CLASS VII IST UNIT TEST-GEOGRAPHY

Class 7 Geography First Unit Test Question 

সপ্তম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টের ভূগোল বিষয়ের প্রশ্নপত্র 

 সপ্তম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টের ভূগোল বিষয়ের প্রশ্নপত্র  নিচে দেওয়া হলো। 

  Class 7 Geography First Unit Test Question –

সপ্তম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টের ভূগোল বিষয়ের প্রশ্নপত্র 

 বহুবিকল্পভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ, Very Short, Short,  Descriptive Question and Answer) গুলি আগামী সপ্তম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টে ভূগোল ২০২৪ পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।  যারা  – সপ্তম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টের ভূগোল বিষয়ের প্রশ্নপত্র ২০২৪ প্রশ্ন ও উত্তর খুঁজে চলেছে, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারে। 

 Class Seven Geography 1st Unit Test 

সপ্তম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টের ভূগোল বিষয়ের প্রশ্নপত্র 

 

এখানে সপ্তম শ্রেণীর প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের জন্য ভূগোল বিষয় থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন দেওয়া হল।

সেইসাথে একটি নমুনা মডেল প্রশ্নপত্রও দেওয়া হয়েছে।

শ্রেণী (Class) পশ্চিমবঙ্গ সপ্তম শ্রেণী (West Bengal Class 7th)
পরীক্ষা (Exam) প্রথম ইউনিট টেস্ট  (1st / First Unit Test )
বিষয় (Subject) ভূগোল (Geography)
পূর্ণমান (Marks) ১৫ নম্বর (15 Mark)
সময় (Time) ৩০ মিনিট (30 Minute)
সিলেবাস (Syllabus)
পৃথিবীর গতি
ভূপৃষ্ঠে কোন স্থানের অবস্থান নির্ণয়
বায়ুচাপ
এশিয়া মহাদেশ

(A) বন্ধনী থেকে সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো। 1×3=3

  1. ইরাকের একটি তৈলখনি হল—(ঘাওয়ার/কিরকুক/সাফানিয়া/ওমর)।

Ans: কিরকুক

  1. অপসূর অবস্থান উত্তর গোলার্ধে (শীত/গ্রীষ্ম/শরৎ/বসন্ত) ঋতুতে হয়।

Ans: গ্রীষ্ম ঋতুতে হয়।

  1. ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমার মান হল- (88°30 পূর্ব/82°30 পূর্ব/82°30 পশ্চিম/84°30 পূর্ব)।

Ans: 82°30 পূর্ব

(B) নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও। 1×2=2

  1. কোন্ অক্ষরেখার কাছাকাছি পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি?

Ans: নিরক্ষরেখার কাছাকাছি পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি।

অথবা, বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম লেখো।

Ans: বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার।

  1. এশিয়ার কোন্ নদীকে ‘পীত নদী’ বলা হয়?

Ans: এশিয়ার হোয়াংহো নদীকে ‘পীত নদী’ বলা হয়।

অথবা, কাকে ‘চিনের ধানের গোলা’ বলা হয় ?

Ans: হুনান প্রদেশকে ‘চিনের ধানের গোলা’ বলা হয়।

(C) অনধিক ৩০ শব্দে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। 2×1=2

  1. ‘মধ্যরাত্রির সূর্যের দেশ’ কাকে বলে?

Ans: উত্তর গোলার্ধে মার্চ থেকে জুলাই এই সময়ে কানাডা, আলাস্কা, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, আইসল্যান্ড-এর অনেক জায়গা থেকে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গভীর রাতে দিগন্তরেখায় সূর্যকে দেখা যায়। তাই এই অঞ্চলকে মধ্যরাত্রির সূর্যের দেশ বলে। ইউরোপের নরওয়ের উত্তরে হ্যামারফেস্ট বন্দরে মে মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সূর্যকে রাতের বেলায় স্পষ্ট দেখা যায়।

  1. 29 ফেব্রুয়ারি তারিখটা প্রতি বছর ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় না কেন ?

