
Madhyamik Life Science Question Paper 2026
মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান প্রশ্নপত্র 2026! উত্তর সহ
Madhyamik Life Science Question Paper 2026: আজ অর্থাৎ ১১ই ফেব্রুয়ারি (বুধবার) চলতি বছরে মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার অন্তিম দিন, পরীক্ষা ছিল জীবন বিজ্ঞান বিষয়ের। পরীক্ষা সমাপ্ত হওয়ার পর পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্রটি সংগ্রহ করেছি। যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরামাধ্যমিক 2027 পরীক্ষা দিতে চলেছে অথবা পরবর্তী বছরে যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দেবেতাদের জন্যঅবশ্যই সংগ্রহ করতে হবে।
মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান প্রশ্নপত্র ২০২৬ |
|
|---|---|
বিষয় |
জীবনবিজ্ঞান (Life Science) |
তারিখ |
১১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার (11th February, Wednesday) |
মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান প্রশ্নপত্র ২০২৬
(Madhyamik Life Science Question Paper 2026)
এই পোস্টে মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রে আসা সংক্ষিপ্ত/ছোট/শর্টপ্রশ্নগুলোর নমুনা উত্তরশেয়ার করা হচ্ছে। পরীক্ষার্থীরা তাদের পরীক্ষার খাতায় লেখা উত্তরগুলোর সঙ্গে এই নমুনা উত্তর মিলিয়ে দেখে সহজেই বুঝতে পারা যাবে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর সঠিক হয়েছে এবং কোথায় ভুল হয়েছে।
সুবিধার জন্য নিচে জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের শুধুমাত্র বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) এবং সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (SAQ)–গুলোর উত্তর দেওয়া হয়েছে। সদ্যাগত পরীক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ, অবশ্যই একবার নিজের করা উত্তরগুলোর সঙ্গে এগুলো মিলিয়ে দেখে নেবে!
বিভাগ – ক
(সকল প্রশ্নের উত্তর সঠিক বিকল্প ও ক্রমিক সংখ্যাসহ দেওয়া হলো)
১.১ প্রশ্ন: নিচের কোন্ জোড়টি সঠিক নয়?
উত্তর: (গ) সুষুম্নাশীর্ষক – ভারসাম্য রক্ষা (ব্যাখ্যা: সুষুম্নাশীর্ষক শ্বাসকার্য ও হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে; দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে লঘুমস্তিষ্ক।)+1
১.২ প্রশ্ন: কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী অপটিক, ভেগাস ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু হলো যথাক্রমে—
উত্তর: (খ) সংজ্ঞাবহ, মিশ্র, আজ্ঞাবহ +1
১.৩ প্রশ্ন: A-স্তম্ভে দেওয়া শব্দগুলির সঙ্গে B-স্তম্ভে দেওয়া বাক্যাংশগুলি মেলাও।
উত্তর: (গ) i-b, ii-d, iii-a, iv-c (i. ফোটোন্যাস্টিক – সূর্যমুখী, ii. থার্মোন্যাস্টিক – টিউলিপ, iii. সিসমোন্যাস্টিক – লজ্জাবতী, iv. কেমোন্যাস্টিক – সূর্যশিশির )+4
১.৪ প্রশ্ন: নিচের কোন্ ঘটনাটি প্রাণীকোশে মাইটোসিসের টেলোফেজে দেখা যায়?
উত্তর: (গ) নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস পুনরায় তৈরি হয় +1
১.৫ প্রশ্ন: স্বপরাগযোগ সম্পর্কে নিচের কোন্ বক্তব্যটি সঠিক?
উত্তর: (ক) কোনো বাহকের প্রয়োজন হয় না +1
১.৬ প্রশ্ন: টেলোমিয়ার সম্পর্কে নিচের কতগুলি বক্তব্য সঠিক? (১. ক্রোমোজোমের প্রান্ত, ২. অন্য ক্রোমোজোম যুক্ত হতে পারে না )
উত্তর: (খ) 2 +3
১.৭ প্রশ্ন: মটরগাছের ক্ষেত্রে কোন্টি প্রকট গুণ?
উত্তর: (গ) পরিণত বীজের আকার গোল +1
১.৮ প্রশ্ন: সাদা, অমসৃণ রোমের ফেনোটাইপযুক্ত গিনিপিগের একটি সম্ভাব্য জেনোটাইপ হল bbRr। এর অপর সম্ভাব্য জেনোটাইপটি কী?
