HS Class 12 4th Semester Pass Marks:

পাস মার্ক কত?

বেস্ট অফ ফাইভ থাকবে?

ফেল করলে কী হবে?

Published on: 

উচ্চমাধ্যমিকের চতুর্থ সেমিস্টার নতুন সিলেবাসে এই প্রথমবারের মতো পড়ুয়ারা চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা দিচ্ছে। ফলে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে— সবাই কি পাস করবে? পাস মার্ক কত? কেউ ফেল করলে কি সুযোগ থাকবে? এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের এই প্রতিবেদন।

একনজরে »

1 WBCHSE 4th Semester Pass marks 2026: কত নম্বর পেলে পাস? চতুর্থ সেমিস্টার পাস ও ফেল

2 সবাই কি পাস করবে? বাস্তব চিত্র কী বলছে

2.1 ফেল করলে কী হবে? সাপ্লিমেন্টারির সুযোগ আছে কি?

3 ফোর্থ সাবজেক্ট (Fourth Subject Optional) কীভাবে গণনা হবে?

3.1 কীভাবে বেস্ট অফ ফাইভ হবে? [Best of 5]

WBCHSE 4th Semester Pass marks 2026:

কত নম্বর পেলে পাস?

চতুর্থ সেমিস্টার পাস ও ফেল

 

WBCHSE সেমিস্টারে বিষয়ভেদে নম্বরের বিভাজন আলাদা। তৃতীয় সেমিস্টারেও একইভাবে এই পূর্ণমানই পরীক্ষা হয়েছে, – প্রত্যেকটি সেমিস্টার আলাদা আলাদা করে পাস করতে হবে।

  • নন-ল্যাব বেসড বিষয় (যে বিষয়ে প্রজেক্ট আছে) – ৪০ নম্বরের পরীক্ষা

  • ল্যাব বেসড বিষয় (যেখানে প্র্যাকটিক্যাল রয়েছে) – ৩৫ নম্বরের পরীক্ষা

পাস মার্কস কী? (Passing Marks)

 

  • ৪০ নম্বরের পরীক্ষায় পাস করতে হলে ন্যূনতম ১২ নম্বর প্রয়োজন।

  • ৩৫ নম্বরের পরীক্ষায় পাস করতে হলে প্রয়োজন প্রায় ১০.৫ থেকে ১১ নম্বর (প্রায় ১১ ধরে নেওয়া হচ্ছে)।

পরীক্ষার ধরন

পূর্ণমান

ন্যূনতম পাস নম্বর

নন-ল্যাব বেসড সাবজেক্ট

৪০

১২

ল্যাব বেসড সাবজেক্ট

৩৫

১০.৫ – ১১ (প্রায় ১১)

 

তৃতীয় সেমিস্টারে এমসিকিউ ভিত্তিক পরীক্ষায় যেখানে পূর্ণ নম্বর ১ ছিল এবং পাস মার্ক ১১ নির্ধারিত হয়েছিল, সেখানে এবার খাতা মূল্যায়ন হবে ম্যানুয়ালি। ফলে অর্ধেক নম্বর (হাফ মার্কস) পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকছে।

সবাই কি পাস করবে? বাস্তব চিত্র কী বলছে

 

নতুন সিলেবাসে প্রথম ব্যাচ হিসেবে পরীক্ষায় বসছে পড়ুয়ারা। স্বাভাবিকভাবেই মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সহানুভূতির দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। শিক্ষকরা সাধারণত চান না কোনও ছাত্রছাত্রী ফেল করুক।

যদি কোনও পরীক্ষার্থী ১০ বা ১১ নম্বর পায় এবং পাস মার্ক থেকে সামান্য পিছিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে খাতা পুনরায় ভালোভাবে দেখা হতে পারে। যেখানে নম্বর দেওয়ার সুযোগ থাকবে, সেখানে অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে পাস করানোর চেষ্টা করা হতে পারে। এটিই কার্যত “গ্রেস মার্ক”-এর প্রয়োগ। 

ফেল করলে কী হবে? সাপ্লিমেন্টারির সুযোগ আছে কি?

 

এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তৃতীয় সেমিস্টারে কেউ অকৃতকার্য হলে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার মাধ্যমে পাস করার সুযোগ ছিল। কিন্তু চতুর্থ সেমিস্টারের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ থাকছে না।

অর্থাৎ কোনও পরীক্ষার্থী চতুর্থ সেমিস্টারে ফেল করে, তাহলে তাকে পরের বছর একই সময়ে আবার পরীক্ষায় বসতে হবে। ফলে একটি পূর্ণ শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

ফোর্থ সাবজেক্ট (Fourth Subject Optional) কীভাবে গণনা হবে?

 

অনেকের ভুল ধারণা আছে যে শুধু চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষার নম্বর দেখে ফোর্থ সাবজেক্ট নির্ধারণ হবে। আসলে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফোর্থ সাবজেক্ট নির্ধারণ হবে সম্মিলিত নম্বরের ভিত্তিতে।

কীভাবে বেস্ট অফ ফাইভ হবে? [Best of 5]

 

  • ১. প্রতিটি বিষয়ে: ➝ তৃতীয় সেমিস্টার + চতুর্থ সেমিস্টার + প্রজেক্ট/প্র্যাকটিক্যাল নম্বর যোগ হবে।

  • ২. সব বিষয়ের মোট নম্বর বের করা হবে।

  • ৩. এরপর সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ৫টি বিষয় (Best of Five) TOTAL গণনায় ধরা হবে।

দুটি সেমিস্টার পরীক্ষা এবং প্রজেক্ট প্র্যাকটিক্যাল মিলিয়ে 100 এর মধ্যে যে বিষয়টির নম্বর সবচেয়ে কম থাকবে, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোর্থ সাবজেক্ট হিসেবে গণ্য হবে। তবে মার্কশিটে আলাদা করে কোন কিছু উল্লেখ থাকবে না – শুধুমাত্র টোটাল নম্বরে সেটি দেখা যাবে।

source-edt

 ©kamaleshforeducation.in(2023)

error: Content is protected !!
Scroll to Top