Ans: ফেব্রুয়ারি মাস সাধারণত 28 দিনের হয়ে থাকে।  কিন্তু প্রতি চার বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের দিন সংখ্যা একদিন বাড়িয়ে 29 দিন করা হয়। কারণ সূর্যের চারিদিকে পৃথিবী ঘুরতে সময় নেয় 365 দিন 6 ঘন্টা। সেই হিসেবে প্রত্যেক চার বছর পর 24 ঘন্টা অর্থাৎ একদিন অতিরিক্ত থেকে যায়। সেই দিনটি যুক্ত করা হয় ফেব্রুয়ারি মাসের সঙ্গে।

(D) অনধিক ৫০ শব্দে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। 3×1=3

  1. ভূমির উচ্চতা ও বায়ুচাপের মধ্যে সম্পর্ক কী?

Ans: ভূমির উচ্চতা ও বায়ুচাপের মধ্যে সম্পর্কঃ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বল ও বায়ুস্তরের প্রবল চাপে ও ভারে বায়ুর অণুগুলি ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বেশি পরিমাণে ঘনভাবে থাকায় বায়ুর চাপ সবথেকে বেশি। ভূমির উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব কমে ও বায়ুর চাপ হ্রাস পায়। প্ৰতি 110 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে বায়ুর চাপ 1 সেমি হারে কমে। আবার প্রতি 300 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে বায়ুর চাপ 34 মিলিবার হারে কমতে থাকে। যার জন্য পর্বতারোহীরা অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে যান।

  1. সমচাপরেখার তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

Ans: সমচাপরেখার বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

[a] এতে বায়ুচাপের পরিমাণ সমুদ্রতলের বায়ুচাপের সাপেক্ষে হিসাব করা হয়।

[b] বায়ুচাপকে মিলিবার (mb) এককে দেখানো হয়। পৃথিবীতে সাধারণত বায়ুচাপ 980 mb থেকে 1050mb দেখা গেছে।

[c] সমচাপরেখাগুলি পরস্পরকে স্পর্শ করে না।

[d] সমচাপরেখাগুলি পরস্পরের খুব কাছে চলে এলে, বায়ুচাপের পার্থক্য বেশি হয় এবং ঝড়ের সম্ভাবনা থাকে কিন্তু রেখাগুলি দূরে দূরে থাকলে আবহাওয়া শান্ত থাকে।

(E) অনধিক ৮০ শব্দে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও।

 5×1= 5

  1. টোকিয়ো শিল্পাঞ্চলের সমস্যাগুলি কী কী ?

Ans: টোকিয়ো শিল্পাঞ্চলের সমস্যাগুলি হল-

[a] টোকিয়ো জাপানের রাজধানী, বিশ্বের বৃহত্তম জনবহুল শহর ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র।

অত্যধিক জনবহুলতার কারণে এখানে নতুন শিল্প স্থাপনে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

[b] জমির অপ্রতুলতা শিল্পের সম্প্রসারণ ও শিল্পকেন্দ্র স্থাপনের অন্তরায়।

[c] টোকিয়ো শহর ঘনবসতিপূর্ণ বলে পরিবহণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দেখা যায়।

[d] পূর্বে স্থাপিত কলকারখানা থেকে পরিবেশ এত বেশি দূষিত হয় যে নতুন শিল্প স্থাপন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

[e] জাপান অধিকাংশ শিল্প কাঁচামাল ও খনিজ আকরিক বিদেশ থেকে আমদানি করে।

তাই কাঁচামালের পরিবহণ ব্যয় অত্যন্ত বেশি এবং বিদেশের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ।

  1. ইয়াংসি নদী অববাহিকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণগুলি আলোচনা করো।

Ans: ইয়াংসি অববাহিকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণগুলি হলো—

[a] অঞ্চলটি একটি বিস্তীর্ণ সমতলভূমি হওয়ায় জীবনধারণের জন্য আদর্শ।

[b] এই অববাহিকাটি উর্বর ও নবীন পলিমাটি দ্বারা তৈরি বলে কৃষিসমৃদ্ধ অঞ্চল।

[c] মনোরম জলবায়ু কৃষি ও শিল্পোন্নতিতে বিশেষভাবে সাহায্য করেছে।

[d] খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য, শিল্পের বিকাশ ও জনবহুলতা অঞ্চলটিকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করে তুলেছে।

[e] অভ্যন্তরীণ নদীপথ, বন্দরের সুবিধা, উন্নত পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণ।

Set – 2

(A) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো: (3 × 1 = 3)

