সাম্যবাদী কবিতা

 একাদশ শ্রেণি বাংলা প্রথম সেমিস্টার

 MCQ প্রশ্ন উত্তর  
  JUNE
 ===============================================================

উচ্চ মাধ্যমিক নতুন সেমিস্টার সিস্টেমে প্রথম সেমিস্টারে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘সাম্যবাদী‘ কবিতাটি রয়েছে । এটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ  পরীক্ষার দিক থেকে । এর পাশাপাশি কবিতাটি বিশেষ বার্তা দিচ্ছে সমাজের প্রতি।

ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য সাম্যবাদী   কবিতার  সমস্ত প্রশ্ন উত্তর শেয়ার করা হলো ।তার পাশাপাশি  অবশ্যই কিন্তু পাঠ্য বই থেকে কবিতাটা বিস্তারিত  পড়ে নেওয়া দরকার কারণ কবিতাটা পড়া থাকলে যে কোন ধরনের প্রশ্ন  সহজে করতে পারা যায়।

বোর্ড: বিষয়বস্তু

**********************************************************************

1 সাম্যবাদী কবিতার মূলভাব – কাজী নজরুল ইসলাম

2 সাম্যবাদী কবিতার প্রশ্ন উত্তর — প্রশ্নমান : ১

 

সাম্যবাদী কবিতার মূলভাব 

কাজী নজরুল ইসলাম

=======================================================

উৎস – সাম্যবাদী কবিতাটি সাম্যবাদী❞ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। সাম্যবাদী কবিতাটি এবং সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থটি প্রথম ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫ ডিসেম্বর ( বাংলার ১৩৩২ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে) ‘লাঙল’ পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।

“সাম্যবাদী” কবিতায় কবি সাম্যের বার্তা তুলে ধরেছেন। তিনি সমাজের ধনী-গরিব, উঁচু-নীচুর বিভেদ দূর করে সকল মানুষের সমান অধিকারের কথা বলেছেন। কবিতায় বিদ্রোহী চেতনার পাশাপাশি মানবতাবাদী দর্শনের প্রতিফলন ঘটেছে। ধর্ম, বর্ণ, জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে সাম্যের আলোকে বিশ্বকে গড়ে তোলার জন্য কবি আহ্বান জানিয়েছেন  ।

সাম্যবাদী কবিতার প্রশ্ন উত্তর — প্রশ্নমান : ১

*****************************************************************

1. সাম্যবাদী’ কবিতাটি কে লিখেছেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম।

 

2. সাম্যবাদী’ কবিতাটি কোথায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
উত্তর: লাঙল পত্রিকায়।

3. সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথম কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫ ডিসেম্বর।

 

4. সাম্যবাদী’ কবিতাটি পরে কোন কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়?
উত্তর: সর্বহারা।

 

5. সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর মাসে।

 

6. নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত রচনা কোনটি?
উত্তর: বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী।

 

7. নজরুল ইসলামের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: সর্বহারা ও সাম্যবাদী।

8. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ?
উত্তর: অগ্নিবীণা।

 

9. নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থে মূলত ছোটদের কবিতা প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ঝিঙে ফুল।

 

10. নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত নাটকের নাম কী?
উত্তর: ঝিলিমিলি।

 

11. জরথুষ্ট্রপন্থী কোন জাতির কথা আমরা ‘সাম্যবাদী’  কবিতায়  পাই?
উত্তর: পার্সি।

 

12. চীনের কোন ধর্ম গুরুর কথা আমরা ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় পাই?
উত্তর: কনফুসিয়াস।

 

13. জরথুষ্ট্র প্রণীত পারসিকদের ধর্মগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: জেন্দাবেস্তা।

 

14. শিখদের সর্ববৃহৎ ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: গ্রন্থ সাহেব।

 

15. সব শাস্ত্রের জ্ঞানের কথার খোঁজ কোথায় পাওয়া যাবে বলে ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি জানিয়েছেন?

