CLASS VII IST UNIT HISTORY PART5-2

©

 

 

 

Class-7 History 1st-Unit-Test Model-Question-Paper-1

এখানে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সপ্তম শ্রেণীর “1st Unit Test” এর জন্য ইতিহাস বিষয়ের মডেল প্রশ্নপত্র প্রকাশ করা হলো। আশাকরি এই প্রশ্নপত্রটি থেকে ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে।

প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন: ২০২৩
সপ্তম শ্রেণী
বিষয়: ইতিহাস
পূর্ণমান: ১৫ সময়: ৩০ মিনিট
👉সিলেবাস:
◐ ১. ইতিহাসের ধারণা
◐ ২. ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের কয়েকটি ধারা
◐ ৩. ভারতের সমাজ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির কয়েকটি ধারা
প্রশ্নমান: ২/৩
১. মাৎস্যন্যায় কী?

উত্তর: শশাঙ্কের মৃত্যুর পর খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকের মধ্যভাগ থেকে অষ্টম শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত বাংলার ইতিহাসে এক চরম অরাজক অবস্থা বিরাজ করে। পুকুরের বড়ো মাছ যেমন ছোটো মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনি এই সময় শক্তিশালী ক্ষত্রিয়, ব্রাহ্মণ, সম্ভ্রান্ত লোক এবং বণিকেরা ইচ্ছেমতো নিজের এলাকা শাসন করতে থাকে এবং দুর্বল লোকের ওপর অত্যাচার করে। এই সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।

২. সুলতান মাহমুদ ভারত থেকে লুঠ করা ধনসম্পদ কীভাবে ব্যবহার করেছিলেন?

উত্তর: সুলতান মাহমুদ ভারত থেকে যেমন প্রচুর সম্পদ লুঠ করেছেন, তেমনি নিজের রাজ্যে ভালো কাজে তা ব্যয় করেছেন। তিনি রাজধানী গজনি এবং অন্যান্য শহরে প্রাসাদ, মসজিদ, গ্রন্থাগার, বাগিচা, জলাধার, খাল এবং আমু দরিয়ার নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করেন। তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করেন যেখানে শিক্ষকদের বেতন ও ছাত্রদের বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।

৩. পাল ও সেন যুগে বাংলায় কী কী ফসল উৎপন্ন হতো? সে ফসলগুলির কোন কোনটি এখনও চাষ করা হয়?

উত্তর: পাল যুগে অর্থনীতির অন্যতম মূল ভিত্তি ছিল কৃষি। এই যুগের প্রধান উৎপন্ন ফসলগুলি ছিল- ধান, সর্ষে এবং নানারকমের ফল যেমন আম, কাঁঠাল, কলা, ডালিম, খেজুর, নারকেল ইত্যাদি। এছাড়া কার্পাস, পান, সুপুরি, এলাচ, মহুয়া ইত্যাদিও প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হতো। সেসময় বিভিন্ন শাক-সবজি যেমন বেগুন, লাউ, কুমড়ো, ঝিঙে, কাঁকরোল, ডুমুর, কচু ইত্যাদিও উৎপন্ন হতো।
সেই ফসলগুলির মধ্যে অনেক ফসল এখনও উৎপন্ন হয়। যেমন ধান, সর্ষে, লাউ, কুমড়ো, ঝিঙে, কচু ইত্যাদি

৪. পঞ্চরত্ন কী?

উত্তর: জয়দেব সহ লক্ষ্মণসেনের রাজসভায় আরও চারজন কবি ছিলেন ধোয়ী, গোবর্ধন, উমাপতিধর এবং শরণ। এই পাঁচজন কবি একসঙ্গে লক্ষ্মণসেনের রাজসভার পঞ্চরত্ন ছিলেন। ধোয়ী লিখেছিলেন পবনদূত কাব্য।

৫. চর্যাপদ কী? কে প্রথম চর্যাপদের পুঁথি উদ্ধার করেন?

উত্তর: চর্যাপদ হলো খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতকে লেখা বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের কবিতা ও গানের সংকলন। চর্যাপদের ভাষা আদি বাংলা ভাষার নিদর্শন।
আচার্য হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে এই চর্যাপদ এর পুঁথি উদ্ধার করেন।

৬. উর, নাড়ু ও নগরম কী?

