Class 11 Education Project Khata
ভূমিকা :
একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিষ্টারে যারা পড়াশোনা করছে, তাদেরকে Project খাতা তৈরি করতে হবে। আমি আজকের এই লেখাতে Class 11 Second Semester Education বা শিক্ষাবিজ্ঞানের একটি Project খাতা তৈরি করে দিলাম ।
একাদশ শ্রেণির শিক্ষাবিজ্ঞান বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য যে প্রকল্পগুলি নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলি হল –
1. প্রতিপাদন পদ্ধতিতে বিষয় উপস্থাপন (Demonstration on a Topic) : শিক্ষাবিজ্ঞানের একটি এককের কোনো নির্দিষ্ট উপএকককে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে প্রতিপাদন পদ্ধতিতে।
2. দলগত আলোচনা (Group Discussion : [Brain Storming]) : শিক্ষক- শিক্ষিকার দ্বারা নির্বাচিত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দলগত আলোচনা করতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষকে কয়েকটি দলে ভাগ করে দেবেন।
3. একটি বিষয়ে বিতর্ক / আলোচনা (Debate/Discussion on a Topic) : শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের কয়েকটি দলে ভাগ করে নিয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ে বিতর্কমূলক আলোচনা (Debatable discussion) করতে দেবেন।
উপরের তিনটি টপিক থেকে যে কোনো একটি টপিক নিয়ে Project খাতা তৈরি করতে হবে। আমি এখন 2. ‘দলগত আলোচনা’ (Group Discussion : [Brain Storming]) এই টপিকটি নিয়ে Project খাতা তৈরি করে দিলাম।
প্রজেক্ট খাতা তৈরি করার নিয়ম :
Project খাতার মধ্যে যে Page গুলি রাখতে হবে :
|
✓ 1. Front Page
|
✓ 2. প্রকল্পের শিরোনাম
|
✓ 3. কৃতজ্ঞতা স্বীকার
|
✓ 4. সূচি পত্র
|
✓ 5. গ্ৰন্থপঞ্জি
|
2. দলগত আলোচনা (Group Discussion : [Brain Storming])
1. Front Page : এই পেজের মধ্যে নিজের স্কুলের নাম, সেমিষ্টারে নাম, বিষয়ের নাম, তোমার নাম, রোল নং, বিভাগ, অধিবর্ষ ইত্যাদি লিখতে হবে।
2. প্রকল্পের শিরোনাম : এখানে তুমি কোন টপিক নিয়ে প্রকল্প লিখবে, সেই টপিকের নাম লিখতে হবে। একটি পেজের মাঝে বড়ো করে শুধুমাত্র শিরোনামটা লিখতে হবে। আমি যে টপিক নিয়ে তোমাদের জন্য লিখে দিচ্ছে সেটি হল – 2. দলগত আলোচনা (Group Discussion : [Brain Storming])
3. কৃতজ্ঞতা স্বীকার : আমি (নিজের নাম), বর্তমানে আমি West Bengal Council of Higher Secondary Board এর অন্তর্গত Sasa Netaji High School (H.S) ( তোমার নিজের স্কুলের নাম) এর ছাত্র বা ছাত্রী। আমার Class 11 Second Semester পাঠ্যক্রমের অন্তর্গত Project বিষয় হল : দলগত আলোচনা (অন্য টপিক হলে তোমার নিজের টপিকের নাম লিখবে)
এই Project টি করার জন্য শিক্ষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মাননীয় বিকাশ কুমার (তোমার শিক্ষকের নাম) মহাশয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষকতার পূর্ণ সহযোগিতা সুন্দরভাবে প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। এছাড়াও যাদের কথা না বললেই নয়, তারা হলেন আমার সহপাঠী তাদের প্রতি রইল বুক ভরা ভালোবাসা। কেননা তারা আমাকে প্রকল্পটি রুপায়ন করতে অনেক সাহায্য করেছে ।
তারিখ : শিক্ষার্থী স্বাক্ষর (তোমার)
4. সূচিপত্র :
ভূমিকা : Group Discussion বা দলগত আলোচনা বা ব্যক্তিগত আলোচনা হল এমন একটি একাধিক ব্যক্তির সংগঠিত কথোপকথন যা ব্যক্তির জীবনের কোন বিষয় নিয়ে ছোট গোষ্ঠীর মধ্যে তারা ধারণা আদান প্রদান করে, তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আদান প্রদান করে এমনকি তারা কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে। দলগতভাবে আবদ্ধ ব্যক্তিরা বা অংশগ্রহণকারীরা একটি পদ্ধতি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করে কোনো একটি বিষয় নিয়ে দীর্ঘ কথোপকথন নিযুক্ত হন তবে সাধারণত একটি ভূমিকা দিয়ে এই দলগত আলোচনা শুরু হয় তারপর প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যক্তিগত মতামত এবং একটি সারাংশ বা রেজোলিউশনের সাথে দলগত বা গোষ্ঠী কত আলোচনা শেষ হয়। মানব জীবনে এই দলগত আলোচনা খুব প্রাসঙ্গিক। কেননা কারণ এই দলগত আলোচনা মধ্য দিয়েই কোনো জটিল বিষয়ে সঠিক সমাধান পাওয়া সম্ভব। তাই আমি আমার প্রজেক্টে দলগত আলোচনা টপিকটি বেছে নিয়েছি।
