেই, তাই সে চুপ করে থাকে বা রা কাড়ে না।

​১৩৫. ‘ত থ দ ধ’ দলে দলে কী নিয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা ছাতা নিয়ে চলেছে।

​১৩৬. ‘ন’ নদীর কিনারায় কেন জাল ফেলে?

উত্তর: মাছ ধরার জন্য।

​১৩৭. ‘প ফ ব ভ’ মেঘের দল কী নিয়ে চলেছে?

উত্তর: তারা জল নিয়ে চলেছে।

​১৩৮. কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে কে চলেছে?

উত্তর: ‘ম’ কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে চলেছে।

​১৩৯. ‘য র ল ব’ কেন পালাচ্ছে?

উত্তর: তারা বাঘের ভয়ে পালাচ্ছে।

​১৪০. ‘শ ষ স’ কেন কাঁপছে?

উত্তর: তাদের খুব শীত করছে বলে তারা কাঁপছে।

​১৪১. আকাশ দেখে কে হাত তুলছে?

উত্তর: ‘হ’ আকাশ দেখে হাত তুলছে।

​১৪২. ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় কে ঘুরে বেড়াচ্ছে?

উত্তর: ‘ক্ষ’ ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

​১৪৩. “বনে আছে অনেক গাছ”— এটি কোন পাঠে আছে?

উত্তর: এটি প্রথম পাঠে আছে।

​১৪৪. বনের ভেতর দিয়ে কী বয়ে যায়?

উত্তর: বনের ভেতর দিয়ে নদী বয়ে যায়।

​১৪৫. নদীর জল কেমন?

উত্তর: নদীর জল টলটলে বা পরিষ্কার।

​১৪৬. ছোটো খোকা কোথায় আম পাড়তে যায়?

উত্তর: সে বনের ভেতরে আম পাড়তে যায়।

​১৪৭. “বনে বাঘ আছে”— বাঘের গায়ের রং কেমন?

উত্তর: বাঘের গা হলুদ, তাতে কালো কালো দাগ।

​১৪৮. বাঘের ডাক শুনলে কেমন লাগে?

উত্তর: বাঘের ডাক শুনলে বনে খুব ভয় হয়।

​১৪৯. বাদল হলে আকাশ কেমন হয়?

উত্তর: বাদল হলে আকাশ কালো হয়ে থাকে।

​১৫০. টপ টপ করে কী পড়ছে?

উত্তর: টপ টপ করে বৃষ্টির জল পড়ছে।

​১৫১. “এখন বলো তো”— ঘাস কেন সবুজ হয়?

উত্তর: বৃষ্টির জল পেয়ে ঘাস সবুজ হয়ে ওঠে।

​১৫২. “কালো মেঘ” হলে কী ঢাকা পড়ে?

উত্তর: কালো মেঘে আকাশ ঢাকা পড়ে।

​১৫৩. বৃষ্টির পরে যখন রোদ ওঠে, তখন ঘাসের ডগায় কী ঝিকমিক করে?

উত্তর: বৃষ্টির জল বা শিশিরবিন্দু।

​১৫৪. “পথের ধারে” কোন গাছ দেখা যায়?

উত্তর: পথের ধারে সাধারণত বট বা তাল গাছ দেখা যায় (বইয়ের ছবি ও বর্ণনা অনুযায়ী)।

​১৫৫. “পাখি” কোথায় বাসা বাঁধে?

উত্তর: পাখি গাছের ডালে বাসা বাঁধে।

​১৫৬. “নদী” কোথায় গিয়ে মেশে?

উত্তর: নদী সাগরে গিয়ে মেশে।

​১৫৭. “মাছ” কোথায় খেলা করে?

উত্তর: মাছ নদীর জলে খেলা করে।

​১৫৮. “বক” দেখতে কেমন?

উত্তর: বক দেখতে সাদা।

​১৫৯. “শীত” কালে আমরা কী গায়ে দিই?

