Class 10 ভৌত বিজ্ঞান
‘পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন’
প্রশ্ন উত্তর
Physical Science Chapter 8.4
Inorganic Chemistry in the Laboratory and in Industry
Published on:
মাধ্যমিক (Class 10) ভৌত বিজ্ঞানের অষ্টম অধ্যায়ের চতুর্থ উপ-অধ্যায় ‘পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন’ (Inorganic Chemistry in the Laboratory and in Industry) এর মধ্যে পরীক্ষাগারে এবং শিল্পক্ষেত্রে অ্যামোনিয়া (NH3), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), নাইট্রোজেন (N2), হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl), নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) এবং সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4)-এর প্রস্তুতি, তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ও ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়। আজকের পোস্টে এই চ্যাপ্টারের বাছাই করা প্রশ্ন-উত্তরগুলো (Question Answer) শেয়ার করা হল।
বোর্ড: বিষয়বস্তু
1 মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান ‘পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন’ (অষ্টম অধ্যায়) One Liner প্রশ্ন উত্তর
1.1 পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন Class 10 প্রশ্ন উত্তর
1.2 পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন Class 10 প্রশ্ন উত্তর | পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন গাণিতিক সমস্যা
মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান
‘পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন’
(অষ্টম অধ্যায়) One Liner প্রশ্ন উত্তর
★ প্রথম কৃত্রিম উপায়ে তৈরি জৈব যৌগটির নাম হলো: ইউরিয়া (Urea)।
★ অ্যামোনিয়াম আইসোসায়ানেট থেকে ইউরিয়া প্রস্তুত করেন বিজ্ঞানী: ফ্রেডরিখ ভোলার (১৮২৮ খ্রি.)।
★ কার্বন পরমাণুর চতুস্তলকীয় মডেলের প্রস্তাবনা করেন বিজ্ঞানী: ভ্যান্ট হফ এবং লা-বেল (১৮৭৪ খ্রি.)।
★ মিথেন (CH4) অণুর ত্রিমাত্রিক আকৃতি হলো: সমচতুস্তলকীয় (Tetrahedral)।
★ মিথেন অণুতে H-C-H বন্ধন কোণের মান হলো: ১০৯°২৮’ (109o28′)।
★ যে ধর্মের জন্য কার্বন পরমাণুগুলি পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শৃঙ্খল বা শাখা শৃঙ্খল গঠন করে, তাকে বলে: ক্যাটিনেশন ধর্ম (Catenation)।
★ জৈব যৌগে কার্বন পরমাণুগুলি পরস্পরের সাথে সাধারণত যে ধরনের বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে: সমযোজী বন্ধন।
★ কার্বন পরমাণুর যোজ্যতা কক্ষে ইলেকট্রন সংখ্যা বা কার্বনের যোজ্যতা হলো: ৪।
★ সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনগুলিকে (একবন্ধন যুক্ত) সাধারণভাবে বলা হয়: অ্যালকেন (Alkane)।
★ অ্যালকেন শ্রেণির সাধারণ আণবিক সংকেত হলো: CnH2n+2।
★ অ্যালকিন (অসম্পৃক্ত, দ্বিবন্ধন) শ্রেণির সাধারণ সংকেত হলো: CnH2n।
★ অ্যালকাইন (অসম্পৃক্ত, ত্রিবন্ধন) শ্রেণির সাধারণ সংকেত হলো: CnH2n-2।
★ সরলতম অ্যালকিন এবং সরলতম অ্যালকাইন হলো যথাক্রমে: ইথিলিন (C2H4) ও অ্যাসিটিলিন (C2H2)।