উত্তর: (ঘ) bbRR +1
১.৯ প্রশ্ন: নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?
উত্তর: (গ) হিমোফিলিয়া হল একটি X-সংযোজিত প্রচ্ছন্ন জিনঘটিত রোগ +1
১.১০ প্রশ্ন: ডারউইন তত্ত্বের প্রতিপাদ্য বিষয় কটি? (যোগ্যতমের উদ্বর্তন , প্রাকৃতিক নির্বাচন , অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম , অত্যধিক হারে বংশবৃদ্ধি )
উত্তর: (ক) 4 +4
১.১১ প্রশ্ন: মিলার ও উরের পরীক্ষায় জীবদেহের কোন্ মূল উপাদানটি তৈরি হয়েছিল?
উত্তর: (ঘ) অ্যামাইনো অ্যাসিড +1
১.১২ প্রশ্ন: ঘোড়ার বিবর্তনের ধারায় আধুনিক ঘোড়ার সামনের আর পিছনের পায়ে কোন্ কোন্ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়?
উত্তর: (ঘ) খুর আছে, একটি করে আঙুল +1
১.১৩ প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গের জলদাপাড়া, বেথুয়াডহরি ও সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের প্রকৃতি হল যথাক্রমে—
উত্তর: (গ) জাতীয় উদ্যান, অভয়ারণ্য, বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ +1
১.১৪ প্রশ্ন: হিমালয়ের কস্তুরী মৃগ আর সর্পগন্ধা উদ্ভিদ বিপন্ন হবার কারণ হলো যথাক্রমে—
উত্তর: (খ) চোরাশিকার, অতিব্যবহার +1
১.১৫ প্রশ্ন: মাটি দূষণের একটি ফল হলো—
উত্তর: (ঘ) জীব-বিবর্ধন +1
বিভাগ – খ
(নির্দেশ অনুসারে উত্তরগুলি নিচে দেওয়া হলো)
শূন্যস্থান পূরণ করো (যেকোনো পাঁচটি):
-
২.১ প্রশ্ন: প্রতিবর্ত চাপে ________ হলো কারক অঙ্গ।
-
উত্তর: পেশি বা গ্রন্থি।+1
-
২.২ প্রশ্ন: ক্রোমাটিন জালিকা ও ক্রোমোজোম হলো ________ অণুর কুণ্ডলীকরণের পৃথক পৃথক অবস্থা।উত্তর: DNA (ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড)।+1
-
২.৩ প্রশ্ন: মুক্ত ও যুক্ত দুই প্রকার কানের লতির মধ্যে প্রকট বৈশিষ্টটি হলো ________ কানের লতি।
-
উত্তর: মুক্ত।
-
২.৪ প্রশ্ন: বিজ্ঞানী ওপারিনের মতে, প্রাণ সৃষ্টির আগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল জারণ বা বিজারণ ক্ষমতার বিচারে ________ প্রকৃতির ছিল।
-
উত্তর: বিজারণ।
-
২.৫ প্রশ্ন: দক্ষিণমেরু অঞ্চলের একটি পক্ষীজাতীয় প্রজাতি হলো ________।
-
উত্তর: পেঙ্গুইন।
-
২.৬ প্রশ্ন: নাইট্রোসোমোনাস ও নাইট্রোব্যাকটর নাইট্রোজেন চক্রের ________ ধাপে অংশগ্রহণ করে।
-
উত্তর: নাইট্রিফিকেশন।+1
সত্য অথবা মিথ্যা লেখো (যেকোনো পাঁচটি):
‘
-
২.৭ প্রশ্ন: কোরয়েড আলোর প্রতিফলন হ্রাস করে রেটিনায় স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠনে সাহায্য করে।
