তৃতীয় শ্রেণি
‘আমাদের পরিবেশ’
বই থেকে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর
————————————————————————-
তৃতীয় অধ্যায়
‘পোশাক’ (পৃষ্ঠা ৮৭-১০৮)
প্রশ্ন ও উত্তর
————————————————————————-
১. প্রশ্ন: আদিম মানুষ কেন গাছের ছাল বা পশুর চামড়া পরত?
উত্তর: প্রচণ্ড ঠান্ডা, রোদ, বৃষ্টি এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করার জন্য।
২. প্রশ্ন: শীতকালে আমরা সাধারণত কেমন পোশাক পরি?
উত্তর: শীতকালে আমরা পশম বা উলের তৈরি গরম পোশাক পরি।
৩. প্রশ্ন: গরমকালে সুতির পোশাক পরা আরামদায়ক কেন?
উত্তর: সুতির পোশাক শরীর ঠান্ডা রাখে এবং শরীরের ঘাম শুষে নিতে পারে।
৪. প্রশ্ন: আদিম মানুষ প্রথম দিকে কী দিয়ে সুতো তৈরি করত?
উত্তর: গাছের আঁশ বা পশুর লোম দিয়ে।
৫. প্রশ্ন: বর্তমানে সিন্থেটিক সুতো কী থেকে তৈরি হয়?
উত্তর: খনিজ তেল থেকে ল্যাবে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সিন্থেটিক সুতো তৈরি হয়।
৬. প্রশ্ন: রেনকোট বা বর্ষাতি কোন ঋতুতে ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: বর্ষাকালে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে রেনকোট ব্যবহার করা হয়।
৭. প্রশ্ন: সিন্থেটিক পোশাকের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা বলো।
উত্তর: সিন্থেটিক পোশাক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়, কিন্তু এটি বেশি গরম ও ঘাম শুষতে পারে না।
৮. প্রশ্ন: উল বা পশম আমরা কোথা থেকে পাই?
উত্তর: ভেড়া, ছাগল বা খরগোশের মতো প্রাণীর লোম থেকে।
৯. প্রশ্ন: রেশম সুতো (Silk) কোন পোকা থেকে পাওয়া যায়?
উত্তর: রেশম মথ বা রেশম গুটি পোকা থেকে।
১০. প্রশ্ন: সিন্থেটিক কাপড়ের জল শোষণ ক্ষমতা কেমন?
উত্তর: সিন্থেটিক কাপড়ের জল শোষণ ক্ষমতা সুতির কাপড়ের চেয়ে অনেক কম।
১১. প্রশ্ন: ইউনিফর্ম (Uniform) বা উর্দি বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট কাজের বা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্দিষ্ট পোশাককে ইউনিফর্ম বলা হয়।
১২. প্রশ্ন: নার্স বা সেবিকাদের পোশাক সাধারণত কেমন রঙের হয়?
উত্তর: নার্সদের পোশাক সাধারণত সাদা রঙের হয়।
১৩. প্রশ্ন: পুলিশ ও ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীদের পোশাকের রং কেমন?
উত্তর: পুলিশের পোশাক খাকি এবং ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীদের পোশাক সাধারণত খাকি বা গাঢ় রঙের হয়।
১৪. প্রশ্ন: তাঁত শিল্পীদের প্রধান কাজ কী?
উত্তর: সুতো দিয়ে কাপড় বোনা।
১৫. প্রশ্ন: আগের দিনে মানুষ সুতো কাটতে কোন যন্ত্র ব্যবহার করত?
উত্তর: চরকা ব্যবহার করত।
১৬. প্রশ্ন: লুঙ্গি ও ধুতি সাধারণত কোন ধরনের পোশাক?
উত্তর: এগুলো হলো সেলাই ছাড়া পোশাক।
১৭. প্রশ্ন: পশুর চামড়া ব্যবহার কেন কমানো উচিত?
উত্তর: বন্যপ্রাণী রক্ষা করার জন্য পশুর চামড়া দিয়ে তৈরি পোশাক ব্যবহার কমানো উচিত।
১৮. প্রশ্ন: পাট থেকে আমরা কী ধরনের পোশাক বা বস্তু পাই?
উত্তর: পাট থেকে চট, বস্তা, ব্যাগ এবং মোটা কাপড় পাওয়া যায়।
১৯. প্রশ্ন: কেন সিন্থেটিক পোশাকে আগুনের সামনে যাওয়া বিপজ্জনক?
উত্তর: সিন্থেটিক কাপড় খুব দ্রুত আগুন ধরে শরীরের সাথে চিপকে যায়।
২০. প্রশ্ন: সোয়েটার বা মাফলার কী দিয়ে তৈরি হয়?
উত্তর: উলের সুতো দিয়ে।
২১. প্রশ্ন: পাহাড়ি এলাকায় মানুষ কেন বেশি পশমের পোশাক পরে?
উত্তর: পাহাড়ি এলাকায় প্রচণ্ড ঠান্ডা থাকে বলে শরীর গরম রাখতে পশমের পোশাক পরে।
২২. প্রশ্ন: স্কুল ইউনিফর্মের প্রয়োজনীয়তা কী?
উত্তর: যাতে স্কুলের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীকে সমান এবং সুশৃঙ্খল দেখায়।
২৩. প্রশ্ন: ডাক্তাররা সাধারণত পোশাকের ওপর কী পরেন?
উত্তর: ডাক্তাররা সাদা রঙের অ্যাপ্রন পরেন।
২৪. প্রশ্ন: কোন গাছ থেকে আমরা কার্পাস তুলা পাই?
উত্তর: শিমুল বা কার্পাস গাছ থেকে।
২৫. প্রশ্ন: কাপড় কাচার পর রোদে দেওয়া হয় কেন?
উত্তর: রোদ কাপড় শুকোতে সাহায্য করে এবং কাপড়ের জীবাণু নাশ করে।
২৬. প্রশ্ন: আদিম যুগের পর মানুষ পোশাক তৈরিতে আর কী ব্যবহার করতে শেখে?
উত্তর: পাখির পালক ও বড় বড় গাছের পাতা।
২৭. প্রশ্ন: দর্জি বা টেলর কী কাজ করেন?
উত্তর: কাপড় মাপ দিয়ে কেটে সেলাই করে পোশাক তৈরি করেন।
২৮. প্রশ্ন: সিল্কের শাড়ি কোন সুতো দিয়ে তৈরি হয়?
উত্তর: রেশম সুতো দিয়ে।
২৯. প্রশ্ন: মানুষ কখন থেকে পোশাকের ডিজাইন করতে শিখল?
উত্তর: মানুষ যখন থেকে সুতো দিয়ে কাপড় বুনতে শিখল, তখন থেকেই নানা ডিজাইন করতে শুরু করল।
৩০. প্রশ্ন: ছাতা কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: রোদ এবং বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে।
৩১. প্রশ্ন: জ্যাকেট সাধারণত কোন কাপড়ে তৈরি হয়?
উত্তর: চামড়া, রেক্সিন বা মোটা সিন্থেটিক কাপড়ে।
৩২. প্রশ্ন: বর্ষাকালে সিন্থেটিক কাপড় পরা কেন সুবিধাজনক?
উত্তর: সিন্থেটিক কাপড় ভিজে গেলে খুব দ্রুত শুকিয়ে যায়।
৩৩. প্রশ্ন: পাটের সুতোকে কী বলা হয়?
উত্তর: সোনালি তন্তু।
৩৪. প্রশ্ন: ফুটবল বা ক্রিকেট খেলোয়াড়দের পোশাক কেমন হয়?
উত্তর: খেলোয়াড়দের পোশাক সাধারণত সিন্থেটিক ও আরামদায়ক হয় যা ঘাম দ্রুত শুকিয়ে দেয়।
৩৫. প্রশ্ন: কোট ও প্যান্ট কোন ধরনের পোশাক?
উত্তর: এগুলো সেলাই করা আধুনিক পোশাক।
৩৬. প্রশ্ন: তাঁত যন্ত্র কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: যেখানে সুতো দিয়ে কাপড় বোনা হয় বা তাঁতিদের ঘরে।
৩৭. প্রশ্ন: উলের উৎস কী?
উত্তর: প্রাণীর লোম।
৩৮. প্রশ্ন: শাড়ি সাধারণত কত হাত লম্বা হয়?
উত্তর: সাধারণত ১০ থেকে ১২ হাত লম্বা হয়।
৩৯. প্রশ্ন: ধুতি কোন কোন অনুষ্ঠানে বেশি পরা হয়?
উত্তর: বিয়েবাড়ি বা পূজোর মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে।
৪০. প্রশ্ন: কেন খুব বেশি টাইট পোশাক পরা উচিত নয়?
উত্তর: এতে শ্বাস নিতে ও চলাফেরা করতে অসুবিধা হতে পারে।
৪১. প্রশ্ন: সুতির কাপড় আয়রন বা ইস্ত্রি করা হয় কেন?
উত্তর: কাপড়ের কুঁচকানো ভাব দূর করে সুন্দর দেখানোর জন্য।
৪২. প্রশ্ন: উলের পোশাক ধোয়ার জন্য কেমন সাবান ব্যবহার করা উচিত?
উত্তর: মৃদু বা হালকা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
৪৩. প্রশ্ন: সিন্থেটিক সুতোকে ‘কৃত্রিম সুতো’ বলা হয় কেন?
উত্তর: এটি প্রকৃতি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় না, মানুষ কারখানায় তৈরি করে।
৪৪. প্রশ্ন: স্কার্ফ কোন কাজে লাগে?
উত্তর: মাথা বা গলা ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করতে।
৪৫. প্রশ্ন: মোজা সাধারণত কী দিয়ে তৈরি হয়?
উত্তর: সুতো বা পশম দিয়ে।
৪৬. প্রশ্ন: গামছা ও তোয়ালের কাজ কী?
উত্তর: স্নানের পর শরীর মোছার কাজে লাগে।
৪৭. প্রশ্ন: কেন শীতকালে কালো বা গাঢ় রঙের পোশাক বেশি আরামদায়ক?
উত্তর: গাঢ় রঙ সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করে শরীর গরম রাখে।
৪৮. প্রশ্ন: আমাদের পোশাক নিয়মিত পরিষ্কার রাখা কেন জরুরি?
উত্তর: চর্মরোগ ও দুর্গন্ধ থেকে দূরে থাকতে।
৪৯. প্রশ্ন: জিন্সের প্যান্ট কী ধরনের কাপড় দিয়ে তৈরি?
উত্তর: মোটা এবং মজবুত ডেনিম কাপড় দিয়ে।
৫০. প্রশ্ন: মানুষের সভ্যতার বিবর্তনে পোশাকের ভূমিকা কী?
উত্তর: পোশাক মানুষকে লজ্জা নিবারণের পাশাপাশি পরিবেশের প্রতিকূলতা থেকে সুরক্ষা দিয়ে সভ্য করেছে।





