ষষ্ঠ শ্রেণি 

বাংলা

Set-1

প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন
ষষ্ঠ শ্রেণি   বিষয় : বাংলা
সময় : ১ ঘণ্টা                          পূর্ণমান : ৩০

১। নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির দু-এক কথায় উত্তর দাও (যে-কোনাে পাঁচটি) : ১×৮=৮

১. ভর দুপুরে কবিতাটির কবি হলেন— (শক্তি চট্টোপাধ্যায় / নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী / সুকুমার রায় / অরুণ মিত্র)।

উত্তরঃ নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

২. মাছরাঙা পাখির গায়ের রং- (ঘোর খয়েরি / মিশকালো / লাল-হরিদ্রা-সবুজাভ / নীল-নীলান্ত)।

উত্তরঃ নীল-নীলান্ত।

৩. কুমোরে-পোকার গায়ের রং (সাদা / লাল / হলুদ / কালো)।

উত্তরঃ কালো।

৪. মাহুতের ভাষায় ‘ভোরি, কথাটির অর্থ হল– (পিছনে যাও / কাত হও / সাবধান হও / উপরে যাও)।

উত্তরঃ পিছনে যাও।

৫. সরস্বতী শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হবে– (সর + স্বতী / সরঃ + বতী / সর + সতী / স্বর + স্বতী)।

উত্তরঃ সরঃ + বতী।

৬. ‘চতুরঙ্গ’ শব্দটি– (স্বরসন্ধি / ব্যঞ্জন সন্ধি / বিসর্গ সন্ধি / নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গ সন্ধি)।

উত্তরঃ বিসর্গ সন্ধি।

৭. ‘অন্ন’ শব্দটির প্রচলিত অর্থ অনুসারে ঠিকটি হল- (ডাল / ভাত / চাল / যে-কোনো খাবার)।

উত্তরঃ ভাত।

৮. একটি যৌগিক শব্দের উদাহরণ হল– (হলুদ / মাথা / চার / বিদ্যালয়)।

উত্তরঃ বিদ্যালয়।

২। যে-কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ১×৪=৪

২.১ অশ্বথ গাছটির তলায় কী পাতা, কেমন করে পাতা ?

উত্তরঃ অশ্বত্থ গাছের তলায় ঘাসের গালচে খানি আদর করে পাতা আছে।

২.২ নারকেল গাছের মাথার উপর কী, কেমন ভাবে ভাসছে ?

উত্তরঃ নারকেল গাছের মাথার উপর দিয়ে ডানা মেলে শঙ্খচিল ভাসছে।

২.৩ পাইন দাঁড়িয়ে আছে কীভাবে ?

উত্তরঃ মরুতটে পাইন গাছ একপায়ে দাঁড়িয়ে আছে আকাশে নয়ন তুলে।

২.৪ মেনি কী কী খায় ?

উত্তরঃ মেনি দুধ, মাছ আর দই খায়।

২.৫ ক্যাস্টাং সাহেব কত বছর বন্য জন্তুদের সঙ্গে থেকেছেন ?

উত্তরঃ ক্যাস্টাং সাহেব প্রায় চল্লিশ বছর বন্য জন্তুদের সঙ্গে থেকেছেন।

২.৬ কুমােরে-পােকা দেখতে কেমন ?

উত্তরঃ কুমোরে-পোকার চেহারাটি লিকলিকে। গায়ের রং আগাগোড়া মিশমিশে কালো এবং শরীরের মধ্যস্থলের বোঁটার মতো সরু অংশটি হলদে।

৩। যে-কোনো ছয়টি প্রশ্নের উত্তর দাও : ১×৬=৬

৩.১ বিসর্গ পরিবর্তিত বা লুপ্ত হয় না এমন একটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ প্রাতঃ + কাল = প্রাতঃকাল।

৩.২ নীচের পদটি বিসর্গসন্ধির নিয়মে বিশ্লেষণ করো :

উত্তরঃ নিরীশ্বর = নিঃ + ঈশ্বর [বিসর্গ (ঃ) রূপান্তরিত হয়ে ‘র্’ হয়েছে]।

৩.৩ উল্লিখিত বাক্য থেকে বিসর্গসন্ধিযুক্ত পদগুলিকে চিহ্নিত করো : অহোরাত্র পরিশ্রম করে শেষে তার পুরস্কার পেলাম।

উত্তরঃ অহোরাত্র, পুরস্কার।

৩.৪ সোয়া পাঁচটা বলতে কী বোঝো ?

উত্তরঃ পাঁচটা বেজে ১৫ মিনিট বোঝায়।

৩.৫ সামুদ্রিক- গঠনগতভাবে কোন শব্দ ?

উত্তরঃ শব্দের সঙ্গে শব্দাংশ জুড়ে সাধিত শব্দ।

৩.৬ মৌলিক শব্দের আরেক নাম কী ?

উত্তরঃ সিদ্ধ শব্দ।

৩.৭ ঝি শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থ লেখ।

উত্তরঃ ঝি শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো কন্যা বা মেয়ে এবং প্রচলিত অর্থ হল পরিচারিকা।

৪। যে-কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ১×৪=৪

৪.১ গেছোদাদা কী কাজে সাহায্য করে ?

উত্তরঃ কেউ কোথাও যেতে চাইলে তাকে রাস্তা বলে দেওয়া।

৪.২ গল্প কথককে গরম লাগলে বিড়াল কোথায় যেতে বলেছে ?

উত্তরঃ গল্প কথককে গরম লাগলে বিড়াল কথককে তিব্বতে যেতে বলেছে ।

৪.৩ “কিছুতেই দেখা হওয়ার জো নেই।”— কার সঙ্গে কেন দেখা হবার জো নেই ?