-
উত্তর: সত্য।
-
২.৮ প্রশ্ন: অযৌন জননে একটিমাত্র জনিতৃ জীব থেকেই অপত্য জীব সৃষ্টি হতে পারে।
-
উত্তর: সত্য।
-
২.৯ প্রশ্ন: একটি সঙ্কর দীর্ঘ মটরগাছের সঙ্গে একটি খর্বকায় মটরগাছের সঙ্করায়নের ফলে উৎপন্ন অপত্যগুলির মধ্যে খর্বকায় মটরগাছের শতকরা পরিমাণ 100।
-
উত্তর: মিথ্যা (এটি ৫০% হবে)।
-
২.১০ প্রশ্ন: সমসংস্থ অঙ্গ অভিসারী বিবর্তনকে নির্দেশ করে।
-
উত্তর: মিথ্যা (এটি অপসারী বিবর্তনকে নির্দেশ করে)।
-
২.১১ প্রশ্ন: তুষারচিতা সুন্দাল্যান্ড হটস্পটের একটি বিপন্ন প্রাণী।
-
উত্তর: মিথ্যা (তুষারচিতা হিমালয় হটস্পটের প্রাণী)।
-
২.১২ প্রশ্ন: জিব্বারেলিন মুকুল ও বীজের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করে।
-
উত্তর: সত্য।
A-স্তম্ভ ও B-স্তম্ভ মেলাও:
-
২.১৩ অ্যাডাক্টার পেশি — (ছ) পাইরিফরমিস +1
-
২.১৪ মিয়োসিস — (গ) ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা +1
-
২.১৫ জেনেটিক কাউন্সেলিং — (ক) বংশগত রোগ প্রতিরোধ +1
-
২.১৬ লাল গ্রন্থি — (ঘ) মাছের পটকায় গ্যাস মুক্ত করা +1
-
২.১৭ নাইট্রাস অক্সাইড — (খ) গ্রিনহাউস গ্যাস +1
-
২.১৮ বৃদ্ধির কোশীয় বিভেদন দশা — (চ) কলা ও অঙ্গ গঠন +1
-

বিভাগ – গ
(১৭টি প্রশ্নের মধ্যে যে কোনো ১২টি প্রশ্নের উত্তর ২-৩টি বাক্যে দাও)
৩.১ মস্তিষ্ক-সুষুম্নারসের (CSF) একটি অবস্থান ও একটি কাজ লেখো।
-
অবস্থান: মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ডের সাব-অ্যারাকনয়েড স্পেস এবং মস্তিষ্কের ভেন্ট্রিকল বা প্রকোষ্ঠে থাকে।
-
কাজ: এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে বাহ্যিক আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং পুষ্টি সরবরাহ করে।
৩.২ অক্ষিগোলকের নিম্নলিখিত দুটি অংশের একটি করে কাজ লেখো: করনিয়া ও আইরিস। +1
-
করনিয়া: এটি আলোক রশ্মিকে প্রতিসৃত করে রেটিনায় ফোকাস করতে সাহায্য করে।
-
আইরিস: এটি চোখের পিউপিল বা তারারন্ধ্রের আকার নিয়ন্ত্রণ করে চোখে আলোর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩.৩ গর্ভাবস্থা সূচিত হলে প্রোজেস্টেরন হরমোন কী কী ভূমিকা পালন করে?
-
প্রোজেস্টেরন জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়াম স্তরে ভ্রূণের রোপণে সাহায্য করে এবং গর্ভাবস্থায় জরায়ুর সংকোচন রোধ করে গর্ভপাত প্রতিহত করে।
৩.৪ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে হাঁচি ও কাশি ঘটার উদ্দেশ্য যথাক্রমে কী কী?
