🍁রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সহজ পাঠ’ (দ্বিতীয় ভাগ) 

অধ্যায়ভিত্তিক ৩০০টি প্রশ্নোত্তর সংকলন 

ষষ্ঠ পাঠ (পৃষ্ঠা ২২ – ২৪): প্রশ্ন ও উত্তর

—————————————————————-

১. এখন বেলা কত?

উত্তর: এখন বেলা এগারোটা।

​২. কার খুব খিদে পেয়েছে?

উত্তর: উধোর খুব খিদে পেয়েছে।

​৩. উধোর জন্য খাবার আনতে কাকে বলা হয়েছে?

উত্তর: মধুকে দোকান থেকে খাবার আনতে বলা হয়েছে।

​৪. দোকান থেকে কী কী খাবার আনতে বলা হয়েছে?

উত্তর: দোকান থেকে মুড়ি, বাতাসা আর দই আনতে বলা হয়েছে।

​৫. জল আনতে কে যাবে?

উত্তর: জল আনতে যাবে শম্ভু।

​৬. শম্ভু কীসে করে জল আনবে?

উত্তর: শম্ভু ঘড়া (কলসি) নিয়ে জল আনবে

​৭. শম্ভু কোথা থেকে জল আনবে?

উত্তর: শম্ভু পুকুর থেকে জল আনবে।

​৮. বিকেলবেলা কার বাড়ি যাওয়ার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: বিকেলবেলা গুপি গায়েনের বাড়ি যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

​৯. গুপি গায়েনের বাড়িতে কী হবে?

উত্তর: সেখানে গান-বাজনা হবে।

​১০. গুপি গায়েনের বাড়িতে কে গান গাইবে?

উত্তর: গুপি নিজে গান গাইবে।

​১১. সেখানে ঢোল কে বাজাবে?

উত্তর: ভজহরি ঢোল বাজাবে

​১২. গান শোনার জন্য আর কাকে ডাকতে বলা হয়েছে?

উত্তর: গান শোনার জন্য অন্ধ কানাইকেও ডাকতে বলা হয়েছে।

​১৩. অন্ধ কানাই কোথায় বসে থাকে?

উত্তর: অন্ধ কানাই রাস্তার ধারে বসে থাকে।

​১৪. পাঠটিতে কোন কোন পেশার মানুষের কথা উল্লেখ আছে?

উত্তর: গায়েন (গুপি) এবং বাদক (ভজহরি)

​১৫. ‘ঘড়া’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: জল রাখার পাত্র বা কলসি।

​১৬. বেলা এগারোটার সময় আবহাওয়া কেমন ছিল?

উত্তর: পাঠ অনুযায়ী তখন বেশ রোদ ছিল এবং চারদিক উজ্জ্বল ছিল।

​১৭. উধো ও মধু সম্ভবত কী করছে?

উত্তর: তারা একসাথে আছে এবং খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে।

​১৮. দই ও বাতাসা দিয়ে কী খাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে?

উত্তর: মুড়ি খাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

​১৯. ভজহরি কোন বাদ্যযন্ত্র বাজাতে দক্ষ?

উত্তর: ভজহরি ঢোল বাজাতে দক্ষ।

​২০. গুপি গায়েনের বাড়ি যাওয়ার সময় কখন নির্ধারণ করা হয়েছে?

উত্তর: বিকেলবেলা

কবিতা: ‘একদিন রাতে আমি’

(পৃষ্ঠা ২৫ – ২৭) — প্রশ্ন ও উত্তর

—————————————————————————-

​১. কবি রাতে ঘুমের মধ্যে কী স্বপ্ন দেখেছিলেন?

উত্তর: কবি স্বপ্ন দেখেছিলেন যে তাঁর বিছানাটি হঠাৎ উড়তে শুরু করেছে।

​২. বিছানাটি কোথায় উড়ছিল?

উত্তর: বিছানাটি জানলার খোলা পথে নীল আকাশে মেঘের ওপর দিয়ে উড়ছিল।

​৩. কবি জানলা দিয়ে তাকিয়ে কী দেখতে পাচ্ছিলেন?

উত্তর: কবি দেখতে পাচ্ছিলেন উজ্জ্বল নক্ষত্রেরা যেন তাঁর খুব কাছে চলে এসেছে।

​৪. বিছানাটি উড়তে উড়তে কোথায় গিয়ে থামল?

উত্তর: বিছানাটি একটি মস্ত বড়ো অচেনা পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে থামল।

​৫. সেই পাহাড়ের চূড়ায় আবহাওয়া কেমন ছিল?

উত্তর: সেখানে খুব ঠান্ডা ছিল এবং চারদিক সাদা কুয়াশায় ঢাকা ছিল।

​৬. পাহাড়ের চূড়ায় কবি কাকে দেখতে পেলেন?

উত্তর: কবি সেখানে দেখলেন একদল মেঘের শিশু যারা খেলা করছে।

​৭. মেঘের শিশুরা কী করছিল?

উত্তর: মেঘের শিশুরা একে অপরের গায়ে তুষার ছুড়ে খেলা করছিল।

​৮. কবির বিছানাটি পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে কীসের সাথে ধাক্কা খেল?

উত্তর: বিছানাটি পাহাড়ের গায়ে লেগে মস্ত একটা ধাক্কা খেল।

​৯. ধাক্কা খাওয়ার পর কী হলো?

উত্তর: ধাক্কা খাওয়ার পর কবির ঘুম ভেঙে গেল।

​১০. ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর কবি নিজেকে কোথায় দেখতে পেলেন?

উত্তর: ঘুম ভেঙে কবি দেখলেন তিনি তাঁর নিজের ঘরে নিজের বিছানাতেই শুয়ে আছেন।

​১১. “স্বপ্নিনু” শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: স্বপ্নিনু মানে স্বপ্ন দেখলাম।

​১২. কবি আকাশপথে যাওয়ার সময় কী কী দেখেছিলেন?

উত্তর: কবি আকাশপথে নীল আকাশ, মেঘের ভেলা আর উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখেছিলেন।

​১৩. কবিতার শেষে কবি কী বুঝতে পারলেন?

উত্তর: কবি বুঝতে পারলেন যে এতক্ষণ তিনি যা দেখছিলেন তা আসলে একটি সুন্দর স্বপ্ন ছিল।

​১৪. ‘সহজ পাঠ’ বইয়ের এই কবিতাটি কে লিখেছেন?

উত্তর: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

​১৫. স্বপ্নের মধ্যে পাহাড়টি দেখতে কেমন ছিল?

উত্তর: পাহাড়টি ছিল মস্ত বড় এবং মেঘের চাদরে ঢাকা।

 

 

     ©kamaleshforeducation.in(2023)

error: Content is protected !!
Scroll to Top