একাদশ অধ্যায় ‘কতগুলি পরিচিত প্রাণীর আচরণ’  

(পৃষ্ঠা ১৮৩-২০৬) থেকে প্রশ্ন ও উত্তর:

[অতিসংক্ষিপ্ত।নৈর্ব্যক্তিক/সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (মান ১ বা ২)]

১. প্রশ্ন: ইথোলজি (Ethology) কী?

উত্তর: বিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণীদের আচরণ নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা করা হয়, তাকে ইথোলজি বলে।

২. প্রশ্ন: আচরণবিদ্যার জনক কাকে বলা হয়?

উত্তর: নিকোলাস টিনবারগেন, কনরাড লোরেনজ এবং কার্ল ফল ফ্রিশ-কে আধুনিক আচরণবিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

৩. প্রশ্ন: পিঁপড়েরা সারিবদ্ধভাবে চলে কেন?

উত্তর: ফেরারোমোন (Pheromone) নামক রাসায়নিক পদার্থের গন্ধ অনুসরণ করে।

৪. প্রশ্ন: মৌমাছির নাচের ভাষা কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর: বিজ্ঞানী কার্ল ফন ফ্রিশ।

৫. প্রশ্ন: মৌচাকে কয় ধরণের মৌমাছি থাকে?

উত্তর: তিন ধরণের- রানী মৌমাছি, পুরুষ মৌমাছি (ড্রোন) এবং শ্রমিক মৌমাছি।

৬. প্রশ্ন: ওয়াগেল নৃত্য (Waggle Dance) কখন দেখা যায়?

উত্তর: যখন খাবারের উৎস মৌচাক থেকে ১০০ মিটারের বেশি দূরে থাকে।

৭. প্রশ্ন: শিম্পাঞ্জিরা কীভাবে উইপোকা শিকার করে?

উত্তর: গাছের সরু ডাল ব্যবহার করে উইপোকার ঢিবি থেকে তাদের বের করে আনে।

৮. প্রশ্নঃ পরিযায়ী পাখি (Migratory Birds) কাদের বলে?

উত্তর: যে সব পাখি ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করে।

৯. প্রশ্ন: মৌমাছির নাচের আকৃতি কেমন হয়?

উত্তর: ইংরেজি ‘৪’-এর মতো।

১০. প্রশ্ন: শিম্পাঞ্জিরা ওষুধি গাছ হিসেবে কী ব্যবহার করে?

উত্তর: ‘অ্যাসপিলিয়া’ (Aspilia) নামক গাছের পাতা।

১১. প্রশ্ন: হাতিরা কীভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে?

উত্তর: ইনফ্রাসনিক বা অতি নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দের মাধ্যমে।

১২. প্রশ্ন: উইভার পিঁপড়েরা বাসা বানায় কী দিয়ে?

উত্তর: গাছের পাতা এবং লার্ভার নিঃসৃত লালা বা রেশম দিয়ে।

১৩. প্রশ্ন: শ্রমিক মৌমাছিরা কী ধরণের মৌমাছি?

উত্তর: বন্ধ্যা স্ত্রী মৌমাছি।

১৪. প্রশ্ন: পরিযায়ী পাখিরা পথ চেনার জন্য কী ব্যবহার করে?

উত্তর: সূর্যের অবস্থান, নক্ষত্র এবং পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র।

১৫. প্রশ্ন: বাঘের মূত্রে কোন বিশেষ পদার্থ থাকে যা এলাকা চিহ্নিত করতে সাহায্য করে?

উত্তর: ফেরোমোন।

১৬. প্রশ্ন: একটি সামাজিক পতঙ্গের নাম লেখো।

উত্তর: মৌমাছি বা পিঁপড়া।

১৭. প্রশ্ন: নীল তিমির শব্দের তীব্রতা কত হতে পারে?

উত্তর: ১৮৮ ডেসিবেল পর্যন্ত।

১৮. প্রশ্ন: শিম্পাঞ্জিরা শক্ত বাদাম ভাঙার জন্য কী ব্যবহার করে?

উত্তর: পাথরের হাতুড়ি ও নেহাই।

১৯.? প্রশ্ন: রানী মৌমাছির প্রধান কাজ কী?

উত্তর: ডিম পাড়া।

২০. প্রশ্ন: হাতিরা কেন কাদা মাখে?

উত্তর: শরীরের তাপমাত্রা কমাতে এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে চামড়াকে রক্ষা করতে।

২১. প্রশ্ন: রাউন্ড ড্যান্স (Round Dance) কখন হয়?

