সহজ পাঠ’ (প্রথম ভাগ) বই থেকে ২০০ টি প্রশ্ন ও তার উত্তর। ১. ‘সহজ পাঠ’ (প্রথম ভাগ) বইটি কার লেখা? উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২. বইটির অলংকরণ বা ছবিগুলি কে এঁকেছেন? উত্তর: নন্দলাল বসু। ৩. পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন দপ্তর এই বইটি প্রকাশ করেছে? উত্তর: বিদ্যালয়-শিক্ষা দপ্তর। ৪. পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ কোন সালের পাঠক্রম অনুযায়ী কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে? উত্তর: ২০১৩ সালের। ৫. শিক্ষার অধিকার আইন ভারত সরকার কত সালে গ্রহণ করেছিল? উত্তর: ২০০৯ সালে। ৬. কোন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ‘সহজ পাঠ’ বইটিকে পাঠ্যবইয়ের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে? উত্তর: বিশেষজ্ঞ কমিটি (২০১১)। ৭. ‘সহজ পাঠ’ বইটির বিন্যাসের ক্ষেত্রে কোন সংস্করণকে হুবহু অনুসরণ করা হয়েছে? উত্তর: বিশ্বভারতী সংস্করণ। ৮. পর্ষদের কথা অনুযায়ী, কোন বিধিটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে? উত্তর: পূর্বতন সংস্করণে ব্যবহৃত বানানবিধি। ৯. পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির নাম কী? উত্তর: মানিক ভট্টাচার্য (সাক্ষর অনুযায়ী)। ১০. “অ আ” দেখে ছোটো খোকা কী বলে? উত্তর: ছোটো খোকা বলে ‘অ আ’। ১১. ছোটো খোকা কী শেখেনি? উত্তর: সে কথা বলতে বা ‘কথা কওয়া’ শেখেনি। ১২. “ই ঈ” দিয়ে লেখা ছড়ায় হ্রস্ব ই ও দীর্ঘ ঈ কী করছে? উত্তর: তারা বসে ক্ষীর ও খই খাচ্ছে। ১৩. হ্রস্ব ই ও দীর্ঘ ঈ কী দিয়ে খই খাচ্ছে? উত্তর: ক্ষীর দিয়ে। ১৪. “উ ঊ” ছড়ায় কারা ডাক ছাড়ছে? উত্তর: হ্রস্ব উ ও দীর্ঘ ঊ। ১৫. তারা কেমন ভাবে ডাক ছাড়ছে? উত্তর: ‘ঘেউ ঘেউ’ করে। ১৬. “ঋ” ছড়ায় ঘন মেঘ কী বলে? উত্তর: ঘন মেঘ বলে ‘ঋ’। ১৭. ঋ-এর ছড়ায় দিনটি কেমন? উত্তর: দিনটি বড়ো বিশ্রী। ১৮. ‘সহজ পাঠ’ বইটি কোন শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য? উত্তর: প্রথম শ্রেণির। ১৯. পাঠ্যবইটি শিক্ষার্থীদের কীভাবে দেওয়া হয়? উত্তর: বিনামূল্যে দেওয়া হয়। ২০. বইটির মুদ্রক প্রতিষ্ঠানের নাম কী? উত্তর: ওয়েস্ট বেঙ্গল টেক্সট বুক কর্পোরেশন লিমিটেড। ২১. পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ কোথায় অবস্থিত? উত্তর: বিধান নগর, কলকাতা (সেক্টর-২)। ২২. ‘সহজ পাঠ’ বইয়ের বর্তমান অবয়বটি কার পরিকল্পিত? উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিকল্পিত। ২৬. “এ ঐ” ছড়ায় তারা কী হাতে করে চলেছে? উত্তর: তারা বাটি হাতে করে চলেছে। ২৭. তারা বাটি হাতে কোথায় চলেছে? উত্তর: তারা বাটি হাতে হাটে চলেছে। ২৮. “ও ঔ” ছড়ায় তারা কাকে ডাকছে? উত্তর: তারা ডাক পাড়ছে— ‘ও ঔ’। ২৯. তারা কেন ডাক পাড়ছে? উত্তর: তারা ভাত আনবার জন্য ডাক পাড়ছে। ৩০. “ক খ গ ঘ” ছড়ায় তারা কী করছে? উত্তর: তারা দল বেঁধে গান গেয়ে চলেছে। ৩১. তারা কোথায় গান গেয়ে চলেছে? উত্তর: তারা পথে গান গেয়ে চলেছে। ৩২. “ঙ” ছড়া অনুযায়ী কে নৌকো চালায়? উত্তর: ‘ঙ’ নৌকো চালায়। ৩৩. ‘ঙ’ নৌকো চালিয়ে কী নিয়ে আসে? উত্তর: সে নৌকো চালিয়ে ব্যাঙ নিয়ে আসে। ৩৪. ব্যাঙ কোথায় বসে থাকে? উত্তর: ব্যাঙ মাঝিপাড়ায় বসে থাকে। ৩৫. “চ ছ জ ঝ” ছড়ায় তারা কীসের দল? উত্তর: তারা সবাই বোঝা মাথায় নিয়ে এক একটি দল। ৩৬. তারা কোথায় চলেছে? উত্তর: তারা হাটে চলেছে। ৩৭. “ঞ” ছড়া অনুযায়ী কে ঘরে বসে আছে? উত্তর: ‘ঞ’ ঘরে বসে আছে। ৩৮. ‘ঞ’ ঘরে বসে কী করছে? উত্তর: সে ঘরে বসে কেঁদে সারা হচ্ছে। ৩৯. “ট ঠ ড ঢ” ছড়ায় তারা কী করছে? উত্তর: তারা কাঁখে করে কলসি নিয়ে চলেছে। ৪০. তারা জল আনতে কোথায় যাচ্ছে? উত্তর: তারা দিঘিতে জল আনতে যাচ্ছে। ৪১. “ণ” ছড়া অনুযায়ী ‘ণ’ কোথায় থাকে? উত্তর: ‘ণ’ থাকে মূর্ধন্যতে। ৪২. ‘ণ’ কেন চুপ করে আছে? উত্তর: তার কোনো কাজ নেই, তাই সে রা কাড়ে না বা চুপ করে আছে। ৪৩. “ত থ দ ধ” ছড়ায় তারা কী নিয়ে চলেছে? উত্তর: তারা তাদের নিজের নিজের ছাতা নিয়ে চলেছে। ৪৪. “ন” ছড়া অনুযায়ী ‘ন’ কোথায় চলে? উত্তর: ‘ন’ কূলের পাশে বা নদীর কিনারায় চলে। ৪৫. ‘ন’ কীসের জন্য জাল ফেলে? উত্তর: মাছ ধরার জন্য। ৪৬. “প ফ ব ভ” ছড়ায় তারা কী নিয়ে চলেছে? উত্তর: তারা মেঘেদের দল, যারা জল নিয়ে চলেছে। ৪৭. “ম” ছড়া অনুযায়ী ‘ম’ কী করছে? উত্তর: ‘ম’ কলসি নিয়ে জল আনতে চলেছে। ৪৮. ‘ম’ কোথায় জল আনতে চলেছে? উত্তর: নদীর ঘাটে। ৪৯. “য র ল ব” ছড়ায় তারা কীসের ভয়ে পালাচ্ছে? উত্তর: তারা বাঘের ভয়ে পালাচ্ছে। ৫০. “শ ষ স” ছড়ায় তারা কী করছে? উত্তর: তারা কাঁপছে এবং শীত করছে বলে হা-হুতাশ করছে। ৫১. বনে কী আছে? উত্তর: বনে আছে অনেক গাছ। ৫২. বনে কোন কোন ফুল ফুটেছে? উত্তর: বনে ফুটেছে অনেক ফুল। ৫৩. বনে কিসের