-
হাঁচি: নাসাপথে কোনো বিজাতীয় বস্তু প্রবেশ করলে তাকে তীব্র বাতাসে বের করে দেওয়া।
-
কাশি: শ্বাসনালীতে ধূলিকণা বা শ্লেষ্মা জমলে ফুসফুসীয় বায়ুর চাপে তা বের করে দিয়ে শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখা।
৩.৫ ফার্ণের জনুঃক্রমে রেণুধর ও লিঙ্গধর জনুর ধারাবাহিক দশাগুলোর নাম সারণির সাহায্যে লেখো।
-
রেণুধর জনু ($2n$): রেণুধর উদ্ভিদ → রেণুস্থলী → রেণু মাতৃকোশ।
-
লিঙ্গধর জনু ($n$): রেণু → প্রোথ্যালাস $\rightarrow$ জনন অঙ্গ (পুংধানী ও স্ত্রীধানী) → গ্যামেট।
৩.৮ বংশগতি সম্পর্কিত নীচের শব্দ দুটি ব্যাখ্যা করো: লোকাস ও অ্যালিল।
-
লোকাস:ক্রোমোজোমের যে নির্দিষ্ট স্থানে কোনো জিন অবস্থান করে, তাকে লোকাস বলে।
-
অ্যালিল: সমসংস্থ ক্রোমোজোমের একই লোকাসে অবস্থিত জিনের দুটি বিকল্প রূপকে অ্যালিল বলে।
৩.৯ মানুষের ক্ষেত্রে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে পিতার ভূমিকা একটি ক্রসের মাধ্যমে মূল্যায়ন করো।
-
পিতার গ্যামেট দুই প্রকার— X এবং Y। যদি পিতার X ক্রোমোজোম মাতার X-এর সাথে মিলিত হয়, তবে কন্যা (XX) হয়। যদি পিতার Y ক্রোমোজোম মাতার X-এর সাথে মিলিত হয়, তবে পুত্র (XY) হয়। সুতরাং, পুত্র বা কন্যা হওয়া সম্পূর্ণভাবে পিতার ওপর নির্ভর করে।
৩.১১ লবণ সহনে সুন্দরী গাছের লবণগ্রন্থির ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
-
সুন্দরী গাছ তার মূল দিয়ে শোষিত অতিরিক্ত লবণকে পত্রতলে অবস্থিত লবণগ্রন্থির মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত করে দিয়ে দেহের লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে।
৩.১২ ডারউইনের অত্যধিক হারে বংশবৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক নির্বাচন ব্যাখ্যা করো।
-
অত্যধিক হারে বংশবৃদ্ধি: প্রতিটি জীব জ্যামিতিক হারে বংশবৃদ্ধি করে সংখ্যা বাড়াতে চায়।
-
প্রাকৃতিক নির্বাচন: প্রতিকূল পরিবেশে যে জীবগুলি জীবন সংগ্রামে জয়ী হয়, প্রকৃতি তাদেরই বেঁচে থাকার জন্য নির্বাচন করে।
৩.১৪ মানব স্বাস্থ্য ও জীবজগতের ওপর শব্দদূষণের একটি করে প্রভাব লেখো।
-
মানব স্বাস্থ্য: দীর্ঘস্থায়ী শব্দদূষণের ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পায় বা বধিরতা দেখা দেয়।
-
জীবজগৎ: পাখিদের প্রজনন ও পরিযানে বিঘ্ন ঘটে এবং বন্য প্রাণীদের আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।
৩.১৬ নাইট্রোজেন চক্র ব্যাহত হলে যে যে সমস্যা সৃষ্টি হয় তার দুটি উল্লেখ করো।
-
মাটিতে নাইট্রোজেনের অভাব ঘটে জমির উর্বরতা হ্রাস পায় এবং বায়ুমণ্ডলে নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গ্রিনহাউস প্রভাব ও বিশ্ব-উষ্ণায়ন ঘটে।
বিভাগ – ঘ
(ছয়টি প্রশ্নের উত্তর দাও)
৪.১ মানুষের স্নায়ুকোশের একটি বিজ্ঞানসম্মত চিত্র অঙ্কন করো…
৪.১ (A)
নিউরোনের পাঁচটি অংশের কাজ নিম্নরূপ:
(ক) ডেনড্রন: পূর্ববর্তী নিউরোন বা গ্রাহক থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে কোশদেহে প্রেরণ করে।
(খ) অ্যাক্সন: কোশদেহ থেকে উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরোন বা কারক অঙ্গে (পেশি বা গ্রন্থি) বহন করে নিয়ে যায়।