উত্তর: খাবারের উৎস মৌচাক থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে থাকলে।

২২.  প্রশ্ন: মশা কোন গ্যাস শনাক্ত করে মানুষকে খুঁজে বের করে?

উত্তর: কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO_2)।

২৩.? প্রশ্ন: মা মাছেরা বাচ্চাদের রক্ষা করার জন্য কী করে?

উত্তর: কোনো কোনো মাছ (যেমন তিলাপিয়া) বাচ্চাদের মুখের ভেতর লুকিয়ে রাখে।

২৪. প্রশ্ন: মাকড়সার জাল কী দিয়ে তৈরি?

উত্তর: প্রোটিন নির্মিত এক প্রকার রেশম তক্ত।

২৫.? প্রশ্ন: উটপাখি বিপদে পড়লে কী করে?

উত্তর: বালিতে মাখা গুঁজে থাকে বলে প্রচলিত ধারণা থাকলেও আসলে তারা মাটির সাথে মিশে থাকে।

২৬.? প্রশ্ন: কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে কত গুণ বেশি?

উত্তর: প্রায় ১০০০০ গুণ।

২৭. প্রশ্ন: ডলফিনরা কীভাবে একে অপরকে চেনে?

উত্তর: বিশেষ ধরণের শিসের (Whistle) মাধ্যমে।

২৮. প্রশ্ন: সাপ কীভাবে গন্ধ অনুভব করে?  

উত্তর:  জিভ বের করে বাতাস থেকে রাসায়নিক কণা সংগ্রহ করে জ্যাকবসন অর্গানের মাধ্যমে।

২৯. প্রশ্ন: পেঙ্গুইনরা শীতের হাত থেকে বাঁচতে কী করে?

উত্তর: সকলে মিলে দলা পাকিয়ে বা দলবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে (Huddling)। ৩০. প্রশ্ন: জোনাকি পোকার আলো জ্বলার কারণ কী?

উত্তর: লুসিফেরিন নামক রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়া।

৩১.? প্রশ্ন: কাকের বুদ্ধিমত্তার একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: খাবার পাওয়ার জন্য এরা তার বা কাঠির মাথায় হুক বানিয়ে ব্যবহার করতে পারে।

৩২. প্রশ্ন: কুমির তার বাচ্চাদের কীভাবে নিয়ে যায়?

উত্তর: পিঠে করে বা আলতো করে মুখের ভেতর নিয়ে জল পর্যন্ত যায়। ৩৩. প্রশ্ন: ড্রোন বা পুরুষ মৌমাছির কাজ কী?

উত্তর: রানীর সাথে প্রজননে অংশ নেওয়া।

৩৪. প্রশ্ন: টিটউইট পাখি পরিযায়নের সময় কোথায় যায়?

উত্তর: সাইবেরিয়া থেকে ভারতে আসে।

৩৫. প্রশ্ন: হিলারি ও তেনজিং এভারেস্টের কত উচ্চতায় মাকড়সা দেখেছিলেন?

উত্তর: প্রায় ২৮,০০০ ফুট উচ্চতায়।

৩৬. প্রশ্ন: মাছরাঙা কীভাবে মাছ শিকার করে?

উত্তর: জলের ওপর স্থির হয়ে থেকে লক্ষ্য স্থির করে ছোঁ মারে।

৩৭. প্রশ্ন: মথ কেন আলোর দিকে ছুটে আসে?

উত্তর: তারা চাঁদ বা নক্ষত্রের আলো দেখে দিক নির্ণয় করে, কিন্তু কৃত্রিম আলো তাদের বিভ্রান্ত করে।

৩৮. প্রশ্ন: বিড়াল কেন অন্ধকারে ভালো দেখে?

উত্তর: চোখের পেছনে ট্যাপেটাম লুসিডাম নামক প্রতিফলক স্তর থাকার কারণে।

৩৯. প্রশ্ন: ঘোড়া কীভাবে নিজের আবেগ প্রকাশ করে?

উত্তর: কানের অবস্থান এবং চিহি ডাকের মাধ্যমে।

৪০. প্রশ্ন: আরশোলার কোন অংশ স্পর্শ ও গন্ধ অনুভব করতে সাহায্য করে?

উত্তর: অ্যান্টেনা বা শুঁড়।

৪১.? প্রশ্ন: বাঘ কেন তার এলাকা চিহ্নিত করে?