উত্তর: শীত কালে আমরা চাদর বা গরম কাপড় গায়ে দিই।

​১৬০. “রাখাল” কী করে?

উত্তর: রাখাল গরু চড়ায়।

​১৬১. “বউ” কেন থালা ধোয়?

উত্তর: আমসত্ত্ব শুকোতে দেওয়ার আগে পরিষ্কার করার জন্য।

​১৬২. “আমসত্ত্ব” কিসে শুকোতে দেওয়া হয়?

উত্তর: আমসত্ত্ব রোদে শুকোতে দেওয়া হয়।

​১৬৩. “ক্ষীর” দিয়ে কী খাওয়া হয়?

উত্তর: ক্ষীর দিয়ে খই খাওয়া হয়।

​১৬৪. “কলো মেঘ” দেখে কার খুব ভয় হয়?

উত্তর: বনের ভেতরে বাঘের ডাক শুনলে যেমন ভয় হয়, ঘন অন্ধকারেও অনেকের ভয় হয়।

​১৬৫. “রোদ” উঠলে পাখিরা কী করে?

উত্তর: রোদ উঠলে পাখিরা গান গায় ও ওড়াউড়ি করে।

​১৬৬. “সহজ পাঠ” বইটিতে বর্ণপরিচয় কীভাবে শেখানো হয়েছে?

উত্তর: ছোটো ছোটো ছড়া ও ছবির মাধ্যমে।

​১৬৭. “উ ঊ” কীভাবে ডাক ছাড়ে?

উত্তর: তারা ঘেউ ঘেউ করে ডাক ছাড়ে।

​১৬৮. “দিনটি বড়ো বিশ্রী”— এটি কোন ছড়ার অংশ?

উত্তর: এটি ‘ঋ’ বর্ণের ছড়ার অংশ।

​১৬৯. “ভাত” আনবার জন্য কারা ডাক পাড়ছে?

উত্তর: ‘ও ঔ’ ভাত আনবার জন্য ডাক পাড়ছে।

​১৭০. “মাঝিপাড়া”য় কে বসে থাকে?

উত্তর: মাঝিপাড়ায় ব্যাঙ বসে থাকে।

​১৭১. “বোঝা” মাথায় করে কারা হাটে যায়?

উত্তর: ‘চ ছ জ ঝ’ মাথায় বোঝা নিয়ে হাটে যায়।

​১৭২. “মূর্ধন্য”তে কে থাকে?

উত্তর: ‘ণ’ মূর্ধন্যতে থাকে।

​১৭৩. “মাছ ধরার জাল” কে ফেলে?

উত্তর: ‘ন’ নদীর কিনারায় জাল ফেলে।

​১৭৪. “মেঘের দল” কী নিয়ে আসে?

উত্তর: মেঘের দল জল নিয়ে আসে।

​১৭৫. “বনময়” কে ঘুরে বেড়ায়?

উত্তর: ‘ক্ষ’ ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় ঘুরে বেড়ায়।

১৭৬. “ছুটি” হলে খোকা কী করতে চায়?

উত্তর: ছুটি হলে খোকা দূরে কোথাও বা মাঠে খেলা করতে যেতে চায়।

​১৭৭. “শাদা ছাতা” কার মাথায়?

উত্তর: ‘ত থ দ ধ’ যখন দলে দলে চলে, তাদের মাথায় ছাতা থাকে।

​১৭৮. “মাছরাঙা” পাখিটি কেমন?

উত্তর: মাছরাঙা পাখিটি মাছ ধরার জন্য জলের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং ছোঁ মেরে মাছ ধরে।

​১৭৯. “চুপ করে বসা” কার স্বভাব?

উত্তর: কাজ নেই বলে ‘ণ’ চুপ করে বসে থাকে।

​১৮০. “খেলাধুলা” কখন করা ভালো?

উত্তর: বিকেল বেলা বা পড়ার শেষে খেলাধুলা করা ভালো।

​১৮১. “পিঁপড়ে” কী করে?

