
চতুর্থ শ্রেনি
‘আমাদের পরিবেশ’
বই থেকে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর
————–———————————————————–
পঞ্চম অধ্যায়
আমাদের আকাশ (পৃষ্ঠা: ১৮১-২০৯)
প্রশ্ন ও উত্তর
————————————————————————-
প্রশ্ন ১: সৌরজগতের সব শক্তির উৎস কী?
উত্তর: সূর্য।
প্রশ্ন ২: সূর্য কী ধরণের মহাজাগতিক বস্তু?
উত্তর: সূর্য একটি মাঝারি আকারের নক্ষত্র।
প্রশ্ন ৩: চাঁদের কি নিজস্ব আলো আছে?
উত্তর: না, চাঁদ সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়।
প্রশ্ন ৪: চাঁদের কলঙ্ক বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: চাঁদের গায়ে যে কালো দাগগুলো দেখা যায় সেগুলো আসলে বড় বড় গর্ত বা পাহাড়।
প্রশ্ন ৫: মহাকাশ দেখার যন্ত্রের নাম কী?
উত্তর: টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
প্রশ্ন ৬: প্রথম টেলিস্কোপ কে তৈরি করেছিলেন?
উত্তর: হ্যান্স লিপারশে (তবে গ্যালিলিও গ্যালিলি প্রথম এটি আকাশ দেখার কাজে ব্যবহার করেন)।
প্রশ্ন ৭: ধ্রুবতারা কোন দিকে দেখা যায়?
উত্তর: উত্তর আকাশে।
প্রশ্ন ৮: ধ্রুবতারা দেখে আগের দিনে নাবিকেরা কী বুঝত?
উত্তর: উত্তর দিক নির্ণয় করত।
প্রশ্ন ৯: সপ্তর্ষি মন্ডল দেখতে কেমন?
উত্তর: অনেকটা জিজ্ঞাসাচিহ্নের মতো বা সাতটি উজ্জ্বল তারার সমষ্টি।
প্রশ্ন ১০: অমাবস্যা কাকে বলে?
উত্তর: চাঁদের যে রাতে পৃথিবীর দিকে থাকা অংশটি সূর্যের আলো পায় না এবং চাঁদকে একদম দেখা যায় না, তাকে অমাবস্যা বলে।
প্রশ্ন ১১: পূর্ণিমা কাকে বলে?
উত্তর: যে রাতে চাঁদকে একদম গোল থালার মতো উজ্জ্বল দেখায়, তাকে পূর্ণিমা বলে।
প্রশ্ন ১২: কৃষ্ণপক্ষ ও শুক্লপক্ষ বলতে কী বোঝো?
উত্তর: পূর্ণিমার পর থেকে অমাবস্যা পর্যন্ত সময় হলো কৃষ্ণপক্ষ এবং অমাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত সময় হলো শুক্লপক্ষ।
প্রশ্ন ১৩: সূর্যগ্রহণ কখন হয়?
উত্তর: যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ চলে আসে।
প্রশ্ন ১৪: চন্দ্রগ্রহণ কখন হয়?
উত্তর: যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী চলে আসে।
প্রশ্ন ১৫: প্রথম মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: ইউরি গ্যাগারিন।
প্রশ্ন ১৬: মহাকাশে যাওয়া প্রথম প্রাণীর নাম কী?
উত্তর: লাইকা (একটি কুকুর)।
প্রশ্ন ১৭: প্রথম ভারতীয় মহাকাশচারী কে?
উত্তর: রাকেশ শর্মা।
প্রশ্ন ১৮: ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম কী?
উত্তর: আর্যভট্ট।
প্রশ্ন ১৯: কৃত্রিম উপগ্রহ আমাদের কী কাজে লাগে?
উত্তর: আবহাওয়ার খবর জানতে এবং রেডিও ও টিভির সংকেত পাঠাতে।
প্রশ্ন ২০: চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছিলেন কে?
উত্তর: নীল আর্মস্ট্রং।
প্রশ্ন ২১: নীল আর্মস্ট্রং-এর সাথে আর কে চাঁদে গিয়েছিলেন?
উত্তর: এডুইন অলড্রিন।
প্রশ্ন ২২: পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২৩: পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২৪: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরতে কত সময় নেয়?
উত্তর: প্রায় ৩৬৫ দিন বা এক বছর।
প্রশ্ন ২৫: আহ্নিক গতি কাকে বলে?
উত্তর: পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর যে পাক খায় তাকে আহ্নিক গতি বলে (এর ফলে দিন-রাত হয়)।
প্রশ্ন ২৬: জোয়ার-ভাটা কেন হয়?
উত্তর: চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণে সমুদ্রের জল বাড়া-কমাকে জোয়ার-ভাটা বলে।
প্রশ্ন ২৭: মঙ্গল গ্রহে পাঠানো ভারতের মহাকাশ যানের নাম কী?
উত্তর: মঙ্গলযান (Mangalyaan)।
প্রশ্ন ২৮: সৌরজগতে কটি গ্রহ আছে?
উত্তর: ৮টি।
প্রশ্ন ২৯: কোন গ্রহকে ‘নীল গ্রহ’ বলা হয়?
উত্তর: পৃথিবী।
প্রশ্ন ৩০: কোন গ্রহকে ‘লাল গ্রহ’ বলা হয়?
উত্তর: মঙ্গল।
প্রশ্ন ৩১: কোন গ্রহের চারপাশে উজ্জ্বল বলয় দেখা যায়?
উত্তর: শনি।
প্রশ্ন ৩২: সূর্য পৃথিবী থেকে কত গুণ বড়?
উত্তর: প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
প্রশ্ন ৩৩: উল্কা কী?
উত্তর: মহাকাশ থেকে আগত পাথরের খণ্ড যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে জ্বলে ওঠে।
প্রশ্ন ৩৪: ধূমকেতু দেখতে কেমন?
উত্তর: অনেকটা ঝ্যাঁটার মতো লেজযুক্ত উজ্জ্বল আলোর মতো।
প্রশ্ন ৩৫: চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরতে কত সময় নেয়?
উত্তর: প্রায় সাড়ে সাতাশ দিন।
প্রশ্ন ৩৬: সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে কত সময় লাগে?
উত্তর: প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
প্রশ্ন ৩৭: গ্যালিলিও প্রথম টেলিস্কোপ দিয়ে কী দেখেছিলেন?
উত্তর: বৃহস্পতি গ্রহের চারটি উপগ্রহ এবং চাঁদের পাহাড়।
প্রশ্ন ৩৮: মহাকাশ কি মেঘে ঢাকা থাকে?
উত্তর: না, বায়ুমণ্ডলের ওপরে মহাকাশ হলো বায়ুশূন্য অন্ধকার জায়গা।
প্রশ্ন ৩ trasform: ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম কী?
উত্তর: ইসরো (ISRO)।
প্রশ্ন ৪০: দূরবীন দিয়ে দেখার সময় সরাসরি সূর্যের দিকে তাকাতে নেই কেন?
উত্তর: এতে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে এবং মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।




