Class 10 জীবন বিজ্ঞান

‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’

প্রশ্ন উত্তর

Life Science Chapter 3 Question Answer

Published on: 

মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’ ( Class 10 Life Science Chapter 3) থেকে পরীক্ষায় প্রচুর প্রশ্ন আসে। মেন্ডেলের বংশগতির সূত্র থেকে শুরু করে থ্যালাসেমিয়া বা হিমোফিলিয়ার মতো বিভিন্ন জিনগত রোগের কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে এই অধ্যায় এর মধ্যে আলোচনা করা হয়েছে। আজকের পোস্টে এই অধ্যায়ের বাছাই করা বেশ One Liner প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ভাষায় আলোচনা করা হলো।

 

বোর্ড: বিষয়বস্তু

1 মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান ‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’ (তৃতীয় অধ্যায়) One Liner প্রশ্ন উত্তর

1.1 ক্লাস 10 জীবন বিজ্ঞান তৃতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর One Liner

1.2 বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ Class 10 অনুশীলনী (One Liner)

2 ক্লাস 10 জীবন বিজ্ঞান ‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’ (তৃতীয় অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর | Class 10 Life Science Chapter 3 Question Answer

মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান

‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’

(তৃতীয় অধ্যায়)

One Liner প্রশ্ন উত্তর

★ যে পদ্ধতিতে পিতা মাতার বা জনিতৃর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সন্তান-সন্ততি বা অপত্য জীবে সঞ্চারিত ও প্রকাশিত হয়, তাকে বলে: বংশগতি (Heredity)
★ জিনের মাধ্যমে বা পরিবেশগত কারণে একই প্রজাতির অন্তর্গত জীবদের মধ্যে বৈশিষ্ট্যের পার্থক্যকে বলে: প্রকরণ বা বৈচিত্র্য (Variation)
★ কোনো প্রজাতিভুক্ত জীবের DNA-এর গঠন পরিবর্তিত হওয়ার ফলে জিনের মধ্যে সংঘটিত পরিবর্তনকে বলে: মিউটেশন (Mutation)
★ মানুষের জিভ রোল করার বৈশিষ্ট্য সৃষ্টিকারী জিনটি যে ক্রোমোজোমে অবস্থান করে: অষ্টম জোড়া ক্রোমোজোম

মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান

‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’

 

★ বিপরীতধর্মী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বহনকারী যুগ্ম জিনকে বলে: অ্যালিল (Allele)
★ বংশগতির গঠনগত ও কার্যগত একক বা DNA-এর যে অংশ নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে বলে: জিন (Gene)
★ ক্রোমোজোমের যে নির্দিষ্ট অংশে একটি নির্দিষ্ট জিন অবস্থান করে, তাকে বলে: লোকাস (Locus)
★ একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একই প্রজাতিভুক্ত দুটি জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটানোকে বলে: একসংকর জনন (Monohybrid Cross)
★ দুইজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একই প্রজাতিভুক্ত দুটি জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটানোকে বলে: দ্বিসংকর জনন (Dihybrid Cross)

★ দুটি সমসংস্থ ক্রোমোজোমে একই গুণসম্পন্ন অ্যালিল থাকলে, সেই জীবকে বলে: সমসংকর জীব (Homozygous)
★ দুটি সমসংস্থ ক্রোমোজোমে দুটি বিপরীত গুণসম্পন্ন অ্যালিল থাকলে, সেই জীবকে বলে: বিষমসংকর জীব (Heterozygous)
★ একই প্রজাতিভুক্ত বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন দুটি জীবের মিলন ঘটানোকে বলে: সংকরায়ণ (Hybridization)
★ সংকরায়ণের জন্য প্রথম নির্বাচিত জীবকে বলে: জনিতৃ জনু (P Generation)
★ সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম অপত্য বংশে প্রাধান্যপ্রাপ্ত বা প্রকাশিত বৈশিষ্ট্যকে বলে: প্রকট বৈশিষ্ট্য (Dominant Trait)