উত্তর: নিজের প্রাণে।

16. মানুষ দেবতা-ঠাকুরকে কোথায় খোঁজে বলে ‘সাম্যবাদী’  কবিতায়  কবি জানিয়েছেন?
উত্তর: মৃত – পুথি – কঙ্কালে।

 

17. মৃত – পুথি – কঙ্কাল’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: পুরোনো ধ্যানধারণা।

 

18. বিভিন্ন যুগে যে মহাপুরুষ অবতীর্ণ হয় তাকে কী বলা হয়?
উত্তর: যুগাবতার।

 

19. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে কে সত্যের পরিচয় পেয়েছে?
উত্তর: ঈসা মুসা।

 

20. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে কে মহা-গীতা গাইছেন?
উত্তর: বাঁশির কিশোর।

 

21. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে কোথায় বসে বাঁশির কিশোর মহা-গীতা গাইছেন?
উত্তর: রণভূমিতে।

 

22. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে মাঠে বসে খোদার মিতা কে?
উত্তর: নবিরা।

 

23. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে কোন মুনি রাজ্য ত্যাগ করেছিলেন?
উত্তর: শাক্যমুনি।

 

24. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে সবচেয়ে বড় মন্দির-কাবা কোনটি?
উত্তর: হৃদয়।

 

25. গাহি সাম্যের গান’ এখানে ‘সাম্য’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: সমতার কথা।

 

26. বৌদ্ধ ধর্মের প্রবক্তা কে?
উত্তর: গৌতম বুদ্ধ।

 

27. পার্সি ধর্মের লোকেরা কাকে ধর্মগুরু বলে মনে করতেন?
উত্তর: জরাথুষ্ট্র-কে।

 

28. ইহুদিরা কোন দেশের নাগরিক?
উত্তর: প্রাচীন জুডিয়া।

 

29. ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: কোরান।

 

30. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে পথে কী ফুটে থাকার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: তাজা ফুল।

31. বুদ্ধদেব কোন স্থানে সিদ্ধি লাভ করেছিলেন?
উত্তর: বুদ্ধগয়ায় ।

 

32. সাম্যবাদী’ কবিতায় উল্লিখিত কোন তীর্থক্ষেত্রটি হিন্দুদের তীর্থক্ষেত্র নয়?
উত্তর: জেরুজালেম ।

 

33. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে কি শুনে শাক্যমুনি রাজ্য ত্যাগ  করেছিলেন?
উত্তর: রাজ্য মানবের বেদনার ডাক শুনে ।

 

34. সাম্যবাদী’ কবিতায় আরব দুলাল বলতে কাকে বোঝানো  হয়েছে?
উত্তর: হজরত মহম্মদকে।

 

35. সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে কবি বলেছেন মানুষের ধর্মগ্রন্থ  পড়া ব্যর্থ হয় কখন?
উত্তর: যখন মানুষ অন্য ধর্মের মানুষের সাথে হিংসা-বিবাদ করে

 

36. সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি কেমন সমাজের স্বপ্ন দেখেছেন?
উত্তর: জাতি-ধর্ম-বর্ণের বৈষম্যহীন সমাজ ।

 

37. সাম্যবাদী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
উত্তর: মাত্রাবৃত্ত ছন্দ ।

 

38. সাম্যবাদী’ কবিতায় মোট পঙক্তির সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: বত্রিশ

 

39. সাম্যবাদী’ কবিতায় অসম্পূর্ণ চরন সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: পাঁচটি

 

40. সাম্যবাদী’ কবিতায় কোন কোন সংখ্যক চরনগুলি অসম্পূর্ণ?
উত্তর: এক, চার, সাত, উনিশ, একত্রিশ

 

41. ঝুট শব্দটি কোন শব্দভাণ্ডার থেকে আগত?
উত্তর: হিন্দি

 

42. মেষের রাখাল বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: শ্রীকৃষ্ণকে

 

43. শাক্যমুনি কেন রাজ্য ত্যাগ করেন?
উত্তর: মানুষের দুঃখ বেদনা দূরীভূত করার জন্য ।

 

44. খুঁজে পাবে সখা” – কি খুঁজে পাওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: সকল শাস্ত্র

 

45. মৃত পুথি কঙ্কালে কি খুঁজে ফেরা হয়?
উত্তর: ঈশ্বরের সন্ধান

46. এই হৃদয়ের ধ্যান গুহা মাঝে বসিয়া শাক্যমুনি” শাক্যমুনি কে?
উত্তর: বুদ্ধদেব

 

47. কাবা ভবন কথার আক্ষরিক অর্থ কি?
উত্তর: ঈশ্বর বা আল্লাহর ঘর

 

48. চার্বাক কে?
উত্তর: নাস্তিকবাদী দার্শনিক

 