উত্তর:
নাড়ু- চোল আমলে কয়েকটি গ্রামকে নিয়ে গড়ে উঠেছিল নাড়ু।
উর -কৃষকদের বসতিকে ঘিরে গড়ে ওঠা গ্রামকে শাসন করত গ্রাম পরিষদ বা উর।
নগরম- বিভিন্ন সমস্যার মোকাবিলার জন্য নগরম নামে আরেকটি পরিষদ গড়ে উঠেছিল।

৭. চক্রপাণিদত্ত কে ছিলেন?

উত্তর: পালযুগের একজন বিখ্যাত চিকিৎসা-বিজ্ঞানী ছিলেন চক্রপাণিদত্ত। প্রাচীন ভারতের প্রখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী চরক ও সুশ্রুতের রচনার ওপর তিনি টীকা লিখেছিলেন। তিনি সম্ভবত বীরভূম জেলার মানুষ ছিলেন। এছাড়া ভেষজ গাছ-গাছড়া, ঔষধের উপাদান, পথ্য প্রভৃতি নিয়েও তিনি বই লেখেন। তাঁর লেখা সেরা বইটি হলো চিকিৎসা সংগ্রহ।

প্রশ্নমান: ৪/৫
১. পাল শাসনের তুলনায় সেন শাসন কেন বাংলায় কম দিন স্থায়ী হয়েছিল?

উত্তর: বাংলায় পাল শাসন চারশো বছরেরও বেশি স্থায়ী হলেও সেন শাসন একশো বছরের মতো স্থায়ী হয়েছিল। সেন শাসনের কম স্থায়ী হওয়ার কারণগুলি ছিল-
■ (i) পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এলেও সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা বিজয়সেন কোনো জনসমর্থন পাননি।
■ (ii) পাল শাসকেরা বাংলার সমাজে নিজেদের শাসনকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারলেও সেন শাসকেরা পারেননি।
■ (iii) শিক্ষা-দীক্ষা, ধর্মচর্চা, শিল্পকলা প্রভৃতি দিক থেকে পাল শাসন সেন শাসনের তুলনায় অনেক এগিয়ে ছিল।

২. ভারতের সামন্ত ব্যবস্থার ছবি আঁকতে গেলে কেন তা একখানা ত্রিভুজের মতো দেখায়? এই ব্যবস্থার সামন্তরা কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করত?

উত্তর: সামন্ত ব্যবস্থা বলতে এক বিশেষ ধরনের শাসনতান্ত্রিক কাঠামাে বােঝায় যেখানে কেন্দ্রীর শক্তির অধীনে বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তির বিকাশ ঘটে এবং কেন্দ্রীয় প্রশাসনের পরিবর্তে স্থানীয় ভূস্বামীদের হাতে রাজনৈতিক ক্ষমতা বিকেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে। প্রাচীন এবং মধ্যযুগের ভারতে সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকাশ ঘটে। সামন্ত ব্যবস্থায় সবার উপরে ছিলেন একজন রাজা। তার নীচে অল্প সংখ্যক মহাসামন্ত। মহাসামন্তের নীচে বেশ কিছু সামন্ত এবং সবার নীচে অনেক জনগণ। অর্থাৎ সামন্ত ব্যবস্থার ছবি আঁকতে গেলে উপর থেকে নীচের দিকটা আসতে আসতে চওড়া হতে হতে ত্রিভুজের আকার তৈরী হয়।
■ সামন্তরা কেউ পরিশ্রম করে উৎপাদন করতো না। অন্যের শ্রমে উৎপন্ন দ্রব্য বা রাজস্ব থেকে নিজেরা জীবিকা নির্বাহ করতো।

৩. পাল ও সেন যুগের বাংলার বাণিজ্য ও কৃষির মধ্যে তুলনা করো।

উত্তর: পাল-সেন যুগে কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্যই ছিল বাংলার অর্থনীতির মূল ভিত্তি।
পাল-সেন যুগের বাণিজ্য:
এই যুগে বাংলার অর্থনীতিতে বাণিজ্যের গুরুত্ব ক্রমশ কমে এসেছিল। ভারতের পশ্চিম দিকের সাগরে আরব বণিকদের দাপটের ফলে বাংলার বণিকরা পিছু হটেছিল এবং তাদের গুরুত্ব কমে গিয়েছিল। বাণিজ্যের অবনতির কারণে মুদ্রার ব্যবহার খুব কমে যায়। জিনিস কেনাবেচার প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে কড়ি।
পাল-সেন যুগের কৃষি:
এই যুগে বাণিজ্যের গুরুত্ব কমে যাওয়ায় বাংলার অর্থনীতি হয়ে কৃষিনির্ভর হয়ে পড়েছিল। এই যুগে কৃষকদের অবহেলা না করলেও জমিতে মূল অধিকার ছিল রাষ্ট্র বা রাজার। রাজারা উৎপন্ন ফসলের এক-ষষ্ঠাংশ কৃষকদের কাছ থেকে কর নিতেন। এই যুগের প্রধান ফসলগুলি ছিল ধান, সরষে, নানারকম ফল যেমন আম, কাঁঠাল, কলা, ডালিম, খেজুর, নারকেল ইত্যাদি। এছাড়া কার্পাস, পান, সুপুরি, এলাচ, মহুয়া ইত্যাদিও প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হতো।