উত্তরঃ গেছোদাদার সঙ্গে দেখা হবার জো নেই, কেন-না সে সবসময় এক জায়গায় থাকে না।

৪.৪ বেড়ালের মতে তিব্বতে যাওয়ার সিধে পথটি কী ?

উত্তরঃ বেড়ালের মতে তিব্বত যাওয়ার সোজা রাস্তাটি হল- কলকাতা, ডায়মন্ড হারবার, রানাঘাট। এই পথে সওয়া এক ঘণ্টার মতো সময় লাগবে।

৪.৫ “এতো হামেশাই হচ্ছে।”—হামেশাই কী হচ্ছে ?

উত্তরঃ একটা ডিম থেকে দিব্যি একটা প্যাঁকপেঁকে হাঁস হামেশাই হচ্ছে।

৪.৬ লেখক সুকুমার রায় কোথায় ঘুমিয়ে ছিলেন ?

উত্তরঃ লেখক সুকুমার রায় গাছতলায় ঘুমিয়ে ছিলেন।

৫। যে-কোনাে দুটি প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২×২=৪

৫.১ “আঁচল পেতে বিশ্বভুবন / ঘুমােচ্ছে এইখানে।” – কবির এমন ভাবনার কারণ কী ?

উত্তরঃ ‘ভরদুপুরে’ কবিতায় কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী একটি নিস্তব্ধ দুপুরের ছবি এঁকেছেন। অলস মধ্যাহ্নে খাঁ খাঁ করা রোদে ছাতার মতো ডালপালা মেলে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি অশ্বত্থ গাছ। তার তলায় শুয়ে শুয়ে রাখালবালক আকাশের বুকে মেঘেদের আনাগোনা দেখছে। নৌকা ঘাটে বাঁধা, অথচ নৌকার মাঝি নেই। ঘরে ঘরে দরজা দিয়ে মানুষ ঘুমোচ্ছে। অর্থাৎ চারদিকে কোনও কর্মচাঞ্চল্য, কোনও ব্যস্ততা নেই। তাই কবির মনে হয়েছে বিশ্বভুবন যেন এখানে আঁচল পেতে ঘুমিয়ে পড়েছে।

৩.৩ ঘাসফড়িং-এর সঙ্গে কবির কীভাবে নতুন আত্মীয়তা গড়ে উঠেছিল ?

উত্তরঃ অরুণ মিত্র রচিত ‘ঘাসফড়িং’ গল্পে একদিন যখন ঝিরঝিরে বৃষ্টি হওয়ার পর কবি বৃষ্টিভেজা ঘাসে পা দিয়েছেন, তখন কবির দৃষ্টি পড়ে একটা ঘাস ফড়িং এর দিকে, যে সবুজ মাথা তুলে কবিকে অনেক খেলা দেখিয়েছে। ঘাসফড়িং-এর সঙ্গে কবির গলায় গলায় ভাব হয় এবং কবির সঙ্গে ঘাসফড়িং-টির নতুন আত্মীয়তা গড়ে ওঠে।

৫.৩ পামগাছের বুক বেদনায় ভরা কেন ?

উত্তরঃ পামগাছ উত্তরে বুনো নগ্ন পাহাড়ের উপর একা নিঃসঙ্গ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আকাশে চোখ তুলে আছে তপ্ত মরুতটে। তাই তার বুক বেদনায় ভরা।

৬। যে-কোনাে দুটি প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২×২=৪

৬.১ কুমােরে-পােকা কীভাবে বাসা বাঁধে ?

উত্তরঃ কুমোরে-পোকার ডিম পাড়ার সময় হলে উপযুক্ত স্থান খুঁজতে বের হয়। তারপর পঞ্চাশ গজ ব্যবধানের মধ্যে নরম কাদামাটির সন্ধান করতে থাকে। সাধারণত কাদামাটির সন্ধান পেলেই ভালো করে রাস্তা চিনে নেয়। তারপর ওই নরম কাদামাটি মুখে করে নিয়ে এসে বাসা বাঁধে।

৬.২ ‘স্বপ্নে সে অনেক কিছু জানতে পেরেছে।’– কার স্বপ্ন দেখার কথা বলা হয়েছে ? স্বপ্ন দেখে সে কী জেনেছে ?

উত্তরঃ এখানে আকন্দবাড়ি স্কুলের ছাত্র শংকরের স্বপ্ন দেখার কথা বলা হয়েছে।

স্বপ্নে শংকর এমু পাখির সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছে। এছাড়া জেনেছে, স্বপে বাতাসের রং নীলচে, বাড়ি ঘরদোর খয়েরি রঙের। স্বপ্নে ধাক্কা কিংবা গুঁতো খেলে কোনো ব্যথা লাগে না। তাই ঘোলপুকুরে বড়োদিঘিতে ডুব দেওয়াব সময় দিঘিতে পোঁতা বাঁশে গা ঘসে গেলেও তার গায়ে ব্যথা লাগে নি।

৬.৩ “তাই তারা স্বভাবতই নীরব”—  কাদের কথা বলা হয়েছে ? তাদের এই স্বভাবগত নীরবতার কারণ কী ?

উত্তরঃ সুবিনয় রায়চৌধুরী রচিত ‘পশুপাখির ভাষা’ রচনায় বন্য প্রাণীদের কথা বলা হয়েছে।

জঙ্গলের পশুকে সর্বদাই প্রাণ বাঁচিয়ে চলতে হয়। আত্মরক্ষার জন্য তারা স্বভাবতই নীরব। পোষা জন্তুদের মতো তারা নিরাপদ নয়।

 

 

SOURCE- HZN

©kamaleshforeducation.in(2023)

 

error: Content is protected !!
Scroll to Top