(গ) মায়েলিন শিথ: অ্যাক্সনকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং উদ্দীপনা পরিবহনের সময় তড়িৎ নিরোধক হিসেবে কাজ করে।
(ঘ) র্যাভিয়ারের পর্ব: এখানে মায়েলিন শিথ অনুপস্থিত থাকে, যা স্নায়ুস্পন্দনের লাফিয়ে লাফিয়ে চলা বা দ্রুত পরিবহনে সহায়তা করে।
(ঙ) স্বোয়ান কোশ: এটি মূলত অ্যাক্সনের মায়েলিন শিথ গঠনে এবং তার পুষ্টি সরবরাহে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
৪.১ (A) অথবা: ইউক্যারিওটিক ক্রোমোজোমের বিভিন্ন অংশের বৈশিষ্ট্য
(ক) ক্রোমাটিড: ক্রোমোজোমের লম্বালম্বিভাবে বিন্যস্ত দুটি সদৃশ তন্তুর মতো অংশকে ক্রোমাটিড বলে। এটি মূলত DNA এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
(খ) মুখ্য খাঁজ: প্রতিটি ক্রোমোজোমে একটি অত্যন্ত সংকুচিত বা খাঁজযুক্ত অঞ্চল থাকে, যা সেন্ট্রোমিয়ার ধারণ করে। এটি কোষ বিভাজনের সময় বেমতন্তুর সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
(গ) নিউক্লিওলার অর্গ্যানাইজার: এটি ক্রোমোজোমের গৌণ খাঁজ অঞ্চল যা কোষ বিভাজনের শেষে নিউক্লিওলাস গঠনে সহায়তা করে।
(ঘ) স্যাটেলাইট: গৌণ খাঁজের পরবর্তী ক্রোমোজোমের যে ক্ষুদ্র ও ফোলা অংশটি থাকে, তাকে স্যাটেলাইট বলা হয়। সব ক্রোমোজোমে এটি থাকে না।
(ঙ) টেলোমিয়ার: ক্রোমোজোমের দুই প্রান্তীয় অংশকে টেলোমিয়ার বলে। এটি ক্রোমোজোমের স্থায়িত্ব রক্ষা করে এবং অন্য কোনো ক্রোমোজোমের সাথে যুক্ত হতে বাধা দেয়।
৪.২ জীবজগতের পাঁচটি অযৌন জনন পদ্ধতি (উদাহরণসহ)
* বিভাজন: অ্যামিবার মতো এককোশী জীব কোশ বিভাজনের মাধ্যমে দুটি বা তার বেশি অপত্য জীব সৃষ্টি করে।
* কোরকোদগম: ইস্ট বা হাইড্রার দেহের উপবৃদ্ধি বা কোরক (Bud) সৃষ্টি হয়, যা পরে মাতৃদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকে।
* খণ্ডীভবন: স্পাইরোগাইরার মতো বহুকোশী শৈবালের দেহ কোনো কারণে খণ্ডিত হলে প্রতিটি খণ্ড থেকে নতুন অপত্য জন্মায়।
* রেণু উৎপাদন: রাইজোপাস বা পেনিসিলিয়ামের মতো ছত্রাক রেণু (Spore) তৈরির মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
* পুনরুৎপাদন: প্ল্যানেরিয়ার মতো প্রাণীর দেহের কোনো অংশ কাটা পড়লে সেই কাটা অংশ থেকে পুনরায় পূর্ণাঙ্গ জীব সৃষ্টি হয়।
৪.২ অথবা: মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য এবং পাথরকুচির বংশবিস্তার
মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য:
* সংঘটনের স্থান: মাইটোসিস মূলত জীবের দেহকোশে (Somatic cell) ঘটে; অন্যদিকে মিয়োসিস জনন মাতৃকোশে (Germ cell) ঘটে।
* ক্রোমোজোম বিভাজনের প্রকৃতি: মাইটোসিসে ক্রোমোজোম একবার বিভাজিত হয়ে সমগুণ ও সমসংখ্যক ক্রোমোজোমযুক্ত অপত্য কোশ তৈরি করে (সমবিভাজন); কিন্তু মিয়োসিসে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায় (হ্রাস বিভাজন)।
* উৎপন্ন কোশের সংখ্যা: মাইটোসিসে একটি মাতৃকোশ থেকে দুটি অপত্য কোশ তৈরি হয়; মিয়োসিসে একটি মাতৃকোশ থেকে চারটি অপত্য কোশ তৈরি হয়।
পাথরকুচির অংগজ বংশবিস্তার:
পাথরকুচি উদ্ভিদের পাতার কিনারায় অবস্থিত পত্রজ মুকুলের মাধ্যমে অংগজ বংশবিস্তার সম্পন্ন হয়। এই মুকুলগুলি অনুকূল পরিবেশে মাটি স্পর্শ করলে সেখান থেকে নতুন চারাগাছ জন্মায়।