৪. ত্রিশক্তি সংগ্রাম কাদের মধ্যে হয়েছিল? এই সংগ্রামের মূল কারণ কী ছিল?

উত্তর: হর্ষবর্ধনের রাজধানী কনৌজের সিংহাসন অধিকারকে কেন্দ্র করে বাংলার পাল, পশ্চিম ভারতের প্রতিহার ও দক্ষিণ ভারতের রাষ্ট্রকূটদের মধ্যে ত্রিশক্তি সংগ্রাম হয়েছিল। এই সংগ্রামের কারণগুলি ছিল-
◐ (i) আধিপত্য বিস্তার: হর্ষবর্ধন উত্তর ভারতে যে রাজনৈতিক ও সামাজিক আধিপত্য বিস্তার করেছিল তার সিংহভাগ দখল করতে পাল-প্রতিহার – রাষ্ট্রকূটরা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়।
◐ (ii) আর্থিক সুবিধালাভ: পাল, প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট তিন রাজশক্তিই কনৌজের দখল নিয়ে সেখানকার সম্পদের অধিপতি হতে চেয়েছিল। পাশাপাশি তারা উত্তর ভারতের বাণিজ্যপথগুলির ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভ করতে চেয়েছিল।
◐ (iii) ভৌগােলিক গুরুত্ব: কনৌজের ভৌগলিক অবস্থা ও খনিজ সম্পদ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকে প্রলুব্ধ করে। উর্বরা গাঙ্গেয় অঞ্চল দখল ও কর্তৃত্ব স্থাপনের নেশায় তারা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়।

৫. টীকা লেখো: .নালন্দা বৌদ্ধবিহার।

উত্তর: সম্ভবত গুপ্ত সম্রাটদের আমলে খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতকে আজকের বিহার রাজ্যে নালন্দা বৌদ্ধবিহার তৈরি হয়েছিল। এর খ্যাতি সমগ্র এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। হর্ষবর্ধন ও পাল রাজারা এই বৌদ্ধবিহারকে সাহায্য করতেন। সুদূর তিব্বত, চিন, কোরিয়া ও মঙ্গোলিয়া থেকে এখানে ছাত্ররা পড়তে আসতেন। খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকে সুয়ান জাং বা হিউয়েন সাঙ এখানে শিক্ষালাভ করেন। কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ছাত্ররা এখানে পড়ার সুযোগ পেত। নালন্দার সমৃদ্ধির যুগে এখানে দশ হাজার আবাসিক ভিক্ষু থাকতেন। তার মধ্যে ১৫০০ জন শিক্ষক ছিলেন এবং ৮৫০০ জন ছাত্র। ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত এর খ্যাতি বজায় ছিল। ওই শতকেই তুর্কি অভিযানকারীরা এই অঞ্চল আক্রমণ করে এই মহাবিহারের ব্যাপক ক্ষতি করেছিল।

৬. বিক্রমশীল মহাবিহারের বর্ণনা দাও।

উত্তর: পালরাজা ধর্মপাল খ্রিস্টীয় অষ্টম শতকে মগধের উত্তরভাগে ভাগলপুর শহরের কাছে বিক্রমশীল মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী পাঁচশো বছর এটি টিকেছিল। এখানে বৌদ্ধধর্ম চর্চা ও শিক্ষার জন্য একশোর বেশি আচার্য ছিলেন। এখানে ব্যাকরণ, তর্কশাস্ত্র, দর্শন প্রভৃতি বিষয় পড়ানো হত। তিন হাজার ছাত্রের পড়া এবং বিনা খরচায় তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা এখানে ছিল। শিক্ষা শেষে তাদের উপাধি প্রদান করা হত। বিক্রমশীল ছিল বজ্রযান বৌদ্ধমত চর্চার বড়ো কেন্দ্র। এখানে বহু মূল্যবান পাণ্ডুলিপি ছিল। দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান অতীশ ছিলেন এই মহাবিহারের একজন মহাচার্য। ত্রয়োদশ শতকে তুর্কি অভিযানকারীরা এই মহাবিহারকে ধ্বংস করে।