★ সংকরায়ণের ফলে অপত্য বংশে সুপ্ত বা অপ্রকাশিত বৈশিষ্ট্যকে বলে: প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য (Recessive Trait)
★ জীবের বহিরাকৃতি লক্ষণ দ্বারা নির্ধারিত শ্রেণিকে বলে: ফিনোটাইপ (Phenotype)
★ জীবের জেনেটিক সংযুক্তির দ্বারা নির্ধারিত শ্রেণিকে বলেজিনোটাইপ (Genotype)
★ ইতর পরাগযোগ ঘটানোর জন্য উভলিঙ্গ ফুলের পুংকেশর কুঁড়ি অবস্থাতেই তুলে ফেলার ঘটনাকে বলে: ইমাসকুলেশন (Emasculation) —

★ মেন্ডেলের একসংকর জনন পরীক্ষার ফিনোটাইপিক অনুপাত হলো: 

৩:১ (3:1)
★ মেন্ডেলের একসংকর জনন পরীক্ষার জিনোটাইপিক অনুপাত হলো: ১:২:১ (1:2:1)
★ মেন্ডেলের দ্বিসংকর জনন পরীক্ষার ফিনোটাইপিক অনুপাত হলো: ৯:৩:৩:১ (9:3:3:1)
★ মেন্ডেলের দ্বিসংকর জনন পরীক্ষার জিনোটাইপিক অনুপাত হলো: ১:২:২:৪:১:২:১:২:১
★ মেন্ডেলের একসংকর জনন পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত প্রথম সূত্রটি হলো: পৃথকীভবন সূত্র বা পৃথকীকরণের সূত্র (Law of Segregation)

বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ

Class 10 অনুশীলনী (One Liner)

★ মেন্ডেলের দ্বিসংকর জনন পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত সূত্রটি হলো: স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র (Law of Independent Assortment)।
★ প্রকট জিনের সম্পূর্ণ প্রকাশ না ঘটে প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যবর্তী একটি মিশ্র বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটানোকে বলে: অসম্পূর্ণ প্রকটতা (Incomplete Dominance) [যেমন- সন্ধ্যামালতী, স্ন্যাপড্রাগন]।
★ অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে ফিনোটাইপিক ও জিনোটাইপিক অনুপাত সর্বদা সমান হয়, যা হলো: ১:২:১ (1:2:1)

★ মানুষের একটি কোশে অটোজোম ও সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা হলো: অটোজোম ৪৪টি (২২ জোড়া) এবং সেক্স ক্রোমোজোম ২টি (১ জোড়া)
★ জিনগত ত্রুটির ফলে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গিয়ে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয় যে বংশগত রোগে, তাকে বলে: থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia)
★ যে বংশগত রোগের জন্য আঘাতপ্রাপ্ত বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না, তাকে বলে: হিমোফিলিয়া (Hemophilia)
★ লাল-সবুজ বর্ণ চিনতে না পারার বংশগত রোগকে বলে: বর্ণান্ধতা (Color Blindness)

★ লাল বর্ণান্ধতা রোগকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে: প্রোটানোপিয়া (Protanopia)
★ সবুজ বর্ণান্ধতা রোগকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে: ডিউটেরানোপিয়া (Deuteranopia)
★ নীল বর্ণান্ধতা রোগকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে: ট্রাইটানোপিয়া (Tritanopia)
★ পরিবারের জিনগত রোগের ইতিহাস পর্যালোচনা করে ভবিষ্যৎ শিশুর জিনগত রোগের সম্ভাবনা নির্ণয় করাকে বলে: জেনেটিক কাউন্সেলিং (Genetic Counseling)
★ বংশগতির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়: বিজ্ঞানী গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে

ক্লাস 10 জীবন বিজ্ঞান

‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’

(তৃতীয় অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর 

Class 10 Life Science Chapter 3 Question Answer

১. মেন্ডেলের মটর গাছ নির্বাচনের কারণ ও সাফল্যের কারণ। ⭐⭐⭐

উত্তর: মটর গাছ নির্বাচনের কারণ: ১. বিপরীত বৈশিষ্ট্য: মটর গাছে সুস্পষ্ট অনেকগুলো বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্য (যেমন- লম্বা/বেঁটে, হলুদ/সবুজ বীজ) বর্তমান।
২. উভলিঙ্গ ফুল: ফুলগুলি উভলিঙ্গ হওয়ায় স্বপরাগযোগ ঘটানো সহজ, আবার ইমাসকুলেশন করে ইতর পরাগযোগও ঘটানো যায়।
৩. স্বল্প আয়ু: একবর্ষজীবী হওয়ায় খুব কম সময়ে কয়েক জনুর ফলাফল পাওয়া যায়।