উত্তর: পিঁপড়েরা সার বেঁধে চলে এবং খাবার সংগ্রহ করে।

​১৮২. “সহজ পাঠ” বইতে সবচেয়ে বেশি কিসের ছবি আছে?

উত্তর: প্রকৃতি, গ্রামবাংলার মানুষ এবং পশুপাখির ছবি।

​১৮৩. “বনমালী” কী করে?

উত্তর: বনমালী বাগানে কাজ করে এবং ফুল গাছ দেখে রাখে।

​১৮৪. “কলসি” কাঁখে জল আনতে কে যায়?

উত্তর: ‘ম’ এবং ‘ট ঠ ড ঢ’ দল কলসি কাঁখে জল আনতে যায়।

​১৮৫. “চাঁদ” কখন ওঠে?

উত্তর: রাতের বেলা আকাশে চাঁদ ওঠে।

​১৮৬. “তারা” কোথায় দেখা যায়?

উত্তর: রাতের বেলা নীল আকাশে তারা দেখা যায়।

​১৮৭. “পাখি” কখন গান গায়?

উত্তর: ভোরবেলা বা সূর্য উঠলে পাখিরা গান গায়।

​১৮৮. “সকাল” হলে ছোটোরা কী করে?

উত্তর: সকাল হলে ছোটোরা পড়তে বসে।

​১৮৯. “হাট” কবে বসে?

উত্তর: হাট সাধারণত সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে বসে, যেখানে লোকজন সওদা করতে আসে।

​১৯০. “গাছ” আমাদের কী দেয়?

উত্তর: গাছ আমাদের ফল, ছায়া এবং অক্সিজেন দেয়।

​১৯১. “ছায়া” কোথায় পাওয়া যায়?

উত্তর: বড়ো গাছের নিচে ছায়া পাওয়া যায়।

​১৯২. “জল” ছাড়া কারা বাঁচতে পারে না?

উত্তর: মাছ এবং সব জীবজন্তু জল ছাড়া বাঁচতে পারে না।

​১৯৩. “পড়াশোনা” শেষ হলে খোকা কী করে?

উত্তর: পড়াশোনা শেষ হলে খোকা মায়ের কাছে গল্প শুনতে চায় বা খেলতে যায়।

​১৯৪. “সহজ পাঠ” বইটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: এটি শিশুদের সহজ ভাষায় বাংলা পড়তে ও শিখতে সাহায্য করে।

​১৯৫. বইটির ছবিগুলো কাদের আঁকা স্টাইলে?

উত্তর: বিখ্যাত চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর আঁকা লিনোকাট বা রেখাচিত্রের স্টাইলে।

​১৯৬. “অ আ” ছড়াতে খোকার কথা বলার কথা কেন বলা হয়েছে?

উত্তর: কারণ ছোটো খোকা তখনো কথা বলা শেখেনি, তাই সে শুধু ‘অ আ’ বলে।

​১৯৭. “মেঘের কোলে রোদ হেসেছে” কথাটির অর্থ কী?

উত্তর: মেঘ সরে গিয়ে আকাশ পরিষ্কার হয়েছে এবং রোদ উঠেছে।

​১৯৮. “বই” আমাদের কী শেখায়?

উত্তর: বই আমাদের জ্ঞান দেয় এবং নতুন কিছু জানতে সাহায্য করে।

​১৯৯. “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর” ছোটোদের জন্য কী কী লিখেছেন?

উত্তর: সহজ পাঠ ছাড়াও তিনি অনেক কবিতা, গল্প ও গান লিখেছেন।

​২০০. “সহজ পাঠ” প্রথম ভাগে মোট কয়টি পাঠ আছে?

উত্তর: বইটিতে মূলত বর্ণপরিচয় এবং কয়েকটি ছোটো ছোটো পাঠ ও ছড়া আছে।

​  

error: Content is protected !!
Scroll to Top