ষষ্ঠ শ্রেণীর তৃতীয় ইউনিট টেস্টে

বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্র  

এখানে ষষ্ঠ শ্রেণীর তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের জন্য বিজ্ঞান বিষয় থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল। সেইসাথে একটি নমুনা মডেল প্রশ্নপত্রও দেওয়া হয়েছে।

 

শ্রেণী (Class)

পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ শ্রেণী (West Bengal Class 6th)

পরীক্ষা (Exam)

তৃতীয় ইউনিট টেস্ট (Third / 3rd Unit Test Model Questions) 

বিষয় (Subject)

বিজ্ঞান (Science)

পূর্ণমান (Marks)

৭০ নম্বর (70 Marks)

সময় (Time)

২ ঘন্টা ৩০ মিনিট (2 Hours 30 Minute)

[A] সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো । 1×21=21  

 

  1. খাদ্যশৃঙ্খলে সংখ্যা সবচেয়ে বেশি —– 

(A) প্রথম শ্রেণির খাদকের 

(B) দ্বিতীয় শ্রেণির খাদকের 

(C) উৎপাদকের 

Ans: (C) উৎপাদকের 

  1. শক্তির চিরাচরিত উৎস হল – 

(A) বায়ুকল 

(B) ভূতাপশক্তি 

(C) সৌরশক্তি (D) খনিজ তেল 

Ans: (D) খনিজ তেল 

  1. সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় —– 

(A) মাটিতে 

(B) উদ্ভিদদেহে 

(C) প্রাণীদেহে 

Ans: (B) উদ্ভিদদেহে

  1. বায়ু একটি— 

(A) যৌগিক পদার্থ 

(B) মৌলিক পদার্থ 

(C) মিশ্র পদার্থ 

Ans: (C) মিশ্র পদার্থ 

  1. SI- তে বলের একক —– 

(A) নিউটন 

(B) গ্রাম 

(C) কিলোগ্রাম 

(D) ডাইন 

Ans: (A) নিউটন 

  1. স্প্রিংতুলাযন্ত্রের দ্বারা মাপা হয় বস্তুর— 

(A) দৈর্ঘ্য 

(B) উচ্চতা 

(C) ভর 

(D) ভার 

Ans: (D) ভার 

  1. SI- তে বেগ রাশিটির একক হল– 

(A) সেমি / সে2 

(B) মি/সে2 

(C) সেমি/সে

(D) মি/সে 

Ans: (D) মি/সে

  1. সুস্থ পরিবেশের স্বার্থে প্লাস্টিক ব্যাগের জন্য জরুরি– 

(A) ব্যবহার কমিয়ে আনা 

(B) আবার কাজে লাগানো 

(C) পুনর্ব্যবহার 

(D) প্রত্যাখ্যান করা 

Ans: (D) প্রত্যাখ্যান করা 

  1. কাদাগোলা জল থেকে পরিষ্কার জল পেতে যে পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় , – তা হল– 