সাফল্যের কারণ: ১. পৃথক বিশ্লেষণ: তিনি একসময়ে কেবল এক বা দুই জোড়া নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন।
২. গাণিতিক রেকর্ড: তিনি সমস্ত পরীক্ষার ফলাফল সঠিকভাবে গাণিতিক ও পরিসংখ্যানের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করেছিলেন।

৩. দ্বিসংকর জনন পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত সিদ্ধান্ত ও অনুপাত। ⭐⭐⭐

উত্তর: মেন্ডেল মটর গাচের হলুদ ও গোল বীজযুক্ত (YYRR) এবং সবুজ ও কুঞ্চিত বীজযুক্ত (yyrr) উদ্ভিদের মধ্যে শঙ্করায়ন ঘটিয়ে এই সিদ্ধান্তে আসেন:

ফেনোটাইপ অনুপাত: ৯ : ৩ : ৩ : ১ (হলুদ-গোল : হলুদ-কুঞ্চিত : সবুজ-গোল : সবুজ-কুঞ্চিত)।

জিনোটাইপ অনুপাত: ১:২:২:৪:১:২:১:২:১ (এটি সাধারণত মনে রাখার প্রয়োজন হয় না, তবে জেনে রাখা ভালো)।

সিদ্ধান্ত (স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র): দুই বা ততোধিক বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্য গ্যামেট গঠনের সময় কেবল পৃথক হয় না, বরং তারা স্বাধীনভাবে যেকোনো বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিশতে পারে।

৪. মেন্ডেলের সূত্র দুটি বিবৃত করো। ⭐⭐

উত্তর: পৃথকীভবন সূত্র (Law of Segregation): একসংকর জনন থেকে প্রাপ্ত। কোনো জীবের একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য জনু থেকে অপত্য জনুতে সঞ্চারিত হওয়ার সময় একত্রিত হলেও মিশ্রিত হয় না, বরং গ্যামেট গঠনকালে পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়।

স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র (Law of Independent Assortment): দ্বিসংকর জনন থেকে প্রাপ্ত। দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য গ্যামেট গঠনকালে কেবল পরস্পর থেকে পৃথকই হয় না, উপরন্তু প্রতিটি বৈশিষ্ট্য স্বাধীনভাবে যেকোনো বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্ভাব্য সকল প্রকার সমন্বয়ে সঞ্চারিত হয়।

৫. অসম্পূর্ণ প্রকটতা (অনুপাত ও ব্যাখ্যা)। ⭐⭐⭐

উত্তর: সন্ধ্যামালতী ফুলে লাল (RR) ও সাদা (rr) ফুলের ইতর পরাগযোগে F1 জনুতে লাল বা সাদা কোনোটিই প্রকাশ পায় না, বরং মধ্যবর্তী গোলাপী (Rr) বর্ণ প্রকাশ পায়। একে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলে।

অনুপাত: F2 জনুতে ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপ উভয় অনুপাতই হয় ১ : ২ : ১ (লাল : গোলাপী : সাদা)। 

রেখাচিত্র: লাল ফুল (RR) x সাদা ফুল (rr) ↓ গোলাপী ফুল (Rr) [F1 জনু]

৬. মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি (ক্রসসহ)। ⭐⭐⭐

উত্তর: মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে পিতার ভূমিকা প্রধান।

  • পিতার সেক্স ক্রোমোজোম XY (হেটারোগ্যামেটিক) এবং মাতার XX (হোমোগ্যামেটিক)।

  • পিতার Y-ক্রোমোজোমযুক্ত শুক্রাণু (Androsperm) যদি মাতার ডিম্বাণুকে (X) নিষিক্ত করে, তবে পুত্র সন্তান (XY) হয়।

  • পিতার X-ক্রোমোজোমযুক্ত শুক্রাণু (Gynosperm) যদি ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তবে কন্যা সন্তান (XX) হয়।

  • অর্থাৎ, পুত্র বা কন্যা হওয়ার সম্ভাবনা ৫০-৫০% এবং তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে পিতার শুক্রাণুর ওপর।

৭. স্ত্রীদেহকে হোমোগ্যামেটিক ও পুরুষদেহকে হেটারোগ্যামেটিক বলা হয় কেন

উত্তর: স্ত্রীলোকেরা একই ধরণের সেক্স ক্রোমোজোম (XX) বহন করে এবং কেবল এক ধরণের ডিম্বাণু (22A + X) উৎপাদন করে, তাই এরা হোমোগ্যামেটিক