৪.৩ সন্ধ্যামালতী ফুলের পাপড়ির রঙের ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ প্রকটতার ঘটনাটি ব্যাখ্যা করো।
অসম্পূর্ণ প্রকটতা (Incomplete Dominance):
যখন কোনো জিনোটাইপে দুটি বিপরীতধর্মী অ্যালিলের কোনোটিই অপরটির ওপর সম্পূর্ণভাবে প্রকট হয় না এবং বিষমসংকর অবস্থায় একটি মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে, তখন তাকে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলে।
* উদাহরণ: সন্ধ্যামালতী (Mirabilis jalapa) উদ্ভিদে বিশুদ্ধ লাল (RR) এবং বিশুদ্ধ সাদা (rr) ফুলের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য জনুতে (F_1) সব ফুল গোলাপী (Rr) রঙের হয়। এটি প্রমাণ করে যে লাল বা সাদা কোনোটিই এখানে প্রকট নয়।
হিমোফিলিয়ার সমস্যা:
প্রশ্নানুসারে, একজন হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত মহিলা (X^hX^h) এবং একজন স্বাভাবিক পুরুষ (XY)।
* গ্যামেট: মহিলার থেকে X^h এবং পুরুষের থেকে X ও Y।
* পুত্র সন্তানরা হবে: X^hY (অর্থাৎ সবাই হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত)।
* উত্তর: পুত্র সন্তানদের হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা ১০০%।
-
লাল (RR) ও সাদা (rr) ফুলের মিলনে F_1 জনুতে গোলাপি (Rr) ফুল উৎপন্ন হয়। এখানে লাল বা সাদা কোনো বৈশিষ্ট্যই প্রকট না হয়ে একটি মধ্যবর্তী গোলাপি রঙের সৃষ্টি হয়। F_2 জনুতে এর অনুপাত হয় ১ (লাল) : ২ (গোলাপি) : ১ (সাদা)।
৪.৩ অথবা: মেন্ডেলের দ্বিসংকর জনন ও স্বাধীন বিন্যাস সূত্র
মেন্ডেলের স্বাধীন বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment):
দুই বা ততোধিক বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যযুক্ত একই প্রজাতির দুটি জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে, গ্যামেট গঠনকালে বৈশিষ্ট্যগুলি কেবল পরস্পর থেকে পৃথক হয় না, বরং তারা সম্ভাব্য সকল প্রকার সমন্বয়ে স্বাধীনভাবে গ্যামেটে সঞ্চারিত হয়।
দ্বিসংকর জননের ফলাফল (F_2 জনু):
বিশুদ্ধ দীর্ঘ ও গোলাকার (TTRR) এবং বিশুদ্ধ খর্ব ও কুঞ্চিত (ttrr) মটরগাছের সংকরায়ণে F_2 জনুর ফলাফল:
* ফিনোটাইপ ও অনুপাত:
১. দীর্ঘ ও গোলাকার (৯ ভাগ)
২. দীর্ঘ ও কুঞ্চিত (৩ ভাগ)
৩. খর্ব ও গোলাকার (৩ ভাগ)
৪. খর্ব ও কুঞ্চিত (১ ভাগ)
* ফিনোটাইপিক অনুপাত: ৯:৩:৩:১
* সংশ্লিষ্ট জিনোটাইপসমূহ:
১. দীর্ঘ ও গোলাকার: TTRR, TTRr, TtRR, TtRr
২. দীর্ঘ ও কুঞ্চিত: TTrr, Ttrr
৩. খর্ব ও গোলাকার: ttRR, ttRr
৪. খর্ব ও কুঞ্চিত: ttrr
৪.৪ জীবনের জৈব-রাসায়নিক উৎপত্তি ও সংশ্লিষ্ট শব্দসমূহ
মিলার ও উরের পরীক্ষা:
বিজ্ঞানী স্ট্যানলি মিলার ও হ্যারল্ড উরে ১৯৫৩ সালে একটি পরীক্ষা করেন যেখানে তাঁরা আদি পৃথিবীর পরিবেশ কৃত্রিমভাবে তৈরি করেন। তাঁরা একটি বড় কাঁচের ফ্লাস্কে মিথেন (CH_4), অ্যামোনিয়া (NH_3) ও হাইড্রোজেন (H_2) গ্যাস ২:২:১ অনুপাতে নেন এবং তাতে জলীয় বাষ্পের প্রবাহ পাঠান। টাংস্টেন ইলেকট্রোডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ স্ফুলিঙ্গ তৈরি করেন। এক সপ্তাহ পর দেখা যায় সেখানে গ্লাইসিন, অ্যালানিন-এর মতো বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড উৎপন্ন হয়েছে।