পাখি ডাকছে? উত্তর: বনে বনের পাখি ডাকছে। ৫৪. বনের কাছে কী আছে? উত্তর: বনের কাছে আছে নদী। ৫৫. নদীতে কী আছে? উত্তর: নদীতে আছে অনেক মাছ। ৫৬. কে আম পাড়তে যাচ্ছে? উত্তর: ছোটো খোকা আম পাড়তে যাচ্ছে। ৫৭. সে আম পাড়তে কোথায় যাচ্ছে? উত্তর: সে বনের ভেতরে আম পাড়তে যাচ্ছে। ৫৮. আমের বনে কী আছে? উত্তর: আমের বনে আছে অনেক আম। ৫৯. গাছে গাছে কী ঝুলছে? উত্তর: গাছে গাছে লাল আম ঝুলছে। ৬০. “বড়ো বড়ো বেল” কোথায় আছে? উত্তর: বড়ো বড়ো বেল আছে বনের ধারে। ৬১. বনে কে আছে? (প্রাণী) উত্তর: বনে বাঘ আছে। ৬২. বাঘের গায়ের রং কেমন? উত্তর: বাঘের গা হলুদ, তাতে কালো কালো দাগ। ৬৩. বাঘের ডাক শুনে কী হয়? উত্তর: বাঘের ডাক শুনলে বনে খুব ভয় হয়। ৬৪. বনের ভেতর দিয়ে কী বয়ে চলেছে? উত্তর: বনের ভেতর দিয়ে নদী বয়ে চলেছে। ৬৫. নদীর জল কেমন? উত্তর: নদীর জল খুব স্বচ্ছ বা পরিষ্কার। ৬৬. ‘বড়ো বড়ো’ গাছ কোথায় দেখা যায়? উত্তর: বনের ভেতরে অনেক বড়ো বড়ো গাছ দেখা যায়। ৬৭. “বনে বাঘ আছে”— এটি কত নম্বর পাঠের অংশ? উত্তর: এটি প্রথম পাঠের অংশ। ৬৮. বাদল হয়েছে— এর ফলে আকাশ কেমন? উত্তর: আকাশ কালো হয়ে আছে। ৬৯. বাদল হলে কী ঝরছে? উত্তর: টপ টপ করে জল ঝরছে। ৭০. “ঝম ঝম” করে কী পড়ছে? উত্তর: ঝম ঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। ৭১. বৃষ্টি হলে ঘাস কেমন হয়? উত্তর: বৃষ্টির জলে ঘাস সবুজ হয়ে ওঠে। ৭২. বাদল হলে বনে কী হয়? উত্তর: বাদল হলে বনে জল জমে। ৭৩. বৃষ্টির পর আকাশ কেমন দেখায়? উত্তর: বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার হয় এবং নীল দেখায়। ৭৪. নীল আকাশে কী ওড়ে? উত্তর: নীল আকাশে সাদা মেঘ ওড়ে। ৭৫. “বকের দল” কোথায় ওড়ে? উত্তর: বকের দল আকাশে ওড়ে। ৭৬. “এ ঐ” ছড়ায় তারা বাটি হাতে কোথায় চলেছে? উত্তর: তারা বাটি হাতে হাটে চলেছে। ৭৭. “ও ঔ” ছড়ায় তারা কাকে ভাত আনবার জন্য ডাকছে? উত্তর: তারা ভাত আনবার জন্য ডাক পাড়ছে ‘ও ঔ’। ৭৮. “ক খ গ ঘ” দল বেঁধে কোথায় চলেছে? উত্তর: তারা দল বেঁধে পথে গান গেয়ে চলেছে। ৭৯. নৌকো কে চালায়? উত্তর: ‘ঙ’ নৌকো চালায়। ৮০. নৌকো চালিয়ে ‘ঙ’ কী নিয়ে আসে? উত্তর: সে নৌকো চালিয়ে ব্যাঙ নিয়ে আসে। ৮১. ব্যাঙ কোথায় বসে থাকে? উত্তর: ব্যাঙ মাঝিপাড়ায় বসে থাকে। ৮২. “চ ছ জ ঝ” মাথায় করে কী নিয়ে চলেছে? উত্তর: তারা মাথায় করে বোঝা নিয়ে