


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সহজ পাঠ’ (দ্বিতীয় ভাগ)
অধ্যায়ভিত্তিক ৩০০টি প্রশ্নোত্তর সংকলন
নবম পাঠ(পৃষ্ঠা ৩৬ – ৩৮): প্রশ্ন ও উত্তর
—————————————————————-
১. আকাশ কেমন করে এল?
উত্তর: একদিন আকাশ বাদল করে এল, অর্থাৎ মেঘলা হয়ে এল।
২. বাদল করার পর কী শুরু হলো?
উত্তর: বাদল করার পর জোরে বাতাস বইতে লাগল এবং বৃষ্টি শুরু হলো।
৩. বৃষ্টির শব্দকে কবি কীভাবে বর্ণনা করেছেন?
উত্তর: বৃষ্টির শব্দকে ‘ঝমঝম’ শব্দে বর্ণনা করা হয়েছে।
৪. বৃষ্টির সময় নদীর জলের অবস্থা কেমন হলো?
উত্তর: বৃষ্টির সময় নদীর জল ঘোলা হয়ে গেল এবং স্রোত বেড়ে গেল।
৫. কাদের ঘর বৃষ্টির জলে ভেসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল?
উত্তর: দীনু ও বিন্দুদের কাঁচা ঘর বৃষ্টির তোড়ে প্রায় ভেসে যাওয়ার মতো হয়েছিল।
৬. বৃষ্টির দিনে পাখিরা কী করছিল?
উত্তর: পাখিরা বৃষ্টির ভয়ে ভিজে চুপচাপ গাছের কোটরে বা পাতার নিচে আশ্রয় নিয়েছিল।
৭. ‘বাদল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বাদল মানে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ বা বর্ষার আবহাওয়া।
৮. বৃষ্টির পর রোদের অবস্থা কেমন হলো?
উত্তর: বৃষ্টির পর যখন রোদ উঠল, তখন চারদিক ঝকঝক করতে লাগল।
৯. পাঠটিতে কোন কোন যুক্তাক্ষরের ব্যবহার আছে?
উত্তর: পাঠটিতে ‘ন্দ’ (বিন্দু, মন্দ), ‘ন্ত’ (শান্ত, অন্ত), ‘ন্ধ’ (অন্ধকার, বন্ধ) ইত্যাদি যুক্তাক্ষরের ব্যবহার রয়েছে।
১০. বৃষ্টির পর ছোট ছোট ছেলেরা কী করছিল?
উত্তর: বৃষ্টির পর ছোট ছেলেরা রাস্তার জমে থাকা জলে কাগজের নৌকা ভাসাচ্ছিল।
১১. ‘মৃদু’ বাতাসের বিপরীত অবস্থা এখানে কী ছিল?
উত্তর: এখানে বাতাসের অবস্থা ছিল অত্যন্ত প্রবল বা ঝোড়ো।
১২. বর্ষার দিনে মানুষের যাতায়াত কেমন ছিল?
উত্তর: বৃষ্টির কারণে পথে কাদা হওয়ায় মানুষের যাতায়াত খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছিল।
১৩. গাছের পাতাগুলো বৃষ্টির পর কেমন দেখাচ্ছিল?
উত্তর: বৃষ্টির জলে ধুয়ে যাওয়ায় গাছের পাতাগুলো খুব সবুজ ও সতেজ দেখাচ্ছিল।
১৪. বিন্দু আর দীনু বৃষ্টির সময় কী করছিল?
উত্তর: তারা ঘরের কোণে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনছিল এবং ভয় পাচ্ছিল।
১৫. আকাশ পরিষ্কার হওয়ার পর কী দেখা গেল?
উত্তর: আকাশ পরিষ্কার হওয়ার পর উজ্জ্বল নীল আকাশ এবং রোদ দেখা গেল।
©kamaleshforeducation.in(2023)