পুরুষেরা ভিন্ন ধরণের সেক্স ক্রোমোজোম (XY) বহন করে এবং দুই ধরণের শুক্রাণু (22A + X এবং 22A + Y) উৎপাদন করে, তাই এরা হেটারোগ্যামেটিক

৮. থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ, কারণ ও দূর করার উপায়। ⭐⭐⭐

উত্তর: কারণ: এটি একটি অটোজোম বাহিত প্রচ্ছন্ন জিনঘটিত রোগ। হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন চেইন (আলফা বা বিটা) ঠিকমতো তৈরি হয় না।

লক্ষণ: ১) তীব্র অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা, ২) যকৃৎ ও প্লীহার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি (Splenomegaly), ৩) কালচে মূত্র এবং দেহে লোহা জমে যাওয়া।

দূর করার উপায়: ১) বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা বা কুষ্ঠি বিচার করা, ২) জেনেটিক কাউন্সিলিং-এর মাধ্যমে বাহক নির্ণয় করা।

৯. জেনেটিক কাউন্সিলিং-এর গুরুত্ব। ⭐⭐⭐

উত্তর: জেনেটিক কাউন্সিলিং-এর গুরুত্ব গুলি নিচে আলোচনা করা হল –

১. বংশগত রোগ প্রতিরোধ: বিয়ের আগে হবু দম্পতি থ্যালাসেমিয়া বা অন্য কোনো জীনগত রোগের বাহক কি না তা নির্ণয় করা যায়।

২. ঝুঁকি নির্ণয়: পরিবারে কোনো জীনগত রোগ থাকলে ভবিষ্যৎ সন্তানের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু, তা জানা যায়।

৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণ: ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা বজায় রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

১০. হিমোফিলিয়া ও বর্ণান্ধতা কেন পুরুষদের বেশি হয়⭐⭐

উত্তর: হিমোফিলিয়া ও বর্ণান্ধতা হলো X-ক্রোমোজোম বাহিত প্রচ্ছন্ন রোগ।

  • পুরুষদের মাত্র একটি X ক্রোমোজোম থাকে (XY)। তাই সেই X ক্রোমোজোমে রোগের জিন থাকলেই পুরুষটি আক্রান্ত হয় (প্রকাশ পায়)।

  • মহিলাদের দুটি X ক্রোমোজোম থাকে (XX)। একটিতে রোগের জিন থাকলেও অন্য সুস্থ X জিনটি তাকে ঢেকে দেয় (প্রচ্ছন্ন থাকে), ফলে মহিলারা সাধারণত ‘বাহক’ হয়। শুধুমাত্র দুটি X ক্রোমোজোমই আক্রান্ত হলে তবেই মহিলারা রোগী হয়, যা বিরল।

১১. বাবা ও মা থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তানের সম্ভাবনা কত? ⭐⭐⭐

উত্তর: ধরি, থ্যালাসেমিয়ার স্বাভাবিক জিন = R (প্রকট) এবং থ্যালাসেমিয়ার রোগাক্রান্ত জিন = r (প্রচ্ছন্ন)

  • বাবা বাহক (Rr) x মা বাহক (Rr)

চেকার বোর্ড:

গ্যামেট

R (মাতা)

r (পিতা)

R (মাতা)

RR (সম্পূর্ণ সুস্থ)

Rr (সুস্থ কিন্তু রোগের বাহক)

r (মাতা)

Rr (সুস্থ কিন্তু রোগের বাহক)

rr (থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত)

ফলাফল ও সম্ভাবনা: ১. সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান = ২৫% ২. থ্যালাসেমিয়ার বাহক সন্তান = ৫০% ৩. থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সন্তান = ২৫%

আজকের এই পোস্টে দশম শ্রেণির জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ’ থেকে বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওয়ান-লাইনার (One-liner) শেয়ার করা হল। এখানে প্রতিটি পয়েন্ট খুব সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যাতে  MCQ এবং SAQ—সব ধরনের শর্ট প্রশ্নের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে।

**************************************

 SOURCE-EDT

©kamaleshforeducation.in(2023)

 

error: Content is protected !!
Scroll to Top