চলেছে। ৮৩. “ঞ” কোথায় বসে আছে? উত্তর: ‘ঞ’ ঘরে বসে আছে। ৮৪. ঘরে বসে “ঞ” কী করছে? উত্তর: সে ঘরে বসে কেঁদে সারা হচ্ছে। ৮৫. দিঘি থেকে জল আনতে কারা চলেছে? উত্তর: “ট ঠ ড ঢ” কাঁখে কলসি নিয়ে দিঘি থেকে জল আনতে চলেছে। ৮৬. “ণ” কোথায় থাকে? উত্তর: ‘ণ’ থাকে মূর্ধন্যতে। ৮৭. “ণ” কেন কথা বলে না? উত্তর: তার কোনো কাজ নেই বলে সে চুপ করে থাকে বা রা কাড়ে না। ৮৮. “ত থ দ ধ” কী নিয়ে চলেছে? উত্তর: তারা দলে দলে নিজেদের ছাতা নিয়ে চলেছে। ৮৯. “ন” নদীর কিনারায় কী করে? উত্তর: ‘ন’ নদীর কিনারায় মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। ৯০. মেঘের দল কী নিয়ে চলেছে? উত্তর: “প ফ ব ভ” মেঘের দল জল নিয়ে চলেছে। ৯১. কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে জল আনতে কে চলেছে? উত্তর: ‘ম’ কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে জল আনতে চলেছে। ৯২. “য র ল ব” কার ভয়ে পালাচ্ছে? উত্তর: তারা বাঘের ভয়ে পালাচ্ছে। ৯৩. “শ ষ স” কেন কাঁপছে? উত্তর: তাদের খুব শীত করছে বলে তারা কাঁপছে এবং হা-হুতাশ করছে। ৯৪. “হ” কেন হাত তুলছে? উত্তর: আকাশ দেখে ‘হ’ হাত তুলছে। ৯৫. “ক্ষ” কেন বনময় ঘুরছে? উত্তর: ‘ক্ষ’ ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ৯৬. “বনে আছে অনেক গাছ”— এটি কোন পাঠের অংশ? উত্তর: এটি বইয়ের প্রথম পাঠের প্রথম বাক্য। ৯৭. বনের কাছে কী আছে? উত্তর: বনের কাছে নদী আছে। ৯৮. ছোটো খোকা বনে কী পাড়তে যাচ্ছে? উত্তর: ছোটো খোকা বনের ভেতরে আম পাড়তে যাচ্ছে। ৯৯. আমের বনে আমগুলো দেখতে কেমন? উত্তর: আমের বনে লাল লাল আম ঝুলে আছে। ১০০. বাঘের গায়ের রং ও দাগ কেমন? উত্তর: বাঘের গায়ের রং হলুদ এবং তাতে কালো কালো দাগ আছে। ১০১. “বড়ো বউ” এবং “মেজ বউ” কী করছেন? উত্তর: বড়ো বউ ও মেজ বউ থালা ধুয়েছেন। ১০২. তাঁরা থালা ধুয়ে কী করছেন? উত্তর: তাঁরা থালা ধুয়ে আমসত্ত্ব শুকোতে দিয়েছেন। ১০৩. “কচি খোকা” কী করছে? উত্তর: কচি খোকা হাততালি দিচ্ছে। ১০৪. ঘরের ভেতর কে শুয়ে আছে? উত্তর: ঘরের ভেতর দিদিমা শুয়ে আছেন। ১০৫. ছোটো খোকা কখন আম পাড়তে যায়? উত্তর: রোদের বেলায় যখন রোদ ওঠে। ১০৬. “নাম তার মতিবিল”— মতিবিলের জল কেমন? উত্তর: মতিবিলের জল খুব স্বচ্ছ বা নির্মল (পাঠ্যাংশ অনুযায়ী)। ১০৭. বিলের ধারে কী ফুটে আছে? উত্তর: বিলের ধারে সাদা সাদা বক ও কাদাখোঁচা পাখি দেখা যায় এবং কলমি