উত্তর: অন্য বাঘকে নিজের উপস্থিতি জানান দিতে এবং শিকারের অধিকার রক্ষা করতে।

৪২.? প্রশ্ন: কাঠবিড়ালি কীভাবে শীতকালের জন্য খাবার জমা করে?

উত্তর: মাটির নিচে গর্ত করে বাদাম বা শস্য লুকিয়ে রাখে।

৪৩.? প্রশ্ন: ইকো-লোকেশন (Echolocation) কাদের দেখা যায়?

উত্তর: বাদুড় ও ডলফিনের।

৪৪. প্রশ্ন: কোন পাখিকে ‘ঝাঁক বেঁধে’ বাসা বানাতে দেখা যায়?

উত্তর: বাবুই পাখি।

 

৪৬. প্রশ্ন: গিরগিটি কেন গায়ের রঙ পরিবর্তন করে?

উত্তর:  গিরগিটি মূলত মেজাজ (উত্তেজনা, ভয়, রাগ), শারীরিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং সঙ্গী আকর্ষণের জন্য শরীরের রং পরিবর্তন করে ।

৪৭. প্রশ্ন: মৌমাছির চাকে ‘রয়েল জেলি’ কারা খায়?

উত্তর: রানী মৌমাছি হওয়ার যোগ্য লার্ভারা।

৪৮.? প্রশ্ন: পরিযায়ী পাখিরা কেন পরিযায়ন করে?

উত্তর: খাবার খোঁজ এবং প্রজননের জন্য অনুকূল পরিবেশের খোঁজে।

৪৯. প্রশ্ন: হনুমানরা বিপদে পড়লে কী করে?

উত্তর: এক ধরণের বিশেষ শব্দ করে দলের বাকিদের সতর্ক করে দেয়।

৫০. প্রশ্ন: উট কেন কুঁজে চর্বি জমিয়ে রাখে?

উত্তর: মরুভূমিতে দীর্ঘ সময় খাবার না পেলে ওই চর্বি ভেঙে শক্তি ও জল পেতে।

৫১. প্রশ্ন: কাকাতুয়া কেন মানুষের কথা নকল করে?

উত্তর: এটি তাদের এক ধরণের সামাজিক আচরণ বা আকর্ষণের পদ্ধতি। ৫২. প্রশ্ন: অক্টোপাস বিপদে পড়লে কী বের করে দেয়?

উত্তর: এক ধরণের কালো কালি (Ink) যা জলকে ঘোলাটে করে দেয়।

৫৩. প্রশ্ন: জেব্রার গায়ের ডোরাকাটা দাগের কাজ কী?

উত্তর: মাংসাশী প্রাণীকে বিভ্রান্ত করা এবং মাছি তাড়ানো।

৫৪. প্রশ্ন: মৌমাছিরা মধু তৈরি করে কী থেকে?

উত্তর: ফুলের নেক্টার বা মকরন্দ থেকে।

৫৫. প্রশ্ন: শিম্পাজিরা কেন একে অপরের গায়ের উকুন বা ময়লা পরিষ্কার করে দেয়?

উত্তর: সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার জন্য (Grooming)।

৫৬. প্রশ্ন: পরিযায়ী মাছের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:ইলিশ: মাছ।

৫৭. প্রশ্ন: পিঁপড়েরা একে অপরের সাথে কীভাবে কথা বলে?

উত্তর: স্পর্শ এবং রাসায়নিক সংকেতের (ফেরোমোন) মাধ্যমে।

৫৮. প্রশ্ন: কোন পাখি ডিম পাড়ার জন্য অন্য পাখির বাসা ব্যবহার করে? উত্তর: কোকিল।

৫৯. প্রশ্ন: গরুর জাবর কাটার কারণ কী?

উত্তর: ঘাস বা সেলুলোজ জাতীয় খাবার ভালোভাবে হজম করার জন্য।

৬০. প্রশ্ন: পরিযায়ী পাখিরা রাতে ওড়ার সময় কী দেখে দিক ঠিক করে? উত্তর: নক্ষত্রের অবস্থান।

 

[রচনামূলক / বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর (মান – ৩/৪)]

 

৬১.? প্রশ্ন: ইথোলজি বা আচরণবিদ্যা পাঠের গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর: প্রাণীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে আমরা বুঝতে পারি তারা কীভাবে পরিবেশের সাথে খাপ খায়। এটি আমাদের বিপন্ন প্রাণীদের সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এছাড়া প্রাণীদের বুদ্ধি, সমাজ ব্যবস্থা এবং যোগাযোগের পদ্ধতি বুঝে আমরা বিবর্তন সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাই। যেমন- মৌমাছির নাচ দেখে আমরা প্রাণীদের সংকেত বিনিময় বুঝতে পারি।