(A) কেলাসন 

(B) আস্রাবণ 

(C) পরিস্রাবণ 

(D) চৌম্বকক্ষেত্রের প্রয়োগ 

Ans: (C) পরিস্রাবণ 

  1. জল কী কী মৌলিক পদার্থ দ্বারা তৈরি ? —– 

(A) হাইড্রোজেন 

(B) অক্সিজেন 

(C) অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন 

(D) কোনোটিই নয় 

Ans: (C) অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন

  1. উইপোকার খাবার – 

(A) সেলুলোজ 

(B) প্লাস্টিক 

(C) থার্মোকল 

(D) মাটি 

Ans: (A) সেলুলোজ 

  1. ডেঙ্গির জীবাণু ছড়ায়— 

(A) কিউলেক্স মশা 

(B) এডিস মশা 

(C) অ্যানোফিলিস মশা 

Ans: (B) এডিস মশা 

  1. স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তৈরি বর্জ্যপদার্থটি হল— 

(A) গ্লাভস 

(B) DDT 

(C) প্লাস্টিক 

(D) ভাঙা লাইট 

Ans: (A) গ্লাভস 

  1. জৈবভঙ্গুর পদার্থ হল– 

(A) কাচ 

(B) কাঠ 

(C) পলিথিন 

Ans: (B) কাঠ

  1. ব্যাকটেরিয়া রাজ্যকে বলে – 

(A) মোনেরা 

(B) প্রোটিস্টা 

(C) ফানজাই 

Ans: (A) মোনেরা 

  1. স্পাইরোগাইরা বা জলরেশম একটি —–  

(A) শ্যাওলা 

(B) মস 

(C) ফার্ন 

Ans: (A) শ্যাওলা – 

  1. বীজ ফলের মধ্যে থাকলে , সেটি – 

(A) ব্যক্তবীজী উদ্ভিদ 

(B) গুপ্তবীজী উদ্ভিদ 

(C) পরবীজী উদ্ভিদ

Ans: (B) গুপ্তবীজী উদ্ভিদ 

  1. বাংলার কীটপতঙ্গ বইটি লিখেছেন— 

(A) সালিম আলি 

(B) এম কে চন্দ্রশেখর 

(C) গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য 

Ans: (C) গোপালচন্দ্ৰ ভট্টাচার্য

  1. আলম্ব ও বলের মাঝখানে থাকে ‘ বাধা’- 

(A) তৃতীয় শ্রেণির লিভারে 

(B) দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারে

(C) প্রথম শ্রেণির লিভারে 

(D) দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির লিভারে  

Ans: (B) দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারে 

  1. প্রথম শ্রেণির লিভার হল- 

(A) হাত 

(B) কাঁচি 

(C) চিমটা 

Ans: (B) কাঁচি 

  1. নততল যত হেলানো হয় , এর যান্ত্রিক সুবিধা– 

(A) তত বাড়ে 

(B) তত কমে 

(C) বাড়তে পারে 

(D) কমতেও পারে 

Ans: (A) তত বাড়ে

[B] যে – কোনো চোদ্দোটি প্রশ্নের উত্তর দাও । 1×14=14

  1. আচরণ বিজ্ঞান কাকে বলে ?  

Ans: জীবজন্তু ও পোকামাকড়ের আচরণ খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে গবেষণা করাকে বলে আচরণ বিজ্ঞান। 

  1. রাঘবেন্দ্র গাড়াগকার বিখ্যাত কেন ? 

Ans: বোলতাদের সমাজ ব্যবস্থা কেমন তা নিয়ে গবেষণা করেন । 

  1. জৈবভঙ্গুর বর্জ্য পদার্থ কাকে বলে ? 

Ans: জীবাণু দ্বারা বিশিষ্ট হতে পারে এমন পদার্থকে জৈব ভঙ্গুর পদার্থ বলা হয় । যেমন কাঠ , কাগজ ইত্যাদি । 

  1. কয়েক ধরনের বর্জ্য পদার্থের নাম লেখো । 

Ans: প্লাস্টিক , কাচ , ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ ইত্যাদি

  1. আর্থ্রোপোডা শ্রেণির পর্যায়ের কয়েকটি জীবের নাম লেখো । 

Ans: চিংড়ি , আরশোলা 

  1. লোহার তৈরি যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ জলীয় বাষ্পের থেকে রক্ষা করার জন্য কী করা হয় ? 

Ans: রং করা হয় 

  1. নততলের উদাহরণ দাও । 

Ans: সিঁডি 

  1. বাঘের বিজ্ঞানসম্মত নাম কী ? 

Ans: প্যান্থেরা টাইগ্রিস 

  1. কোন্ অধাতু তাপ ও তড়িতের সুপরিবাহী ? 

Ans: গ্রাফাইট  

  1. গড় সৌরদিন কী ? 

Ans: সারা বছরের সৌর দিন যোগ করে যোগফলকে 365 দিয়ে ভাগ করলে গড় সৌরদিন পাওয়া যায় । 

  1. অভিকর্ষ বলের আর এক নাম কী ? 