  1. অক্ষরেখার পরিধি মেরুর দিকে ক্রমশ-বাড়তে থাকে / কমতে থাকে / একই থাকে।
  1. ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা হলো-82°30′ পূর্ব / 82°30′ পশ্চিম / 82°30′ উত্তর / 82°30′ দক্ষিণ।
  1. উত্তর গোলার্ধে ‘মহাবিষুব’ বলা হয়- ২১ জুন / ২৩ সেপ্টেম্বর / ২১ মার্চ
  2. স্বর্ণরেণুর নদী বলা হয়- ইয়াংসি নদীকে / মেকং নদীকে / হোয়াংহো নদীকে।
  3. ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারী মাসের দিন সংখ্যা ছিল- ২৮ দিন / ২৯ দিন / ৩০ দিন।
  4. লেনা নদীর উৎস- বৈকাল পর্বত / আলতাই পর্বত / সায়ান পর্বত।
  5. 21 শে জুন তারিখটিকে বলে-মহাবিষুব / জলবিষুব / কর্কটসংক্রান্তি

(B) শুন্যস্থান পূরণ করো: (3 × 1 = 3)

  1. মধ্যরাত্রির সূর্যের দেশ বলা হয়  নরওয়েকে ।
  2. প্রতি সেকেন্ডে মুক্তিবেগের মান ১১.২ কি. মি.
  3. 82.5° পূ দ্রাঘিমাংশকে দ্রাঘিমারেখার স্থানীয় সময়কে সারা ভারতে প্রমাণ সময় হিসেবে ধরা হয়।
  4. বায়ুচাপের পার্থক্য বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ।
  5. যে বছরটি 366 দিনের হয় তাকে বলে লিপিয়ার বা অধিবর্ষ  .
  6. দ্রাঘিমারেখার সর্বোচ্চ মান ১৮০°

 

(C) যেকোনো দুটি প্রশ্নের অতিসংক্ষিপ্ত উত্তর দাও: (2 × 2 = 4)

  1. মুক্তিবেগ বলতে কী বোঝো?

       উত্তর: মুক্তিবেগ (ইংরেজিঃ Escape velocity) বলতে এমন একটি বেগকে বুঝানো হয় মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রে যে মানের বেগে নিক্ষিপ্ত কোন বস্তুর গতিশক্তি ও মহাকর্ষীয় বিভবশক্তির                 সমষ্টি শুন্য হয়। মুক্তিবেগে কোন বস্তুকে কোন মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র থেকে শুন্যে ছুড়ে দেয়া হলে তা আর ঐ মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রে ফিরে আসে না।

  1. ‘বিষুব’ কথার অর্থ কী?

উত্তর: বিষুব শব্দটি ইংরেজি Equinox এর পারিভাষিক শব্দ। Equinox শব্দটি ল্যাটিন aequinoctium ( aequus + nox) থেকে এসেছে। ল্যাটিনে aequus অর্থ সমান এবং nox অর্থ রাত।      ব্যুৎপত্তিগতভাবে equinox অর্থ সমান রাত অর্থাৎ এদিন পৃথিবীতে দিন-রাত সমান।

  1. ‘পৃথিবীর ছাদ’ কাকে বলে?

        উত্তর: তিব্বত মালভূমি (পামির মালভূমি) বিশ্বের ছাদ হিসাবে পরিচিত। অনেক উচ্চতায় অবস্থিত বলে একে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়। এটি পামির পর্বত নামেও পরিচিত।      এটি তিয়ান শান, কারাকোরাম, কুনলুন এবং হিন্দুকুশ পর্বতমালার সাথে হিমালয়ের সংযোগস্থল।

  1. এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম কী?

    উত্তর: চীনের ইয়াংজি নদী এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী। পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘতম নদী হল ইউফ্রেটিস। মেকং পৃথিবীর দ্বাদশ দীর্ঘতম নদী এবং এশিয়ার সপ্তম দীর্ঘতম নদী।

  1. দাক্ষিণাত্য মালভুমি কোন দেশে অবস্থিত?

  উত্তর: দাক্ষিণাত্য মালভূমি (অন্যান্য নাম ডেকান ও দক্ষিণাপথ) হলো ভারতে অবস্থিত পশ্চিমঘাট ও পূর্বঘাট পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত এক বিশালাকার মালভূমি। ভারতের                   দক্ষিণভাগের অধিকাংশ অঞ্চল এই মালভূমির অন্তর্গত।

  1. চান্দ্রমাস কী?

       উত্তর: চন্দ্র ১২টি রাশি ও ২৭টি নক্ষত্রকে অতিক্রম করতে সময় নেয় মোট ২৭ দিন। এই সময়কে বলা হয় চান্দ্রমাস। অন্য বিচারে একটি পূর্ণিমা থেকে অপর পূর্ণিমার পূর্বদিন পর্যন্ত ১  চান্দ্র মাস বিবেচনা করা হয়। প্রতিটি চান্দ্রমাসকে ৩০টি ভাগে ভাগ করা হয়।

  1. বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম কী?

      উত্তর: যে যন্ত্র দিয়ে বাতাসের চাপ মাপা হয় সে যন্ত্রকে বলা হয় ব্যারোমিটার

  1. ২১ জুন থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সূর্যের দক্ষিণমুখী আপাতগতিকে কী বলা হয়?

    উত্তর: 21 জুন থেকে 22 ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাস ধরে সূর্যের দক্ষিণমুখী আপাতগতিকে দক্ষিণায়ন বলে।

  1. কবে বড়দিন পালন করা হয়?

      উত্তর: বড়দিন বা খ্রিস্টমাস বা ক্রিসমাস একটি বাৎসরিক  উৎসব  ২৫ ডিসেম্বর তারিখে  পালিত হয়।

  1. যেকোনো জায়গার অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা জানবার অত্যাধুনিক ব্যবস্থার নাম কী

      উত্তর: : GPS হল পৃথিবীর যে কোনো জায়গার অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা জানার একটি অত্যাধুনিক ব্যবস্থা।

  1. প্রমাণ সময় কাকে বলে?

    উত্তর: স্ট্যান্ডার্ড টাইম বা প্রমাণ সময় হল স্থানীয় গড় সময় প্রতিষ্ঠার একটি পদ্ধতি যাতে সৌর সময় বা স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত মধ্যরেখা ব্যবহার না করে কোনও ভৌগোলিক অঞ্চল বা  অঞ্চলের একক সময়ের মানের সাথে সেই অঞ্চলের সমস্ত সময়মাপক যন্ত্র ও ঘড়িগুলির একত্রীকরণ।

  1. GPS কী?
  • উত্তর: GPS কে “Global Positioning System”ও বলা হয়। এটি একটি Global navigation satellite system যা আমাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বলতে পারে। অবস্থানের পাশাপাশি, GPS এর মাধ্যমে আমরা বেগ এবং সময় সমন্বয় সম্পর্কেও জানতে পারি। সহজভাবে বলতে গেলে, স্যাটেলাইটের সাহায্যে একটি জিপিএস সিস্টেম পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে আমাদের দূরত্ব, দিক বা ঠিকানা দেখাতে পারে। আজকাল একটি GPS সিস্টেম অনেক কিছু নিয়ে গঠিত হতে পারে।

 

(D)যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: (1 × 5 = 5)

  1. অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার পাঁচটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর:-অক্ষরেখা  দ্রাঘিমারেখার পার্থক্য:
1. বিস্তৃতি:
অক্ষরেখা: অক্ষরেখাগুলি পৃথিবীর পূর্বপশ্চিম এর বিস্তৃত।
দ্রাঘিমারেখা: দ্রাঘিমারেখাগুলি পৃথিবীর উত্তরদক্ষিণে বিস্তৃত

2. আকৃতি:
অক্ষরেখা: অক্ষরেখা গুলি হয় পূর্ণবৃত্ত
দ্রাঘিমারেখা: দ্রাঘিমা রেখা গুলি হয় অর্ধবৃত্ত

3. দৈর্ঘ্য:
অক্ষরেখা: নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর  দক্ষিণে দৈর্ঘ্য কমতে থাকে
দ্রাঘিমারেখা: প্রতিটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান

4. সংখ্যা:
অক্ষরেখা1 ডিগ্রি অন্তর মোট 179 টি অক্ষরেখা রয়েছে
দ্রাঘিমারেখা: 1 ডিগ্রি অন্তর মোট 180 টি দ্রাঘিমা রেখা রয়েছে

5. কেন্দ্রবিন্দু:
অক্ষরেখা: প্রত্যেকটি অক্ষরেখার কেন্দ্রবিন্দু আলাদা
দ্রাঘিমারেখাপৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু হয় প্রত্যেকটা দ্রাঘিমা রেখার কেন্দ্রবিন্দু

2.টীকা লিখ: অপসূর ও অনুসূর অবস্থান।

 উত্তর:- অপসূর ও অনুসূর

পৃথিবী নিজের মেরুদণ্ডের ওপর অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষের একটি নাভিতে সূর্য অবস্থান করছে। এরফলে সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব সবসময় সমান থাকে না। বছরের একসময় পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব ক্রমশ বাড়তে থাকে, আর এক সময় এই দূরত্ব ক্রমশ কমতে থাকে।

৪ঠা জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়, প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিলোমিটার। একে পৃথিবীর অপসূর অবস্থান বলে। অপসূর অবস্থানের পর থেকে পৃথিবী সূর্যের ক্রমশ কাছে আসত কে এবং অনুসুরের দিন ওই দূরত্ব সবচেয়ে কম হয়। গ্রীষ্মকালে অপসূর অবস্থানের জন্য সূর্যকে ছোট দেখায়।

 3.সমচাপরেখা কাকে বলে? এর দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ।

 উত্তর:সমাপরেখা বা সমপ্রেষরেখা: বছরের কোনাে নির্দিষ্ট সময়ে। ভূপৃষ্ঠের সমচাপযুক্ত স্থানগুলিকে (উচ্চস্থানের বায়ুর চাপকে সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুর চাপে পরিবর্তিত করে) মানচিত্রে যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়, তাকে সমচাপরেখা বা সমপ্রেষরেখা বলে।
বৈশিষ্ট্য: 1) উষ্ণতার সঙ্গে বায়ুচাপের সম্পর্ক গভীর বলে বহুক্ষেত্রে সমচাপরেখাগুলি অক্ষরেখার সমান্তরালে বিস্তৃত হয়। 

2) সমচাপরেখাগুলি যদি দূরে দূরে অবস্থান করে তাহলে আবহাওয়ার শান্ত অবস্থা বােঝায় এবং রেখাগুলি যদি কাছাকাছি চক্রাকারে অবস্থান করে তাহলে ঝড় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 3) যদি সমচাপরেখাগলি চক্রাকারে অবস্থান করে, তবে তাকে বায়ুচাপের কোশ বা বায়চাপ কক্ষ বলে।

 4) জানুয়ারি ও জুলাই যথাক্রমে শীতলতম ও উম্নতম মাস বলে মানচিত্রে সাধারণত এই দুই মাসের সমচাপরেখা অঙ্কন করা হয়।

 

4.অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার বৈশিষ্ট্যগুলি তুলনা করো।

উত্তরঃ  -অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার বৈশিষ্ট্য লেখাে।
  
অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা:
বিষুবরেখার মতাে উত্তরে ও দক্ষিণে 1 ডিগ্রি (1°) ব্যবধানে 89টি বৃত্তাকার রেখা কল্পনা করা হয়েছে। এরাও ভূমণ্ডলকে বিষুবরেখার মতাে পূর্ব- পশ্চিমে বেষ্টন করেছে। এদের বলা হয় অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা। এরা প্রত্যেকেই এক-একটি পূর্ণ বৃত্ত। এই রেখাগুলি বিষুবরেখার সঙ্গে সমান্তরাল।
অক্ষরেখার বৈশিষ্ট্যগুলি হল-
(ক) অক্ষরেখাগুলি পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে আছে।
(খ) একই অক্ষরেখায় অবস্থান করা কোনাে স্থান নিরক্ষরেখা থেকে দূরত্ব সব সময় একই হয়।
(গ) অক্ষরেখার মধ্যে নিরক্ষরেখা সবচেয়ে বড় হওয়ায় নিরক্ষরেখাকে মহাবৃত্ত বলে।
(ঘ) অক্ষরেখাগুলির সর্বত্র সূর্যোদয়, মধ্যাহ্ন ও সূর্যাস্ত একই সময়ে হয় না।
(ঙ) একই অক্ষরেখায় অবস্থান করা দেশগুলির দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি, জলবায়ু একই রকমের হয়।
 দ্রাঘিমা রেখার বৈশিষ্ট্যগুলি হল-
(ক) দ্রাঘিমারেখাগুলি পরস্পর অর্ধবৃত্ত ও অসমান্তরাল।
(খ) দ্রাঘিমারেখাগুলি উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত।
(গ) মূলমধ্যরেখা থেকে পূর্ব-পশ্চিমে দ্রাঘিমারেখার মান ক্রমশ বাড়তে থাকে।
(ঘ) একই দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত নানা স্থানে সূর্যোদয়, মধ্যাহ্ন, সূর্যাস্ত একই সময়ে হয়। অর্থাৎ স্থানীয় সময় এক হয়।
(ঙ) সব দ্রাঘিমারেখার পরিধি একই।

 5.এশিয়াকে চরম বৈশিষ্ট্যের মহাদেশ বলা হয় কেন?