৬২. প্রশ্ন: মৌমাছিরা কীভাবে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে? ‘ওয়াগেল ড্যান্স’ ও ‘রাউন্ড ড্যান্স’ বুঝিয়ে বলো।

উত্তর: মৌমাছিরা বিশেষ ধরণের নাচের মাধ্যমে অন্যদের খাবারের সন্ধান দেয়।

১. রাউন্ড ড্যান্স (Round Dance): খাবারের উৎস যদি মৌচাক থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে থাকে, তবে মৌমাছিরা বৃত্তাকারে নাচে।

২. ওয়াগেল ড্যান্স (Waggle Dance): খাবারের উৎস ১০০ মিটারের বেশি দূরে থাকলে তারা ইংরেজি ‘৪’-এর মতো নাচে। নাচের সময় তারা সূর্যের সাপেক্ষে খাবারের দিক এবং দূরত্ব বুঝিয়ে দেয়।

৬৩.? প্রশ্ন: শিম্পাঞ্জিদের বুদ্ধিমত্তার তিনটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: ১. উইপোকা শিকার: তারা ঘাসের বা গাছের সরু ডাল ব্যবহার করে উইপোকার ঢিবি থেকে পোকা বের করে আনে।

২. বাদাম ভাঙা: শক্ত বাদাম ভাঙার জন্য তারা পাথরকে হাতুড়ি ও নেহাই হিসেবে ব্যবহার করে।

৩. ওষুধের ব্যবহার: পেটের রোগ বা অন্য অসুস্থতায় তারা জঙ্গল থেকে বিশেষ ওষুধি লতাপাতা খুঁজে খেয়ে রোগ সারায়

 

৬৪.? প্রশ্ন: পরিযায়ন (Migration) কেন ঘটে? পাখিরা পরিযায়নের সময় পথ চেনে কীভাবে?

উত্তর:-প্রতিকূল শীতের হাত থেকে বাঁচতে, প্রচুর খাবারের খোঁজে এবং প্রজননের জন্য পাখিরা পরিযায়ন করে। তারা পথ চেনার জন্য:

১. দিনের বেলা সূর্যের অবস্থান দেখে।

২. রাতে নক্ষত্রের অবস্থান দেখে।

৩. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র অনুভব করে সঠিক দিক নির্ণয় করে।

৬৫. প্রশ্ন: পিঁপড়াদের সমাজ ব্যবস্থা ও কাজের ভাগ সম্পর্কে আলোচনা করো।

উত্তর: পিঁপড়েরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল সামাজিক প্রাণী। তাদের উপনিবেশে প্রধানত তিন ধরণের সদস্য থাকে:

১. রানী: যাদের কাজ কেবল ডিম পাড়া।

২. পুরুষ: যারা রানীর সাথে প্রজননে অংশ নেয়।

৩. শ্রমিক: এরা খাবার সংগ্রহ করে, বাসা মেরামত করে এবং বাচ্চাদের যত্ন নেয়। এছাড়া কিছু ‘সৈনিক’ পিঁপড়া বাসা পাহারা দেয়।

৬৬. প্রশ্ন: হাতিদের সমাজ ব্যবস্থা ও তাদের যোগাযোগের পদ্ধতি বর্ণনা করো।

উত্তর: হাতিরা দলবদ্ধভাবে থাকে এবং দলের নেতৃত্বে থাকে সবচেয়ে বয়স্ক নারী হাতি (ম্যাট্রিয়ার্ক)। তারা ইনফ্রাসনিক (অতি নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দ) ব্যবহার করে অনেক দূর পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে কথা বলতে পারে যা মানুষ শুনতে পায় না। এছাড়া তারা শুঁড় দিয়ে স্পর্শ করে ভালোবাসা প্রকাশ করে এবং বিপদে পড়লে বৃংহণ ডাকে অন্যদের সতর্ক করে।

৬৭.? প্রশ্ন: বাঘ কীভাবে তার এলাকা (Territory) চিহ্নিত করে এবং রক্ষা করে?

উত্তর: বাঘ তার নিজের এলাকা চিহ্নিত করতে গাছের গায়ে মূত্র ত্যাগ করে। এই মূত্রে থাকা বিশেষ রাসায়নিক ‘ফেরোমোন’-এর গন্ধ শুঁকে অন্য বাঘ বুঝতে পারে যে এলাকাটি দখল করা। এছাড়া বাঘ গাছের ছাল আঁচড়ে দিয়েও নিজের উপস্থিতি জানান দেয়। কোনো অন্য বাঘ এলাকায় ঢুকলে তারা প্রচণ্ড লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজের অধিকার রক্ষা করে।

৬৮. প্রশ্ন: প্রাণীদের ‘সহজাত আচরণ’ ও ‘অর্জিত আচরণ’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: সহজাত আচরণ: যা প্রাণী জন্মের পর থেকে প্রাকৃতিকভাবে পায়, শিখতে হয় না (যেমন- মাকড়সার জাল বোনা)।

অর্জিত আচরণ: যা প্রাণী পরিবেশ বা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখে (যেমন- সার্কাসের বাঘের খেলা দেখানো বা পাখির নতুন সুর শেখা)।

৬৯. প্রশ্ন: ডলফিনদের বুদ্ধিমত্তা ও শিকার করার পদ্ধতি আলোচনা করো। উত্তর: ডলফিন অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং সামাজিক প্রাণী। তারা ‘ইকো-লোকেশন’ পদ্ধতির সাহায্যে জলের নিচে বাধা বা শিকারের অবস্থান বোঝে। শিকার করার সময় তারা দলবদ্ধভাবে মাছের ঝাঁককে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে অগভীর জলের দিকে নিয়ে যায়, যাতে মাছগুলো পালাতে না পারে।

৭০.  প্রশ্ন: পরিযায়ী মাছ হিসেবে ইলিশের জীবনচক্র সংক্ষেপে লেখো। উত্তর: ইলিশ একটি সমুদ্রের মাছ, কিন্তু ডিম পাড়ার সময় তারা ঝাঁক বেঁধে নদীর মিষ্টি জলে চলে আসে। এখানে তারা ডিম পাড়ে এবং সেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বড় হলে তারা আবার সমুদ্রে ফিরে যায়। এই ধরণের পরিযায়নকে ‘অ্যানাড্রোমাস’ পরিযায়ন বলা হয়।

৭১. প্রশ্ন: সাপ কেন বারবার জিভ বের করে? সাপ কি শব্দ শুনতে পায়? উত্তর: সাপ জিভ বের করে বাতাস থেকে রাসায়নিক কণা সংগ্রহ করে এবং তালুর ওপরের ‘জ্যাকবসন অর্গান’-এ ঠেকিয়ে গন্ধ অনুভব করে। এটি তাদের শিকার খুঁজে পেতে সাহায্য করে। সাপের বাইরের কান নেই, তাই তারা বাতাসের শব্দ শুনতে পায় না, তবে মাটির কম্পন খুব ভালো অনুভব করতে পারে।

৭২. প্রশ্ন: কুকুরের বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সাথে তাদের সম্পর্কের ভিত্তি কী? উত্তর: কুকুর মানুষের প্রথম পোষা প্রাণী। এদের ঘ্রাণশক্তি ও শ্রবণশক্তি অত্যন্ত প্রখর। এরা মানুষের গলার স্বর এবং মুখের ভঙ্গি দেখে আবেগ বুঝতে পারে। এরা প্রভুভক্ত এবং বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অপরাধী ধরা বা অন্ধ ব্যক্তিকে পথ চেনার মতো কঠিন কাজ করতে পারে।

৭৩. প্রশ্ন: মাকড়সা কীভাবে জাল বোনে? কেন জালে সে নিজে আটকে যায় না?

উত্তর: মাকড়সার পেটে থাকা সিল্ক গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসৃত তরল বায়ুর সংস্পর্শে এসে সুতোয় পরিণত হয়। জালের কিছু সুতো আঠালো হয় (শিকার ধরার জন্য) আর কিছু সুতো আঠাহীন হয়। মাকড়সা সবসময় আঠাহীন সুতোর ওপর দিয়ে চলাফেরা করে এবং তার পায়ে এক ধরণের তৈলাক্ত পদার্থ থাকে, তাই সে নিজে আটকে যায় না।

৭৪.? প্রশ্ন: পরিযায়ী পাখিদের কেন ‘প্রাকৃতিক দূত’ বলা হয়?

উত্তর: পরিযায়ী পাখিরা হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যায়। তারা শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, বরং বিভিন্ন উদ্ভিদের পরাগযোগ ঘটায় এবং ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে ফসল রক্ষা করে। একারণেই তাদের প্রাকৃতিক দূত বলা হয়।

৭৫. প্রশ্ন: বাবুই পাখিকে কেন ‘তাঁতি পাখি’ বলা হয়? তাদের বাসা তৈরির কৌশল কী?