* তাৎপর্য: এই পরীক্ষা প্রমাণ করে যে জড় পদার্থ বা অজৈব উপাদান থেকেই প্রাণের মূল গঠনগত একক অর্থাৎ জৈব অণু (অ্যামাইনো অ্যাসিড) তৈরি হওয়া সম্ভব।
সংজ্ঞা:
* গরম তরল স্যুপ (Hot Dilute Soup): আদি সমুদ্রের উত্তপ্ত জলে বিভিন্ন জৈব অণু (শর্করা, অ্যামাইনো অ্যাসিড, লিপিড) মিশে যে মিশ্রণ তৈরি হয়েছিল, তাকে বিজ্ঞানী হ্যালডেন ‘হট ডাইলুট স্যুপ’ বলেছিলেন।
* কোয়াসারভেট (Coacervate): কোলয়েড জাতীয় কণাগুলির সমাহারে গঠিত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট পর্দাঘেরা যে গঠন প্রাণের আদি রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাকে কোয়াসারভেট বলে। ওপারিনের মতে এগুলিই আদি কোশ বা প্রোটোসেল-এর পূর্বপুরুষ।
৪.৪ অথবা: শিম্পাঞ্জির আচরণ ও জিরাফের গ্রীবা
শিম্পাঞ্জির খাদ্যসংগ্রহের দুটি কৌশল:
১. উইপোকা শিকার: শিম্পাঞ্জিরা গাছের ডালকে লাঠির মতো ব্যবহার করে উইঢিবির ভেতর ঢুকিয়ে দেয়। উইপোকাগুলি যখন ডালে আটকে যায়, তখন তারা ডালটি বের করে উইপোকা খায়।
২. বাদাম ভাঙা: পাথরের খণ্ডকে হাতুড়ি ও নেহাই-এর মতো ব্যবহার করে তারা শক্ত বাদামের খোলা ভেঙে ভেতরের অংশ সংগ্রহ করে।
জিরাফের গ্রীবা লম্বা হওয়ার ডারউইনবাদী ব্যাখ্যা:
ডারউইনের মতে, আদিতে জিরাফদের মধ্যে গ্রীবার দৈর্ঘ্যের বিভেদ ছিল (লম্বা ও বেঁটে উভয় প্রকার)। পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে যখন নিচু ডালের পাতা শেষ হয়ে যায়, তখন লম্বা গ্রীবার জিরাফরা উঁচু ডালের পাতা খেয়ে বেঁচে থাকতে সমর্থ হয় (প্রাকৃতিক নির্বাচন)। জীবন সংগ্রামে জয়ী হয়ে এই লম্বা গ্রীবার বৈশিষ্ট্যটিই পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় এবং আজকের লম্বা গ্রীবার জিরাফ তৈরি হয়।
৪.৫ নাইট্রোজেন চক্র ও বায়ুদূষণ
নাইট্রোজেন চক্রের শব্দচিত্র:
বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন rightarrow নাইট্রোজেন সংবন্ধন (অ্যামোনিফিকেশন) \rightarrow অ্যামোনিয়া \rightarrow নাইট্রিফিকেশন (নাইট্রাইট ও নাইট্রেট) \rightarrow উদ্ভিদের দেহজ প্রোটিন \rightarrow প্রাণীর দেহজ প্রোটিন \rightarrow মৃতদেহ ও রেচন পদার্থ \rightarrow ডিনাইট্রিফিকেশন \rightarrow পুনরায় বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন।
বায়ুদূষক ও গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎস:
* ভাসমান কণা (SPM):
১. কলকারখানার চিমনি থেকে নির্গত ছাই ও ধোঁয়া।
২. যানবাহনের টায়ার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ও জ্বালানি দহনে উৎপন্ন সূক্ষ্ম কণা।
* গ্রিনহাউস গ্যাস (যেমন – CO_2, CH_4):
১. জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, পেট্রোল) দহন।
২. কৃষিক্ষেত্র এবং পচমান আবর্জনা থেকে উৎপন্ন মিথেন গ্যাস।
৪.৫ অথবা: জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাঁচটি সমস্যা
১. প্রাকৃতিক সম্পদের অতিব্যবহার: জনসংখ্যা বাড়ার ফলে জল, খনিজ ও বনজ সম্পদের ওপর চাপ বাড়ছে এবং এগুলি দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।