★ অ্যালকোহল শ্রেণির যৌগে উপস্থিত কার্যকরী মূলকটি হলো: হাইড্রক্সিল মূলক (-OH)।
★ অ্যালডিহাইড শ্রেণির যৌগে উপস্থিত কার্যকরী মূলকটি হলো: অ্যালডিহাইড মূলক (-CHO)।
★ কার্বক্সিলিক অ্যাসিড শ্রেণির যৌগে উপস্থিত কার্যকরী মূলকটি হলো: কার্বক্সিল মূলক (-COOH)।
★ কিটোন শ্রেণির যৌগে উপস্থিত কার্যকরী মূলকটি হলো: কিটো মূলক (>C=O)।
★ একই সাধারণ সংকেত ও ধর্মবিশিষ্ট এবং পরপর দুটি যৌগের মধ্যে CH2 গ্রুপের পার্থক্য থাকা যৌগের শ্রেণিকে বলে: সমগনীয় শ্রেণি (Homologous series)।
★ একই আণবিক সংকেতযুক্ত কিন্তু ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট যৌগগুলিকে বলা হয়: সমাবয়ব (Isomer)।
★ এল.পি.জি (LPG) বা রান্নার গ্যাসের প্রধান বা মুখ্য উপাদান হলো: বিউটেন।
★ এল.পি.জি (LPG) সিলিন্ডার লিক করলে যে তীব্র দুর্গন্ধ বের হয়, তার জন্য দায়ী সালফারঘটিত যৌগটি হলো: ইথাইল মারক্যাপটান (C2H5SH)।
★ সি.এন.জি (CNG)-এর প্রধান বা মুখ্য উপাদান হলো: মিথেন (CH4) (প্রায় ৯০%)।
★ আবদ্ধ জলাভূমিতে গাছপালার পচনের ফলে মিথেন উৎপন্ন হয় বলে মিথেনকে বলা হয়: মার্শ গ্যাস (Marsh Gas)।
★ বদ্ধ জলাভূমিতে আলেয়া সৃষ্টির জন্য প্রধানত যে গ্যাস দায়ী: মিথেন গ্যাস।
★ কার্বাইড বাতিতে আলো জ্বালানোর জন্য এবং ঝালাইয়ের কাজে (অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা প্রস্তুতিতে) ব্যবহৃত গ্যাসটি হলো: অ্যাসিটিলিন (C2H2)।
★ কাঁচা ফল পাকাতে এবং বিষাক্ত মাস্টার্ড গ্যাস প্রস্তুতিতে যে গ্যাস ব্যবহৃত হয়: ইথিলিন (C2H4)।
★ পলিস্টাইরিন বা পলিথিন (Polythene) নামক পলিমারটির মনোমার হলো: ইথিলিন।
★ নন-স্টিক রান্নার বাসনপত্র তৈরি করতে যে পলিমার ব্যবহৃত হয়: টেফলন (Teflon) বা পলিটেট্রাফ্লুরোইথিলিন।
★ পি.ভি.সি (PVC) বা পলিভিনাইল ক্লোরাইড-এর মনোমারের নাম হলো: ভিনাইল ক্লোরাইড।
★ একটি জৈব ভঙ্গুর (Biodegradable) পলিমারের উদাহরণ হলো: সেলুলোজ, প্রোটিন বা স্টার্চ।
★ জৈব যৌগে অসম্পৃক্ততা (দ্বিবন্ধন বা ত্রিবন্ধন) প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়: ব্রোমিন জল (লাল বর্ণ অদৃশ্য হওয়ার পরীক্ষা)।
★ ভিনিগার (Vinegar) আসলে যে জৈব যৌগের ৫-৮% জলীয় দ্রবণ: অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH3COOH)।
★ অ্যাসিটিক অ্যাসিডের সাথে সোডিয়াম বাইকার্বনেটের বিক্রিয়ায় যে গ্যাস তীব্র বেগে নির্গত হয়: কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)।
★ ইথাইল অ্যালকোহলের নিরুদনে (গাঢ় H2SO4 এর উপস্থিতিতে ১৭০°C উষ্ণতায়) উৎপন্ন হয়: ইথিলিন (C2H4)।
★ রেকটিফায়েড স্পিরিট হলো: ৯৫.৬% ইথানল এবং ৪.৪% জলের মিশ্রণ।
★ রেকটিফায়েড স্পিরিটকে পানের অযোগ্য করতে মিথানল, পিরিডিন ও সামান্য ন্যাপথা মিশিয়ে যে বিষাক্ত মিশ্রণ তৈরি হয়, তাকে বলে: ডিনেচার্ড স্পিরিট (বা মেথিলেটেড স্পিরিট)।
★ অ্যাসিটিক অ্যাসিড ও ইথাইল অ্যালকোহলের বিক্রিয়ায় পাকা কলার মতো মিষ্টি গন্ধযুক্ত যে এস্টার যৌগ উৎপন্ন হয়, তার নাম: ইথাইল অ্যাসিটেট।
Class 10 প্রশ্ন উত্তর
পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন
প্রশ্ন উত্তর
১. লাইকার অ্যামোনিয়ার বোতল খোলার আগে বোতলটিকে বরফ-শীতল জলে ঠান্ডা করে নেওয়া উচিত কেন?
