তৃতীয় শ্রেণির বাংলা

(পাতাবাহার) বইয়ের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর:

*********************************************************  

চতুর্থ পাঠ:

নদী
(শক্তি চট্টোপাধ্যায়)

 

********************************************************* 

 

 

চতুর্থ পাঠ:

নদী
(শক্তি চট্টোপাধ্যায়)

 

অধ্যায় ভিত্তিক অতিরিক্ত প্রশ্নােত্তর:


১. একটি বাক্যে উত্তর দাও:
১.১ নদীর কথা বললে প্রথমেই তোমার কোন নদীর নাম মনে আসে?
উত্তর: নদীর কথা বললে প্রথমেই গঙ্গা, পদ্মা, তিস্তা, অজয়, দামোদর নদীর কথা মনে আসে ।
১.২ নদী থেকে আমরা কোন কোন জিনিস পাই?
উত্তর: নদী থেকে আমরা জল, বালি, মাছ, কচ্ছপ প্রভৃতি পাই  ।
১.৩ নদীতে চলে এমন কয়েকটি যানবাহনের নাম লেখো।
উত্তর: নদীতে চলে এমন কয়েকটি যান হল-নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার প্রভৃতি ।
১.৪ নদীতে পাওয়া যায় এমন কয়েকটি মাছের নাম লেখো।

উত্তর: নদীতে পাওয়া যায় এমন কয়েকটি মাছ হল-ইলিশ, চিংড়ি, বেলে প্রভৃতি ।
১.৫ নদীর ওপর সেতু তৈরি করা হয় কেন?
উত্তর: যাত্রী ও পণ্য নিয়ে যাতায়াত করা সহজ হয় বলে ।

 ২. নীচে পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি নদীর নাম দেওয়া হল। নদীগুলি কোথায় তা শিক্ষিকা শিক্ষকের থেকে জেনে নিয়ে লেখো:
ভাগীরথী –মুর্শিদাবাদ.
অজয়→ বর্ধমান,
তিস্তা- জলপাইগুড়ি.
ইছামতী- উঃ চব্বিশ পরগনা.
সুবর্ণরেখা –পূর্ব মেদিনীপুর.
জলঢাকা –জলপাইগুড়ি,
দামোদর → পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান.
তোরসা- জলপাইগুড়ি, কোচবিহার
রূপনারায়ণ- হাওড়া.
গন্ধেশ্বরী → বাঁকুড়া.
 রায়মঙ্গল –দঃ চব্বিশ পরগনা.
গোসাবা- দঃ চব্বিশ পরগনা.
কংসাবতী- বাঁকুড়া, পঃ মেদিনীপুর,
চূর্ণি –নদিয়া.
 
 ৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
৩.১ কবিতায় কবির মনের ইচ্ছাটি কী?
উত্তর: কবির ইচ্ছে যদি নদী বাঁকাপথে না গিয়ে সোজা পথে যেত, তাহলে কবিও সারাজীবন নদীর সঙ্গে যেতেন ।
৩.২ সেই ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি চলতে পারলেন না কেন?
উত্তর: নদী সোজা পথে না গিয়ে বাঁকা পথে যায়। কবি দশজনার নিষেধের কারণে বাঁকা পথে যেতে চান না। তাই তার ইচ্ছা অপূর্ণই থেকে যায় 

৩.৩ নদী কীভাবে তার চলার পথে এগিয়ে চলে?
উত্তর: নদী কখনোই সোজা পথে এগোয় না। সে চিরকালই তার নিজের মতো পথ তৈরি করে নিয়ে এঁকে-বেঁকে এগিয়ে চলে ।

 ©kamaleshforeducation.in(2023)

error: Content is protected !!
Scroll to Top