Ans: ওজন 

  1. SI পদ্ধতিতে ওজনের একক কী ? 

Ans: kg.m / s2 বা নিউটন 

  1. স্থির ও গতিশীল বস্তুর পার্থক্য লেখো । 

Ans: বাইরে থেকে কোন বল প্রযুক্ত না হলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় চলতে থাকবে ।

  1. ভর ও ভারের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো । 

Ans: 

ভর

ভার

1.

কোন বস্তুর মধ্যে যে পরিমাণ জড় পদার্থ থাকে তাকে ভর বলা হয় ।

কোন বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তাকে তার ভার বা ওজন বলা হয় ।

2.

ভর একটি স্কেলার রাশি ।

ভার একটি ভেক্টর রাশি ।

  1. মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ কাকে বলে ? 

Ans: মৌলিক পদার্থ : যে পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করলে ওই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বলে । 

যৌগিক পদার্থ : যে পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করলে একাধিক পদার্থ পাওয়া যায় তাকে যৌগিক পদার্থ বলে ।

[C] নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও ( যে – কোনো সাতটি ) । 2×7 = 14 

  1. শক্তির উৎস ক – প্রকার ? প্রত্যেক প্রকার শক্তির উৎসের উদাহরণ দাও । 

Ans: শক্তির উৎস দুই – প্রকার । 

১. প্রচলিত শক্তি- কয়লা , পেট্রোলিয়াম , প্রাকৃতিক গ্যাস , পারমাণবিক শক্তি ইত্যাদি হল প্রচলিত শক্তির উৎসের উদাহরণ । 

২. অপ্রচলিত শক্তি- সৌরশক্তি , বায়ুশক্তি , ভূতাপীয় শক্তি ইত্যাদি হল অপ্রচলিত শক্তির উৎসের উদাহরণ

  1. লিন্ডেম্যানের দশ শতাংশের সূত্রটি লেখো । 

Ans: বাস্তুতন্ত্রের প্রতিটি পুষ্টিস্তরে খাবার হিসেবে যে শক্তি এসে পৌঁছোয় , তার 90 % বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যয় হয় , বাকি 10 % ওই প্রাণীরা তাদের দেহগঠনে কাজে লাগায় বা দেহে জমা করে রাখতে পারে । এইভাবে আবার পরবর্তী পুষ্টিস্তরে এই 10 % শক্তিই খাদ্যরূপে পৌঁছোয় । এই ব্যাখ্যাকেই লিন্ডেম্যানের দশ শতাংশের সূত্র বলে । 

  1. কী কী মিশ্রণ চুম্বক দিয়ে আলাদা করা যায় ? উদাহরণ দাও ।

Ans: চৌম্বক ও অচৌম্বক পদার্থের মিশ্রণকে চুম্বক দ্বারা আলাদা করা যায় । যেমন লোহাচূর্ণ ও বালির মিশ্রণ । 

  1. লিভার ( Lever ) কী ? এটি ক – প্রকার ও কী কী ? 

Ans: লিভার হল একটি সরল দণ্ড যেটি একটি স্থির বিন্দুর চারিদিকে আবর্তন করতে পারে ।  

লিভার তিন প্রকার – [ 1 ] প্রথম শ্রেণির লিভার , [ 2 ] দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার , [ 3 ] তৃতীয় শ্রেণির লিভার । 

  1. মৌলিক রাশি এবং লব্ধ রাশি বলতে কী বোঝ ? 

Ans: মৌলিক রাশিঃ যে সমস্ত রাশি অন্য রাশির ওপর নির্ভর করে না তাদের মৌলিক বা প্রাথমিক রাশি বলে । যেমন— ভর , সময় , তড়িৎপ্রবাহমাত্রা প্রভৃতি । লব্ধ রাশিঃ যে সমস্ত রাশি অন্য রাশির ওপর নির্ভরশীল তাদের লব্ধ রাশি বলে । যেমন — ক্ষেত্রফল , আয়তন , বেগ , ঘনত্ব ইত্যাদি ।

  1. গৃহস্থালির বর্জ্য পদার্থ বলতে কী বোঝ ? 