২. খাদ্য সংকট: চাষযোগ্য জমি কমে যাওয়ায় এবং মানুষের সংখ্যা বাড়ায় পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব দেখা দিচ্ছে।
৩. বাসস্থান ও অরণ্য বিনাশ: থাকার জায়গার প্রয়োজনে মানুষ জঙ্গল কেটে বসতি গড়ে তুলছে, যার ফলে বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে।
৪. বেকারত্ব: বিপুল জনশক্তির তুলনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত হওয়ায় বেকার সমস্যা তীব্র হচ্ছে।
৫. পরিবেশ দূষণ: জনঘনত্ব বাড়ার ফলে বর্জ্য পদার্থ ও গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বাড়ছে, যা বিশ্ব উষ্ণায়ন ও দূষণকে ত্বরান্বিত করছে।
৪.৬ জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং সংরক্ষণে গৃহীত পদক্ষেপ
জীববৈচিত্র্য হ্রাসের তিনটি প্রধান কারণ:
* বাসস্থান ধ্বংস: নগরায়ন, শিল্পায়ন এবং কৃষিকাজের জন্য বনভূমি কেটে ফেলার ফলে বন্যপ্রাণীরা তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হারাচ্ছে। বাসস্থান সংকটের কারণে অনেক প্রজাতি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
* চোরাশিকার: বাঘের চামড়া ও হাড়, গণ্ডারের খড়্গ, হাতির দাঁত বা কস্তুরী মৃগের নাভি থেকে কস্তুরী সংগ্রহের জন্য অবৈধভাবে পশু শিকার করা হয়। এই চোরাশিকারের ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
* দূষণ: রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও শিল্পজাত বর্জ্য জল ও মাটিকে বিষাক্ত করে তুলছে। এর ফলে অনেক জলজ ও স্থলজ উদ্ভিদ ও প্রাণী মারা যাচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে জীববৈচিত্র্যকে বিপন্ন করছে।
৪.৬ অথবা: JFM ও PBR-এর ভূমিকা এবং পূর্ব হিমালয়ের বিপন্ন প্রাণী
বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে JFM এবং PBR-এর ভূমিকা:
* JFM (Joint Forest Management): এটি বনদপ্তর ও স্থানীয় মানুষের একটি যৌথ উদ্যোগ। স্থানীয় মানুষ বন সুরক্ষায় সাহায্য করে এবং বিনিময়ে বন থেকে কাঠখড় ও অন্যান্য বনজ সম্পদ সংগ্রহের সুযোগ পায়। এতে বনের ক্ষতি না করে বন সংরক্ষণ সম্ভব হয়।
* PBR (People’s Biodiversity Register): এটি একটি নথি যেখানে স্থানীয় অঞ্চলের সমস্ত উদ্ভিদ, প্রাণী এবং তাদের সম্পর্কিত ঐতিহ্যগত জ্ঞান নথিবদ্ধ থাকে। এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ও তার বাণিজ্যিক অপব্যবহার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পূর্ব হিমালয় হটস্পটের দুটি বিপন্ন প্রাণী:
১. রেড পান্ডা (Red Panda)
২. তুষার চিতা (Snow Leopard)
তাড়াহুড়োতে করা হয়েছে ভুলত্রুটি মার্জনীয় *
Madhyamik Question Papers 2026
Subject-wise Questions |
Link |
|---|---|
বাংলা (Bengali) |
↓ Download |
ইংরেজি (English) |
↓ Download |
ইতিহাস (History) |
↓ Download |
ভূগোল (Geography) |
↓ Download |
অংক (Mathematics) |
↓ Download |
ভৌত বিজ্ঞান (Physical Science) |
↓ Download |
ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক ২০২৬ পরীক্ষার আগের বিষয়গুলোর প্রশ্নপত্র আমরা শেয়ার করে দিয়েছি দিয়েছি সেগুলোর লিংক উপরে ছকের মধ্যে দেওয়া রইল অবশ্যই সংগ্রহ করে নেবে
তাড়াহুড়োতে করা হয়েছে ভুলত্রুটি মার্জনীয় ***