49. পুঁথি ও কেতাব শব্দ দুটি কি শব্দ?
উত্তর: বাংলা ও আরবি

 

50. ঈশ্বর কোথায় অবস্থান করে?
উত্তর: অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে

 

51. কবিতায় কবি কাদের সবাইকে এক হতে আহ্বান জানিয়েছেন?
উত্তর: সকল ধর্মের মানুষকে

 

52. কবি কী ধরনের সমাজ গড়তে চান?
উত্তর: সাম্যবাদী সমাজ

 

53. কবিতার মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: ধর্মীয় সাম্য

 

54. কবিতায় উল্লেখিত ধর্মগুলোর মধ্যে কোনটি নেই?
উত্তর: শিখ

 

55. কবি কাদেরকে বন্ধু বলে সম্বোধন করেছেন?
উত্তর: সকল ধর্মের মানুষকে

 

56. কবি কী ধরনের সমাজের পক্ষে?
উত্তর: সাম্যবাদী

 

57. ধর্ম কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: মানুষের হৃদয়ে

 

58. সকল ধর্মের মূল কী?
উত্তর: মানুষের হৃদয়

 

59. মানুষের মধ্যে কী রয়েছে?
উত্তর: সকল ধর্ম

 

60. পুঁথি-পাতার ভূমিকা কী?
উত্তর: অপ্রয়োজনীয়

61. কবি কেন পুঁথি-পাতা পড়ার প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করেছেন?
উত্তর: কারণ সকল সত্য মানুষের হৃদয়েই রয়েছে।

 

62. কবির মতে সকল ধর্মের দেবতা কোথায় বাস করেন?
উত্তর: মানুষের হৃদয়ে।

 

63. কবি কেন মানুষকে দেবতা ঠাকুর  খুঁজতে  নিরুৎসাহিত  করেছেন?
উত্তর: কারণ দেবতা-ঠাকুর মানুষের মধ্যেই বাস করেন।

 

64. কবিতার মূল বার্তা কী?
উত্তর: সকল ধর্মের মূল হলো মানুষের হৃদয়।

 

65. কবির মতে সত্য কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: হৃদয়ে।

 

66. কবি কীভাবে ধর্মীয় ভাবাদর্শকে বর্ণনা করেছেন?
উত্তর: মগজে শূল হানা।

 

67. কবি কীভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: দোকানে দর কষাকষি।

 

68. কবি কেন মানুষকে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পড়ার প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন?
উত্তর: অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে।

 

69. কবি কীভাবে ধর্মীয় গ্রন্থগুলিকে দেখেন?
উত্তর: পণ্ডশ্রমের বস্তু হিসেবে।

 

70. কবি কীভাবে সকল জ্ঞানের উৎস বর্ণনা করেছেন?
উত্তর: নিজের মন।

 

71. কবির মতে, সকল শাস্ত্র কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: নিজের মনে।

 

72. কবি কীভাবে মানুষের মধ্যে অহংকারকে প্রশ্ন করেছেন?
উত্তর: দরকষাকষির মাধ্যমে।

 

73. কবি কীভাবে প্রকৃতির সৌন্দর্যের সাথে মানুষের অশান্ত মনকে তুলনা করেছেন?
উত্তর: ফুলের সাথে দরকষাকষি তুলনা করে।

 

74. দোকানে কেন এ দর-কষাকষি?” কবি  এই  প্রশ্নটি  কেন  করেছেন?
উত্তর: দোকানদারদের সমালোচনা করতে, মানুষের লোভকে প্রকাশ করতে এবং প্রকৃতির সরলতার সাথে মানুষের জটিলতা তুলনা করতে।

75. তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান” – এই উক্তিটির অর্থ কী?
উত্তর: মানুষের মনেই সকল জ্ঞানের ভান্ডার রয়েছে।

 

76. সকল শাস্ত্র খুঁজে পাবে সখা খুলে দেখ নিজ প্রাণ!” – এই পঙ্ক্তির মধ্য দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: শাস্ত্রের চেয়ে নিজের অন্তর অনেক বড়।

 

77. সকল ধর্মের আসল দেবতা কোথায় বাস করেন?
উত্তর: মানুষের হৃদয়ে।

 

78. ধর্মগ্রন্থের বাইরে কোথায় দেবতাকে খুঁজে পাওয়া যায়?
উত্তর: নিজের অন্তরে।

 