উঃ। আয়তন, প্রাকৃতিক পরিবেশ ইত্যাদি দিক দিয়ে এশিয়া এক বৈচিত্র্যময় মহাদেশ। 

(i) ভূ-তাত্ত্বিক বৈচিত্র্য : প্রাচীন ভূখণ্ড আঙ্গারাল্যান্ড ও গন্ডোয়ানাল্যান্ড যেমন আছে, তেমনি নবীন হিমালয় পর্বতের অবস্থানও এই মহাদেশে দেখা যায়।

(ii) ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য : এই মহাদেশে একদিকে পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট রয়েছে, অন্যদিকে পৃথিবীর নিম্নতম হ্রদ মরুসাগরও আছে। সামুদ্রিক অংশে পৃথিবীর নিম্নতম স্থান মারিয়ানা সমুদ্রখাত আছে।

(iii) নদ-নদী ও হ্রদের বৈচিত্র্য : বরফগলা জলে পুষ্ট দীর্ঘ নদীর মতো অতি ক্ষুদ্র নদীও এই মহাদেশে দেখতে পাওয়া যায়। স্বাদু জলের হ্রদ উলার যেমন আছে, তেমনই লবণাক্ত জলের হ্রদও আছে। 

(iv) জলবায়ুগত বৈচিত্র্য : পৃথিবীর শীতলতম স্থান ঐমিয়াকন ও অন্যতম শীতলতম স্থান ভারখয়ানস্ক যেমন আছে, তেমনই উন্নতম স্থান জেকোবাবাদ রয়েছে।

(v) স্বাভাবিক উদ্ভিদের বৈচিত্র্য : এই মহাদেশেই পৃথিবীর বৃহত্তম বনভূমি তৈগার সাথে উদ্ভিদশূন্য মরুপ্রান্তরও রয়েছে।

(vi) জনবসতি অঞ্চলের বৈচিত্র্য : পৃথিবীর সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, তেমনই সাইবেরিয়া জনশূন্য অঞ্চল। এছাড়া বিভিন্ন অধিবাসীদের ধর্মের, জীবনযাত্রা প্রণালীর মধ্যেও অনেক বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। তাই বিশাল এই এশিয়া মহাদেশকে বৈচিত্র্যময় দেশ বলা হয়।

6.চিত্রসহ পৃথিবীর অপসূর ও অনুসূর অবস্থান লেখো।

 

 পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব:

 

সূর্য উপবৃত্তাকার কক্ষপথের একটি নাভিতে অবস্থিত, ফলে বছরের সব সময় পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব সমান থাকে না। গড়ে এদের মধ্যে 14 কোটি 90 লক্ষ কিমি ব্যবধান থাকে।

অপসূর অবস্থান:

4ঠা জুলাই পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব সবচেয়ে বেশি, প্রায় 15 কোটি 20 লক্ষ কিমি হয়। একে পৃথিবীর অপসূর অবস্থান বলে। এই সময় সূর্য পৃথিবী থেকে দুরে থাকে বলে সূর্যকে ছোটো দেখায় এবং পৃথিবীর পরিক্রমণ বেগ কমে যায়। এই সময় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকে।

অনুসূর অবস্থান:

3 রা জানুয়ারি পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব সবচেয়ে কম হয়, অর্থাৎ প্রায় 14 কোটি 70 লক্ষ কিমি হয়। একে পৃথিবীর অনুসূর অবস্থান বলে। এই সময় সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব কম থাকে বলে পৃথিবীর পরিক্রমণ বেগ বেড়ে যায়। ফলে দঃ মেরুর চেয়ে উঃ মেরুতে সূর্যকে টানা 9 দিন বেশি দেখা যায় এবং ওই সময় উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে।

 

kamaleshforeducation.in(2023)  

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *