

প্রথম শ্রেণি
‘স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা’
কার্ড ২৩: ‘সু-অভ্যাসের শিক্ষা’

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর:
অতিসংক্ষিপ্ত/নৈর্ব্যক্তিক/সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
১. সু-অভ্যাস বলতে কী বোঝায়?
✅ উত্তর: যে সমস্ত ভালো কাজ নিয়মিত অনশীলনের মাধ্যমে আমাদের আচরণের অঙ্গে পরিণত হয়, তাকে সু-অভ্যাস বলে।
২. ❓ সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম কাজ কী হওয়া উচিত?
✅ উত্তর: সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে ওঠা এবং বড়দের প্রণাম বা অভিবাদন জানানো একটি সু-অভ্যাস।
৩. দাঁত মাজার সঠিক নিয়ম কী?
✅ উত্তর: প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর আগে নিয়ম করে দাঁত মাজা উচিত।
৪. খাবার খাওয়ার আগে ও পরে কী করা জরুরি?
✅ উত্তর: খাবার খাওয়ার আগে ও পরে সাবান দিয়ে হাত খুব ভালো করে ধোয়া জরুরি।
৫. নখ বড় রাখা কি ভালো অভ্যাস?
✅ উত্তর: না, নখ বড় রাখা ক্ষতিকর; সপ্তাহে অন্তত একদিন নখ কেটে ছোট ও পরিষ্কার রাখা উচিত।
৬. পড়াশোনার ক্ষেত্রে সু-অভ্যাস কোনটি?
✅ উত্তর: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসা এবং পড়ার টেবিল গুছিয়ে রাখা একটি সু-অভ্যাস।
৭. হাঁচি বা কাশির সময় কী করা উচিত?
✅ উত্তর: হাঁচি বা কাশির সময় রুমাল দিয়ে মুখ ঢাকা একটি অন্যতম সু-অভ্যাস।
৮. রাস্তায় চলার সময় কোন নিয়ম মানা উচিত?
✅ উত্তর: রাস্তায় চলার সময় সবসময় ফুটপাথ ব্যবহার করা এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা উচিত।
৯. সু-অভ্যাস গঠনের সঠিক সময় কোনটি?
✅ উত্তর: ছোটবেলা থেকেই সু-অভ্যাস গঠনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। ১০. মিথ্যা কথা বলা কি অভ্যাস?
✅ উত্তর: হ্যাঁ, এটি একটি কু-অভ্যাস; সবসময় সত্য কথা বলা একটি মহৎ সু-অভ্যাস।
রচনামূলক / বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
১১. ব্যক্তিগত জীবনে সু-অভ্যাসের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।
✅ উত্তর: সু-অভ্যাস মানষুকে সুশৃঙ্খলও মার্জিত করে তোলে। এটি শরীরকে সুস্থ রাখে, মনের জোর বাড়ায় এবং সমাজে সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করে। ভালো অভ্যাস থাকলে মানষু সহজেই উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে।
১২. শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে কোন কোন সু-অভ্যাস মেনে চলা উচিত? ✅ উত্তর: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত সুষম খাবার খাওয়া, সময়মতো পর্যাপ্ত ঘুমানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
১৩. বিদ্যালয় ও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের কোন কোন সু-অভ্যাস পালন করা দরকার?
✅ উত্তর: বিদ্যালয়ে নিয়মিত ও সময়মতো উপস্থিত হওয়া, শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করা, সহপাঠীদের সাথে মিলেমিশে থাকা এবং শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার রাখা শিক্ষার্থীদের প্রধান সু-অভ্যাস।
১৪. পরিবেশ রক্ষায় আমাদের কী কী সু-অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত?
✅ উত্তর: যেখানে সেখানে থতুুবা ময়লা না ফেলা, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, গাছের যত্ন নেওয়া এবং জলের অপচয় বন্ধ করা পরিবেশ রক্ষায় অত্যন্ত জরুরি সু-অভ্যাস।
১৫. সু-অভ্যাস কীভাবে চরিত্র গঠনে সাহায্য করে?
✅ উত্তর: সু-অভ্যাস মানুষের চিন্তা ও কাজকে ইতিবাচক করে। ধৈর্য, সততা, সময়ানবুর্তিতা ও পরোপকারের মতো অভ্যাসগুলো নিয়মিত চর্চা করলে একজন মানুষের চরিত্র সুন্দর ও আদর্শ হয়ে ওঠে।
©kamaleshforeducation.in(2023)