 

Model Question Paper– 1
1st Unit Test – 2023
Class: VII Sub: History
F.M: 15 Time: 30 Min
১. সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো: 5 × 1 = 5
(ক) বাংলায় পাল বংশের রাজত্ব শুরু হয়- (৭৫০ / ৮৫০ / ৯৫০) খ্রিষ্টাব্দে।
(খ) কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত হত- (নাড়ু / উর / নগরম )
(গ) গৌড়বহ কাব্যের ভাষা- (সংস্কৃত / পালি / উর্দু/ প্রাকৃত )
(ঘ) রাজা ভোজ ছিলেন- (রাষ্ট্রকূট রাজা / গুর্জর প্রতিহার রাজা / পাল রাজা / সেন রাজা)
(ঙ) মক্কা শহর ছিল দুটি- (বাণিজ্যপথের / নদীর / দেশের) সংযোগস্থলে অবস্থিত।২. সংক্ষেপে উত্তর দাও: 2× 2 = 4
(ক) প্রাচীন বাংলার প্রথম দুটি অঞ্চলের নাম লেখো। প্রাচীনকালে বঙ্গ বলতে কোন অঞ্চলকে বোঝানো হত?
(খ) বখতিয়ার খলজি লখনৌতিতে কী কী তৈরী করেন?৩. যে কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও: 2 × 3 = 6
(ক) মাৎস্যন্যায়। (টীকা লেখো)
(খ) খলিফা ও খিলাফাত। (টীকা লেখো)
(গ) প্রাচীন রাঢ় ও সূক্ষ্ম অঞ্চলের বর্ণনা নিজের ভাষায় লেখো।
Model Question Paper– 2
1st Unit Test – 2023
Class: VII Sub: History
F.M: 15 Time: 30 Min
১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো: (যে-কোনো দুটি) ২ × ১ = ২
(ক) ত্রিশক্তি সংগ্রামের লক্ষ্য ছিল- ( কর্ণসুবর্ণ / কনৌজ / মগধ ) দখল করা।
(খ) সেন রাজা- ( বিজয়সেন / লক্ষনসেন / বল্লালসেন ) এর সময়ে বাংলায় তুর্কি আক্রমণ ঘটে।
(গ) হর্ষচরিত গ্রন্থটির লিখেছেন- ( বাণভট্ট / হর্ষবর্ধন / তুলসীদাস )২. শুন্যস্থান পূরণ করো: (যে-কোনো দুটি) ২ × ১ = ২
(ক) পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা _____________ ।
(খ) তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে ______________ জয়ী হন।
(গ) রাজা লক্ষনসেনের রাজধানী ছিল _______________৩. সত্য না মিথ্যা লিখ: (যেকোনো দুটি) ২ × ১ = ২
(ক) গজনির সুলতান মাহমুদ সতেরোবার উত্তর ভারত আক্রমণ করেন।
(খ) রামচরিত কাব্য লিখেছেন তুলসীদাস।
(গ) খলিফা শব্দের অর্থ প্রতিনিধি।

৪. এককথায় উত্তর দাও: (যে-কোনো তিনটি) ৩ × ১ = ৩
(ক) কৈবর্ত বিদ্রোহের একজন নেতার নাম লেখ।
(খ) শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?
(গ) গঙ্গাইকোন্ডচোল উপাধি কে নিয়েছিলেন?
(ঘ) কবে থেকে হিজরি সাল গণনা শুরু হয়?

৫. যেকোনো ২ টি প্রশ্নের উত্তর দাও: ২ × ৩ = ৬
(ক) ত্রিশক্তি সংগ্রাম কাদের মধ্যে হয়েছিল? এই সংগ্রামের কারণ কী ছিল?
(খ) মাৎস্যন্যায় কী?
(গ) সুলতান মাহমুদ ভারত থেকে লুঠ করা সম্পদ কিভাবে ব্যবহার করেছিলেন?
(ঘ) টিকা লিখ: কৈবর্ত বিদ্রোহ।

 

 

kamaleshforeducation.in(2023)  

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *