2016 প্যানেলের চাকরিহারা গ্রুপ ডি এবং গ্রুপ সি ক্যান্ডিডেটদের LIVELIHOOD SUPPORT SCHEME এর আন্ডারে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য নোটিফিকেশন জারি করেছে লেবার ডিপার্টমেন্ট। তার পরিপ্রেক্ষিতে কী ভাবে সেই অ্যাপ্লিকেশানগুলি প্রসেসড হবে সেই ব্যাপারে ডি আই দের কাছে নির্দেশ পাঠিয়েছে স্কুল এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট। ডি আই রা আবার স্কুলের HOI দের নির্দেশ পাঠিয়েছেন আবেদনকারীদের আবেদনগুলো সংগ্রহ করে, পরীক্ষা নিরীক্ষা করে উপযুক্ত ক্যান্ডিডেটদের আবেদনগুলো ফরোয়ার্ড করার জন্য। এমতাবস্থায় HOI গণ খুব দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। আসুন ব্যাপারটাকে দুটি দিক থেকে দেখে নিই। –
———————————————————————————————————-
১) প্রশ্ন — এই ডিপার্টমেন্টাল নির্দেশ পালন করতে গিয়ে HOI রা কোনও আইনি ঝামেলায় পড়বেন না তো ? কোর্ট যাদের চাকরি বাতিল করেছে তাদের আর্থিক সহায়তা পাওয়ার আবেদন কেন HOI রা ফরোয়ার্ড করবেন ? “TAINTED” এবং “NOT SPECIFICALLY FOUND TO BE TAINTED” এই দুই ধরনের ক্যান্ডিডেটদের আবেদনই কি HOI রা ফরোয়ার্ড করবেন ? করলে সেটা আইনত কতটা ঠিক হবে ?
উত্তর — আমি এত দুশ্চিন্তা করতে বারণ করবো। এটা HOI তাঁর নিজের উদ্যোগে করছেন না। পরিষ্কার সরকারি নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে করছেন। তিনি ঐ Govt অর্ডারের দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে ঐ অর্ডারের আলোকে সংশ্লিষ্ট ক্যান্ডিডেট এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য কি না শুধুমাত্র সেটা দেখে নিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ফরোয়ার্ড করছেন স্ক্রুটিনি তথা Sanctioning Authority এর কাছে। তারা Scrutiny করবে, তারা Sanction করবে। HOI শুধুমাত্র higher authority এর নির্দেশ মতো কাজ করছেন। তিনি কোর্ট অর্ডারের ভায়োলেট করে নিজের উদ্যোগে কিছু করছেন না। সর্বোপরি এটা চাকরিতে পুনর্বহাল নয়। আর্থিক সাহায্য। যেটা সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার দেবে। অর্ডারে বলা হয়েছে 2016 সালের চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি স্টাফরা এই আর্থিক সহায়তা পাবে। “Tainted”/ “Not specifically found to be tainted” এরকম কিছু বিভাজন করা হয়নি। অর্থাৎ ঐ চাকরিহারাদের সবাই এই সুবিধা পাবে। এটা অর্ডারে আছে। HOI অর্ডার ফলো করতে বাধ্য। তাই HOI এর এই ব্যাপারে বেশি চাপ নেওয়ার দরকার নেই। বেআইনি কিছু হলে তার দায় ডিপার্টমেন্টের । তাছাড়া অর্ডারে এটা পরিষ্কার করেই দিয়েছে যে পরবর্তী কোনও কোর্ট অর্ডারের দ্বারা এই স্কিম যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। গেলে যাবে। থাকলে থাকবে। HOI এর তাতে কী ? তিনি ডিসিশন মেকার নন। তাই তাঁর দায় নেই। দায়িত্বও নেই।
২) প্রশ্ন — অর্ডারে “TAINTED” বা “NOT SPECIFICALLY FOUND TO BE TAINTED” বলে কিছু উল্লেখ করেনি। এখন HOI রা TAINTED দের অ্যাপ্লিকেশনও ফরোয়ার্ড করছেন। এই ব্যাপারে তাঁরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ঠিক কী পদক্ষেপ নিতে পারেন ?
উত্তর — HOI গণ এখানে একটা কৌশল অবলম্বন করতে পারেন যেটা তাঁরা স্যালারি রিকুইজিশন সাবমিট করার আগে করেছিলেন। সেটা হচ্ছে গণহারে এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট, বোর্ড ও ডি আই কে মেল করে জানতে চাইতে হবে যে তাঁরা এই স্কিমের উপভোক্তা হিসাবে কোর্ট অর্ডারে উল্লেখিত “NOT SPECIFICALLY FOUND TO BE TAINTED” হিসাবে বিবেচিত ক্যান্ডিডেট এবং “TAINTED” হিসাবে বিবেচিত ক্যান্ডিডেট উভয়েরই অ্যাপ্লিকেশন ফরওয়ার্ড করবেন কি না। এই মেল করে অন্তত সাতটি working days ওয়েট করে তারপর অ্যাপ্লিকেশান ডি আই অফিসে ফরোয়ার্ড করুন। হয়ত রিপ্লাই পাবেন না। কিন্তু এর কাজ আছে। কোর্ট কেস হলে এবং জটিলতা তৈরি হলে HOI দের দায় থাকবে না। মূল অর্ডারে “Tainted” বা “Not specifically found to be tainted” বলে আলাদা করা হয়নি এবং HOI এই ব্যাপারে জানতে চাইলেও ডিপার্টমেন্ট রিপ্লাই দেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে মূল অর্ডারটার নির্দেশ মেনে HOI সবার অ্যাপ্লিকেশন ফরওয়ার্ড করে দিয়েছেন অন্য শর্তাবলী চেক করে। এরপর আর কোনো আইনি দায় তাঁর থাকে না। এই কৌশল আগেরবারের স্যালারি রিকুইজিশন সাবমিট করার আগে প্রয়োগ করেছিলেন HOI রা।প্রাথমিকভাবে ডিপার্টমেন্ট ভেবেছিল যে কোনও নির্দিষ্ট গাইডলাইন না দিয়েই HOI দের ঘাড়ে বন্দুক রেখে স্যালারি রিকুইজিশনটা করিয়ে নেবে। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি। HOI রা মেল করে জানতে চেয়ে রিকুইজিশন সাবমিট না করে ডিপার্টমেন্টের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। তার ফলশ্রুতিতেই আসে পরিষ্কার নির্দেশিকা। এক্ষেত্রেও সেই কৌশল নিতে হবে।নিজেদের বাঁচাতে।
SOURCE-SMR