উত্তর: লাইকার অ্যামোনিয়া হলো অতি-উচ্চচাপে জলে দ্রবীভূত প্রায় ৩৫% অ্যামোনিয়ার একটি গাঢ় দ্রবণ। সাধারণ অবস্থায় এই বোতলের ছিপি খুললে ভেতরের প্রবল চাপে অ্যামোনিয়া গ্যাস ফোয়ারার মতো তীব্র বেগে ছিটকে বাইরে আসতে পারে এবং চোখে লাগলে দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। কিন্তু বোতলটিকে বরফ-ঠান্ডা জলে রাখলে শীতল অবস্থায় জলের মধ্যে অ্যামোনিয়া গ্যাসের দ্রাব্যতা অনেকটা বেড়ে যায় এবং বোতলের ভেতরের চাপ হ্রাস পায়। ফলে ছিপি খোলার সময় গ্যাস ছিটকে বেরিয়ে আসার আর কোনো সম্ভাবনা থাকে না।
২. রুপোর তৈরি গয়না বা জিনিসপত্র বহুদিন খোলা বাতাসে থাকলে কালো হয়ে যায় কেন?
উত্তর: আমাদের চারপাশের বাতাসে খুব সামান্য পরিমাণে হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) গ্যাস উপস্থিত থাকে। রুপো বা সিলভার বাতাসের এই বিষাক্ত H2S গ্যাসের সংস্পর্শে এলে ধীরে ধীরে একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। এর ফলে রুপোর ওপর সিলভার সালফাইডের (Ag2S) একটি কালো আস্তরণ তৈরি হয়। এই রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণেই পুরোনো রুপোর জিনিস কালো দেখায়।
৩. স্মেলিং সল্ট (Smelling Salt) কী? এটি সাধারণত কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: স্মেলিং সল্ট মূলত অ্যামোনিয়াম কার্বনেট [(NH4)2CO3] এবং চুনজলের একটি মিশ্রণ। এই মিশ্রণটিকে সামান্য ঝাঁকালে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস নির্গত হয়। কোনো ব্যক্তি অজ্ঞান বা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে তার জ্ঞান ফেরানোর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসায় এই স্মেলিং সল্ট নাকের কাছে ধরে শুঁকতে দেওয়া হয়।
৪. ‘ওলিয়াম’ (Oleum) কী?
উত্তর: স্পর্শ পদ্ধতিতে সালফিউরিক অ্যাসিড প্রস্তুতির সময় উৎপন্ন সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3) গ্যাসকে সরাসরি জলে দ্রবীভূত না করে ৯৮% গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিডে (H2SO4) শোষণ করানো হয়। এর ফলে যে বাদামি বর্ণের তৈলাক্ত ও ধূমায়মান তরল পদার্থটি উৎপন্ন হয়, তাকেই ওলিয়াম বা ধূমায়মান সালফিউরিক অ্যাসিড বলা হয়। এর রাসায়নিক সংকেত হলো H2S2O7।
পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন
Class 10 প্রশ্ন উত্তর
পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন
গাণিতিক সমস্যা
১. অসওয়াল্ড পদ্ধতিতে নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3)-এর শিল্পোৎপাদনের ধাপগুলি সমীকরণসহ বর্ণনা করো।
সমাধান: অসওয়াল্ড পদ্ধতিতে মূলত তিনটি প্রধান ধাপে নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করা হয়:
প্রথম ধাপ (নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদন): শুষ্ক ও বিশুদ্ধ অ্যামোনিয়া গ্যাসের সাথে অতিরিক্ত অক্সিজেনযুক্ত বাতাসকে মিশিয়ে প্রায় 800oC তাপমাত্রায় উত্তপ্ত প্ল্যাটিনাম-রোডিয়াম তারজালির ওপর দিয়ে দ্রুত চালনা করা হয়। এটি একটি তাপ-উৎপাদী বিক্রিয়া, যার ফলে অ্যামোনিয়া জারিত হয়ে নাইট্রিক অক্সাইড (NO) তৈরি করে।
4NH3+5O2 ⇌ 4NO+6H2O+তাপ