Ans: বাড়ির বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার পর অতিরিক্ত এবং আপাত অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেগুলি ফেলে দেওয়া হয় , তাদের গৃহস্থালির বর্জ্য বলে । যেমন – পেনের খালি রিফিল , ভাঙা বোতল , পুরোনো সংবাদপত্র প্রভৃতি ।

  1. সৌরদিন বলতে কী বোঝ ? 

Ans: পৃথিবীর কোনো স্থানে সূর্যের প্রথম আলো আসার পরের দিন ঠিক যে সময়ে ওই স্থানে আবার সূর্যের প্রথম আলো এসে পড়ে , এই দুই সময়ের মধ্যবর্তী সময়কে এক সৌরদিন বলে । 

  1. মোলাস্কা শ্রেণিভুক্ত কয়েকটি জীবের নাম লেখো । 

Ans: মোলাস্কা শ্রেণিভুক্ত কয়েকটি জীবের নাম হলো শামুক , ঝিনুক , অক্টোপাস ইত্যাদি ।

[D] তিন – চারটি বাক্যে উত্তর দাও । 3×7=21

  1. খাদ্যশৃঙ্খল কী ? খাদ্যশৃঙ্খল কীভাবে খাদ্যজাল তৈরি করে তা বুঝিয়ে লেখো ।

Ans: খাদ্যশৃঙ্খল- উৎপাদক থেকে শুরু করে খাদ্য – খাদক সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্য দিয়ে খাদ্যশক্তির একমুখী পর্যায়ক্রমিক প্রবাহের পদ্ধতিকে খাদ্যশৃঙ্খল বলে । খাদ্যজাল- পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন খাদ্যশৃঙ্খলগুলি মিলে জালের মতো ছবি তৈরি করে , একে খাদ্যজাল বলে ।

  1. শ্রমিক মৌমাছির কাজ কী ?  

Ans: শ্রমিক মৌমাছিকে মৌচাকের যাবতীয় কাজ করতে হয় । যেমন— 

১. রানি মৌমাছির যত্ন নেওয়া 

২. নিজেদের উদর থেকে ঘামের মতো বেরোনো মোম জমিয়ে মৌচাক তৈরি করা 

৩. ঘুরে ঘুরে ফুল থেকে নেকটার বা মিষ্টি রস সংগ্রহ করে আনা , মৌচাকের কুঠুরিতে মধু করে জমিয়ে রাখা এবং সবাইকে খাওয়ানো 

৪. মৌচাকের কুঠুরি গরম হয়ে গেলে পাখা নাচিয়ে বাতাস করে ঠান্ডা রাখা 

৫. হুলের সাহায্যে মৌচাক এবং মৌচাকের বাচ্চা মৌমাছিদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করা প্রভৃতি ।

  1. চিহ্ন , সংকেত ও যোজ্যতা — কাকে বলে তা উদাহরণ সহযোগে বুঝিয়ে দাও । 

Ans: চিহ্ন- মৌলিক পদার্থের একটি পরমাণুকে সংক্ষেপে যার দ্বারা প্রকাশ করা হয় তাকে চিহ্ন বলে । 

যেমন- নাইট্রোজেনের চিহ্ন N। 

সংকেত- যৌগিক পদার্থের একটি অণুকে যার দ্বারা সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয় তাকে সংকেত বলে । 

যেমন- জলের কেত হল H2O । 

যোজ্যতা- দুটি মৌলের রাসায়নিকভাবে পরস্পর যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজ্যতা বলে ।

  1. “ আমাদের চারপাশে পড়ে থাকা নানা ধরনের বর্জ্যকে আবার ব্যবহার করা যেতে পারে সুপরিকল্পিত 4R পদ্ধতিতে ” –4 R পদ্ধতি কী কী ? 

