


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সহজ পাঠ’ (দ্বিতীয় ভাগ)
অধ্যায়ভিত্তিক ৩০০টি প্রশ্নোত্তর সংকলন
অষ্টম পাঠ-(পৃষ্ঠা ৩০ – ৩২): প্রশ্ন ও উত্তর
—————————————————————-
১. আমাদের পাড়ার নাম কী?
উত্তর: আমাদের পাড়ার নাম অঞ্জনগড়।
২. অঞ্জনগড় পাড়াটি কেমন?
উত্তর: অঞ্জনগড় পাড়াটি খুব গঞ্জনা বা ঝঞ্ঝাটহীন, অর্থাৎ শান্ত ও সুন্দর।
৩. পাড়ার মাঠের ধারে কী আছে?
উত্তর: পাড়ার মাঠের ধারে চণ্ডীমণ্ডপ আছে।
৪. চণ্ডীমণ্ডপে কে বসে আছেন?
উত্তর: সেখানে রঞ্জনবাবু বসে আছেন।
৫. রঞ্জনবাবু সেখানে বসে কী করছেন?
উত্তর: রঞ্জনবাবু সেখানে বসে খবরের কাগজ পড়ছেন।
৬. রঞ্জনবাবুর ভাগ্নের নাম কী?
উত্তর: তাঁর ভাগ্নের নাম কঞ্জল।
৭. কঞ্জল সেখানে বসে কী করছে?
উত্তর: কঞ্জল একটি ছবি আঁকছে।
৮. কঞ্জল কীসের ছবি আঁকছে?
উত্তর: সে একটা অঞ্জনা পাখির ছবি আঁকছে।
৯. মাঠের ওপারে কোন নদী দেখা যায়?
উত্তর: মাঠের ওপারে খঞ্জনা নদী দেখা যায়।
১০. খঞ্জনা নদীতে কী ভাসছে?
উত্তর: খঞ্জনা নদীতে পঞ্জা পঞ্জা শ্যাওলা ভাসছে।
১১. নদীর ধারে কারা খেলা করছে?
উত্তর: নদীর ধারে গুঞ্জন ও রঞ্জন খেলা করছে।
১২. গুঞ্জন ও রঞ্জনের হাতে কী আছে?
উত্তর: তাদের হাতে একটি করে বড় কাঞ্জি বা লাঠি আছে।
১৩. তারা নদী থেকে কী তোলার চেষ্টা করছে?
উত্তর: তারা নদী থেকে শ্যাওলা বা জঞ্জাল তোলার চেষ্টা করছে।
১৪. ‘অঞ্জনা’ কীসের নাম?
উত্তর: অঞ্জনা একটি পাখির নাম।
১৫. ‘খঞ্জনা’ কীসের নাম?
উত্তর: খঞ্জনা একটি নদীর নাম।
১৬. এই পাঠে ব্যবহৃত দুটি মানুষের নাম লেখো যাদের নামের শেষে ‘রঞ্জন’ আছে।
উত্তর: রঞ্জনবাবু এবং ছোট ছেলে রঞ্জন।
১৭. ‘পঞ্জা পঞ্জা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: স্তূপাকার বা দলা দলা অবস্থায় যা আছে।
১৮. পাঠটিতে কোন যুক্তাক্ষরের প্রয়োগ সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: ‘ঞ্জ’ (অঞ্জনগড়, রঞ্জন, কঞ্জল, অঞ্জনা, খঞ্জনা, গুঞ্জন, পঞ্জা)।
১৯. রঞ্জনবাবু কখন খবরের কাগজ পড়েন?
উত্তর: দিনের বেলা অবসরে চণ্ডীমণ্ডপে বসে।
২০. কঞ্জল তার ছবি আঁকার জন্য কী ব্যবহার করছে?
উত্তর: পাঠ অনুযায়ী সে পেন্সিল বা তুলি দিয়ে ছবি আঁকছে।
কবিতা(পৃষ্ঠা ৩৩ – ৩৫):
‘নাম তার মোতিবিল’ — প্রশ্ন ও উত্তর
—————————————————————————–
১. বিলটির নাম কী এবং সেটি কতদূর বিস্তৃত?
উত্তর: বিলটির নাম মোতিবিল, এটি বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত।
২. মোতিবিলের জল কেমন?
উত্তর: মোতিবিলের জল খুব স্বচ্ছ বা আয়নার মতো পরিষ্কার।
৩. মোতিবিলে কী কী পাখি দেখা যায়?
উত্তর: মোতিবিলে বক, পানকৌড়ি, চিল এবং গাঙচিল দেখা যায়।
৪. বিলে কোন কোন ফুল ফুটে আছে?
উত্তর: বিলে প্রচুর পরিমাণে শাপলা ও পদ্ম ফুল ফুটে আছে।
৫. জেলেরা বিলে কী করে?
উত্তর: জেলেরা ডিঙি নৌকায় করে জাল ফেলে মাছ ধরে।
৬. মোতিবিলে কোন কোন মাছ পাওয়া যায়?
উত্তর: বিলে পুঁটি, খলশে এবং বড় বড় কাতলা মাছ পাওয়া যায়।
৭. চিলেরা আকাশ থেকে কী করে?
উত্তর: চিলেরা আকাশ থেকে ছোঁ মেরে মাছ ধরে নিয়ে যায়।
৮. বিলের ধারে কাদের ঘর দেখা যায়?
উত্তর: বিলের ধারে ঘাসের ছোট ছোট কুঁড়েঘর বা জেলেদের ঘর দেখা যায়।
৯. ঝিঁঝিঁ পোকা কখন ডাকে?
উত্তর: সন্ধ্যার সময় বিলের ধারে ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকে।
১০. বাঁশঝাড়ের ওপর কখন চাঁদ ওঠে?
উত্তর: রাতের বেলা বাঁশঝাড়ের ওপর চাঁদ ওঠে এবং বিলের জলে তার আলো পড়ে।
১১. ‘ডিঙি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ডিঙি হলো এক ধরনের ছোট নৌকা যা জেলেরা মাছ ধরার জন্য ব্যবহার করে।
১২. ‘পানকৌড়ি’ পাখিটি বিলে কী করে?
উত্তর: পানকৌড়ি জলের নিচে ডুব দিয়ে মাছ শিকার করে।
১৩. মোতিবিলের চারপাশের পরিবেশ কেমন?
উত্তর: চারপাশ সবুজ মাঠ ও নিস্তব্ধ প্রকৃতির শান্ত রূপ নিয়ে ঘেরা।
১৪. আকাশে বকের সারিকে কেমন দেখায়?
উত্তর: আকাশে বকের সারিকে সাদা সুতোর মালার মতো দেখায়।
১৫. ‘নাম তার মোতিবিল’ কবিতাটির মূল উপজীব্য কী?
উত্তর: বাংলার একটি গ্রাম্য বিল এবং সেখানকার জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা।
©kamaleshforeducation.in(2023)