79. ধর্মের সর্বোচ্চ সত্য কোথায় লুকিয়ে থাকে?
উত্তর: হৃদয়ের নিভৃত কোণে।

 

80. মানুষের হৃদয়কে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: বিশ্ব-দেউল।

 

81. কবি কেন মৃত পুথি-কঙ্কালে দেবতাকে খুঁজতে নিষেধ করছেন?
উত্তর: কারণ দেবতা জীবন্ত হৃদয়ে বাস করেন।

 

82. কবির মতে, সকল ধর্মের দেবতা কী?
উত্তর: একই।

 

83. কবি মানুষের হৃদয়কে কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: মন্দির-মসজিদ-গির্জার সাথে।

 

84. কবি কীভাবে মানুষের হৃদয়কে বর্ণনা করেছেন?
উত্তর: ধর্মীয় কেন্দ্র।

 

85. মানুষের হৃদয়ে কোন সকল ধর্মীয় স্থানের সমান্তরাল দেখা যায়?
উত্তর: সকল ধর্মীয় স্থান।

 

86. কবি কেন হৃদয়কে নীলাচল, কাশী ইত্যাদির সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: ভৌগোলিক সৌন্দর্যের জন্য, ধর্মীয় গুরুত্বের জন্য এবং সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের জন্য।

 

87. কবি তুলনার মধ্য দিয়ে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: সব ধর্ম এক এবং হৃদয়ই সব ধর্মের কেন্দ্র।

 

88. ঈসা ও মুসা কী খুঁজে পেয়েছিলেন হৃদয়ে?
উত্তর: সত্য।

 

89. কবির মতে সত্যের সন্ধান কোথায় পাওয়া যায় না?
উত্তর: ধর্মগ্রন্থে।

 

90. শাক্যমুনি কী ত্যাগ করেছিলেন?
উত্তর: রাজ্য।

91. শাক্যমুনি কেন রাজ্য ত্যাগ করেছিলেন?
উত্তর: মানুষের দুঃখ কষ্ট দূর করার জন্য।

 

92. শাক্যমুনি কোথায় ধ্যান করতেন?
উত্তর: হৃদয়ের ধ্যান-গুহায়।

 

93. শাক্যমুনিকে কী বলা হয়?
উত্তর: বুদ্ধ।

 

94. শাক্যমুনি কে ছিলেন?
উত্তর: একজন ধর্মগুরু।

 

95. শাক্যমুনি কেন ধ্যান করতেন?
উত্তর: মানুষের দুঃখ কষ্ট দূর করার জন্য।

 

96. আরব-দুলাল কে?
উত্তর: নবী মুহাম্মদ (সা.)।

 

97. কোরানের সাম-গান কী?
উত্তর: ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ কোরানের একটি অংশ।

 

98. কন্দর কী বোঝায়?
উত্তর: একাকীত্ব, নির্জনতা, চিন্তার জায়গা।

 

99. এই কন্দরে আরব-দুলাল শুনিতেন আহ্বান” – এই পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: নবী মুহাম্মদ (সা.) মানুষকে সঠিক পথ দেখাতে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

 

100. কোরানের সাম-গান” – এই শব্দগুচ্ছ দ্বারা কী বোঝায়?

উত্তর:”কোরানের সাম-গান” শব্দটি কোরান তেলাওয়াতের একটি বিশেষ পদ্ধতি বা শৈলীকে নির্দেশ করে। এখানে “সাম” শব্দটি সুর বা সঙ্গীতের সাথে সম্পর্কিত এবং “গান” শব্দটি গান বা সুরযুক্ত আবৃত্তিকে বোঝায়। সুতরাং, “কোরানের সাম-গান” বলতে বোঝায় কোরান তেলাওয়াতের একটি সুরযুক্ত এবং মার্জিত পদ্ধতি, যা তেলাওয়াতকারীর কণ্ঠের মাধুর্য এবং সুরের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

   এই প্রস্তুতি পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার যেকোনো পরিস্থিতির জন্য নিজেদের তৈরি করতে পারবে।   বিশ্বাস করি, সঠিকভাবে এই প্রশ্ন-উত্তর অনুশীলন করলে ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হবে। তাই মনোযোগ দিয়ে অধ্যয়ন করতে হবে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে ।

 

SOURCE-EDT

©kamaleshforeducation.in(2023)

error: Content is protected !!
Scroll to Top