Ans: 4R পদ্ধতিঃ 1. Reduce ( হ্রাস করা )  বর্জ্য পদার্থের পরিমাণ হ্রাস করা । যেমন উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিল্প কারখানা থেকে নির্গত বর্জ্যের পরিমাণ কমানো যেতে পারে । 

  1. Reuse ( পুনরায় ব্যবহার ) যেমন- বাড়ি থেকে নির্গত তরকারি বা ফলের খোসা গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায় অথবা তা থেকে জৈব সার তৈরি করে বর্জ্য পদার্থের পরিমাণ কমানো যায় । 

  2. Recycle ( পুনর্নির্মাণ ) পুরনো বর্জ্য পদার্থ থেকে নতুন জিনিস তৈরি করা । যেমন প্লাস্টিক , কাচ প্রভৃতি থেকে পুনরায় প্লাস্টিক বা কাচ নির্মিত দ্রব্য তৈরি করা হয় । 

  3. Refuse ( প্রত্যাখ্যান ) পরিবেশকে সুস্থ রাখতে আমাদের কিছু জিনিসের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে । যেমন – প্লাস্টিক নির্মিত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধ করা প্রয়োজন ।

  4. মানুষের সঙ্গে শিম্পাঞ্জির স্বভাবের কী কী মিল দেখা যায় ? 

Ans: শিম্পাঞ্জিদের আচরণ অনেকটা মানুষের মতো । এরা পাথর দিয়ে হাতুড়ির মতো আঘাত করে খোলা ভেঙে বাদাম খায় , উইপোকার ঢিবিতে কাঠি ঢুকিয়ে উঁইপোকা শিকার করে । গাছের ডালে ঘাস – পাতা দিয়ে বাসা বানিয়ে এরা রাতে ঘুমোয় । এরা পোষ মানে এবং পোষা শিম্পাঞ্জিরা মানুষের মতো আকারে- ইঙ্গিতে অনেক কিছু বোঝাতে পারে ।

  1. ‘ কপিকল কী ? এর কার্যপদ্ধতি বুঝিয়ে দাও । 

Ans: কপিকল হল একটি শক্তপোক্ত চাকা । কপিকলের মাঝখানটায় গর্ত থাকে আর দু – পাশ উঁচু হয় । গর্তের মধ্যে চক্রকে ঘিরে থাকে একটি দড়ি । এই দড়ির একপ্রান্তে বল প্রয়োগ করা হয় এবং অপর প্রান্তে থাকে বাধা । কপিকলের কেন্দ্রে থাকে একটি লম্বা দণ্ড যার নাম অ্যাক্সেল । এই অ্যাক্সেলকে কেন্দ্র করে কপিকল অবাধে ঘুরতে পারে ।

  1. মোলাস্কা ও আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য লেখো । 

Ans: মোলাস্কা প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য- মোলাস্কা পর্বের প্রাণীদের চলাফেলার জন্য মাংসল পা থাকে আর নরম শরীরের ভেতরে বা বাইরে থাকে একটি চুননির্মিত খোলকের শক্ত আবরণ । 

আর্থ্রোপোডা প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য- আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের একজোড়া শুঁড় থাকে , পা – গুলি কয়েকটি খণ্ডে বিভক্ত থাকে আর গায়ের ওপর একটি শক্ত খোলা থাকে ।

  1. হাতিদের সঙ্গে মানুষের সংঘাত বাড়ছে কেন ? 

Ans: হাতি জঙ্গলেই থাকতে ভালোবাসে কিন্তু খাবার কম পড়ে গেলে হাতি লোকালয়ে ঢুকে ফসলের খেত বা ফলের বাগান থেকে খাবার সংগ্রহ করে । সেসময় বাধা দিলে তারা ঘরবাড়ি ভেঙে দেয় , মানুষকে আঘাত করে । মানুষ হাতি চলাচলের রাস্তায় বনজঙ্গল কেটে ফেলে রাস্তা তৈরি করছে , রেললাইন বসাচ্ছে , তাই হাতির সঙ্গে মানুষের সংঘাত বাড়ছে । 

 

SOURCE-BHUS

©kamaleshforeducation.in(2023)

 

 

error: Content is protected !!
Scroll to Top