শাক জন্মেছে। ১০৮. মতিবিলে জেলেরা কী দিয়ে মাছ ধরে? উত্তর: জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরে। ১০৯. “দিনু” কী করছে? উত্তর: দিনু ধামা নিয়ে আম পাড়ছে। ১১০. “বিনু” কোথায় বসে আছে? উত্তর: বিনু বনের ছায়ায় বসে আছে। ১১১. “বিনা” কী গান গাইছে? উত্তর: বিনা গুনগুন করে গান গাইছে। ১১২. ঝমঝম করে কখন বৃষ্টি পড়ে? উত্তর: যখন আকাশ কালো হয়ে বাদল হয়। ১১৩. মেঘের রং কেমন? উত্তর: মেঘের রং ঘন কালো। ১১৪. “তাল গাছ” ছড়া অনুযায়ী তাল গাছ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে? উত্তর: তাল গাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। ১১৫. তাল গাছ সব গাছকে ছাড়িয়ে কী করতে চায়? উত্তর: তাল গাছ সব গাছ ছাড়িয়ে আকাশে উঁকি মারতে চায়। ১১৬. তাল গাছের পাতারা কী মনে করে? উত্তর: তাল গাছের পাতারা মনে করে তারা যেন পাখা। ১১৭. হাওয়া যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন তাল গাছ কী করে? উত্তর: হাওয়া থামলে তাল গাছ আবার শান্ত হয়ে নিজের মাটিতে ফিরে আসে। ১১৮. “বাঁশ বাগান” কোথায় দেখা যায়? উত্তর: গ্রামের ধারে বা নদীর কিনারায় বাঁশ বাগান দেখা যায়। ১১৯. “পাখি সব করে রব”— এই কথাটির অর্থ কী? উত্তর: পাখিরা সব ডাকাডাকি করছে। ১২০. সকালবেলা সূর্য কোন দিকে ওঠে? উত্তর: সকালবেলা সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। ১২১. ঘাসের উপর কী পড়ে থাকে? উত্তর: ঘাসের উপর ভোরের শিশির পড়ে থাকে। ১২২. “সহজ পাঠ” বইয়ের ছবিগুলো কী ধরণের? উত্তর: ছবিগুলো সাদা-কালো এবং রেখাচিত্রের (লিনোকাট স্টাইল)। ১২৩. “বৌদি” কী রান্না করছেন? উত্তর: বৌদি উনুনে ভাত রাঁধছেন। ১২৪. “ঠাকুরদা” কোথায় বসে আছেন? উত্তর: ঠাকুরদা দাওয়ায় বসে তামাক খাচ্ছেন। ১২৫. বৃষ্টির দিনে ছোটোরা কী করে? উত্তর: বৃষ্টির দিনে ছোটোরা ঘরের ভেতর বসে খেলা করে বা গল্প শোনে। ১২৬. ‘এ ঐ’ ছড়ায় তারা কী হাতে নিয়ে চলেছে? উত্তর: তারা বাটি হাতে নিয়ে চলেছে। ১২৭. ‘ও ঔ’ ছড়ায় তারা কী ডাক পাড়ছে? উত্তর: তারা ভাত আনবার জন্য ‘ও ঔ’ বলে ডাক পাড়ছে। ১২৮. ‘ক খ গ ঘ’ দল বেঁধে কোথায় চলেছে? উত্তর: তারা দল বেঁধে পথে গান গেয়ে চলেছে। ১২৯. ‘ঙ’ নৌকো চালিয়ে কী নিয়ে আসে? উত্তর: সে নৌকো চালিয়ে ব্যাঙ নিয়ে আসে। ১৩০. ব্যাঙ কোথায় বসে থাকে? উত্তর: ব্যাঙ মাঝিপাড়ায় বসে থাকে। ১৩১. ‘চ ছ জ ঝ’ মাথায় কী করে চলেছে? উত্তর: তারা সবাই মাথায় করে বোঝা নিয়ে চলেছে। ১৩২. ‘ঞ’ কোথায় বসে আছে? উত্তর: ‘ঞ’ ঘরে বসে আছে। ১৩৩. দিঘি থেকে জল আনতে কারা চলেছে? উত্তর: ‘ট ঠ ড ঢ’ কাঁখে কলসি নিয়ে দিঘি থেকে জল আনতে চলেছে। ১৩৪. ‘ণ’ কেন রা কাড়ে না? উত্তর: তার কোনো কাজ নেই, তাই সে চুপ করে থাকে বা রা কাড়ে না। ১৩৫. ‘ত থ দ ধ’ দলে দলে কী নিয়ে চলেছে? উত্তর: তারা ছাতা নিয়ে চলেছে। ১৩৬. ‘ন’ নদীর কিনারায় কেন জাল ফেলে? উত্তর: মাছ ধরার জন্য। ১৩৭. ‘প ফ ব ভ’ মেঘের দল কী নিয়ে চলেছে? উত্তর: তারা জল নিয়ে চলেছে। ১৩৮. কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে কে চলেছে? উত্তর: ‘ম’ কলসি নিয়ে নদীর ঘাটে চলেছে। ১৩৯. ‘য র ল ব’ কেন পালাচ্ছে? উত্তর: তারা বাঘের ভয়ে পালাচ্ছে। ১৪০. ‘শ ষ স’ কেন কাঁপছে? উত্তর: তাদের খুব শীত করছে বলে তারা কাঁপছে। ১৪১. আকাশ দেখে কে হাত তুলছে? উত্তর: ‘হ’ আকাশ দেখে হাত তুলছে। ১৪২. ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় কে ঘুরে বেড়াচ্ছে? উত্তর: ‘ক্ষ’ ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ১৪৩. “বনে আছে অনেক গাছ”— এটি কোন পাঠে আছে? উত্তর: এটি প্রথম পাঠে আছে। ১৪৪. বনের ভেতর দিয়ে কী বয়ে যায়? উত্তর: বনের ভেতর দিয়ে নদী বয়ে যায়। ১৪৫. নদীর জল কেমন? উত্তর: নদীর জল টলটলে বা পরিষ্কার। ১৪৬. ছোটো খোকা কোথায় আম পাড়তে যায়? উত্তর: সে বনের ভেতরে আম পাড়তে যায়। ১৪৭. “বনে বাঘ আছে”— বাঘের গায়ের রং কেমন? উত্তর: বাঘের গা হলুদ, তাতে কালো কালো দাগ। ১৪৮. বাঘের ডাক শুনলে কেমন লাগে? উত্তর: বাঘের ডাক শুনলে বনে খুব ভয় হয়। ১৪৯. বাদল হলে আকাশ কেমন হয়? উত্তর: বাদল হলে আকাশ কালো হয়ে থাকে। ১৫০. টপ টপ করে কী পড়ছে? উত্তর: টপ টপ করে বৃষ্টির জল পড়ছে। ১৫১. “এখন বলো তো”— ঘাস কেন সবুজ হয়? উত্তর: বৃষ্টির জল পেয়ে ঘাস সবুজ হয়ে ওঠে। ১৫২. “কালো মেঘ” হলে কী ঢাকা পড়ে? উত্তর: কালো মেঘে আকাশ ঢাকা পড়ে। ১৫৩. বৃষ্টির পরে যখন রোদ ওঠে, তখন ঘাসের ডগায় কী ঝিকমিক করে? উত্তর: বৃষ্টির জল বা শিশিরবিন্দু। ১৫৪. “পথের ধারে” কোন গাছ দেখা যায়? উত্তর: পথের ধারে সাধারণত বট বা তাল গাছ দেখা যায় (বইয়ের ছবি ও বর্ণনা অনুযায়ী)। ১৫৫. “পাখি” কোথায় বাসা বাঁধে? উত্তর: পাখি গাছের ডালে বাসা বাঁধে। ১৫৬. “নদী” কোথায় গিয়ে মেশে? উত্তর: নদী সাগরে গিয়ে মেশে। ১৫৭. “মাছ” কোথায় খেলা করে? উত্তর: মাছ নদীর জলে খেলা করে। ১৫৮. “বক” দেখতে কেমন? উত্তর: বক দেখতে সাদা। ১৫৯. “শীত” কালে আমরা কী গায়ে দিই? উত্তর: শীত কালে আমরা চাদর বা গরম কাপড় গায়ে দিই। ১৬০. “রাখাল” কী করে? উত্তর: রাখাল গরু চড়ায়। ১৬১. “বউ” কেন থালা ধোয়? উত্তর: আমসত্ত্ব শুকোতে দেওয়ার আগে পরিষ্কার করার জন্য। ১৬২. “আমসত্ত্ব” কিসে শুকোতে দেওয়া হয়? উত্তর: আমসত্ত্ব রোদে শুকোতে দেওয়া হয়। ১৬৩. “ক্ষীর” দিয়ে কী খাওয়া হয়? উত্তর: ক্ষীর দিয়ে খই খাওয়া হয়। ১৬৪. “কলো মেঘ” দেখে কার খুব ভয় হয়? উত্তর: বনের ভেতরে বাঘের ডাক শুনলে যেমন ভয় হয়, ঘন অন্ধকারেও অনেকের ভয় হয়। ১৬৫. “রোদ” উঠলে পাখিরা কী করে? উত্তর: রোদ উঠলে পাখিরা গান গায় ও ওড়াউড়ি করে। ১৬৬. “সহজ পাঠ” বইটিতে বর্ণপরিচয় কীভাবে শেখানো হয়েছে? উত্তর: ছোটো ছোটো ছড়া ও ছবির মাধ্যমে। ১৬৭. “উ ঊ” কীভাবে ডাক ছাড়ে? উত্তর: তারা ঘেউ ঘেউ করে ডাক ছাড়ে। ১৬৮. “দিনটি বড়ো বিশ্রী”— এটি কোন ছড়ার অংশ? উত্তর: এটি ‘ঋ’ বর্ণের ছড়ার অংশ। ১৬৯. “ভাত” আনবার জন্য কারা ডাক পাড়ছে? উত্তর: ‘ও ঔ’ ভাত আনবার জন্য ডাক পাড়ছে। ১৭০. “মাঝিপাড়া”য় কে বসে থাকে? উত্তর: মাঝিপাড়ায় ব্যাঙ বসে থাকে। ১৭১. “বোঝা” মাথায় করে কারা হাটে যায়? উত্তর: ‘চ ছ জ ঝ’ মাথায় বোঝা নিয়ে হাটে যায়। ১৭২. “মূর্ধন্য”তে কে থাকে? উত্তর: ‘ণ’ মূর্ধন্যতে থাকে। ১৭৩. “মাছ ধরার জাল” কে ফেলে? উত্তর: ‘ন’ নদীর কিনারায় জাল ফেলে। ১৭৪. “মেঘের দল” কী নিয়ে আসে? উত্তর: মেঘের দল জল নিয়ে আসে। ১৭৫. “বনময়” কে ঘুরে বেড়ায়? উত্তর: ‘ক্ষ’ ঘাড় বেঁকিয়ে বনময় ঘুরে বেড়ায়। ১৭৬. “ছুটি” হলে খোকা কী করতে চায়? উত্তর: ছুটি হলে খোকা দূরে কোথাও বা মাঠে খেলা করতে যেতে চায়। ১৭৭. “শাদা ছাতা” কার মাথায়? উত্তর: ‘ত থ দ ধ’ যখন দলে দলে চলে, তাদের মাথায় ছাতা থাকে। ১৭৮. “মাছরাঙা” পাখিটি কেমন? উত্তর: মাছরাঙা পাখিটি মাছ ধরার জন্য জলের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং ছোঁ মেরে মাছ ধরে। ১৭৯. “চুপ করে বসা” কার স্বভাব? উত্তর: কাজ নেই বলে ‘ণ’ চুপ করে বসে থাকে। ১৮০. “খেলাধুলা” কখন করা ভালো? উত্তর: বিকেল বেলা বা পড়ার শেষে খেলাধুলা করা ভালো। ১৮১. “পিঁপড়ে” কী করে? উত্তর: পিঁপড়েরা সার বেঁধে চলে এবং খাবার সংগ্রহ করে। ১৮২. “সহজ পাঠ” বইতে সবচেয়ে বেশি