দ্বিতীয় ধাপ (নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড গঠন): উৎপন্ন উত্তপ্ত নাইট্রিক অক্সাইড (NO) গ্যাসকে ঠান্ডা করে 50oC তাপমাত্রায় আনা হয়। এরপর এটি বাতাসের অতিরিক্ত অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2) গ্যাসে পরিণত হয়।
2NO+O2 → NO2
তৃতীয় ধাপ (নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি): সবশেষে একটি কোয়ার্টজ পাথরে ভরা শোষক স্তম্ভের ওপর থেকে জলের ধারা ফেলা হয় এবং নিচ থেকে NO2 ও অক্সিজেনের মিশ্রণ চালনা করা হয়। NO2 গ্যাস জলে শোষিত হয়ে প্রায় ৫০% গাঢ়ত্বের নাইট্রিক অ্যাসিড উৎপন্ন করে
4NO2+O2+2H2O → 4HNO3
২. স্পর্শ পদ্ধতিতে সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) প্রস্তুতির প্রধান ধাপগুলি রাসায়নিক সমীকরণসহ আলোচনা করো।
সমাধান: স্পর্শ পদ্ধতিতে তিনটি ধাপে সালফিউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়:
প্রথম ধাপ: প্রথমেই সালফারকে বাতাসে পুড়িয়ে সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2) গ্যাস তৈরি করা হয়। S+O2 → SO2
দ্বিতীয় ধাপ (প্রধান ধাপ): বিশুদ্ধ ও ধূলিকণামুক্ত SO2 গ্যাসকে শুষ্ক অক্সিজেনের সাথে মিশিয়ে প্রায় 450oC তাপমাত্রায় এবং ১-১.৫ অ্যাটমোস্ফিয়ার (atm) চাপে ভ্যানাডিয়াম পেন্টক্সাইড (V2O5) অনুঘটকের ওপর দিয়ে চালনা করা হয়। এতে SO2 জারিত হয়ে সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3) তৈরি করে। এটি একটি উভমুখী এবং তাপ উৎপাদী বিক্রিয়া। 2SO2+O2 ⇌ 2SO3+ তাপ
তৃতীয় ধাপ: উৎপন্ন SO3 গ্যাসকে ঠান্ডা করে সরাসরি জলে না মিশিয়ে একটি শোষক স্তম্ভে ৯৮% গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড দ্বারা শোষিত করা হয়। এর ফলে ‘ওলিয়াম’ (H2S2O7) তৈরি হয়। পরবর্তীকালে এই ওলিয়ামের সাথে পরিমাণমতো পাতিত জল মিশিয়ে কাঙ্ক্ষিত গাঢ়ত্বের বিশুদ্ধ সালফিউরিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। SO3+H2SO4 → H2S2O7
H2S2O7+H2O → 2H2SO4
৩. পরীক্ষাগারে হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) গ্যাস প্রস্তুতির নীতি ও বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখো।
সমাধান: সাধারণ বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পরীক্ষাগারে ফেরাস সালফাইড (FeS)-এর টুকরোর সাথে লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের (H2SO4) রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) গ্যাস তৈরি করা হয়। এই পদ্ধতিতে গ্যাসটি নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়ার জন্য কিপযন্ত্র ব্যবহার করা বেশ সুবিধাজনক।
সমীকরণ: FeS+H2SO4 → FeSO4+H2S ↑ (দ্রষ্টব্য: এই বিক্রিয়ায় কোনোভাবেই গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড ব্যবহার করা যায় না, কারণ গাঢ় H2SO4 একটি তীব্র জারক দ্রব্য যা উৎপন্ন H2S গ্যাসকে জারিত করে সালফারে পরিণত করে দেয়।)
আজকের এই পোস্টে তোমাদের সাথে দশম শ্রেণির ভৌতবিজ্ঞান অষ্টম অধ্যায়ের চতুর্থ উপ-অধ্যায় ‘পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন’ থেকে বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওয়ান-লাইনার (One-liner) শেয়ার করা হল। এখানে প্রতিটি পয়েন্ট খুব সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যাতে MCQ এবং SAQ—সব ধরনের শর্ট প্রশ্নের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে।
SOURCE-EDT