উত্তর: বাবুই পাখি অত্যন্ত সুন্দর কারুকার্যময় বাসা বানায়। তারা খড় ও ঘাসের ফালি দিয়ে নিখুঁতভাবে বুনন করে বাসা তৈরি করে যা খুব মজবুত হয়। তাদের বাসার গঠন এমন যে ঝড়েও তা ছিঁড়ে পড়ে না এবং এতে প্রবেশের জন্য লম্বা টানেলের মতো পথ থাকে।

৭৬.? প্রশ্ন: কুমির তার বাচ্চাদের কীভাবে যত্ন নেয়?

উত্তর: স্ত্রী কুমির ডাঙ্গায় গর্ত করে ডিম পাড়ে এবং পাহারা দেয়। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার পর বাচ্চাদের কামড় না দিয়ে খুব আলতো করে মুখের ভেতর নিয়ে জলের কাছে পৌঁছে দেয়। পরবর্তী কয়েক মাস মা কুমির বাচ্চাদের আগলে রাখে যা সরীসৃপদের মধ্যে একটি বিরল আচরণ।

৭৭. প্রশ্ন: হনুমান বা বাঁদররা কীভাবে নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময় করে? উত্তর: তারা চেঁচিয়ে বা দাঁত খিঁচিয়ে রাগ প্রকাশ করে। এছাড়া মা হনুমান বাচ্চাদের আদর করে। তারা একে অপরের গায়ের উকুন পরিষ্কার করে (Grooming) যা তাদের সামাজিক বন্ধন বাড়াতে সাহায্য করে। বিপদে পড়লে তারা বিশেষ ডাকের মাধ্যমে পুরো দলকে সতর্ক করে।

৭৮. প্রশ্ন: কচ্ছপ কীভাবে আত্মরক্ষা করে? তাদের দীর্ঘায়ুর রহস্য কী?

উত্তর: কচ্ছপের পিঠে একটি অত্যন্ত শক্ত খোলস থাকে। শত্রু আক্রমণ করলে তারা মাথা ও পা খোলসের ভেতর ঢুকিয়ে নেয়। এদের বিপাকীয় হার খুব কম এবং এদের শরীর খুব ধীর গতিতে কাজ করে বলে এরা দীর্ঘ সময় (প্রায় ১০০-১৫০ বছর) বাঁচতে পারে।

৭৯. প্রশ্ন: পাখিরা কেন গান গায়? সব পাখি কি গান গাইতে পারে?

উত্তর: সাধারণত পুরুষ পাখিরা গান গায় দুটি কারণে: ১. নিজের এলাকা ঘোষণা করতে এবং ২. স্ত্রী পাখিকে আকৃষ্ট করতে। সব পাখি সুর করে গান গাইতে পারে না, তবে সব পাখিরই নিজস্ব যোগাযোগ করার ডাক বা ডাকের সংকেত আছে।

৮০.? প্রশ্ন: উট মরুভূমির পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য কী কী বিশেষ আচরণ করে?

উত্তর: ১. উট একবারে প্রচুর জল পান করে শরীরে জমিয়ে রাখতে পারে।

২. তাদের কুঁজে চর্বি জমা থাকে যা খাবার না পেলে শক্তি দেয়।

৩. ধূলিঝড় থেকে বাঁচতে তারা নাকের ছিদ্র বন্ধ করতে পারে এবং চোখের বড় পাতা বালু আটকায়।

৮১. প্রশ্ন: কাকের বুদ্ধিমত্তা কেন অন্য পাখির চেয়ে বেশি বলা হয়?

উত্তর: কাক সমস্যার সমাধান করতে পারে। তারা খাবার পাওয়ার জন্য সরল যন্ত্র বা সরঞ্জাম ব্যবহার করে। যেমন- বোতলের জল খাওয়ার জন্য নুড়ি ব্যবহার করা বা কোনো আধার থেকে খাবার তোলার জন্য কাঠি ব্যবহার করা। এদের মনে রাখার ক্ষমতাও অনেক বেশি।

৮২. প্রশ্ন: পেঙ্গুইনরা চরম ঠান্ডায় কীভাবে নিজেদের শরীর গরম রাখে? উত্তর: পেঙ্গুইনরা একসাথে কয়েকশ মিলে দলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। ভেতরের পেঙ্গুইনগুলো যখন গরম হয়ে যায়, তখন তারা বাইরের দিকে চলে আসে এবং বাইরের ঠান্ডায় থাকাগুলো ভেতরে ঢোকে। এইভাবে তারা একে অপরের শরীরের উত্তাপ শেয়ার করে বেঁচে থাকে।

৮৩.? প্রশ্ন: জেব্রার দেহের ডোরাকাটা দাগের কাজ কী?

