প্রথম শ্রেণি

‘স্বাস্থ্য ও  শারীরশিক্ষা’

কার্ড ১৭: ‘যোগাসন’

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর: 

 

 

অতিসংক্ষিপ্ত/নৈর্ব্যক্তিক/সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর: 

১.  যোগাসন শব্দের অর্থ কী? 

✅ উত্তর: যোগাসন হলো শরীর ও মনকে সুস্থ রাখার একটি বিশেষ প্রাচীন ব্যায়াম পদ্ধতি। 

২.  যোগাসন করার উপযুক্ত সময় কোনটি? 

✅ উত্তর: ভোরবেলা বা সূর্যোদয়ের সময় যোগাসন করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। 

৩.  যোগাসন করার সময় কেমন পোশাক পরা উচিত? 

✅ উত্তর: যোগাসনের সময় হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা উচিত।

৪.  ভরা পেটে কি যোগাসন করা যায়? 

✅ উত্তর: না, যোগাসন সবসময় খালি পেটে বা খাবার খাওয়ার অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা পর করা উচিত। 

৫.  যোগাসন করার জায়গাটি কেমন হওয়া প্রয়োজন? 

✅ উত্তর: যোগাসনের জায়গাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, শান্ত এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের সুবিধাযুক্ত হওয়া উচিত। 

৬.  যোগাসন শেষে কোন আসনটি করা বাধ্যতামলকূ ? 

উত্তর: যোগাসন শেষে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য ‘শবাসন’ করা অত্যন্ত জরুরি। 

৭.  যোগাসনের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস কেমন থাকবে? 

✅ উত্তর: যোগাসনের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে হয়, তবে কিছু বিশেষ আসনে নির্দেশমতো শ্বাস নিতে বা ছাড়তে হয়। 

৮.  যোগাসন করার জন্য কী ব্যবহার করা উচিত? 

উত্তর: সরাসরি শক্ত মেঝের ওপর না করে একটি যোগব্যায়ামের ম্যাট বা পাতলা কম্বল বিছিয়ে করা উচিত। 

৯. ❓ পদ্মাসন করলে কী উপকার হয়? 

✅ উত্তর: পদ্মাসন করলে পায়ের পেশি মজবুত হয় এবং মনের একাগ্রতা বা মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। 

১০. ❓ যোগাসন কি একা একা শেখা উচিত? 

✅ উত্তর: না, শুরুতে একজন অভিজ্ঞ যোগ শিক্ষকের নির্দেশ মেনে যোগাসন শেখা নিরাপদ। 

রচনামূলক / বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর:

 

১১.  ছাত্রছাত্রীদের জীবনে যোগাসনের গুরুত্ব আলোচনা করো। 

উত্তর: ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত যোগাসন করলে স্মরণশক্তি ও মনোযোগ বাড়ে। এটি পড়াশোনার চাপ ও মানসিক ক্লান্তি দূর করে শরীরকে সতেজ রাখে, ফলে পড়াশোনায় অধিক মনযোগ দেওয়া সম্ভব হয়। 

১২.  যোগাসন ও সাধারণ ব্যায়ামের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী? 

✅ উত্তর: সাধারণ ব্যায়ামে সাধারণত দ্রুত অঙ্গচালনা ও পেশির শক্তি বাড়ানো হয়। কিন্তু যোগাসনে ধীরগতিতে অঙ্গচালনা, শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ এবং মনের প্রশান্তির ওপর জোর দেওয়া হয়। 

১৩.  ভুজঙ্গাসন করার পদ্ধতি ও উপকারিতা কী? 

উত্তর: উপুড় হয়ে শুয়ে হাতের তালতেু ভর দিয়ে শরীরের সামনের অংশ সাপের ফণার মতো তোলাকে ভুজঙ্গাসন বলে। এটি মেরুদণ্ড নমনীয় রাখে এবং পিঠের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। 

১৪.  যোগাসন করার সময় কোন কোন বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে?

উত্তর: শরীর খুব ক্লান্ত থাকলে বা কোনো গুরুতর অসুখ থাকলে যোগাসন করা ঠিক নয়। জোর করে কোনো কঠিন আসন করার চেষ্টা করা উচিত নয় এবং আসন করার সময় তাড়াহুড়ো করা একদম বারণ। 

১৫. ❓ মানসিক প্রশান্তি আনায় যোগাসনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

✅ উত্তর: যোগাসন কেবল শরীরের ব্যায়াম নয়, এটি মনেরও ব্যায়াম। প্রাণায়াম ও ধ্যানের মাধ্যমে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ে, যা রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

 

  

   ©kamaleshforeducation.in(2023)

error: Content is protected !!
Scroll to Top