কিসের ছবি আছে? উত্তর: প্রকৃতি, গ্রামবাংলার মানুষ এবং পশুপাখির ছবি। ১৮৩. “বনমালী” কী করে? উত্তর: বনমালী বাগানে কাজ করে এবং ফুল গাছ দেখে রাখে। ১৮৪. “কলসি” কাঁখে জল আনতে কে যায়? উত্তর: ‘ম’ এবং ‘ট ঠ ড ঢ’ দল কলসি কাঁখে জল আনতে যায়। ১৮৫. “চাঁদ” কখন ওঠে? উত্তর: রাতের বেলা আকাশে চাঁদ ওঠে। ১৮৬. “তারা” কোথায় দেখা যায়? উত্তর: রাতের বেলা নীল আকাশে তারা দেখা যায়। ১৮৭. “পাখি” কখন গান গায়? উত্তর: ভোরবেলা বা সূর্য উঠলে পাখিরা গান গায়। ১৮৮. “সকাল” হলে ছোটোরা কী করে? উত্তর: সকাল হলে ছোটোরা পড়তে বসে। ১৮৯. “হাট” কবে বসে? উত্তর: হাট সাধারণত সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে বসে, যেখানে লোকজন সওদা করতে আসে। ১৯০. “গাছ” আমাদের কী দেয়? উত্তর: গাছ আমাদের ফল, ছায়া এবং অক্সিজেন দেয়। ১৯১. “ছায়া” কোথায় পাওয়া যায়? উত্তর: বড়ো গাছের নিচে ছায়া পাওয়া যায়। ১৯২. “জল” ছাড়া কারা বাঁচতে পারে না? উত্তর: মাছ এবং সব জীবজন্তু জল ছাড়া বাঁচতে পারে না। ১৯৩. “পড়াশোনা” শেষ হলে খোকা কী করে? উত্তর: পড়াশোনা শেষ হলে খোকা মায়ের কাছে গল্প শুনতে চায় বা খেলতে যায়। ১৯৪. “সহজ পাঠ” বইটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? উত্তর: এটি শিশুদের সহজ ভাষায় বাংলা পড়তে ও শিখতে সাহায্য করে। ১৯৫. বইটির ছবিগুলো কাদের আঁকা স্টাইলে? উত্তর: বিখ্যাত চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর আঁকা লিনোকাট বা রেখাচিত্রের স্টাইলে। ১৯৬. “অ আ” ছড়াতে খোকার কথা বলার কথা কেন বলা হয়েছে? উত্তর: কারণ ছোটো খোকা তখনো কথা বলা শেখেনি, তাই সে শুধু ‘অ আ’ বলে। ১৯৭. “মেঘের কোলে রোদ হেসেছে” কথাটির অর্থ কী? উত্তর: মেঘ সরে গিয়ে আকাশ পরিষ্কার হয়েছে এবং রোদ উঠেছে। ১৯৮. “বই” আমাদের কী শেখায়? উত্তর: বই আমাদের জ্ঞান দেয় এবং নতুন কিছু জানতে সাহায্য করে। ১৯৯. “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর” ছোটোদের জন্য কী কী লিখেছেন? উত্তর: সহজ পাঠ ছাড়াও তিনি অনেক কবিতা, গল্প ও গান লিখেছেন। ২০০. “সহজ পাঠ” প্রথম ভাগে মোট কয়টি পাঠ আছে? উত্তর: বইটিতে মূলত বর্ণপরিচয় এবং কয়েকটি ছোটো ছোটো পাঠ ও ছড়া আছে। Share this: Click to share on Facebook (Opens in new window) Facebook Click to share on X (Opens in new window) X Like this:Like Loading... Related