উত্তর: এই দাগগুলো মূলত আত্মরক্ষার জন্য। যখন অনেকগুলো জেরা একসাথে দৌড়ায়, তখন বাঘ বা সিংহের মতো শিকারি প্রাণীরা কোনো নির্দিষ্ট একটি জেব্রাকে লক্ষ্য করতে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এছাড়া এই দাগগুলো এক ধরণের বিশেষ মাছি (Tsetse fly) তাড়াতে সাহায্য করে।

৮৪.? প্রশ্ন: উইভার পিঁপড়েরা কীভাবে গাছে বাসা বানায়?

উত্তর: এরা অনেকগুলো লার্ভাকে মুখে করে নিয়ে আসে এবং লার্ভার শরীর থেকে বের হওয়া রেশম দিয়ে গাছের পাতাগুলোকে একত্রে সেলাই করে বা জোড়া লাগিয়ে গোল আকারের বাসা তৈরি করে। এটি পিঁপড়াদের উন্নত প্রকৌশলবিদ্যার উদাহরণ।

 

৮৫. প্রশ্ন: ডলফিন ও তিমির মধ্যে মিল ও অমিলগুলি কী কী?

উত্তর: মিল: উভয়ই স্তন্যপায়ী, ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয় এবং জলে থাকে।

অমিল: তিমি সাধারণত আকারে অনেক বড় হয় এবং শান্ত প্রকৃতির। ডলফিন খুব মিশুকে, খেলাধুলো প্রিয় এবং তিমির চেয়ে অনেক দ্রুতগামী ও চটপটে।

৮৬. প্রশ্ন: মশা কেন নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে বেশি কামড়ায়?

উত্তর: মশা মানুষের শরীরের উষ্ণতা, নিঃশ্বাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং ঘামের গন্ধে আকৃষ্ট হয়। যাদের শরীর থেকে ল্যাকটিক অ্যাসিড বা বিশেষ ধরণের গন্ধ বেশি নির্গত হয়, মশা তাদের বেশি পছন্দ করে।

৮৭.? প্রশ্ন: গরিলাদের সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।

উত্তর: গরিলাদের দলের প্রধানকে ‘সিলভার ব্যাক’ (Silverback) বলা হয়। তিনি দলের সবচেয়ে শক্তিশালী পুরুষ গরিলা। তার নির্দেশেই দলের সবাই খাবার খোঁজে বা বিশ্রাম নেয়। কোনো বিপদ এলে তিনি বুক চাপড়ে গর্জন করে শত্রুকে ভয় দেখান।

৮৮.? প্রশ্ন: জোনাকি পোকা কীভাবে আলো জ্বালায়? এই আলোর কাজ কী? উত্তর: জোনাকির শরীরে ‘লুসিফেরিন’ নামক রাসায়নিক থাকে যা অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে ‘লুসিফারেজ’ উৎসেচকের উপস্থিতিতে আলো তৈরি করে। এই আলো দিয়ে তারা মূলত বিপরীত লিঙ্গকে আকৃষ্ট করে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।

৮৯. প্রশ্ন: বাঘ ও সিংহের শিকার করার পদ্ধতির পার্থক্য কী?

উত্তর: বাঘ সাধারণত একা শিকার করে এবং ওত পেতে থাকে। কিন্তু সিংহরা দলবদ্ধভাবে (প্রাইড) শিকার করে। সাধারণত সিংহীরাই শিকার করে এবং পুরুষ সিংহ এলাকা পাহারা দেয়।

৯০.  প্রশ্ন: পরিযায়ী মাছ ইলিশের সংখ্যা কেন কমে যাচ্ছে?

উত্তর: নদীর দূষণ, নদীতে পলি জমে নাব্য হ্রাস পাওয়া এবং অতিরিক্ত মাছ ধরার কারণে ইলিশের পরিযায়ন ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া প্রজনন ঋতুতে ছোট মাছ (জাটকা) ধরার ফলেও তাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

৯১. প্রশ্ন: কাঠবেড়ালিরা শীতকালের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নেয়?

উত্তর: এরা গ্রীষ্ম ও শরৎকালে প্রচুর বাদাম ও শস্য সংগ্রহ করে মাটির নিচে বিভিন্ন গোপন জায়গায় লুকিয়ে রাখে। শীতকালে যখন খাবার পাওয়া যায় না, তখন তারা গন্ধ শুঁকে ওই খাবারগুলো বের করে খায়।

৯২. প্রশ্ন: অক্টোপাস কেন ‘ছদ্মবেশের রাজা’ বলা হয়?

উত্তর: অক্টোপাস খুব দ্রুত নিজের গায়ের রঙ এবং চামড়ার গঠন পরিবর্তন করতে পারে। এরা সমুদ্রের নিচের পাথর বা প্রবালের সাথে এমনভাবে মিশে যায় যে শিকারি বা শিকার কেউ তাদের দেখতে পায় না।

৯৩. প্রশ্ন: মৌমাছির বিষ কীভাবে মানুষকে সাহায্য করে?

উত্তর: যদিও মৌমাছির কামড় যন্ত্রণাদায়ক, কিন্তু মৌ-বিষ (Apitoxin) থেকে গেঁটে বাত বা আর্থ্রাইটিসের ওষুধ তৈরি করা হয়। একে ‘এপিথেরাপি’ বলা হয়।

১৪.? প্রশ্ন: কুকুরের নাক কেন সবসময় ভেজা থাকে?

উত্তর: ভেজা নাক বাতাস থেকে গন্ধের কণাগুলোকে সহজে শুষে নিতে পারে। এটি কুকুরকে গন্ধের দিক এবং সূক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। নাক শুকিয়ে গেলে তাদের ঘ্রাণশক্তি কমে যায়।

৯৫. প্রশ্ন: গিরগিটির চোখ কেন অনন্য?

উত্তর: গিরগিটি তার দুটি চোখ একে অপরের ওপর নির্ভর না করে আলাদাভাবে ঘোরাতে পারে। ফলে সে একই সময়ে সামনে এবং পেছনে অর্থাৎ ৩৬০ ডিগ্রি এলাকা দেখতে পায়। এটি তাকে শিকার ধরতে ও শত্রু থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।

৯৬.? প্রশ্ন: ঘোড়া কীভাবে ঘুমায়? তারা কি দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ, ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে। তাদের পায়ের হাড় ও পেশিতে একটি বিশেষ লক সিস্টেম থাকে যা তাদের দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে সাহায্য করে। তবে গভীর ঘুমের জন্য তারা কিছুক্ষণ শুয়েও থাকে।

৯৭.? প্রশ্ন: গরু কেন জাবর কাটে?

উত্তর: গরু ঘাস তাড়াতাড়ি গিলে ফেলে পাকস্থলীর প্রথম প্রকোষ্ঠে জমা রাখে। পরে বিশ্রামের সময় সেই খাবার মুখে ফিরিয়ে এনে চিবিয়ে লালার সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে। এতে সেলুলোজ জাতীয় খাবার সহজে হজম হয়।

 

৯৮.? প্রশ্ন: কচ্ছপ ও কচ্ছপ (Tortoise vs Turtle) এর মধ্যে প্রধান আচরণগত পার্থক্য কী?

উত্তর: টরটয়েজ সাধারণত স্থলে বাস করে এবং নিরামিষাশী। এদের পা গুলো থামের মতো শক্ত। টার্টল সাধারণত জলে বাস করে, এদের পা গুলো লগি বা প্যাডেলের মতো যাতে সাঁতার কাটতে সুবিধা হয়।

৯৯.? প্রশ্ন: পেঙ্গুইনরা কেন ওড়তে পারে না?

উত্তর: বিবর্তনের ধারায় তাদের ডানাগুলো সাঁতার কাটার জন্য প্যাডেল বা ফ্লিপারে রূপান্তরিত হয়েছে। জলেও তাদের গতি অনেক বেশি হলেও ডানার পেশিগুলো ওড়ার উপযোগী নয়।

১০০. প্রশ্ন: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রাণীদের আচরণের জ্ঞান কেন জরুরি?

উত্তর: কোনো প্রাণী কেন বিলুপ্ত হচ্ছে বা কেন তাদের সংখ্যা কমছে তা তাদের আচরণ বুঝলেই জানা সম্ভব। প্রজনন পদ্ধতি, খাদ্যাভ্যাস ও বাসস্থানের চাহিদা জানলে আমরা উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে তাদের বিলুপ্তি থেকে বাঁচাতে পারি।

 

©kamaleshforeducation.in(2023)

error: Content is protected !!
Scroll to Top