গ্রুপ আলোচনার মূল উদ্দেশ্য : Group Discussion বা এই দলগত আলোচনার বেশ কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকটি উদ্দেশ্য নীচে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে:
1. উদ্বেগের একটি সমস্যার সমাধানে পৌঁছাতে।
2. জটিল বিষয়গুলিকে খুব সহজেই সমাধান।
3. একটি সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন ধারণা তৈরি করা।
4. দলগত আলোচনা সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া।
5. চাকরির জন্য বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য লিখিত পরীক্ষার পর আবেদনকারীদের বেছে নেওয়ার জন্য।
6. বিভিন্ন আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতায় নিজেদেরকে প্রশিক্ষণ দিতে।
প্রকল্পের গুরুত্ব : দলগত আলোচনা একজন ছাত্রছাত্রীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ শ্রেণীকক্ষে দলগত আলোচনা শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থীর সামাজিক দক্ষতার জন্যই উপকারী নয় বরং তাদের শিক্ষাগত বিকাশ এবং শেখারও উন্নতি ঘটায়। তাই ছাত্রছাত্রীদের স্কুল জীবনে এই দলগত আলোচনা খুব প্রয়োজন।
সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা উন্নত করা : স্কুল জীবনে শেখার উন্নতির জন্য একটি শ্রেণীকক্ষে গ্রুপ আলোচনা ব্যবহার করা হয়, খোলামেলা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করবে এবং শিক্ষার্থীদের নিজেদের জন্য চিন্তা করতে সহায়তা করবে।
বোঝার ক্ষেত্রে সহায়তা : স্কুল জীবনে ছাত্রছাত্রীদের কোনো একটি বিষয় বা ধারণাকে গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করার জন্য গ্রুপ আলোচনার ব্যবহার করা উচিত যা তাদের মনে বিষয়টি দীর্ঘকাল ধরে মনে থাকবে।
যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করা : এই দলগত আলোচনা যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করতেও ব্যবহৃত হয় কারণ এটি শিক্ষার্থীদের কথা বলা উন্নত হয় এবং প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার ক্ষেত্রে আরও আত্মবিশ্বাসী হতে উৎসাহিত করতে পারে। এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদে তাদের যোগাযোগ উন্নত করতে সাহায্য করবে কারণ এটি তাদের আটকে আছে কিনা এবং সাহায্যের প্রয়োজন কিনা তা জিজ্ঞাসা করতে তাদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
পাঠের প্রতি আগ্রহের উন্নতি করা : দলগত আলোচনা কোনো কিছু শেখার উন্নতি করে, কারণ দলগত আলোচনা শিক্ষার্থীদের বক্তা হতে আমন্ত্রণ জানায়। এটি শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে কারণ এটি একই শিক্ষকের কথা শোনার পরিবর্তে অন্য কণ্ঠ শোনার জন্য তাদের মনোযোগ এবং একাগ্রতা বজায় রাখতে পারে, যা তাদের মনোযোগ ধরে রাখে।
প্রতিক্রিয়া প্রদান করা : যখন শিক্ষার্থীরা একটি দলগত আলোচনার মধ্যে একে অপরের কাছে উচ্চস্বরে ধারণাগুলি আলোচনা করে এবং ব্যাখ্যা করে, তখন এটি শিক্ষককে শুনতে সাহায্য করে যে তারা একটি ধারণা শিখেছে কি না। এটি শিক্ষাদানের উপর একটি নিখুঁত প্রতিক্রিয়া। এর অর্থ হল, শিক্ষক যদি দেখেন যে তারা কিছু স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছেন না, তাহলে তারা তাদের আলোচনায় আরও কিছু প্রসঙ্গ বা তথ্য যোগ করে তাদের সাহায্য করতে পারেন।
দলগত আলোচনা (Group Discussion) :
মনোবিদ ওসবর্ণ (Osborn) ব্রেনস্টর্মিং (Brain Storming)-এর উদ্ভাবক। এর মাধ্যমে দলগত চিন্তাকে উৎসাহিত করা হয়। এই ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট দলকে কোনো সমস্যা সমাধানের কথা চিন্তা করতে বলা হয়। 5 থেকে 10 জন শিক্ষার্থী নিয়ে একটি দল গঠিত হয়। শিক্ষক সমস্যা উপস্থাপন করেন। সমস্যা উপস্থাপনের পর দু-একজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমস্যাটি সমাধানের কথা বলে। এরপর আলোচনা শুরু হয়। দলের সদস্যরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করে। এক্ষেত্রে কাউকে কোনোরকম বাধা দেওয়া হয় না। তবে একজনের বক্তব্য অন্যজন গ্রহণ করে বক্তব্য রাখতে পারে। এইভাবে শিক্ষক সব সদস্যদের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন। আলোচনার শেষে বক্তব্যগুলি বিচার করা হয়।
ব্রেনস্টর্মিং-এর ক্ষেত্রে যেসব বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তা হল-
a) সবার চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করা হয়। কারও বক্তব্যের সমালোচনা করা হয় না।
b) অংশগ্রহণকারীরা তাদের ইচ্ছানুযায়ী নতুন নতুন চিন্তাভাবনা প্রকাশ করতে পারে, তাদের দলগত আলোচনা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। যদি বক্তব্যটি অস্বাভাবিক বা অসম্ভব হয় তাও শিক্ষার্থীরা প্রকাশ করতে পারে।
c) নিজের চিন্তাভাবনা ছাড়াও অন্য শিক্ষার্থীর বক্তব্যগুলিকে ব্যাখ্যা, পরিবর্তন, পরিমার্জন ও সংশোধন করার স্বাধীনতাও রয়েছে।
d) কর্মসূচি শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য বা মূল্যায়ন করা হয় না।
আলোচনার বিষয় : শিক্ষা সংস্কারক রাজা রামমোহন রায়
শিক্ষক মহাশয় একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের চারটি দলে (A, B, C, D) ভাগ করে দিলেন। প্রতিদলে 5 জন করে শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ‘ভারতীয় শিক্ষার বিকাশে ভারতীয় সমাজসংস্কারকদের অবদান’ এককটি ভালো করে পড়ে আসতে বললেন। ক্লাসে শিক্ষক মহাশয় বললেন ‘শিক্ষাসংস্কারক রাজা রামমোহন রায়’- এই বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
শিক্ষক মহাশয় A দলের মধ্য থেকে একজনকে বক্তব্য রাখতে বললেন :
A দলের একজন বক্তা : রাজা রামমোহন রায় শিক্ষাক্ষেত্রে নবজাগরণ এনেছিলেন। তিনি শিক্ষাকে সুস্থ, সুন্দর ও সমাজ গড়ার অঙ্গ হিসেবে ভেবেছেন। তিনি বলেছেন পাশ্চাত্য শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে যেসব ভালো দিক রয়েছে, সেগুলিকে আত্মীকরণ করে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় আনা দরকার। তিনি বেদান্ত কলেজ স্থাপন করে ভারতীয় শিক্ষার প্রতি তাঁর অনুরাগের দিক যেমন বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, তেমনই পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার জন্য ইংরেজি ভাষা চর্চার উপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। রামমোহন অন্ধভাবে অনুকরণ বা অন্ধবর্জন কোনো পথই গ্রহণ করেননি। তিনি শিক্ষায় আধুনিকতা আনতে চেয়েছিলেন। তাই রামমোহন রায়কে ভারতীয় শিক্ষাক্ষেত্রে একজন সংস্কারক বলা হয়। শিক্ষক মহাশয় মন দিয়ে A দলের বক্তার বক্তব্য শুনবেন।
শিক্ষক মহাশয় ৪ দলের বক্তাকে এ ব্যাপারে কিছু বক্তব্য রাখতে বললেন :
B দলের একজন বক্তা : রাজা রামমোহন রায় তৎকালীন যুগে আমাদের ভারতীয় শিক্ষার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি হিন্দু কলেজ স্থাপনে এগিয়ে এসেছিলেন, যেখানে তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষাকে কাজে লাগাতে চেয়েছেন, আবার বেদান্ত কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতীয় শিক্ষার প্রতিও গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি শিক্ষায় পাশ্চাত্য দর্শন, বিজ্ঞান ও সাহিত্য পড়ানোর জন্য 1822 সালে হিন্দু ছেলেদের জন্য অ্যাংলো হিন্দু স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেমন-শ্রীরামপুর মিশন, স্কটিশ মিশন প্রভৃতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরিতে বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছেন। সুতরাং ভারতীয় শিক্ষাক্ষেত্রে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান উল্লেখযোগ্য।
বক্তার সুন্দর বক্তব্য শুনে শিক্ষক তার প্রশংসা করলেন। শিক্ষক মহাশয় দল থেকে একজন বক্তাকে এ ব্যাপারে কিছু বলতে বললেন। তিনি বললেন ওরা দুজন যা বলেছে, তা বাদ দিয়ে অন্য পয়েন্ট আলোচনা করো।
C দলের মধ্য থেকে একজন বক্তার বক্তব্য : রাজা রামমোহন রায় দেশের শিক্ষাবিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, শিক্ষার গভীরতার প্রতি তৎকালীন সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। বেদান্ত, উপনিষদের ইংরেজি অনুবাদ করেন ও বিভিন্ন ইংরেজি পুস্তক প্রকাশ করেন। শিক্ষক মহাশয় বললেন সুন্দর বলেছ। অন্যান্য শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিয়ে এই আলোচনা শুনছে। এবার শিক্ষক মহাশয় D দল-এর মধ্য থেকে একজন শিক্ষার্থীকে তার মতামত প্রকাশ করতে বললেন।
D গ্রুপের বক্তার বক্তব্য : রাজা রামমোহন রায় সম্পর্কে আমার তিনজন বন্ধু খুব ভালো বলেছে। আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গ্রুপের বক্তা তুলে ধরল।
যেমন: 1. ব্যাকরণ, ভূগোল, জ্যোতির্বিদ্যা এবং জ্যামিতির উপর বাংলা ভাষার গ্রন্থ রচনা,
2. বাংলা ও ইংরেজি ভাষার যতিচিহ্নের উপর কাজ করেছেন,
3. তিনি বাংলা ভাষায় সংবাদ কৌমুদী প্রকাশ করেন 1821 সালে,
4. নিয়মিত ছোটো ছোটো পুস্তিকা ও প্রবন্ধও প্রকাশ করতেন ইত্যাদি।
সুতরাং প্রতি গ্রুপের একজন করে বক্তা সুন্দরভাবে রাজা রামমোহন রায়ের শিক্ষা সংস্কার সম্পর্কে বলল।
এরপর শিক্ষক মহাশয় সংক্ষেপে রামমোহন রায়ের শিক্ষাসংস্কার সম্পর্কে বললেন ও বোর্ডে মূল বক্তব্যগুলি লিখলেন।
যেমন- 1. শিক্ষার আধুনিকীকরণ,
2. প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মিলন,
3. ইংরেজিভাষার চর্চা ও প্রসার,
4. অ্যাংলো হিন্দু স্কুল; বেদান্ত কলেজ প্রতিষ্ঠা
5. বেদ-বেদান্তের, উপনিষদের ইংরেজি অনুবাদ,
6. 1815-1830 সালের মধ্যে প্রায় 30 টি গ্রন্থ রচনা,
7. Bengal Herald নামে ইংরেজি পত্রিকা প্রকাশ,
8. সংবাদ কৌমুদী (বাংলা ভাষায়) ও ফরাসি ভাষায় মিরাৎ-উল-আখবর পত্রিকা প্রকাশ,
9. নারীশিক্ষার প্রতি অনুরাগ। নারীশিক্ষা প্রসারের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মূলত নারীশিক্ষা কেন্দ্র স্থাপনে উৎসাহিত করা ইত্যাদি।
শিক্ষক মহাশয় সব ছাত্রছাত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আলোচনা শেষ করলেন।
উপসংহার : Group Discussen বা দলগত আলোচনা একটি যোগাযোগমূলক পরিস্থিতিকে বোঝায় যা এক অংশগ্রহণকারীদের সাথে অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের সাথে তাদের মতামত শেয়ার করতে দেয়। যেমনটা আমি উপরের প্রজেক্টে ব্যবহার করে এক গোষ্ঠীর সঙ্গে অন্য গোষ্ঠীর কথোপকথন ব্যবহার করে লিখেছি। একটি গোষ্ঠী আলোচনায়, নির্দিষ্ট শিক্ষাগত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য অনেক শিক্ষার্থী মুখোমুখি যোগাযোগ করে। গ্রুপ আলোচনার সাধারণ রূপ হল ক্লাসরুম আলোচনা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং প্যানেল আলোচনা এবং সম্মেলন। তাই আলোচ্য আলোচনা পর বলতে পারি একবিংশ শতাব্দীর যুগে দাঁড়িয়ে Group Discussion বা দলগত আলোচনা কতটা প্রাসঙ্গিক বা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
5. গ্ৰন্থপঞ্জি :
তুমি এই Project টি তৈরি করার সময় কোনো কোনো বইয়ের সাহায্য নিয়েছো সেই বই গুলির নাম ও প্রকাশিত সংস্থা লিখতে হবে এই গ্ৰন্থপঞ্জি অংশে।
তবে গ্ৰন্থপঞ্জি না লিখলেও কোনো সমস্যা নেই। তোমার স্কুলের দর্শন বিষয়ের শিক্ষক মহাশয়ের একবার গ্ৰন্থপঞ্জি অংশ সম্বন্ধে জিঙ্গাসা করে নিবে।